চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকা ও ফেনী পৌর সদরে অভিযান চালিয়ে ছয়টি কিশোর গ্যাং গ্রুপের প্রধানসহ মোট ২৮ জন কিশোর গ্যাং সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৭।
বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) র্যাব-৭-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. নুরুল আবছার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তাররা হলো মো. রাব্বি (২০), মো. তৌহিদুল ওরফে সাগর (১৭), মো. ফখরুল (২০), মো. রাকিব উদ্দিন তামিম (১৯), মো. আহাদ আলীফ (১৯), গোপাল ত্রিপুরা (২২), আবরার হান্নান (১৯), মোহাম্মদ জুবাইরুল ইসলাম (২০), সুব্রত বড়ুয়া (২১), মো. হারুনুর রশিদ (২১), মো. রবিউল আওয়াল রুবেল (২৩), মো. মুন্না (২২), মেহেদী হাসান মুন্না (২০), মো. মনির (২০), ফারহাদ (২৪), আসিফ (২২), রাশেদ ওরফে রাসেল (২০), মো. ইউসুফ (২১), এমরান হোসেন বাবলু (২৩), মো. জামাল উদ্দিন (৩৮), মো. সাখাওয়াত হোসেন শাকিল (২৪), মো. মনির উদ্দিন (২৫), মো. রকিবুল হোসেন ওরফে সাদ্দাম (২৬), মো. সাব্বির হোসেন (২০), মো. আলাউদ্দিন (২০), মো. মাসুদুর রহমান অপু (২৬), মো. রায়হান (২২) ও মো. জাকির হোসেন (৩০)।
গত বুধবার দিবাগত রাতে ফেনী পৌরসভার মধ্যম রামপুর এলাকা, চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ এলাকা, আমিন কলোনি এলাকা, আকবর টিলা পূর্বাঞ্চল হাউজিং সোসাইটি এলাকা, বাকলিয়া থানাধীন এক্সেস রোড এলাকা ও পাহাড়তলী থানাধীন সাগরিকা মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব জানায়, গ্রেপ্তার কিশোররা এসডিকে, নুরু গ্রুপ, রশিদ গ্রুপ, রুবেল গ্রুপ, ইউসুফ গ্রুপ ও সাদ্দাম গ্রুপে নিজেদের জড়িয়ে চট্টগ্রাম নগরী ও ফেনী জেলার বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয়ভাবে রাস্তায় সংঘবদ্ধ হয়ে মারামারি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও ইভ টিজিং, প্রভাব বিস্তার করাসহ বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত। এ ছাড়া তারা প্রকাশ্যে স্থানীয় সাধারণ কিশোরদের মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি প্রদান, দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র প্রদর্শন এবং মাদক সেবন করে বলে জানা গেছে। মূলত ‘হিরোইজম ও বড়ভাই কালচার’ প্রকাশ করতে পাড়া-মহল্লায় কিশোর গ্যাং গড়ে ওঠার অন্যতম কারণ।