ঢাকা ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
বিদেশি বিনিয়োগে অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করবে সরকার: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী সাতকানিয়ায় বন্যায় ১০০ কোটি টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি চা-শিল্পের সংকট ও টেকসই উন্নয়নের পথ নাগেশ্বরীতে এইচএসসিতে ধার করা ট্যাগ অফিসারে পরীক্ষা! হাসপাতালের নিকৃষ্ট সিন্ডিকেট নির্মূল করুন ডিজিটাল জুয়ার মরণফাঁদ মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, হত্যাযজ্ঞ এবং ট্রাম্পের হাসি ফরিদপুরে বৃষ্টির মধ্যে গাছের নিচে আশ্রয়, বজ্রপাতে নিহত ১ ১৫ হাসপাতালে হেমাটোলজি মেশিন দিল 'ইজিমেড ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড' বন্যার্তদের পাশে তৌসিফ, দিলেন আর্থিক সহায়তা বদ্বীপ থেকে ডিজিটাল ক্যানভাস: বাংলাদেশি লোকশিল্পের রূপান্তর স্পেন জাতীয় ফুটবল দলকে কেন বলা হয় ‘লা রোজা’? ম্যাচ বিরতিতে বারবার কুলকুচি কেন করেন ফুটবলাররা? জাহিদ হাসানের ‘পথহারা মন’ ধোলাইখালে সড়ক ধসে যান চলাচল বন্ধ ডাকসুর ভিপিসহ ছাত্রশিবির ছাড়লেন কেন্দ্রীয় ৯ নেতা ফ্রান্সকে কেন লে ব্লুজ বলা হয়? ইংল্যান্ড–আর্জেন্টিনা সেমিফাইনাল ঘিরে আটলান্টায় কঠোর নিরাপত্তা জয়পুরহাটে মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় বৃদ্ধের মৃত্যুদণ্ড মাইকেল অলিভার ও অ্যান্টনি টেলর কেনো আর ম্যাচ পরিচালনা করতে পারবেন না? বন্যাদুর্গত ১১ জেলার চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিতে চাকরির সুযোগ প্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাস অধ্যায়ের ১০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির জীববিজ্ঞান ২য় পত্র কোকা-কোলা বাংলাদেশে ফ্রন্ট লাইন মার্কেটিং পরিচালক লায়লা ফারজানা দেওয়ানগঞ্জে নদীভাঙন কবলিত পরিবারকে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ বন্দি বিনিময় চুক্তিতে শেখ হাসিনাকে ফেরানোর কাজ চলছে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ফরিদপুরে ফ্ল্যাটে অচেতন হয়ে নিঃসঙ্গ ব্যক্তির মৃত্যু জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় সংস্কারে আইএমএফ সম্মত হয়েছে: অর্থমন্ত্রী লালদিয়াচর টার্মিনালের চুক্তি বাতিল বা পুনঃচুক্তি হবে না: নৌপরিবহনমন্ত্রী ইউএনও পরিচয়ে ফোন করে চাওয়া হচ্ছে বন্যার্তদের তালিকা, সতর্ক থাকার আহ্বান

২০২৪ সালের এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতি নির্মিতিবিষয়ক প্রশ্ন ও উত্তর: বাংলা দ্বিতীয় পত্র

প্রকাশ: ১৮ জানুয়ারি ২০২৪, ০১:১৮ পিএম
আপডেট: ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০১:১০ এএম
নির্মিতিবিষয়ক প্রশ্ন ও উত্তর: বাংলা দ্বিতীয় পত্র

প্রবন্ধ রচনা

সুপ্রিয় ২০২৪ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থী বন্ধুরা, শুভেচ্ছা নিও। আজ তোমাদের বাংলা দ্বিতীয় পত্র থেকে ‘মানবকল্যাণে বিজ্ঞান’ বিষয়ে ১টি ‘প্রবন্ধ রচনা’ নিয়ে আলোচনা করা হলো। 

মানবকল্যাণে বিজ্ঞান/ দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান/ বিজ্ঞানের জয়যাত্রা/ বিজ্ঞানের অবদান
প্রারম্ভিকা: মানুষের অনুসন্ধিৎসু চোখের কাছে প্রকৃতির রহস্য আজ উন্মোচিত। মানুষ তার যুগ-যুগান্তরের স্বপ্ন ও সাধনার অনবদ্য ফসল দিয়ে প্রকৃতির বুকে সভ্যতার এই বিশাল ইমারত গড়ে তুলেছে। আপনার প্রাণশক্তি তিল তিল দান করে বুকের বিন্দু বিন্দু রক্ত ঢেলে দিয়ে সে রচনা করেছে সভ্যতার এই তিলোত্তমা মূর্তি। সে সভ্যতার বেদিমূলে দিয়েছে বাহুর বল, জীবনের স্বপ্ন কিন্তু কল্পনার পরিবর্তন ঘটিয়েছে বিজ্ঞান। ‘Man is the best of creature’ বুদ্ধিবৃত্তি আর চিন্তাশক্তি মানুষকে এই শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছে। জীবন আর বিজ্ঞান আজ ওতপ্রোতভাবে জড়িত থেকে মানব জীবনের কল্যাণে বিজ্ঞানের অবদানের অফুরন্ত উদাহরণ প্রতিনিয়ত প্রকাশ পেয়েছে। মানবসভ্যতার মূলে বিজ্ঞানের অবদান যে কত ব্যাপক, তা প্রতিদিনের বিচিত্র অভিজ্ঞতা থেকে লক্ষ করা যায়। বিজ্ঞানের জয়যাত্রার শেষ নেই। বিজ্ঞান আজ মানবসভ্যতার এক নিত্যসঙ্গী। দৈনন্দিন জীবনে মানুষ বিজ্ঞানের কল্যাণে সমৃদ্ধ ও উপকৃত হচ্ছে। বিজ্ঞানী আইনস্টাইন বলেছেন-
‘Science is reality
Science is bangafide
Science is your constant friend
Science is always creative’

