ভালো ফলাফল পেতে পরীক্ষা শুরুর আগে শেষ প্রস্তুতি হিসেবে বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক শাখার পরীক্ষার্থীদের সব বিষয়ে সমান গুরুত্ব দিয়ে পড়তে হবে। ভালো ফলাফলের জন্য একক কোনো বিষয় নিয়ে কাজ করবে না, কোনো বিষয়ই অবহেলা করা যাবে না। পুরোনো পাঠগুলো রিভিশন দেবে। পরীক্ষার জন্য নতুন কোনো বিষয় বা প্রশ্ন পাঠ করবে না। যে প্রশ্নটা ভালো পারো, সেটার উত্তর আগে লিখবে। জটিল প্রশ্নের উত্তর আগে না করাই ভালো।
জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রে বাংলা, ইংরেজি ও গণিতের ওপরে বিশেষ দখল থাকা জরুরি।
উত্তরপত্রে উত্তর লেখার ক্ষেত্রে সময় বিভাজন করে নেবে। ভালো ফলাফলের জন্য হাতের লেখা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। পরীক্ষার খাতায় লেখা সুন্দর করে লিখবে, যাতে পরীক্ষক উত্তরপত্র দেখে বিরক্ত না হয়ে ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে তোমার খাতা মূল্যায়ন করতে পারেন। শব্দের মাঝে পর্যাপ্ত স্পেস দেবে। যাতে পরীক্ষক উত্তরপত্র পড়তে পারেন এবং প্রশ্নোত্তরের প্রাসঙ্গিক আলোচনা যথাযথভাবে বুঝতে পারেন। উত্তরপত্রের উত্তর উপস্থাপনের কৌশল হিসেবে সাইন পেন ব্যবহার করতে পারো। গণিত, বাংলা ও ইংরেজি বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যয়গুলো আত্মস্থ করবে এবং সেই অনুযায়ী উত্তরপত্রে লিখবে।
এ মুহূর্তে অভিভাবকদের প্রতি পরামর্শ তারা যেন তাদের সন্তানদের উপরে অহেতুক মানসিক চাপ সৃস্টি না করেন। সন্তানদের পাশে থেকে সাহসী ও আত্মবিশ্বাসী হতে উৎসাহ জোগাবেন। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় অভিভাকদের অতিরিক্ত চাপের কারণে পরীক্ষার্থীর পরীক্ষাকেন্দ্রে গিয়ে এলোমেলো হয়ে যায়। ভালো ফলাফল করতে পারে না। তাই কোনোভাবেই শেষ মুহূর্তে এসে পরীক্ষার্থীদের ওপরে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করা যাবে না। প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নবান হওয়া উচিত। এ জন্য শিক্ষার্থী ও অভিভাবক উভয়কেই সচেতন থাকতে হবে। অভিভাবকদের সন্তাদের প্রতি যত্নবান হতে হবে।
অনুলিখন: মঈনুল ইসলাম সবুজ
লেখক: প্রধান শিক্ষক
ব্রজমোহন বিদ্যালয় (বিএম স্কুল)
বরিশাল।
জাহ্নবী