ঢাকা ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
বিদেশি বিনিয়োগে অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করবে সরকার: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী সাতকানিয়ায় বন্যায় ১০০ কোটি টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি চা-শিল্পের সংকট ও টেকসই উন্নয়নের পথ নাগেশ্বরীতে এইচএসসিতে ধার করা ট্যাগ অফিসারে পরীক্ষা! হাসপাতালের নিকৃষ্ট সিন্ডিকেট নির্মূল করুন ডিজিটাল জুয়ার মরণফাঁদ মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, হত্যাযজ্ঞ এবং ট্রাম্পের হাসি ফরিদপুরে বৃষ্টির মধ্যে গাছের নিচে আশ্রয়, বজ্রপাতে নিহত ১ ১৫ হাসপাতালে হেমাটোলজি মেশিন দিল 'ইজিমেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড' বন্যার্তদের পাশে তৌসিফ, দিলেন আর্থিক সহায়তা বদ্বীপ থেকে ডিজিটাল ক্যানভাস: বাংলাদেশি লোকশিল্পের রূপান্তর স্পেন জাতীয় ফুটবল দলকে কেন বলা হয় ‘লা রোজা’? ম্যাচ বিরতিতে বারবার কুলকুচি কেন করেন ফুটবলাররা? জাহিদ হাসানের ‘পথহারা মন’ ধোলাইখালে সড়ক ধসে যান চলাচল বন্ধ ডাকসুর ভিপিসহ ছাত্রশিবির ছাড়লেন কেন্দ্রীয় ৯ নেতা ফ্রান্সকে কেন লে ব্লুজ বলা হয়? ইংল্যান্ড–আর্জেন্টিনা সেমিফাইনাল ঘিরে আটলান্টায় কঠোর নিরাপত্তা জয়পুরহাটে মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় বৃদ্ধের মৃত্যুদণ্ড মাইকেল অলিভার ও অ্যান্টনি টেলর কেনো আর ম্যাচ পরিচালনা করতে পারবেন না? বন্যাদুর্গত ১১ জেলার চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিতে চাকরির সুযোগ প্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাস অধ্যায়ের ১০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির জীববিজ্ঞান ২য় পত্র কোকা-কোলা বাংলাদেশে ফ্রন্ট লাইন মার্কেটিং পরিচালক লায়লা ফারজানা দেওয়ানগঞ্জে নদীভাঙন কবলিত পরিবারকে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ বন্দি বিনিময় চুক্তিতে শেখ হাসিনাকে ফেরানোর কাজ চলছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ফরিদপুরে ফ্ল্যাটে অচেতন হয়ে নিঃসঙ্গ ব্যক্তির মৃত্যু জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় সংস্কারে আইএমএফ সম্মত হয়েছে: অর্থমন্ত্রী লালদিয়াচর টার্মিনালের চুক্তি বাতিল বা পুনঃচুক্তি হবে না: নৌপরিবহনমন্ত্রী ইউএনও পরিচয়ে ফোন করে চাওয়া হচ্ছে বন্যার্তদের তালিকা, সতর্ক থাকার আহ্বান

কুমিল্লায় এসএসসি পরীক্ষার্থীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, আটক ২

প্রকাশ: ২২ মার্চ ২০২৫, ১১:৫২ এএম
আপডেট: ২২ মার্চ ২০২৫, ১২:২২ পিএম
কুমিল্লায় এসএসসি পরীক্ষার্থীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, আটক ২
সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে আটক ২ যুবক। ছবি: খবরের কাগজ

কুমিল্লার চান্দিনায় এক এসএসসি পরীক্ষার্থীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে দুই যুবককে আটক করা হয়েছে।

শুক্রবার (২১ মার্চ)  সকালে ভুক্তভোগী ছাত্রী বাদী হয়ে দুই যুবকের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও চারজনকে আসামি করে চান্দিনা থানায় একটি মামলা করেছেন।

এর আগে বুধবার (১৯ মার্চ) বিকেলে চান্দিনা ও কচুয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা কৈলাইন বাজারে বন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে এসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয় সে।

আটকরা হলেন- কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার জোয়াগ ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামের মো. সোয়েব ও একই ইউনিয়নের নলুয়া গ্রামের রতন চন্দ্র সরকার।

