২০২৬ বিশ্বকাপ আয়োজনের মাঝেই ভবিষ্যতে আরও বড় পরিকল্পনার ইঙ্গিত দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। হোয়াইট হাউসের বিশ্বকাপ টাস্ক ফোর্সের নির্বাহী পরিচালক অ্যান্ড্রু জুলিয়ানি জানিয়েছেন, ২০৩৮ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ এককভাবে আয়োজনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র।
বর্তমানে কানাডা ও মেক্সিকোর সঙ্গে যৌথভাবে ২০২৬ বিশ্বকাপ আয়োজন করছে যুক্তরাষ্ট্র। এবারের আসরে অংশ নিচ্ছে রেকর্ড ৪৮টি দল। তবে ফিফা ভবিষ্যতে টুর্নামেন্টটি ৬৪ দলে করার বিষয়টিও বিবেচনা করছে।
এ প্রসঙ্গে জুলিয়ানি বলেন, ‘ভবিষ্যতে বিশ্বকাপ ৬৪ দলে উন্নীত হলে সেটি সফলভাবে পরিচালনা করার সামর্থ্য একমাত্র যুক্তরাষ্ট্রেরই রয়েছে। তবে ২০৩৮ বিশ্বকাপের জন্য আনুষ্ঠানিক বিড করার আগে আমরা চলমান বিশ্বকাপের সফল সমাপ্তি নিশ্চিত করতে চাই।’
২০৩৮ বিশ্বকাপের আয়োজক নির্বাচনকে ঘিরে শিগগিরই নতুন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। ২০৩০ বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করবে স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কো। একই সঙ্গে বিশ্বকাপের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে উদ্বোধনী তিনটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়েতে।
অপর দিকে, ২০৩৪ বিশ্বকাপের স্বাগতিক হিসেবে ইতোমধ্যেই সৌদি আরবের নাম ঘোষণা করেছে ফিফা।
তবে ২০২৬ বিশ্বকাপ আয়োজনকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রে নানা বিতর্কও সৃষ্টি হয়েছে। ১২০টিরও বেশি সংস্থা যৌথভাবে ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসন নীতির কারণে ভক্ত, খেলোয়াড় ও সাংবাদিকদের সতর্কতার সঙ্গে ভ্রমণের পরামর্শ দিয়েছে। পাশাপাশি যাতায়াত ও আবাসন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় সমালোচনার মুখে পড়েছে আয়োজক দেশটি।
এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাবও পড়েছে বিশ্বকাপে। ভিসা জটিলতার কারণে ইরান দলের কোচিং স্টাফকে বেসক্যাম্প অ্যারিজোনা থেকে মেক্সিকোর টিজুয়ানায় সরাতে হয়েছে।
এসব বিতর্কের মধ্যেও জুলিয়ানি আশাবাদী। তার মতে, উন্নত অবকাঠামো, বিশ্বমানের স্টেডিয়াম এবং পর্যাপ্ত আয়োজন সক্ষমতার কারণে ভবিষ্যতের বিশ্বকাপ এককভাবে আয়োজনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রই সবচেয়ে উপযুক্ত দেশ।
পাপ্পু/তোফায়েল