‘আবদুর রশিদ টেন্ডলের ঠাঁট, নজু মিয়া হাট; টুনু মিয়ার জালাবারি, ফুরক মিয়ার মডর গাড়ি। ফুনগই হত্তিয়ার কথা এগিন (শোন এগুলি কবেকার কথা)। হেঁত্তে অ্যারার দাদা অলত্তে মডর গাড়ি আইশ্যি (তখন আমাদের দাদার কাছে মোটরগাড়ি এসেছিল)। এহথা চিন্তা গইত্তে কেন লাগে (একথা চিন্তা করতে কেমন লাগে)। এখন কিয়াই মডর গাড়ি কি? ন চিনে (এই প্রজন্ম মোটরগাড়ি চিনে না)। এসব কথা এক্কানর পর এক্কান মনত আইয়্যি (এসব কথা একের পর এক মনে আসছে)।’
বুধবার (১৪ মে) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবর্তন শেষে চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের বাথুয়া গ্রামে এসে এসব কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
তিনি আরও বলেন, ‘এখন ফুন্নিলেম যে, নজুমিয়া হাট শহর অইগেয়্যি, শহর এখন বিলেত অই গিইয়্যি (শুনেছিলাম নজুমিয়া হাট শহর হয়ে গেছে, শহর হয়ে গেছে বিলেত)। এখন ঠিকই নজুমিয়া হাট শহর হইয়্যি ফান লার (এখন ঠিকই মনে হচ্ছে নজুমিয়া হাট শহর হয়ে গেছে)। আরো অইবু (আরো হবে)। খুব ভালা লাইলু, বিয়াগ্গুনর লই দেখা হইল (সবার সাথে দেখা হয়ে খুব ভালো লাগল)। আঁজ্যিয়ে আইলাম যে, এডে চাঁটগা বিশ্ববিদ্যালয়’র মাইধ্যি এক্কান সমাবর্তন সভা আছিল (আজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবর্তন অনুষ্ঠান ছিল)। বাড়ির ঢাগত আইলাম, হেত্তুন বাড়িত আইলাম (বাড়ির কাছে এসেছি, সেখান থেকে বাড়িতে এলাম)। ভালা লাগিল, বিয়াগ্গুনুর লগে দেখা গরি গেইলাম আজিয়ে, আশা গরি ভবিষ্যতে আরও আসা-যাওয়া হাইবু (ভালো লেগেছে, সবার সাথে দেখা হলো, ভবিষ্যতে আরও আসা-যাওয়া হবে)।’
‘অ্যার লাই দোয়া রাইক্কুন বিয়াগ্গুনে (আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন)। আজিয়ে অনারুত্তুন বিদায় লাইজার (আজ বিদায় নিচ্ছি)। এই বলে বক্তব্য শেষ করেন প্রধান উপদেষ্টা।
চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের বাথুয়া গ্রামে ১৯৪০ সালে জন্মগ্রহণ করে ড. মুহাম্মদ ইউনূস। প্রায় আট বছর পর তিনি গ্রামের বাড়িতে গেলেন। সভায় বক্তব্যের আগে মা বাবাসহ মুরুব্বিদের কবরে জেয়ারত করেন।
অমিয়/