ভুক্তভোগী ছাত্রী চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার বাসিন্দা। সে কচুয়া উপজেলার একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী। 

ভুক্তভোগী ছাত্রী বলে, বুধবার সন্ধ্যার পর বন্ধুর সঙ্গে দেখা করে অটোরিকশাযোগে বাড়ি ফেরার পথে ৫-৬ জন যুবক অটোরিকশাটি থামিয়ে চালক ও আমাকে চরথাপ্পড় দিয়ে টেনেহিঁচড়ে জমির মধ্যে একটি শ্যালোমেশিনের ঘরে নিয়ে গিয়ে অটোরিকশাচালকের হাত-পা বেঁধে পাঁচ যুবক আমাকে ধর্ষণ করে। পরে তারা আমাদের সেখানে ফেলে রেখে চলে যায়। অনেকক্ষণ পর আমি জ্ঞান ফিরে পেয়ে অটোরিকশাচালকের হাত-পায়ের বাঁধন খুলে দিলে তিনি আমাকে বাড়িতে পৌঁছে দেন। পরদিন (২০ মার্চ) সন্ধ্যায় আমি ওই অটোরিকশা নিয়ে আবারও কৈলাইন বাজারে এসে দুই ধর্ষককে চিনতে পেরে তাৎক্ষণিক ঘটনাটি বাজারে উপস্থিত কয়েকজনকে জানালে জনগণ তাদেরকে আটক করেন।

পরে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি পুলিশকে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাদের আটক করে।

চান্দিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ উল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত দুই যুবককে তাৎক্ষণিক আটক করা হয়। পরদিন ভুক্তভোগী বাদী হয়ে মামলা করার পর অভিযুক্তদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাকিদের গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত আছে।

লিটন/মেহেদী/

সাতকানিয়ায় বন্যায় ১০০ কোটি টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫২ পিএম
সাতকানিয়ায় বন্যায় ১০০ কোটি টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক। ছবি: খবরের কাগজ

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সাঙ্গু ও ডলু নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে লোকালয়ে প্রবেশ করায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। প্রায় ৫ দিন পর বন্যার এই পানি কমতে শুরু করেছে, তবে পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বন্যার ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির চিত্র ফুটে উঠছে। প্রাথমিক হিসেব অনুযায়ী এ বন্যায় সাতকানিয়ায় প্রায় ১০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

উপজেলাজুড়ে ভয়াবহ বন্যার ফলে বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভার সড়ক, কালভার্ট, স্লুইস গেট ও বিভিন্ন গ্রামীণ অবকাঠামোর পাশাপাশি কৃষি ও মৎস্য খাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বর্তমানে হাজারো পরিবার ঘরবাড়ি পরিষ্কারের পাশাপাশি জীবিকা পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পৌরসভার উত্তর রামপুর, হাঙর মুখ, গাটিয়াডেঙ্গা ও সামিয়ার পাড়ায় প্রায় ১০০ মিটার সড়ক ভেঙে ডলু নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করেছে। এতে ওই সড়কগুলোতে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এ ছাড়াও নলুয়া-চৌধুরীহাট সড়কের একটি অংশ বিলীন হয়ে গেছে। অপরদিকে সাঙ্গু নদীর বাজালিয়া ইউনিয়নের চৌধুরীপাড়া পয়েন্টে ভাঙন দেখা দিয়েছে এবং ওই অংশের বেশ কয়েকটি ঘরবাড়ি, সড়ক ও মসজিদও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ছদাহা-দস্তিদারহাট সড়কের প্রায় ২০০ মিটার অংশ বিলীন হয়ে গেছে। একই সঙ্গে প্রত্যেকটি ইউনিয়নের কৃষি ও মৎস্য খাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির চিত্র চোখে পড়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, আকস্মিক বন্যায় এখন পর্যন্ত ৬০ হেক্টর জমির আমন বীজতলা, ৯৯৫ হেক্টর আউশ, ৭৪০ হেক্টর শাকসবজি, ৮ হেক্টর পান, ১৬ হেক্টর পেঁপে বাগান এবং ৮০ হেক্টর জমির অন্যান্য মিশ্র ফসল দুর্যোগে আক্রান্ত হয়েছে। এতে ২০ হাজারের অধিক কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং প্রায় ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

