ঢাকা ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
১৩ জুলাই বরিশাল সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী চিনিকল চালুর দাবিতে ঢাকায় বড় কর্মসূচির ঘোষণা তারাকান্দায় মাদক সেবন করায় তিনজনের কারাদণ্ড আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে ফরাসি রেফারি বাংলাদেশে মসজিদের সংখ্যা প্রকাশ, শীর্ষে কোন বিভাগ? মিশরের বিপক্ষে যে একাদশ নিয়ে নামছে আর্জেন্টিনা এনসিপির সমাবেশে হামলায় জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা হবে: আইনমন্ত্রী স্বেচ্ছাচারিতার অবসান, জবাবদিহিতা ফিরেছে: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী প্রস্তাবিত বিলে বিএমইউ-এর চিকিৎসা ব্যয় বাড়ার শঙ্কা বিরোধীদলীয় নেতার প্রশ্নফাঁস ও অনলাইন জালিয়াতি রোধে সংসদে বিল পাস ভারতীয় চিকিৎসায় শ্রবণশক্তি ফিরে পাচ্ছে বাংলাদেশি শিশু জাতীয় বাজেট বাস্তবায়নে শিক্ষা, গবেষণা ও সুশাসনকে কেন্দ্রবিন্দুতে রাখার আহ্বান অর্থনীতিবিদ ও শিক্ষাবিদদের জামালপুরে আইন কর্মকর্তার অফিস থেকে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও মাদক উদ্ধার ঈশ্বরগঞ্জে একরাতে ১০ গরু চুরি, আতঙ্কে কৃষক মুক্তির আগেই বিতর্ক থানচিতে ফিরেছে শতাধিক পর্যটক, পথে আরও ১৮ জন ইবি ছাত্রশক্তির কমিটিকে ‘হাইব্রিড পকেট কমিটি’ দাবি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় ৩৮ বিলিয়ন ডলার ধৈর্যই আমাদের জয়ের চাবিকাঠি:  স্পেনের কোচ দে লা ফুয়েন্তে জবি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত ১৩ বিরতি ভেঙে ফিরছেন বুবলি নামাজের শেষ মুহূর্তের এক মহামূল্যবান সুযোগ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সমীক্ষা সম্পন্ন: পানিসম্পদ মন্ত্রী কলকাতার নন্দনে নন্দিত বাংলাদেশের ‘সম্পর্ক’ মহাকালের পটে এক ঋজু পদচ্ছাপ: আবুল কাসেম ফজলুল হক ও বাঙালির মননবিশ্বের বিবর্তন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৫৪ গবেষকের পিএইচডি-এমফিল ডিগ্রি অর্জন এআই অ্যান্ড ডেটা সায়েন্সে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রাম চালু করল আইএসইউ মির্জা শরফউদ্দীন বেগ (রহ.)-এর স্মরণে বরিশালে দোয়া মাহফিল মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আক্ষেপ থেকেই যাবে! যাত্রীসেবায় আরও যত্নশীল হোক রেলওয়ে

‘৬ মাসের মধ্যেই কালুরঘাট সেতুর নির্মাণকাজ শুরু করতে হবে’

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৪, ০৩:০৫ পিএম
‘৬ মাসের মধ্যেই কালুরঘাট সেতুর নির্মাণকাজ শুরু করতে হবে’
ছবি : খবরের কাগজ

অর্থায়ন জটিলতা কেটে যাওয়ার মধ্য দিয়ে কালুরঘাট সেতু বাস্তবায়নের কার্যক্রমে প্রত্যাশিত গতি এসেছে। এটা যেন বহাল থাকে। পাশাপাশি একনেকের অনুমোদন, দরপত্রসহ আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া শেষ করে আগামী ছয় মাস অর্থাৎ চলতি বছরের মধ্যেই সেতু নির্মাণের কাজ শুরু করার দাবি জানায় বোয়ালখালী-কালুরঘাট সেতু বাস্তবায়ন পরিষদ।