বিজ্ঞানের উদ্দেশ্য: বিজ্ঞানের উদ্দেশ্য ও ধারণা নিছক কল্পনাবিলাস নয়। একজন বিজ্ঞানী কোনো তত্ত্বকে সুপ্রতিষ্ঠিত করার জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম ও নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে অবশেষে সত্যে উপনীত হন। বিজ্ঞানের সাধনা যে নিছক নয় সে সম্পর্কে বিজ্ঞানী আইনস্টাইন বলেছেন, ‘এক কেজি ভর বিশিষ্ট কোনো পদার্থকে এবং একটি এক পয়সার মুদ্রাকে একই উচ্চতা থেকে একসঙ্গে ছেড়ে দিলে এক কেজি ভর বিশিষ্ট পদার্থটি আগে মাটি স্পর্শ করবে কিন্তু একজন বিজ্ঞানীর কর্তব্য তা যাচাই করে দেখা।’ এইভাবে সত্যতা নির্ণয়ের নির্দেশনা দেয় বিজ্ঞান।

বিজ্ঞান কথাটির অর্থ: সাধারণভাবে বিজ্ঞান কথাটির অর্থ বলতে বিশেষ জ্ঞান বোঝায় যা অনুসন্ধিৎসু মানুষের বস্তুজগৎ সম্পর্কে ধারণা এবং বিচিত্র কৌশলে তার ওপর আধিপত্য বিস্তারের প্রচেষ্টা থেকে বিশ্বের তাবৎ জিনিস আবিষ্কৃত হয়েছে। এসব আবিষ্কারের পেছনে আছে কার্যকর সূত্র আর এ ধরনের যুক্তিযুক্ত আবিষ্কারকেই বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার বলে অভিহিত করা যায়। বিজ্ঞানের এই আবিষ্কার ঘটেছে মানুষের প্রয়োজনে। মানুষের অভাববোধ থেকে। মানুষের যাত্রাপথের সঙ্গে তাই বিজ্ঞান জড়িত হয়ে আছে। মানবজীবনের বিচিত্র গতির নিয়ন্ত্রক হলো বিজ্ঞান। মানবসভ্যতার বিকাশের সহায়ক হিসেবে কাজ করে বিজ্ঞান। মানবসভ্যতার অগ্রগতির পেছনে শক্তি সঞ্চার করে বিজ্ঞান মানুষের জীবনের সঙ্গে একাত্ম হয়ে গেছে। যতই দিন যাচ্ছে মানুষের নিরন্তর প্রয়োজন মেটানোর জন্য বিজ্ঞান আরও সৃষ্টিমুখর হয়ে উঠেছে।

বর্তমান যুগ বিজ্ঞানের যুগ: মানুষ বিশ্বের বুকে যে দ্বিধাজড়িত পদক্ষেপকে বিজ্ঞানের অবদানের বদৌলতে সুদৃঢ় প্রতিষ্ঠিত করেছে, তা সভ্যতার বিকাশের পরিপ্রেক্ষিতে বিপুল সফলতা লাভ করেছে। দীর্ঘপথ পরিক্রমা শেষে মানুষ আজ যে যুগে উপনীত হয়েছে তাকে বিজ্ঞানের যুগ বলে অভিহিত করা যায়। মানুষ বেড়েছে, তার প্রয়োজনও ক্রমাগত বেড়ে চলেছে। এই ক্রমবর্ধমান চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে মানুষ বিজ্ঞানের অজস্র আবিষ্কারকে নিজের প্রয়োজনে কাজে লাগিয়ে জীবনকে সুখকর করে তুলেছে। বিজ্ঞানকে নানাভাবে প্রয়োগ করে মানুষ তার সভ্যতা সমৃদ্ধ করেছে। আজকের সভ্য জগতে প্রতি মুহূর্তে বিজ্ঞানের ব্যবহার অবশ্যম্ভাবী। এখন বিজ্ঞান ছাড়া একটি মুহূর্তও চলে না। কারণ দৈনন্দিন জীবনে যা প্রয়োজন তা এখন বিজ্ঞানের অবদান থেকে লাভ করা যায়। সবকিছুতেই বিজ্ঞানের আধিপত্যের পরিপ্রেক্ষিতে এ যুগকে বিজ্ঞানের যুগ বলে নির্দেশ করা যায়।

বিজ্ঞানের সার্বজনীন স্পর্শ: বিজ্ঞান ছাড়া জীবন অসম্ভব। ধরুন না আমার এ লেখায় কষ্টটারই কথা। চেয়ার, টেবিল, দরজা-জানালা, লাইট, বৈদ্যুতিক পাখা, আমার হাতের কলম, লেখার কাগজ, কালি- সবকিছুতেই বিজ্ঞানের কী সুন্দর স্পর্শ! শুধু কি এই? জামা-কাপড়, জুতা মোজা এমনকি একটু আগে পান করা Soft drink পর্যন্ত বিজ্ঞানের ছোঁয়ায় ধন্য।

বিজ্ঞানের জয়যাত্রা: যুগ-যুগান্তরের স্বপ্ন ও সাধনা দিয়ে মানুষ আয়ত্ত করেছে বিজ্ঞানের ওপর প্রভুত্ব। তার অক্লান্ত কর্মসাধনার ক্রমপরিণতি হচ্ছে বিংশ শতাব্দীকে অতিক্রম করা একবিংশ শতাব্দীর সভ্যতা। মানবসভ্যতার এই তিলোত্তমা মূর্তি রচিত হয়েছে অনেক বিজ্ঞান গবেষকের ত্যাগ-তিতিক্ষা, ব্যর্থতার হা-হুতাশ ভেদ করে। বিজ্ঞানের বলে বলীয়ান মানুষ আজ খনির অন্ধকারে আলো জ্বেলেছে; ঘুম ভাঙিয়েছে পাতালপুরীর ঘুমন্ত রাজকন্যার, দৈত্যপুরের বন্দিশালা থেকে তাকে মুক্ত করে এনে তাকে নিজের পরিকল্পনা অনুসারে সাজিয়েছে। উদ্ভাবন করেছে বিজ্ঞানের নব নব কৌশল ও প্রকরণ। পৃথিবীর শৈশবের জড়তা কাটিয়ে এনে দিয়েছে যৌবনের অফুরন্ত কর্মশক্তি ও গতির উল্লাস। অন্যদিকে বিজ্ঞানের ঐন্দ্রজালিক শক্তিবলে মানুষ উদ্দাম উচ্ছৃঙ্খল নদীস্রোতকে বশীভূত করে উষর মরু প্রান্তরকে করেছে জলসিক্ত, চাষাবাদের উপযোগী। ভূগর্ভের সঞ্চিত শস্য সম্ভাবনাকে করে তুলেছে উজ্জ্বল। ধরণীর সর্বদেহে সঞ্চারিত করেছে অপূর্ণ প্রাণস্পন্দন। বিজ্ঞান আজ উর্বরতা দিয়ে ক্ষয়িষ্ণু বসুধাকে শস্যবতী করে তুলেছে। শিল্প-শৈলীর নব নব প্রবর্তনে সে উৎপাদন জগতে এনেছে যুগান্তর এবং সুদূরকে করেছে আমাদের নিকটতম।