বাজালিয়া ইউনিয়নের বুড়ির দোকান সংলগ্ন মাহালিয়া বিলের সবজি চাষি সিরাজ মিয়া বলেন, আমি প্রতিবছর বাণিজ্যিকভাবে বিভিন্ন জাতের শাকসবজি চাষাবাদ করে থাকি। চলতি মৌসুমেও প্রায় দেড়শ শতক জমিতে করলা, লাউ, শসা, ঝিঙে, ঢেঁড়স ও বেগুনের আবাদ করেছি। কিন্তু বন্যার পানিতে কিছুই অবশিষ্ট রইল না, সব ফসল তলিয়ে গেছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, প্রাথমিকভাবে এখন পর্যন্ত সর্বমোট ১ হাজার ৮৯৯ হেক্টর জমির বিভিন্ন জাতের ফসল ও শাকসবজি দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রাথমিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা বা প্রণোদনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত ২৬টি সড়কের প্রায় ১৩ কিলোমিটার জায়গা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়াও ৪টি কালভার্ট ও একটি স্লুইস গেট ভেঙে গেছে। এর ফলে প্রায় ১০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

সাতকানিয়া পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর রামপুর এলাকার বাসিন্দা জিসানুল ইসলাম বলেন, আমাদের এলাকার বায়তুশ শরফ অংশ দিয়ে ডলু নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করায় গোলারঘাট সড়কের বিশাল একটি অংশ বিলীন হয়ে গেছে। এখনও ওই অংশ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। পানির স্রোতে নাছির মৌলভী নামে এক অটোরিকশা চালকের বাড়ি ভেঙে গেছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উপজেলা কর্মকর্তা সবুজ কুমার দে বলেন, বিভিন্ন এলাকায় এখনো বন্যার পানি নামেনি। যেসব এলাকায় পানি নেমে গেছে সেখানে প্রায় ১০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।

উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন এলাকার ৩ হাজার ৫৫০টি পুকুরের মাছ ভেসে গেছে। এতে ৫৭৫ হেক্টর পুকুর বা দিঘি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব পুকুর বা দিঘির মধ্যে ৮০৬ মেট্রিক টন পিন ফিস ও ১০ লাখ পোনা বন্যার পানিতে ভেসে গেছে। এতে অবকাঠামো, মাছ ও পোনাসহ আনুমানিক ৩৭ কোটি ২৪ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

কেঁওচিয়া ইউনিয়নের মৎস্য চাষি মো. মহসিন বলেন, আমার পুকুর ও প্রজেক্টের অধিকাংশ মাছ বন্যার পানিতে ভেসে গেছে। এ ছাড়াও একটি নৌকা ও বিপুল পরিমাণ মাছের খাবার প্রবল স্রোতে তলিয়ে গেছে। এতে আমার প্রায় ৪০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে সরকারি সহযোগিতা না পেলে ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন হয়ে যাবে।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) তানবীর আহসান বলেন, এটি মূলত প্রাথমিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ। বন্যার পানি পুরোপুরি নেমে গেলে পুনরায় তথ্য সংগ্রহ করা হবে। তখনই প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে। এরপর ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করে সরকারি সহায়তার জন্য সুপারিশ করা হবে।

আরিফুল ইসলাম/নাঈম

নাগেশ্বরীতে এইচএসসিতে ধার করা ট্যাগ অফিসারে পরীক্ষা!

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪৬ পিএম
আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪৭ পিএম
নাগেশ্বরীতে এইচএসসিতে ধার করা ট্যাগ অফিসারে পরীক্ষা!
ছবি: খবরের কাগজ

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে এইচএসসির তিনটি পরীক্ষা কেন্দ্রে নিয়োগপ্রাপ্ত ট্যাগ কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন না। ধার করা কর্মকর্তাদের দিয়েই পরীক্ষা পরিচালনা করা হয়েছে। কোথাও আবার পরীক্ষা শুরুর পর মুঠোফোনে ডেকে একজন কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) পদার্থবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান ও যুক্তিবিদ্যা বিষয়ের পরীক্ষার দিন এমন ঘটনা ঘটে। শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা এ ঘটনাকে প্রশাসনের উদাসীনতার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন।

এত বড় একটি পাবলিক পরীক্ষায় প্রশাসনের এমন উদাসীনতায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকে।