রবিবার (৩০ জুন) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

এ সময় বোয়ালখালী-কালুরঘাট সেতু বাস্তবায়ন পরিষদের আহ্বায়ক আবদুল মোমিন বলেন, কর্ণফুলী নদীর ওপর যে কালুরঘাট রেলসেতু আছে, সেটা প্রায় ১০০ বছরের পুরোনো ও জরাজীর্ণ। ৮০-এর দশক থেকেই বারবার জোড়াতালি দিয়ে এ সেতুকে এখন পর্যন্ত ট্রেন ও যান চলাচলের জন্য কোনোভাবে ঠিক করে রাখা হয়েছে। এক বছর ধরে জোড়াতালির সংস্কার কাজের জন্য সেতু দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ আছে। বিকল্প উপায়ে ফেরি দিয়ে মানুষ পারাপার করতে গিয়ে ইতোমধ্যে একাধিক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। 

তিনি বলেন, কালুরঘাট সেতুর দাবি সামনে আনার পর সরকারেরও বিষয়টির ওপর দৃষ্টি আসে। বিগত ১০ বছরে সেতুটি নির্মাণে অর্থায়ন নিয়ে আলোচনা, নকশা প্রণয়ন এবং সরকারি পর্যায়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ ছিল। কিন্তু এরপরও সেতুর নির্মাণের বিষয়ে প্রক্রিয়াগত কার্যক্রম স্থবির ছিল। তবে সম্প্রতি কিছু অগ্রগতি হয়েছে। গত ২৭ জুন দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে ঋণচুক্তি স্বাক্ষরসহ সর্বশেষ যে অগ্রগতি সেটা গত এক দশকের ধারাবাহিক কর্মপ্রচেষ্টার ফলাফল, যার সঙ্গে বোয়ালখালী-কালুরঘাট সেতু বাস্তবায়ন পরিষদসহ সর্বস্তরের মানুষের সংযুক্তি আছে।

বোয়ালখালী-কালুরঘাট সেতু বাস্তবায়ন পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মুস্তফা নঈম বলেন, দক্ষিণ রাঙ্গুনীয়ার বসবাসকারী মানুষদের প্রায় ৬৪ মাইল ঘুরে চট্টগ্রামে আসতে হয়। কালুরঘাট সেতু হলে অন্তত ৪০ মাইল দূরত্ব কমবে। তাছাড়া কালুরঘাট সেতু বাস্তবায়ন হলে বান্দরবানের সঙ্গেও ২০ কিলোমিটার রাস্তার দূরত্ব কমে আসবে। 

সংগঠনের সদস্য সচিব রমেন দাশগুপ্ত বলেন, ২০১৪ সালের শুরুতে বোয়ালখালী-কালুরঘাট সেতু বাস্তবায়ন পরিষদের কার্যক্রম শুরু হয়। এর মধ্য দিয়েই সেতুর দাবি প্রথম জনসম্মুখে আসে। চুক্তি সইয়ের মধ্য দিয়ে বহুল প্রত্যাশিত কালুরঘাট সেতু নির্মাণে চূড়ান্ত অগ্রগতি হয়েছে। পদ্মা সেতুর মতো এ সেতু নির্মাণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত। 

সেতু বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য উত্তম সেনগুপ্ত বলেন, কালুরঘাট সেতু হলে শুধু বোয়ালখালী বা পটিয়াবাসী উপকার পাবে সেটা নয়, সেতু হলে পুরো চট্টগ্রামবাসী এর সুফল ভোগ করবে। 

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বোয়ালখালী-কালুরঘাট সেতু বাস্তবায়ন পরিষদের সমন্বয়কারী আলমগীর মোরশেদ বাবু, অমল কান্তি নাথ, উজ্জ্বল সরকার, সেহাব উদ্দিন সাইফু, নেছার আহমেদ খান, তপন দাশগুপ্ত, সাদেকুর রহমান সবুজ, সাংবাদিক নুরুল আবসার, রণজিৎ চৌধুরী বাচ্চু ও প্রকৌশলী সিঞ্চন ভৌমিক প্রমুখ। 