বিজ্ঞানের দান: উনিশ এবং বিশ শতকে বিজ্ঞান নতুন শক্তি সঞ্চার করে এবং অভিনব আবিষ্কারের মাধ্যমে মানুষের জীবনে আমূল পরিবর্তন আনে। জেমস ওয়াটের স্টিম ইঞ্জিন আবিষ্কার মানবজাতির সম্মুখে উন্নততর সভ্যতার সূচনা করেছে। রোটারি, প্রেস, ফটো, অফসেট মেশিনের আবিষ্কারের ফলে মুদ্রণ জগতে এক অভাবনীয় উন্নতি সাধিত হয়েছে। রাইট ভ্রাতৃদ্বয়ের উড়োজাহাজ আবিষ্কার, ভেখ মলারের মোটরসাইকেল, ইগন মিগস্কির হেলিকপ্টার এবং অন্যান্য বিজ্ঞানীর সাফল্যমণ্ডিত আবিষ্কার যোগাযোগের ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রেখেছে। আনবিক শক্তি, কম্পিউটার, রোবট ইত্যাদি আবিষ্কারের মাধ্যমে বিজ্ঞান মানুষের জীবনে অগ্রগতির ধারাকেই সূচিত করেছে।

দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান: বিজ্ঞানী মাদাম কুরি বলেছেন, আমার চোখে বিজ্ঞান অনিন্দ্যসুন্দর এবং আমরা সবাই এর সদস্য। প্রতিদিন প্রতিটি মানুষ সকালবেলা ঘুম থেকে ওঠা এবং রাতে বিছানায় যাওয়ার আগ পর্যন্ত অকাতরভাবে বিজ্ঞানের দান গ্রহণ করছে। আমাদের অনেকেরই ঘুম ভাঙে ঘড়ির অ্যালার্ম শুনে। ঘুম থেকে উঠে দাঁতের মাজন, টুথপেস্ট, টুথব্রাশ তারপর হাতমুখ ধোয়ার জন্য শহরে ‘বেসিন শাওয়ার’ আর গ্রামে টিউবওয়েল, দেশ-বিদেশের খবরের জন্য সংবাদপত্র থাকে নাশতার টেবিলে। এ ছাড়া রেডিও, টেলিভিশন ইত্যাদি থেকে খবর জানা যায়। নাশতার টেবিলে থাকে স্টেইনলেস স্টিল, মেলামাইন, চিনামাটি ও কাঁচের তৈরি তৈজসপত্র। বাজারের জন্য ব্যাগ, পড়াশোনার জন্য বইখাতা কাগজ কলম। গৃহ সাজানোর জন্য ওয়াল ম্যাট, বিভিন্ন প্রকার গৃহসজ্জার সামগ্রী। রান্নার জন্য ইলেকট্রিক হিটার, ওভেন, প্রেশার কুকার, গ্যাসের চুলা ইত্যাদি জিনিস পাওয়া যাচ্ছে। বিনোদনের জন্য কম্পিউটার, ইন্টারনেট, মোবাইল, অনলাইন গেমস, টেলিভিশন, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের জন্য এয়ার কন্ডিশন, খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণের জন্য ফ্রিজ, রেফ্রিজারেটর, চলাচলের জন্য অত্যাধুনিক যানবাহন, যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য টেলিগ্রাম, ফ্যাক্স, ইন্টারনেট, টেলিফোন, প্রভৃতি বিজ্ঞানিক উপকরণের ওপর মানুষকে নির্ভর করতে হয়। তাছাড়া বাড়িতে বা অফিসে সংকেত প্রদানের জন্য কলিংবেল ব্যবহার করা হয়। প্রতিক্ষেত্রে বিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব লক্ষ করা যায়।

চিকিৎসাক্ষেত্রে বিজ্ঞান: একজন বিজ্ঞানী বলেছেন, ‘Our every share of life is attached to the gift of science’.. অর্থাৎ আমাদের জীবনের সব ক্ষেত্রেই বিজ্ঞানের অবদান রয়েছে। তেমনি চিকিৎসা ক্ষেত্রেও বিজ্ঞানের অবদান রয়েছে। বিজ্ঞানীরা আজ চিকিৎসা ক্ষেত্রে অনেক দূর এগিয়েছেন। আগে যেসব রোগে মানুষকে অকালমৃত্যুর হিমশীতল স্পর্শ অনুভব করতে হতো আজকাল সেসব রোগব্যাধির নিরাময়ের জন্য উন্নততর এবং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি আবিষ্কৃত হয়েছে। কঠিন রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি ও আজ আরোগ্য লাভ করে নতুন আশার মন্ত্রে উজ্জীবিত হচ্ছে। দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিও আজ বাঁচার অধিকার রাখে। অধ্যাপক মাদাম কুরি ও পিয়েরে কুরির আবিষ্কৃত ‘রেডিয়াম’ ক্যানসার নিরাময়ে সহায়ক। আমাদের ব্যস্ততাময় জীবনের অসুস্থ মুহূর্তগুলো নিতান্তই কৃপাপ্রত্যাশী। বিজ্ঞান এখন মরণকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখায়। প্লাস্টিক সার্জারির মাধ্যমে মানুষ নিজ ইচ্ছামতো চেহারা তৈরি করছে। পেনিসিলিন আবিষ্কারের মাধ্যমে বিজ্ঞানের অগ্রগতি আরও এক ধাপ এগিয়ে গেছে। অধ্যাপক রল্টগেট রঞ্জনের আবিষ্কৃত রঞ্জনরশ্মি বা এক্স-রে মানুষের দেহের ভেতরকে দৃশ্যমান করতে সক্ষম। কিডনি সংযোজন, ওপেন হার্ট সার্জারি, আল্ট্রাসনোগ্রাফি প্রভৃতি এখন চিকিৎসা ক্ষেত্রের অন্যতম সাফল্য। বর্তমানে বিজ্ঞানের নিত্য নতুন আবিষ্কারের ফলে মৃত্যুর হার অনেক কমে আসছে।