অনুপস্থিত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে মুঠোফোনে দায়িত্ব দিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জানিয়েছেন, তিনি বিষয়টি জানেন না। ফলে ঘটনাটি নিয়ে শিক্ষাঙ্গণে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

উপজেলার অন্যতম নাগেশ্বরী সরকারি কলেজ কেন্দ্রে ট্যাগ অফিসার ছিলেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ফিরোজ হোসেন। তিনি উপস্থিত না থাকায় সকালে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম প্রশ্নপত্র সরবরাহ করেন। পরীক্ষা শুরুর আধা ঘণ্টা পর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাকে মুঠোফোনে কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করতে বলেন, শিক্ষা কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম। পরে তিনি কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করতে যান।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জামাল হোসেনের সঙ্গে সকাল ১০টা ৫২ মিনিটে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি কচাকাটা ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে ট্যাগ অফিসারের দায়িত্বে ছিলাম। সোমবার (১৩ জুলাই) আমার অফিসে প্রতিবন্ধী জরিপ থাকায় ছুটি নিয়েছি। কচাকাটা কেন্দ্রে কাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তা আমি জানি না। আজ মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমাকে কল করে সরকারি কলেজে আসতে বলেন। প্রথমে আমি না করেছি, কারণ সকাল ১১টায় আমার অফিসে প্রতিবন্ধী জরিপ শুরু হওয়ার কথা ছিল। পরে এসেছি।’

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ফিরোজ হোসেন বলেন, ‘আমি ছুটিতে আছি। গত পরীক্ষাতেও দায়িত্বে ছিলাম। মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে আমি ছুটিতে এসেছি।’

নাগেশ্বরী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ড. আনোয়ার হোসেন মন্ডল বলেন, ‘দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছুটিতে আছেন। ওনার পারিবারিক সমস্যা আমাকেও বলেছে। যিনি এসেছেন তাকে আমি বলেছি চিঠি এনেছেন কিনা। বলল চিঠি হয়নি, ততক্ষণে পরীক্ষা শুরু হয়ে গেছে। আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা শেষ করা।’

নাগেশ্বরী মহিলা ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে ট্যাগ অফিসার উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন ট্রেনিংএ থাকায় দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা মাধ্যমিক কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম নিজে।

নাগেশ্বরী মহিলা ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জালাল হোসেন বলেন, ‘এ কেন্দ্রের ট্যাগ কর্মকর্তা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন দায়িত্বে ছিলেন। উনি ছুটি থাকায় মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম আছেন।’

কচাকাটা ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা সমাজসেবা কর্মকর্তা ছুটি নিয়েছেন তার অফিসে প্রতিবন্ধী জরিপ থাকার কারণে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ওই কেন্দ্রে মুঠোফোনে দায়িত্ব দেন কেদার ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামকে। শুধু মুঠোফোনে এমন দায়িত্ব দেওয়া এত বড় পাবলিক পরীক্ষায় উদাসীনতা বলছেন অনেকে।

কেদার ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ বলেন, ‘আমাকে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফোন করে বলেছেন। তাই দায়িত্বপালন করছি। ইউএনও স্যার ওনাকে বলেছেন কিনা জানিনা। আমাকে বলেনি।’ 

কচাকাট ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এখানকার ট্যাগ অফিসার ছুটিতে আছেন। সে কারণে ফোনে এ দুজনকে ইউএনও স্যার পাঠিয়েছেন তারা এটাই বলেছে।‘’

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম বলেন, ‘এ উপজেলায় কেন্দ্র বেশি অফিসার নাই সে কারণে সহকারী কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ইউএনও স্যার দায়িত্ব দেয়নি আমি দিয়েছি।’

নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খোদাদাদ হোসেন বলেন, ‘আমরা কর্মকর্তাদের নিয়োগ দিয়ে চিঠি দিয়েছি তারা যেতে বাধ্য। যদি কেউ না যায় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মুঠোফোনে পরীক্ষা কেন্দ্রে পাঠিয়ে দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়ে বলেন, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এটা করে থাকলে দায় দায়িত্ব তার।’

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ট্যাগ অফিসার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ দেন। তিনি ভালো বলতে পারবেন। উপজেলা মাধ্যমিক কর্মকর্তা মুঠোফোনে দায়িত্ব দিয়েছেন, তিনি পারেন কিনা? এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা ইউএনওর দায়িত্ব।’

