সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে ২৬ রানে জয়ে সিরিজে টিকেছিল ইংল্যান্ড। চতুর্থ ম্যাচটা জিতে সমতা ফেরানোর আশায় ছিল দলটা। কিন্তু ভারতের কাছে সেই ম্যাচে হারতে হয়েছে ১৫ রানে।
তবে ইংল্যান্ডকে হারাতে কনকাশন ছলচাতুরির আশ্রয় নিয়েছে ভারত, এমনটা মনে করেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক জস বাটলার।
ব্যাটিংয়ের সময় ৩৪ বলে ৫৩ রান করে ব্যাটিং ধসের পরও ভারতকে লড়াকু পুঁজি দাঁড় করানোয় বড় ভূমিকা রাখেন শিভম দুবে। তবে ফিল্ডিংয়ে নামেননি তিনি।
তার জায়গায় ‘কনকাশন’ হিসেবে নামেন হার্ষিত রানা। নেমেই বাজিমাত করে দেন তিনি ৩ উইকেট তুলে নিয়ে। এমন কনকাশন নিয়ে ম্যাচ শেষে ক্ষোভ ঝেড়েছেন ইংলিশ অধিনায়ক জস বাটলার।
চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে ৭৯ রানে ইংল্যান্ড ৫ উইকেট হারানোর পর ভারতকে টেনে তোলেন শিভম দুবে। ষষ্ঠ উইকেটে ৪৫ বলে ৮৭ রানের জুটি গড়েন তিনি হার্দিক পান্ডিয়ার সঙ্গে। হার্দিক করেন ৩০ বলে ৫৩ রান।
ইনিংসের শেষ বলে রানআউট হন শিভম দুবে। তবে ইনিংসের মাঝের দিকে একটি বল তার মাথায় লাগে। সেই কারণ দেখিয়ে ফিল্ডিংয়ে নামা হয়নি দুবের। তার জায়গায় কনকাশন বদলি হিসেবে মাঠে নামে হার্ষিত রানা। যিনি কিনা একজন নিয়মিত পেসার। অন্যদিকে দুবে ব্যাটিং অলরাউন্ডার, বোলিং করেন মাঝে মধ্যে।
দ্বিতীয় ইনিংসে দুবের পরিবর্তে রানার মাঠে নামাটা শুরু থেকেই প্রশ্নের জন্ম দেয়। কনকাশনের নিয়ম অনুযায়ী ‘লাইক-ফর-লাইক’ তথা একইমানের ক্রিকেটার বা প্রায় একই মানের ক্রিকেটার নামাতে হবে।
কিন্তু দুবে যেহেতু অলরাউন্ডার আর বোলিং করেন কালেভদ্রে। তাই তার পরিবর্তে নিয়মিত পেসার হার্ষিত রানার মাঠে নামাটা প্রশ্নের জন্ম দেয়।
মাঠে নেমে ইংল্যান্ডকে বিপদেও ফেলে দেন এই রানা। ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে ৩৩ রান খরচায় ৩ উইকেট শিকার করেছেন তিনি। সফরকারীদের হারতে হয় সিরিজ। যা মানতে পারছেন না ইংলিশ অধিনায়ক জস বাটলার।
ম্যাচশেষে ক্ষোভ ঝেড়ে বাটলার বলেন, ‘এটা অবশ্যই ‘লাইক-ফর-লাইক’ বদলি নয়। আমরা এটার সঙ্গে একমত নই। হয় শিভাম দুবের বলের গতি ঘণ্টায় ২৫ মাইল বেড়ে গেছে অথবা হার্ষিতের ব্যাটিংয়ে আচমকা অনেক উন্নতি হয়েছে। এটা ছাড়া এমন হওয়ার কথা নয়।’
বাটলার এরপর বলেন, ‘এসব খেলারই অংশ। আমাদের উচিত ছিল ম্যাচটি জেতা। তবে এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে আমরা একমত নই। আমাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা করা হয়নি। আমি ব্যাটিংয়ে নামার সময় এটিই ভাবছিলাম, হার্ষিতকে কার বদলে নেওয়া হলো? তারা জানালেন, এটা কনকাশন বদলি। অবশ্যই সেটায় আমি দ্বিমত জানাই। এটা মোটেও ‘লাইক-ফর-লাইক’ বদলি নয়। তারা জানালেন, ম্যাচ রেফারি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আমাদের কোনো মতামত নেওয়া হয়নি বা এই সিদ্ধান্তের প্রক্রিয়ায় ছিলাম না। তবে ব্যাপারটি পরিষ্কার হতে জাভাগালকে কিছু প্রশ্ন করতে হবে আমাদের।’