কৃষিক্ষেত্রে বিজ্ঞান: আমাদের খাদ্য সংস্থানের জন্য আমরা কৃষির ওপর নির্ভরশীল। তাই কৃষি উৎপাদন গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিনিয়ত পৃথিবীতে জনসংখ্যা  বাড়ছে। এজন্য প্রয়োজন বাড়তি খাদ্য। আর সে কারণেই বিজ্ঞান কৃষিক্ষেত্রে প্রভূত অগ্রগতি সাধন করেছে। চাষাবাদের জন্য আবিষ্কৃত হয়েছে কলের লাঙল, পাওয়ার ট্রিলার, আগাছা নিড়ানির জন্য হস্তচালিত নিড়ানি, ধান কাটার কল হারভেস্টার, অধিক ফসল ফলানোর জন্য রাসায়নিক সার, কীটপতঙ্গ দমনে কীটনাশক ইত্যাদি বিজ্ঞানের অবদান। বিজ্ঞান কৃষি ক্ষেত্রে এনেছে বিপ্লব, শিল্পে অচিন্তনীয় সাফল্য। পারমাণবিক রিঅ্যাক্টরের সাহায্যে মরু অঞ্চলকে শস্য শ্যামল করে তোলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এই রিঅ্যাক্টরের সুবিধা এই যে, একে বিমানযোগে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে গিয়ে চালান যায়। এই শক্তিকে কাজে জলাবদ্ধ ভূমির পানি নিষ্কাশন ও মরু অঞ্চলে পানি সেচ করে লাখ লাখ একর ভূমিকে কৃষিযোগ্য করা যায়। তাছাড়া শীতপ্রধান দেশে অধিক ফসল উৎপাদনের জন্য বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে ‘গ্রিন হাউস’ নামে এক বিশেষ ঘর ব্যবহার করা হয়।

শিক্ষা ক্ষেত্রে বিজ্ঞানের অবদান: বিজ্ঞানের কল্যাণে পাঠ্যপুস্তক সহজলভ্য হয়েছে। লেখার লেখনী ও কাগজ, জ্ঞানার্জনের সংবাদপত্র ও পুস্তকরাশি সবকিছু্ই দিয়েছে এ বিজ্ঞান। ছাত্র সমাজের পরম বন্ধু বিজ্ঞান তাদের লেখার কাগজ বহন করে আনছে স্টিমারে, বই ছাপা হচ্ছে ছাপাখানার বিদ্যুতের সাহায্যে। ক্লাস ঘরে মাথার ওপরে ঘুরছে বৈদ্যুতিক পাখা। অন্ধ শিক্ষার্থীদের জন্য হয়েছে ব্রেইল পদ্ধতির আবিষ্কার। প্রতিবন্ধীদের জন্য বিজ্ঞান আবিষ্কার করেছে নানা ব্যবস্থা। ইন্টারনেটের কল্যাণে এখন  ছাত্রছাত্রীরা স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে না গিয়েও  কম্পিউটারের মাধ্যমে অনলাইনে পড়ালেখা করতে পারছে। ঘরে বসেই মোবাইলে ও কম্পিউটারে মাস্টার মশাইয়ের বক্তব্য বা লেকচার শুনতে পারছে। টর্চ লাইট, বৈদ্যুতিক বাল্ব যেমন অন্ধকার থেকে মানুষকে আলোর পথে চলার পথ করে দিয়েছে তেমনি কাগজ, লেখনী ইত্যাদির আবিষ্কারের ফলে মানুষ অজ্ঞানতার অন্ধকার থেকে পেয়েছে মুক্তি ও আলোর পথনির্দেশ।

অবসর বিনোদনে ও আমোদ-প্রমোদে বিজ্ঞানের দান: শুধু কর্মকাণ্ডেই নয়, অবসর বিনোদনেও মানুষের একান্ত আপনজন বিজ্ঞান। জীবনকে সুখী ও সুন্দর করার কাজে বিজ্ঞান নানাভাবে সাহায্য করছে মানুষকে। বিচিত্র পণ্যের বিস্ময়কর সমাবেশ, সিনেমা, রেডিও, টেলিভিশন ইত্যাদি সমাজের চেহারাই বদলে দিচ্ছে। রেডিও আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বিজ্ঞানের এক বিস্ময়কর অবদান সিনেমার কথা স্মরণীয়। অন্যান্য আমোদ প্রমোদের সঙ্গে সিনেমার পার্থক্য আছে। সিনেমা গতিশীল এবং বাঙ্ময়। একই সঙ্গে  তা আমাদের দর্শন এবং শ্রবণ শক্তিকে উদ্দীপ্ত করে। এখানে টেলিভিশনের কথা উঠতে পারে। বহু দূরের ও দূরধিগম্য স্থানের সব ছবি সিনেমা ও টেলিভিশন প্রদর্শন করে। অর্থাৎ কাল ও দূরত্বের বন্ধনকে এরা যেভাবে অতিক্রম করে আমোদ-প্রমোদের অন্য কোনো উপকরণই তা পারে না। এ কারণেই আমোদ প্রমোদের ক্ষেত্রে সিনেমা ও টেলিভিশনের গুরুত্ব এবং বৈশিষ্ট্য আজ সর্বজন বিদিত। বিজ্ঞানের বদৌলতে সিনেমা, রেডিও টেলিভিশন ছাড়াও আজ বহু কিছু আনন্দের উপকরণ আমাদের সামনে।

বিজ্ঞানের বিস্ময়কর আবিষ্কার: বিজ্ঞানের কল্যাণে মানুষের বহু অভাব দূর হয়েছে, আনন্দ লাভ হয়েছে, স্বাচ্ছন্দ্য পেয়েছে। সুতরাং প্রাত্যহিক জীবনে বিজ্ঞানের দান যথেষ্ট। কিন্তু এত কিছুর পরেও মানুষের কৌতূহলের অন্ত নেই, তার তৃষ্ণা মেটেনি। ফলে মানুষ সৃষ্টি করেছে নানা ধরনের যন্ত্র ও মহাশূন্য যান যা বিজ্ঞানের অন্যতম কৃতিত্ব। দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে মানুষ আকাশের বহু গোপন রহস্যের আচ্ছাদন উন্মোচন করতে সক্ষম হয়েছে। অনুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে সূত্র থেকে সূত্রে পৌঁছেছে। আর কম্পিউটার যন্ত্রের সাহায্যে এমন সব কাজ করছে, যা কিনা কিছুদিন আগে কল্পনাও করা যেত না। আর রোবট সে যেন মানুষের গোলাম। সে মানুষের প্রাত্যহিক জীবনের নানা কাজই করে দিচ্ছে। এভাবেই মানুষ বিজ্ঞানের দ্বারা বলীয়ান হয়েছে এবং হচ্ছে। মানুষ প্রকৃতির ওপর উড়িয়েছে বিজ্ঞানের বিজয় কেতন। বিজ্ঞানের অবদান সম্পর্কে বারট্রান্ড রাসেল বলেছেন:
‘Science is our guidence
Science is our animation’