এবারে জেলায় এইচএসসির ২৭টি কেন্দ্রে ১২ হাজার ২১০ জন, আলিম- ১০টি কেন্দ্রে এক হাজার ৮৯৮জন ও ভকেশনাল ট্রেডের ১৩টি কেন্দ্রে ৫ হাজার ৭২জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে যার মধ্যে নাগেশ্বরী উপজেলায় ৮টি কেন্দ্রে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৯৭৬ জন। 

সিরাজ/রিফাত/

ফরিদপুরে বৃষ্টির মধ্যে গাছের নিচে আশ্রয়, বজ্রপাতে নিহত ১

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:১২ পিএম
ফরিদপুরে বৃষ্টির মধ্যে গাছের নিচে আশ্রয়, বজ্রপাতে নিহত ১
ছবি: সংগৃহীত

ফরিদপুর সদর উপজেলায় বৃষ্টির মধ্যে গাছের নিচে আশ্রয় নিয়েছিলেন তিন বন্ধু। এ সময় বজ্রপাতে সাব্বির মোল্লা (১৭) নামে একজন নিহত হয়েছেন।

সোমবার(১৩ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার মাচ্চর ইউনিয়নের খলিলপুর বিলডাঙ্গা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

সাব্বির মোল্লা খলিলপুর বিলডাঙ্গা গ্রামের কাশেম মোল্লার ছেলে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, বৃষ্টির সময় সাব্বির তার দুই বন্ধুকে নিয়ে বাড়ির পাশের একটি কাঁঠাল গাছের নিচে বসে ছিল। এ সময় হঠাৎ গাছের পাশে বজ্রপাত হলে তিনজনই ছিটকে পড়ে। এতে সাব্বির মোল্লা গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে দ্রুত ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় তার সঙ্গে থাকা অপর দুই বন্ধু অক্ষত রয়েছে এবং তারা সুস্থ রয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মাচ্চর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জাহিদ মুন্সী জানান, খলিলপুর বিলডাঙ্গা গ্রামের কাশেম মোল্লার ছেলে সাব্বির মোল্লা নামে এক কিশোর বজ্রপাতে নিহত হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। 

এনকেবি নয়ন/রিফাত/

দেওয়ানগঞ্জে নদীভাঙন কবলিত পরিবারকে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৫ পিএম
দেওয়ানগঞ্জে নদীভাঙন কবলিত পরিবারকে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ
ছবি: খবরের কাগজ

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে পাহাড়ি ঢলের কারণে জিঞ্জিরাম নদীর ভাঙনের শিকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি-৩৫)।

সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে উপজেলার পাথরের চর এলাকার ৩০টি পরিবারকে বিজিবির পক্ষ থেকে এসব ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

জামালপুর ৩৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান নদী ভাঙন কবলিত ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন। এ সময় ৩৫ বিজিবির সহকারী পরিচালক ইমাম হোসেন, পাথরের চর বিওপির কোম্পানি কমান্ডার তরিকুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। 

জামালপুর ৩৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান বলেন, দেশের সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো বিজিবির অন্যতম মানবিক দায়িত্ব। আপদকালীন সময়ে বিজিবি সবার আগে মানুষের পাশে দাঁড়ায়। দুর্যোগময় ও সংকটময় পরিস্থিতিতে অসহায় মানুষের পাশে থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান অব্যাহত থাকবে। ৩০টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রত্যেককে ৫ কেজি চাল, ২ কেজি ডাল, ১ কেজি পেঁয়াজ, ১ লিটার তেল, ১ কেজি মুড়ি, লবণ, স্যালাইন, গ্যাস লাইট ও মোমবাতি প্রদান করা হয়। বিজিবির ত্রাণ সহায়তা পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো।

রিফাত/

ফরিদপুরে ফ্ল্যাটে অচেতন হয়ে নিঃসঙ্গ ব্যক্তির মৃত্যু

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:৩৬ পিএম
আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫০ পিএম
ফরিদপুরে ফ্ল্যাটে অচেতন হয়ে নিঃসঙ্গ ব্যক্তির মৃত্যু
ছবি: খবরের কাগজ

