দ্বিতীয় অধ্যায়
পরিবেশ দূষণ
বর্ণনামূলক প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্ন: জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে কেন পরিবেশ দূষিত হয়?
উত্তর: জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে বাড়তি জনসংখ্যার জন্য বাসস্থান, রাস্তাঘাট নির্মাণ করতে হচ্ছে। এতে গাছপালা ও বনাঞ্চল ধ্বংস হচ্ছে। ফলে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। অধিক মাত্রায় খাদ্যশস্য ও ফসল ফলানোর জন্য জমিতে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে জমির উর্বরতা শক্তি নষ্ট হচ্ছে এবং জলাশয়ের পানি দূষিত হচ্ছে। যানবাহনের বিষাক্ত ধোঁয়া বায়ুমণ্ডল দূষিত করছে, জীববৈচিত্র্য হুমকির সম্মুখীন হচ্ছে, খাদ্যশৃঙ্খলে ব্যাঘাত ঘটছে। এভাবে জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। এতে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।
প্রশ্ন: মাটি ও পানিদূষণের সাদৃশ্য কোথায়?
উত্তর: মাটি ও পানিদূষণের সাদৃশ্য হচ্ছে উভয়ই ক্ষতিকর পদার্থ মিশ্রিত হয়ে দূষিত হয়।
কৃষিকাজে ব্যবহৃত সার ও কীটনাশক গৃহস্থালী ও হাসপাতালের বর্জ্য, কলকারখানার বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ, তেল ইত্যাদির মাধ্যমে মাটি দূষিত হয়। মাটিদূষণের ফলে জমির উর্বরতা শক্তি নষ্ট হয়।
অপরদিকে পয়োনিষ্কাশন ও গৃহস্থালীর বর্জ্য অথবা কলকারখানার ক্ষতিকর বর্জ্য পদার্থের মাধ্যমে পানি দূষিত হয়। ময়লা আবর্জনা মৃত জীবজন্তু পানিতে ফেলা, কাপড় ধোয়া, গোসল করা ইত্যাদির ফলেও পানি দূষিত হয়। পানিদূষণের ফলে মানুষ কলেরা, ডায়রিয়া, আমাশয়, টাইফয়েড ইত্যাদি পানিবাহিত রোগ ও বিভিন্ন চর্মরোগে আক্রান্ত হয়।
প্রশ্ন: আমরা কীভাবে শব্দদূষণ রোধ করতে পারি?
উত্তর: শব্দদূষণ রোধে আমাদের করণীয় সম্পর্কে নিচে তুলে ধরা হলো-
১. উচ্চৈঃস্বরে গান বাজানো যাবে না।
২. বিনা প্রয়োজনে গাড়ির হর্ন না বাজানো।
৩. মাইক বা লাউডস্পিকার না বাজানো।
৪. হাসপাতাল বা বিদ্যালয়ের পাশে উচ্চ শব্দে কোনো কিছু না বাজানো।
৫. জেনারেটরের শব্দ নিয়ন্ত্রণ করা।
লেখক: শিক্ষক
ফকিরেরপুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঢাকা
জাহ্নবী