বিজ্ঞানের ক্ষতিকর দিক: ‘There is no rose without thorn’ কাঁটা ছাড়া গোলাপ হয় না। তেমনি প্রত্যেকটি জিনিসের ভালো-মন্দ উভয় দিক আছে। আমাদের জীবনে বিজ্ঞান শুধু আশীর্বাদ আনেনি, অভিশাপও এনেছে ঢের। যন্ত্রের ওপর নির্ভর করতে করতে মানুষের জীবনে এসেছে যন্ত্রনির্ভরতা, কর্মবিমুখতা। দিন দিন মানুষের মধ্যে ঘনীভূত হচ্ছে কৃত্রিমতা, অসৎ প্রবৃত্তি হয়ে উঠছে চাঙ্গা হচ্ছে। অ্যাসিডে ঝলসে যাচ্ছে কত ফুলের মতো নিষ্পাপ মুখ। অবৈধ অস্ত্রে হারিয়ে যাচ্ছে কত তাজা প্রাণ, নিঃশব্দে ঝরে যাচ্ছে কত না ফোটা কলি। কম্পিউটার এনেছে বেকার সমস্যা। আর ইন্টারনেট, সোশ্যাল মিডিয়া, ডিশ অ্যান্টেনা ও অশ্লিল সিনেমা আমাদের সমাজে এনেছে অপসংস্কৃতি এজন্য যুবসমাজের নৈতিক অবক্ষয় হচ্ছে। পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার পৃথিবীকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। ১৯৪৫ সালে হিরোশিমা ও নাগাসাকি এই দুটি শহরে আণবিক বোমা বিস্ফোরণের ফলে ধ্বংস হয়েছে এই দুটি জনপদ, প্রাণ হারিয়েছে লাখ লাখ মানুষ, লাখ লাখ একর জমি হয়েছে চাষাবাদের অযোগ্য। তদানীন্তন সোভিয়েত ইউনিয়নের এবং বর্তমান ইউক্রেনের অন্তর্ভূত চেরনোবিল পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে  চুল্লী ধ্বংসের কারণে এর তেজস্ক্রিয়তা নিঃসরণের ফলে অনেক এলাকার ফসল নষ্ট হয়ে যায় এবং লাখ লাখ একর উর্বর জমি সম্পূর্ণ উৎপাদন ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। এছাড়া টেলিভিশনের প্রতিফলিত রশ্মি ক্ষতি করছে মানুষের চোখের। অস্ত্রের ঝংকারে আজ প্রকম্পিত পৃথিবীর আকাশ বাতাস। এতে বিজ্ঞানের অনেক ক্ষতিকর দিক স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

উপসংহার: ভালোর পরশে মন্দের উপস্থিতি আলো আঁধারের মতো লুকোচুরি খেলবেই। দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞানের দান তাই ভালোর সঙ্গে অপ্রীতিকর কিছুও বৈকি। আর এজন্যই হয়তো বিজ্ঞানী হলডেন বলেছেন- ‘We need science more than ever before’ বাতাস ছাড়া যেমন জীবন চলতে পারে না তেমনি বিজ্ঞান ছাড়াও বর্তমান সভ্যতা নিষ্প্রাণ, নিষ্পন্দন। তাই বর্তমান যুগে প্রতি মুহূর্তে এবং প্রতি পদক্ষেপে সভ্য জগৎ বিজ্ঞানের কাছে দায়বদ্ধ। বিজ্ঞানকে বাদ দিয়ে আজ জীবন ও সমাজের মুখচিত্র কল্পনাও করা যায় না।

লেখক:  সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

জাহ্নবী

প্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাস অধ্যায়ের ১০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির জীববিজ্ঞান ২য় পত্র

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫২ পিএম
প্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাস অধ্যায়ের ১০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির জীববিজ্ঞান ২য় পত্র
বিভিন্ন ধরনের প্রাণী। ছবি- সংগৃহীত

প্রথম অধ্যায় : প্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাস

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নের উত্তর লেখ।

সোহেল পুকুরের পানিতে চিংড়ি ও রুই মাছ দেখতে পেল। 

৬। ওপরের উদ্দীপকের প্রথম প্রাণীতে নিচের কোনটি বিদ্যমান? 
(ক) এদের দেহত্বক আঁশ দিয়ে গঠিত    
(খ) এরা সন্ধিপদী প্রাণী 
(গ) এদের রেচন অঙ্গ নেফ্রিডিয়া     
(ঘ) ম্যান্টেল দিয়ে এদের দেহ আবৃত

৭। ওপরের উদ্দীপকের শেষোক্ত প্রাণীটির বৈশিষ্ট্য হলো-
i. এদের অন্তঃকঙ্কাল তরুণাস্থি নির্মিত 
ii. এদের দেহত্বক আঁশ আবৃত 
iii. এদের পুচ্ছ পাখনা হোমোসার্কাল
নিচের কোনটি সঠিক?
(ক) i ও ii           (খ) i ও iii 
(গ) ii ও iii         (ঘ) i, ii ও iii

৮। Sarcopterygii শ্রেণির বৈশিষ্ট্য হলো-
(ক) গ্যানয়েড আঁশ               (খ) সাইক্লয়েড আঁশ
(গ) হোমোসার্কাল লেজ         (ঘ) হেটারোসার্কাল লেজ

৯। নিচের কোন শ্রেণিতে আঁশ দেখা যায়?
(ক) Thaliacea         (খ) Ascidiacea
(গ) Larvacea          (ঘ) Sarcopterygii