ফরিদপুর শহরের একটি ভবনের ফ্ল্যাটে দীর্ঘদিন ধরে নিঃসঙ্গ জীবনযাপন করতেন কোয়েল চৌধুরী (৪৬) নামে এক ব্যক্তি। ফ্লাট থেকে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধারের পর হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়েছে। তবে তার মৃত্যুর খবর কানাডিয়ান প্রবাসী একমাত্র বোন ও স্বজনদের জানালেও কেউ এগিয়ে আসেননি।

পরে তার মরদেহ স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় রবিবার (১২ জুলাই) বিকেল সাড়ে পাঁচটায় শহরের আলীপুর কবরস্থানে সমাহিত করা হয়েছে। 

রবিবার (১২ জুলাই) দুপুরে অচেতন অবস্থায় ফরিদপুর শহরের পূর্ব খাবাসপুর এলাকার চৌধুরী ভিলা নামক একটি ভবন থেকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে থানা পুলিশ। প্রথমে তাকে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে ও পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। কোয়েল চৌধুরী ওই ভবনের মালিক ও ওই এলাকার বাসিন্দা মৃত হাশমত আলী চৌধুরীর ছেলে ছিলেন। দীর্ঘদিন যাবৎ তিনি ওই বাসায় মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় বসবাস করে আসছিলেন। 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০০ সালের দিকে কোয়েল চৌধুরীর বাবা তিনতলা ওই ভবনটি ক্রয় করে বসবাস করে আসছিলেন। তার দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছেন। তাদের মধ্যে একমাত্র মেয়ে বর্তমানে কানাডিয়ান প্রবাসী। এছাড়া বাবা-মায়ের মৃত্যুর পর থেকে কোয়েল চৌধুরী ও তার বড় ভাই বাবু চৌধুরী ওই ভবনের তৃতীয় তলায় বসবাস করতেন। এরমধ্যে কোয়েল চৌধুরী বিয়ে করলেও মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ায় তাকে ছেড়ে চলে যান তার স্ত্রী। তবে দুই ভাই ভবনটিতে থাকলেও প্রায় দেড় বছর আগে বড় ভাই বাবু চৌধুরী মারা যান। তখন থেকেই নিঃসঙ্গভাবে ওই ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন কোয়েল চৌধুরী। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক প্রতিবেশী জানান, কোয়েল চৌধুরীর বাবা-মা দুজনেই সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। ছোট সময়ে তারা কর্মস্থলে যাওয়ার আগে দুই ভাইকে নিয়মিত ঘুমের ওষধ খাওয়াতেন। যার ফলে তারা আস্তে আস্তে মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন। 

এক প্রতিবেশী আশিকুর রহমান খান বলেন, ওই দুই ভাই মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। তাদের দুই ভাইকে শহরের অনেকেই চিনতেন। তাদের মধ্যে খুব মিল ছিল। তারা যেখানেই যেতেন এক সঙ্গে হেটে আবার কখনও হাত ধরে রাস্তার একপাশ ধরে হেটে চলতেন। বড় ভাই মারা যাওয়ার পর থেকে তাকে তাদের ভাড়াটিয়ারা খাবার দিতেন। 

তিনি বলেন, রবিবার সকালে প্রতিদিনের মতো ওই ভবনের এক ভাড়াটিয়া কোয়েল চৌধুরীকে খাবার দিতে যান, তখন ডাকাডাকি করেও ভেতর থেকে সাড়া না পাওয়ায় তারা প্রতিবেশীদের জানান। প্রতিবেশীরা সেখানে গিয়ে ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে পুলিশকে জানায়। পুলিশ এসে ঘরের দড়জা ভেঙে তাকে অচেতন অবস্থায় পায়। পরে প্রথমে ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালে এবং সেখান থেকে দ্রুত ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। 

তিনি আরও বলেন, মারা যাওয়ার পর তার বোনকে জানানো হয়। তবে তার বোন মরদেহ দাফন দিয়ে দিতে বলেন। এমনকি তার কোনো স্বজনও তার দাফনে আসেনি। পরে স্থানীয়দের উদ্যোগে আলীপুর কবরস্থানে বাবা-মায়ের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফরিদপুর কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হাসান জানান, ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে পুলিশ গিয়ে অচেতন অবস্থায় তাকে জীবিত উদ্ধার করে। পরে স্থানীয়রা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এরপরে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। 

নয়ন/নাঈম