চট্টগ্রাম ব্যুরো/অমিয়/ 

১৩ জুলাই বরিশাল সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪০ পিএম
১৩ জুলাই বরিশাল সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় নির্বাচনের পর প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বরিশাল সফরে যাচ্ছেন। আগামী ১৩ জুলাই তার এ সফরের কর্মসূচি চূড়ান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির শীর্ষ নেতারা।

সফরের খবর ছড়িয়ে পড়তেই বরিশালের তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ–উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাকে বরিশালে স্বাগত জানিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে পোস্ট দিচ্ছেন বিএনপির নেতা- কর্মীরা।

বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন বলেন, আগামী ১৩ জুলাই তারেক রহমানের বরিশাল সফরের কর্মসূচি চূড়ান্ত হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে ওই দিন সকালে তিনি বরিশালের গৌরনদী উপজেলার কসবায় সেনাবাহিনীর অস্থায়ী ক্যাম্পে গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন করবেন। পরে বরিশাল নগরের বেলস পার্ক লেক এলাকায় বৃক্ষরোপণ
কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।

তিনি জানান, বিকেলে বরিশাল শিল্পকলা একাডেমিতে মহানগর, জেলা উত্তর ও জেলা দক্ষিণ বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতাদের নিয়ে একটি সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া সফরকালে আলেম-ওলামাদের সঙ্গে মতবিনিময়েরও পরিকল্পনা রয়েছে।

বরিশাল সফরে প্রধানমন্ত্রীর কাছে কোন কোন দাবি তুলে ধরা হবে এমন প্রশ্নের জবাবে বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন বলেন, কুয়াকাটা–বরিশাল–ভাঙ্গা ছয় লেন সড়ক প্রকল্প, রেললাইন, বরিশাল–ভোলা সেতু, গ্যাস সরবরাহ এবং ইপিজেড প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন বিষয়ে তারেক রহমান অবগত আছেন। এরপরও সুযোগ অনুযায়ী বরিশালের মানুষের প্রত্যাশার বিষয়গুলো তার কাছে তুলে ধরা হবে।

বরিশাল জেলা (দক্ষিণ) বিএনপির সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীন বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যানকে স্বাগত জানাতে জেলা দক্ষিণ, জেলা উত্তর, মহানগর বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা প্রস্তুতি শুরু করেছেন। উপজেলা পর্যায়ের নেতা-কর্মীদেরও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ উদ্দিন বাবলু বলেন, জাতীয় নির্বাচনের পর প্রথমবারের মতো দলের প্রধান বরিশালে আসছেন। তার সফরকে ঘিরে নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ–উদ্দীপনা বিরাজ করছে। তাঁকে স্বাগত জানাতে যুবদল বিভিন্ন প্রস্তুতি নিচ্ছে।

সবুজ/নাঈম

তারাকান্দায় মাদক সেবন করায় তিনজনের কারাদণ্ড

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৯:২৯ পিএম
তারাকান্দায় মাদক সেবন করায় তিনজনের কারাদণ্ড
মাদক সেবনের দায়ে তিনজনকে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং হিরোইনসহ আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ছবি: খবরের কাগজ

ময়মনসিংহের তারাকান্দায় মাদক সেবনের দায়ে তিনজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ছাড়া হিরোইনসহ আটক এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (৭ জুলাই) দিনব্যাপী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে টাস্কফোর্স পরিচালনা করা হয়। এতে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিনুল ইসলাম। সার্বিক সহযোগিতা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস. এম. নাজমুস ছালেহীন।

কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, উপজেলার কাকনী ইউনিয়নের বাঁশতলা এলাকার সেলিম ফকির, আবুল হাসেম ও মুসলিম ফকির। এ ছাড়া হিরোইনসহ আটক ব্যক্তির নাম ফারুক। তিনিও একই এলাকার বাসিন্দা।

