ফেনীতে মুহুরী নদীর বাঁধের ছয়টি ভাঙা স্থান দিয়ে পানি প্রবেশ অব্যাহত রয়েছে। তা ছাড়া ফুলগাজী উপজেলার অংশে নতুন করে আরও দুটি স্থানে ভাঙনে আমজাদহাট, বসন্তপুর, জগৎপুর, দরবারপুরসহ দুই উপজেলার ১৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
ভাঙনের কারণে ভেসে গেছে পুকুরের মাছ, আবাদি জমির ফসল। নষ্ট হয়েছে ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট।
এদিকে পরশুরাম উপজেলার শালধরের ভাঙা অংশ দিয়েও কমেনি পানির স্রোত। প্লাবিত হচ্ছে নিম্নাঞ্চল। ঘর থেকে পানি নেমে গেলেও উঠানের পানি কমেনি। বাড়িঘর ভেঙে যাওয়ায় নির্ঘুম রাত কাটাতে হচ্ছে অনেক গ্রামবাসীকে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাশেদ শাহরিয়ার খবরের কাগজকে জানান, মুহুরী ও কহুয়া নদীর পানি সকাল ১০টার দিকে বিপৎসীমার ১২ সেন্টিমিটার নিচে থাকলেও বর্তমানে পানি বিপৎসীমার ২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আকরাম উদ্দিন জানান, নদীর বাঁধে ভাঙনের ফলে দুই উপজেলায় আউশ ধান ১০ হেক্টর, গ্রীষ্মকালীন সবজি সাড়ে পাঁচ হেক্টর ও আমনের সাড়ে ১২ হেক্টর বীজতলা জমির ক্ষতি হয়েছে। পানি দ্রুত নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা গেলে ক্ষয়ক্ষতি কমবে। সে জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড ও বিএডিসিকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় থেকে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে জানিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী নাসিম।
তোফায়েল নিলয়/অমিয়/