১০। পিণ্ডাকার পাখনা বিশিষ্ট মাছ নামে পরিচিত প্রাণীটি নিচের কোন শ্রেণির?
(ক) Chondrichthyes        (খ) Actiropterygii
(গ) Petromyzontida         (ঘ) Sarcopterygii

আরো পড়ুন : প্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাস অধ্যায়ের ৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির জীববিজ্ঞান ২য় পত্র

১১। Latimeria মাছের দেহ কোন ধরনের আঁশ দিয়ে আবৃত থাকে? 
(ক) গ্যানয়েড ধরনের         (খ) টিনয়েড ধরনের
(গ) সাইক্লয়েড ধরনের        (ঘ) প্ল্যাকয়েড ধরনের

১২। উভচর প্রাণীর বৈশিষ্ট্য- 
i. এদের হৃৎপিণ্ড তিন প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট 
ii. এদের ত্বকে আঁশ থাকে না 
iii. এদের জীবন চক্রে লার্ভা দশা উপস্থিত
নিচের কোনটি সঠিক?
(ক) i ও ii          (খ) i ও iii 
(গ) ii ও iii         (ঘ) i, ii ও iii

১৩। এক্টোথার্মিক প্রাণী নিচের কোনটি?
(ক) দোয়েল                          (খ) সোনা ব্যাঙ 
(গ) রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার     (ঘ) গিনিপিগ

উদ্দীপকটির আলোকে ১৪ ও ১৫ নম্বর প্রশ্নের উত্তর লেখ।

পৃথিবীতে এক ধরনের মেরুদণ্ডী প্রাণী রয়েছে, যারা জীবনের প্রথম পর্যায়ে ফুলকা এবং পরবর্তী পর্যায়ে ফুসফুস দিয়ে শ্বসন কার্য সম্পন্ন করে। 
১৪। ওপরের উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রাণীরা কোন শ্রেণিভুক্ত?
(ক) Amphibia         (খ) Aves 
(গ) Reptilia             (ঘ) Mammalia

১৫। ওপরের উদ্দীপকে উল্লিখিত শ্রেণির প্রাণীদের-
i. রক্ত শীতল প্রকৃতির         
ii. আঙুল নখরযুক্ত 
iii. হৃৎপিণ্ড তিন প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট
নিচের কোনটি সঠিক?
(ক) i ও ii      (খ) i ও iii 
(গ) ii ও iii     (ঘ) i, ii ও iii

উত্তর: ৬. খ, ৭. ঘ, ৮. ক, ৯. ঘ, ১০. ঘ, ১১. ক, ১২. ঘ, ১৩. খ, ১৪. ক, ১৫. খ।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, জীববিজ্ঞান বিভাগ
সরকারি মুজিব কলেজ, সখিপুর, টাঙ্গাইল

কবীর

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থার সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১টি সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০২:৪১ পিএম
আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০২:৪২ পিএম
বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থার সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১টি সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের লেকচার শুনছে ও নোট করছে। ছবি- খবরের কাগজ

অষ্টম অধ্যায় : বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থার সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম

সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর-৩

উদ্দীপকটি পড়ে নিচের প্রশ্নের উত্তর লেখ।

বিশ্বব্যাপী শিশুদের রক্ষায় ১৯৪৬ সালে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গড়ে ওঠে। এই সংগঠন শিশুদের অধিকার রক্ষা, শিশু নির্যাতন, শিশু বঞ্চনা, শিশু মৃত্যুহার প্রভৃতি প্রতিরোধ ও জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

ক. UNDP-এর একটি লক্ষ্য উল্লেখ করো।
খ. আন্তর্জাতিক সংস্থা বলতে কী বোঝায়?
গ. উদ্দীপকে প্রদত্ত কার্যক্রমের সঙ্গে কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার কার্যক্রমের সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. ‘উদ্দীপকে উল্লিখিত কার্যক্রমের মধ্যে উক্ত সংস্থার লক্ষ্য-উদ্দেশ্যের পূর্ণ প্রতিফলন ঘটেনি’ উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ করো।

উত্তর: ক.   UNDP-এর লক্ষ্যগুলোর মধ্যে একটি লক্ষ্য হলো দারিদ্র্য হ্রাসকরণ। 

খ. আন্তর্জাতিক সংস্থা বলতে একাধিক জাতির সমন্বয়ে গঠিত সংগঠনকে বোঝায়, যা একাধিক দেশে তার কার্যক্রমের বিস্তৃতি ঘটিয়েছে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বা জাতির সমন্বয়ে গঠিত যেসব সংস্থা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পারস্পরিক সমঝোতা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে সমাজকল্যাণ কার্যক্রম প্রণয়ন, উন্নয়ন ও প্রসারে নিয়োজিত থাকে সেসব সংস্থাকেই আন্তর্জাতিক সংস্থা বলা হয়। যেমন- জাতিসংঘ, ইউনিসেফ, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ইত্যাদি। এসব সংস্থা নিজ নিজ নীতিমালা অনুযায়ী সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।

আরো পড়ুন : বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থার সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১টি সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র

গ. উদ্দীপকে প্রদত্ত কার্যক্রমের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সংস্থা ইউনিসেফের কার্যক্রমের সাদৃশ্য রয়েছে।
সারা বিশ্বের শিশুদের সার্বিক কল্যাণ সাধনের উদ্দেশ্যে ১৯৪৬ সালে ইউনিসেফ যাত্রা শুরু করে। শিশুদের কল্যাণ ও উন্নয়নে ইউনিসেফ যেসব কার্যক্রম পরিচালনা করে সেগুলোর মধ্যে স্বাস্থ্যবিষয়ক কর্মসূচি অন্যতম। এ কর্মসূচির আওতায় ইউনিসেফ মাতৃমঙ্গল ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র স্থাপন, স্বাস্থ্যকর্মী প্রশিক্ষণ, ওষুধ ও যন্ত্রপাতি সরবরাহ, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, বিনামূল্যে নলকূপ স্থাপন, পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা, বিভিন্ন সংক্রামক ব্যাধির টিকা দেওয়া জনগণের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা সৃষ্টি ইত্যাদি কার্যক্রম পরিচালনা করে।
উদ্দীপকে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী শিশুদের রক্ষায় ১৯৪৬ সালে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গড়ে ওঠে। এই সংগঠন শিশুদের অধিকার রক্ষা, শিশু নির্যাতন, শিশু বঞ্চনা, শিশু মৃত্যুহার প্রভৃতি প্রতিরোধ ও জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। ওই সংস্থার সঙ্গে আন্তর্জাতিক শিশু তহবিল বা ইউনিসেফের কার্যক্রমের মিল রয়েছে।

ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত কার্যক্রমের মধ্যে ওই সংস্থা তথা ইউনিসেফের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের পূর্ণ প্রতিফলন ঘটেনি, উক্তিটি যথার্থ। ইউনিসেফ বিশ্বব্যাপী শিশুদের সার্বিক কল্যাণে নানা ধরনের কর্মসূচি পরিচালনা করছে। সংস্থাটি উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশের শিশুদের অকালমৃত্যুর হাত থেকে বাঁচাতে মাতৃসদন ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্র স্থাপন করেছে। এছাড়া গ্রামাঞ্চলে কর্মরত স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, পয়ঃপ্রণালি ব্যবস্থা, যক্ষ্মা ও ম্যালেরিয়া রোগ প্রতিকার ও প্রতিরোধে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এ ছাড়া পুষ্টিহীনতা মোকাবিলায় সংস্থাটি পুষ্টিকর খাদ্য উৎপাদন ও সরবরাহ, পুষ্টি সংক্রান্ত জ্ঞানদান, দুর্যোগ-পরবর্তী খাদ্যসামগ্রী বিতরণসহ নানা ধরনের পুষ্টিবিষয়ক কার্যক্রম গ্রহণ করে থাকে। সেই সঙ্গে নারীদের কর্মোপযোগী করে গড়ে তোলার জন্য ইউনিসেফ নানা ধরনের বৃত্তিমূলক ও কারিগরি প্রশিক্ষণমূলক কর্মসূচি নিয়েছে।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং যুদ্ধ-পরবর্তী ত্রাণ কার্যক্রমে সহায়তা করছে ইউনিসেফ। এইচআইভি আক্রান্ত শিশুদের জন্য সহায়তামূলক কর্মসূচি গ্রহণ, শিশুর জন্ম পরিচয়কে নিশ্চিত করার জন্য জন্মনিবন্ধন কার্যক্রম, মাতৃমৃত্যু হ্রাসকরণ প্রভৃতি কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে ইউনিসেফ। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী দরিদ্র, অসহায়, এতিম ও দুস্থ শিশুদের সুষ্ঠুভাবে বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা দিতে সংস্থাটি কাজ করছে। ইউনিসেফ যেকোনো ধরনের বৈষম্যের বিরোধী। বৈষম্যবিরোধী মনোভাব গড়ে তুলতে সংস্থাটি নারী শিক্ষার ওপর বেশি গুরুত্ব দেয়।
ওপরের আলোচনা শেষে বলা যায়, উদ্দীপকে ইউনিসেফের সব কার্যক্রমের প্রতিফলন ঘটেনি।

লেখক : প্রভাষক, সমাজকর্ম বিভাগ
শের-ই-বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মধুবাগ, মগবাজার, ঢাকা

কবীর

পড়ে পাওয়া গল্পের ৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৮ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ১১:৪৬ এএম
পড়ে পাওয়া গল্পের ৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৮ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের লেকচার শুনছে ও নোট করছে। ছবি- খবরের কাগজ

গল্প : পড়ে পাওয়া

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

৪৩। ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের মূল বক্তব্য হলো-
i. সততার শিক্ষা             
ii. নৈতিক চেতনার বিকাশ
iii. অপরের সম্পদ হরণ
নিচের কোনটি সঠিক?
(ক) i            (খ) ii 
(গ) i ও ii      (ঘ) i, ii ও iii

৪৪। ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পটিতে লেখক তাদের জয়গান গেয়েছেন, যারা-
i. অন্যের জিনিস ফিরিয়ে দেয়    
ii. সততার দৃষ্টান্ত স্থাপন করে
iii. পড়ে পাওয়া দ্রব্য ভোগ করে
নিচের কোনটি সঠিক? 
(ক) i             (খ) ii 
(গ) i ও ii       (ঘ) i, ii ও iii

আরো পড়ুন :  পড়ে পাওয়া গল্পের ৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৭ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা

নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ৪৫ নম্বর প্রশ্নের উত্তর লেখ।

রিফাতের সারা জীবনের সাধনা, সে আমেরিকা যাবে। কিন্তু তার সামর্থ্য নেই। একদিন ট্রেনে শরিফ সাহেবের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। শরিফ সাহেব ট্রেন থেকে নামার সময় ভুলে তার ব্যাগটি ফেলে যান। রিফাত ব্যাগটি তুলে নেয় এবং দেখে ভেতরে ১০ লাখ টাকার একটি চেক। রিফাত ভাবে তার আমেরিকা যাওয়ার সাধ বুঝি এবার পূরণ হলো। কিন্তু রাতে ঘুমের ঘোরে রিফাত স্বপ্ন দেখে তার আদর্শবাদী স্কুল মাস্টার মৃত বাবা তাকে বলছেন ‘রিফাত তোকে অন্যের ধন আত্মসাৎ করার জন্য মানুষ করিনি।’ রিফাত চেকটি শরিফ সাহেবকে ফেরত দেয়।

৪৫। উদ্দীপকের রিফাতের মাঝে ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কোন বিশেষ দিকটি ফুটে উঠেছে? 
(ক) আত্মসাৎ     (খ) অকল্যাণ 
(গ) সততা         (ঘ) সিদ্ধান্তহীনতা

উত্তর: ৪৩. গ, ৪৪. গ, ৪৫. গ।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর

পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ অধ্যায়ের ৮টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪০ পিএম
পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ অধ্যায়ের ৮টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের লেকচার শুনছে ও নোট করছে। ছবি- খবরের কাগজ

তৃতীয় অধ্যায় : পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

৩৯। পূর্বানুমান নির্ভর করে-
i. বর্তমান উপাত্তের ওপর 
ii. গবেষণার ওপর
iii. অতীত অভিজ্ঞতার ওপর
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii         খ. i ও iii 
গ. ii ও iii         ঘ. i, ii ও iii 

৪০। ভালো পরিকল্পনায় যেসব প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যায়-
i. কী করা হবে এবং কে করবে 
ii. কোথায় করা হবে 
iii. কীভাবে এবং কখন করা হবে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii         খ. i ও iii 
গ. ii ও iii         ঘ. i, ii ও iii 