উপজেলা প্রশাসন জানায়, প্রাপ্ত অভিযোগ ও গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বাঁশতলা এলাকায় ফারুক নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মাদক সেবনরত অবস্থায় সেলিম ফকির, আবুল হাসেম ও মুসলিম ফকিরকে আটক করা হয়। পরে অভিযুক্তদের দোষ স্বীকারোক্তি ও উপস্থিত সাক্ষীদের সাক্ষ্যের ভিত্তিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে সেলিম ফকিরকে ৬ মাস, আবুল হাসেমকে ২ মাস এবং মুসলিম ফকিরকে ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

এদিকে একই অভিযানে ফারুকের কাছ থেকে প্রায় ৪ গ্রাম হিরোইন উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হিরোইন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলার জন্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, ময়মনসিংহের পরিদর্শক কানিজ ফাতেমাকে নির্দেশ দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে তারাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, তারাকান্দা উপজেলাকে মাদকমুক্ত করতে উপজেলা প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

অভিযানে তারাকান্দা থানা পুলিশের একটি দল, আনসার সদস্য এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা অংশ নেন।

কামরুজ্জামান/নাঈম 

জামালপুরে আইন কর্মকর্তার অফিস থেকে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও মাদক উদ্ধার

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৮ পিএম
জামালপুরে আইন কর্মকর্তার অফিস থেকে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও মাদক উদ্ধার
সাবেক আইন কর্মকর্তার অফিসে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। ইনসেটে মদ ও অস্ত্র। ছবি: খবরের কাগজ

জামালপুরে সাবেক আইন কর্মকর্তা ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ কামরুল হাসান মনির ব্যক্তিগত কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে দেশীয় অস্ত্র, গুলি, ককটেল, পেট্রোল বোমা ও বিদেশি মদ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেলে শহরের পাঁচরাস্তার মোড় এলাকায় মনোয়ার আলী সুপার মার্কেটের দ্বিতীয় তলার ওই কার্যালয় থেকে এসব উদ্ধার করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (জামালপুর সদর সার্কেল) রাকিবুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জামালপুর শহরের পাঁচরাস্তার মোড় এলাকায় মনোয়ার আলী সুপার মার্কেটের দোতলায় একজন আইনজীবীর ব্যক্তিগত কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। এ সময় দেশীয় তৈরি দুইটি পাইপগান, নাইন এমএম পিস্তলের ৪টি গুলি, শর্টগানের ৪টি গুলি, ৬টি ককটেল, ২টি পেট্রোল বোমা এবং ৬টি বিদেশি মদের বোতল উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।

আজ বিকেলে তালা ভেঙে ওই আইনজীবীর অনুপস্থিতিতেই তার কার্যালয়ে পুলিশ প্রবেশ করে। এ সময় কার্যালয়ের বিভিন্ন আসবাব থেকে এসব আগ্নেয়াস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করে পুলিশ। পরে তা জব্দ করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। অভিযানের সময় গণমাধ্যম কর্মী এবং স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ীকে সঙ্গে রেখে পুলিশ এ অভিযান পরিচালনা করে। তবে এ ঘটনায় অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ কামরুল হাসান মনি বা সংশ্লিষ্ট কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

উল্লেখ্য, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ কামরুল হাসান মনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ডাংধরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। আওয়ামী লীগ শাসনামলে, তিনি আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ থেকে জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে ক্রীড়া সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং তিনি জামালপুর আদালতে সরকারি আইন কর্মকর্তা (এপিপি) ছিলেন।

আসমাউল আসিফ/নাঈম

ঈশ্বরগঞ্জে একরাতে ১০ গরু চুরি, আতঙ্কে কৃষক

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪৯ পিএম
ঈশ্বরগঞ্জে একরাতে ১০ গরু চুরি, আতঙ্কে কৃষক
ছবি:এআই

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে একরাতে ১০টি গরু গরু চুরি হয়েছে। চুরির আতঙ্কে কৃষকরা নির্ঘুম রাত পার করছেন।  

সোমবার (৬ জুলাই) রাতে উপজেলার পৌর শহরের শিমরাইল ও মাইজবাগ ইউনিয়নের সাধুরগোলা গ্রাম থেকে গরুগুলো চুরি হয়।

