ছয় ব্যাটার খুলতে পারেননি রানের খাতা। এরপরও ইংল্যান্ড যা করেছে তা রীতিমতো চোখ কপালে ওঠার মতো। অবিশ্বাস্যভাবে তাদের দলীয় সংগ্রহ ছাড়িয়েছে ৪০০। যা সম্ভব হয়েছে দুটি ১৫০ ছাড়ানো ইনিংসে।
ভারতের প্রথম ইনিংসে করা ৫৮৭ রানের পাহাড় টপকাতে না পারলেও ইংলিশদের ৪০৭ রানের দলীয় সংগ্রহ স্মরণে থাকবে ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে দীর্ঘদিন। ২৫ রানে ৩ উইকেট হারানোর পরও এমন সংগ্রহের কারিগর ছিলেন হ্যারি ব্রুক ও জেমি স্মিথ। এমন কিছু পূর্বে দেখেনি ১৪৮ বছয় বয়স্ক টেস্ট ক্রিকেট।
ষষ্ঠ উইকেটে ব্রুক ও স্মিথের ৩০৩ রানের জুটিতে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৪০৭। ২০০৫ সালে এই মাঠেই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষেও প্রথম ইনিংসে ইংল্যান্ডের স্কোর ছিল ৪০৭। ২০ বছর পর সেই একই রান।
জেমি স্মিথ খেলেছেন খুবই মারকুটে এক ইনিংস। ওয়ানডে মেজাজে খেলে শতক আদায় করেন ৮০ বলে। অপরাজিত ছিলেন ১৮৪ রানে। ইংলিশদের ষষ্ঠ উইকেটকিপার হিসেবে স্মিথ করেন ১৫০ কিংবা তার বেশি রান।
অন্যদিকে, ১৩৭ বলে শতক হাঁকানো হ্যারি ব্রুক আউট হন ১৫৮ রানে। ২৭ টেস্টের ক্যারিয়ারে নবম সেঞ্চুরি তার ব্যাটে। দ্বিতীয় দ্রুততম নবম সেঞ্চুরি করলেন তিনি ইংলিশ ব্যাটার হিসেবে।
ব্রুক ও স্মিথের জুটি এড়িয়েছে ফলো-অন। ৮৪ রানে পাঁচ উইকেট হারানো স্বাগতিকরা এ দুজনের ব্যাটিং বীরত্বেই রক্ষা পায়। ভারতের হয়ে ৬ উইকেট শিকার করেন মোহাম্মদ সিরাজ ও ৪ উইকেট পান আকাশ দীপ।
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামা ভারতের সংগ্রহ ১ উইকেটে ৬৪ রান। রাহুল ২৮ ও করুণ অপরাজিত ৭ রানে। জয়সওয়াল আউট হয়েছেন ২৮ রানে। ভারতের লিড দাঁড়িয়েছে ২৪৪ রান। বলা যায় এই টেস্টের চালকের আসনে আছে সফরকারীরাই।