৪১। রাশেদ মিয়াগঞ্জে দীর্ঘদিন মুদির ব্যবসা করেন। তিনি বড় শিল্প  প্রতিষ্ঠান গড়ার পরিকল্পনা করেছেন। তার এ পরিকল্পনা নিচের কোন মুখ্য কারণে উত্তম পরিকল্পনার বহির্ভূত হবে?
ক. পরিকল্পনা সহজে বোধগম্য হবে না 
খ. এর উদ্দেশ্য অস্পষ্ট থাকবে 
গ. এটি বাস্তবমুখিতার গুণ বিবর্জিত হবে 
ঘ. এটি সঠিক পথনির্দেশনা দিতে পারবে না

৪২। সেনাবাহিনীর একটা দল বিদ্রোহী অঞ্চলে অভিযানে যাচ্ছে। প্রয়োজনীয় উপকরণ ও লোকবল সবই সঙ্গে রয়েছে। উদ্দেশ্য বলে দেওয়া হলেও করণীয় বলা হয়নি। পরিকল্পনায় কোনটির অভাব রয়েছে?
ক. এটি বাস্তবমুখী নয় 
খ. এটি সহজবোধ্য নয়    
গ. এতে সঠিক পদনির্দেশনার অভাব রয়েছে 
ঘ. তথ্যটি নির্ভরশীলতা সমৃদ্ধ নয় 

আরো পড়ুন : পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ অধ্যায়ের ৭টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ২য় পত্র

৪৩। মি. সীমান্ত একটি কোম্পানির ব্যবস্থাপক। তিনি মুনাফার পরিমাণ ২৫% বৃদ্ধির পরিকল্পনা করছেন। বিক্রি বৃদ্ধির পরিকল্পনা নিতে তার জন্য কম গুরুত্বপূর্ণ কাজ নিচের কোনটি?
ক. বিক্রি বৃদ্ধির টার্গেট নির্ধারণ করা
খ. ভবিষ্যৎ সম্পর্কে অনুমান করা
গ. প্রতিযোগীদের অবস্থা মূল্যায়ন করা
ঘ. কর্মীদের আন্তরিকতা বিবেচনা করা

৪৪। বাকিতে বিক্রি করে বিগত বছরগুলোয় এম ট্রেডার্স ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই তারা সিদ্ধান্ত নিল কম লাভে পণ্য বেচবে কিন্তু বাকিতে বিক্রি করবে না। এটি কোন ধরনের পরিকল্পনা?
ক. লক্ষ্য নির্ধারণ         
খ. স্থায়ী পরিকল্পনা 
গ. একার্থক পরিকল্পনা     
ঘ. কার্যভিত্তিক পরিকল্পনা

৪৫। পানিতে আর্সেনিক দূষণ রোধ করার জন্য সরকার বড় ধরনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এ পরিকল্পনাটি নিচের কোন ধরনের-
ক. কর্মসূচি        খ. কর্মপদ্ধতি 
গ. প্রকল্প           ঘ. প্রক্রিয়া 

নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ৪৬ নম্বর প্রশ্নের উত্তর লেখ।

বনলতা হাউজিং লিমিটেড ২০১২ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত একটি পরিকল্পনা তৈরি করে। কিন্তু ২০১৩ সালে কোম্পানিটি প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তুলনা করে পরিকল্পনাটি পুনঃমূল্যায়ন করে উৎপাদন কাজ পরিচালনা করছে।

৪৬। নিচের কোন বৈশিষ্ট্যের কারণে বনলতা হাউজিং লিমিটেডের পরিকল্পনা পুনঃমূল্যায়ন করা সম্ভব হয়েছে?
ক. বাস্তবমুখিতা     খ. নমনীয়তা 
গ. গ্রহণযোগ্যতা     ঘ. সহজবোধ্যতা 

উত্তর: ৩৯. খ, ৪০. ঘ, ৪১. গ, ৪২. গ, ৪৩. ঘ, ৪৪. খ, ৪৫. ক, ৪৬. খ।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান 
ব্যবস্থাপনা বিভাগ, মাইলস্টোন কলেজ, ঢাকা

কবীর

সমন্বয় ও নিঃসরণ অধ্যায়ের ৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৭ পিএম
সমন্বয় ও নিঃসরণ অধ্যায়ের ৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান
শিক্ষার্থীরা লাইব্রেরিতে পড়াশোনা করছে। ছবি- সংগৃহীত

পঞ্চম অধ্যায় : সমন্বয় ও নিঃসরণ

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

নিচের উদ্দীপকটি পড়ে ২৬ নম্বর প্রশ্নের উত্তর লেখ।

নাফিজা বই পড়ে জানতে পারল যে, মানুষের ক্রোধ, লজ্জা, গরম, শীত, নিদ্রা, তাপ সংরক্ষণ ও চলন মস্তিষ্কের কোনো একটি অংশের কাজ।

২৬। মস্তিষ্কের কোন অংশ বুদ্ধিমত্তা নিয়ন্ত্রণ করে?
ক) মধ্যমস্তিষ্ক     
খ) লঘুমস্তিষ্ক 
গ) মেডুলা     
ঘ) গুরুমস্তিষ্ক

২৭। মানবদেহের প্রধান রেচন অঙ্গ কোনটি?
ক) চর্ম             খ) বৃক্ক 
গ) লোমকূপ     ঘ) ফুসফুস

২৮। মানবদেহে রেচন অঙ্গ কয়টি?
ক) ৫টি     খ) ৪টি 
গ) ৩টি     ঘ) ২টি

আরো পড়ুন : সমন্বয় ও নিঃসরণ অধ্যায়ের ৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

২৯। লঘুমস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রণ করে-
i. চলাফেরা 
ii. কথা বলা
iii. চিন্তা-চেতনা
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও iii     
খ) ii ও iii 
গ) i ও ii     
ঘ) i, ii ও iii

৩০। মেরুরজ্জুর বাইরের দিকে কোনটি থাকে?
ক) ধূসর পদার্থ     
খ) লাল পদার্থ 
গ) শ্বেত পদার্থ     
ঘ) হলুদ পদার্থ

উত্তর: ২৬. ঘ, ২৭. খ, ২৮. গ, ২৯. গ, ৩০. গ।

লেখক : সহকারী শিক্ষক
লৌহজং বালিকা পাইলট উচ্চবিদ্যালয়, মুন্সীগঞ্জ

কবীর