জানা গেছে, পৌরশহরের শিমরাইল থেকে চা বিক্রেতা চাঁন মিয়ার ২টি গাভি, রাজমিস্ত্রি হাবিবুর রহমানের গাভি-বাছুরসহ ৩টি।
একই রাতে মাইজবাগ ইউনিয়নের সাধুরগোলা গ্রামের রিকশাচালক এমদাদুল হকের ২টি, প্রান্তিক কৃষক আজিজুলের ১টি গরু এবং আব্দুল বারেকের ২টি গরু চুরি হয়েছে। গরু চুরির ঘটনায় কৃষকদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। কৃষকরা এখন গরু চোরের ভয়ে গোয়াল ঘরে রাত যাপন করছেন। 

উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় উদ্বেগজনক হারে গরু চুরি বেড়ে যাওয়ায় অন্যান্য সাধারণ মানুষও চুরির আতঙ্কে রাত পার করছেন।

এ বিষয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল আজম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

ফয়সল/নাঈম

থানচিতে ফিরেছে শতাধিক পর্যটক, পথে আরও ১৮ জন

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪১ পিএম
থানচিতে ফিরেছে শতাধিক পর্যটক, পথে আরও ১৮ জন
ছবি: সংগৃহীত

বান্দরবানের থানচি উপজেলার নাফাখুম ও অমিয়াখুম এলাকায় টানা বৃষ্টির কারণে আটকে পড়া পর্যটকদের মধ্যে শতাধিক পর্যটক নিরাপদে থানচি সদরে ফিরেছেন।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেলে অমিয়াখুমে আটকে থাকা আরও ১৮ জন থানচির উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। তাদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে গাইডদের একটি দল পদ্মমুখ এলাকায় অবস্থান করেছে।

প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত তিন দিনের টানা বৃষ্টিতে সাঙ্গু নদীসহ পাহাড়ি ছড়া ও ঝরনার পানি হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় বিভিন্ন পর্যটন এলাকায় শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েন। তবে মঙ্গলবার থেকে সাঙ্গু ও মাতামুহুরি নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। লামা–আলীকদম সড়ক থেকেও পানি নেমে যাওয়ায় যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ-আল-ফয়সাল বলেন, রেমাক্রী এলাকায় আটকে পড়া ৭০ জন পর্যটককে লাইফ জ্যাকেটের সহায়তায় নিরাপদে থানচি সদরে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। অমিয়াখুম থেকে ফিরতে থাকা ১৮ জনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গাইডদের একটি দল পদ্মমুখ এলাকায় অবস্থান করছে।

তিন্দু ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মংপ্রু অং মারমা জানান, সোমবার সন্ধ্যায় তার শিলাগিরি রিসোর্টে আশ্রয় নেওয়া ৭০ জন পর্যটকের জন্য বিনা মূল্যে থাকার ব্যবস্থা এবং স্বল্পমূল্যে খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। তারা মঙ্গলবার নিরাপদে থানচি সদরে ফিরে গেছেন।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে জেলা প্রশাসন সোমবার রাত থেকে আগামী শুক্রবার পর্যন্ত জেলার সব পর্যটনকেন্দ্রে ভ্রমণ সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করেছে। এতে হোটেল ও রিসোর্ট ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন।

বান্দরবান হোটেল রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন বলেন, ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার কারণে অনেক পর্যটক অগ্রিম বুকিং বাতিল করছেন, ফলে ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মুখে পড়ছেন।

বান্দরবান আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সনাতন কুমার মণ্ডল জানান, সোমবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১৬৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে, যা অতিভারী বৃষ্টিপাতের মধ্যে পড়ে।

জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস বলেন, সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলার ২২০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জেলা সদরসহ রুমা, থানচি ও রোয়াংছড়ির সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ সচল রাখতে ফায়ার সার্ভিস ও সেনাবাহিনী কাজ করছে। এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

রিজভী রাহাত/এসএন