ঢাকা ১ শ্রাবণ ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
ক্লান্তি দূর করার মহৌষধ দাফন নিয়ে অনিশ্চয়তা, জীবিত থাকতেই কবর তৈরি বৃদ্ধার লৌহজংয়ে পদ্মাপাড়ে ভয়াবহ ভাঙন বরিশালে ১১ দলীয় জোটের সমাবেশ ঘিরে প্রস্তুতি জোরদার মাগুরায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠিত জয়পুরহাটে শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠিত লিবিয়ার বন্দিশিবির থেকে দেশে ফিরলেন ১৭১ বাংলাদেশি বিশ্বকাপ ফাইনাল: জেনে নিন আর্জেন্টিনা-স্পেন মহারণের সব তথ্য শ্রীমঙ্গলে ওয়ালটন ক্যাবলসের বার্ষিক ডিলার কনফারেন্স-২০২৬ অনুষ্ঠিত অসুস্থ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ডিএনসিসির ৪ হাজার ৫২৭ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা বাংলাদেশ কোনো একটি নির্দিষ্ট ধর্মের মানুষের জন্য নয়: মির্জা ফখরুল স্পিডবোট রক্ষণাবেক্ষণের সময় নদীতে পড়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি নিখোঁজ প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে পাঁচ ইউরোপীয় রাষ্ট্রদূতের বৈঠক চেক প্রতারণার মামলায় সালমান এফ রহমানের জামিন স্বাস্থ্যসেবার দাবিতে হাঁটু পানিতে নিঝুমদ্বীপবাসী ৫০০ শিক্ষাবৃত্তি দেবে সৌদি আরব: মাহাদী আমীন বগুড়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে রথযাত্রা অনুষ্ঠিত নতুন উপজেলা ও পৌরসভার দাবিতে শৈলকুপায় মানববন্ধন গুগল পিক্সেল ওয়াচের ছবি ফাঁস ব্রিডিং গ্রাউন্ডের অফলাইন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ময়মনসিংহ মেডিকেলে দালালবিরোধী অভিযান, আটক ১৪ তরুণদের দক্ষতায় বদলে যাবে আগামীর বাংলাদেশ জয়ধ্বনি আর উচ্ছ্বাসে মানিকগঞ্জে জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা দুর্নীতির মামলায় বেনজীরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহন সিসা দূষণে ঝুঁকিতে কোটি কোটি শিশু, কার্যকর পদক্ষেপের দাবি রথযাত্রা: ভালোবাসা ও সম্প্রীতির এক অবিরাম স্রোত শহিদ আবু সাঈদের স্মরণসভায় অর্ধেক চেয়ার খালি, হতাশ মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী সুশাসনের সঙ্গে টেকসই নগর ব্যবস্থাপনা জরুরি হামের উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু

টেকনাফে ডাকাত দেলোয়ার গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫৪ পিএম
আপডেট: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৮ পিএম
টেকনাফে ডাকাত দেলোয়ার গ্রেপ্তার
ডাকাত দেলোয়ার গ্রেপ্তার/ ছবি: খবরের কাগজ

টেকনাফের লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান চালিয়ে একাধিক মামলার আসামি ও তিনটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত ডাকাত দেলোয়ার হোছাইনকে গ্রেপ্তার করেছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাতে ২৪ নম্বর লেদা ক্যাম্পের এ/১৪ ব্লক এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পাওয়া যায় যে, একাধিক মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি দেলোয়ার হোছাইন একটি লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দোকানে অবস্থান করছে।

সংবাদ পাওয়ার পর লেদা এপিবিএন ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার) মো. মফিজুর রহমানের নির্দেশে এসআই (নিরস্ত্র) শ্রী সঞ্জিত কুমার রায়ের নেতৃত্বে একটি দল ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। অভিযান চলাকালে দেলোয়ার হোছাইন দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে অভিযানে অংশ নেওয়া সদস্যরা তাকে ধাওয়া করে আটক করে। পরে তাকে এপিবিএন ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয় এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া দেলোয়ার হোছাইনের বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় মোট সাতটি নিয়মিত মামলা এবং তিনটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। এসব মামলার মধ্যে হত্যা চেষ্টা, সরকারি কাজে বাধা, অপহরণ, চাঁদাবাজি, নারী ও শিশু নির্যাতন, জোরপূর্বক আটকে রাখা, ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ দণ্ডবিধি ও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের বিভিন্ন ধারায় মামলা রয়েছে।

এপিবিএনের তথ্যমতে, দেলোয়ার হোছাইনের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে হ্নীলা ইউনিয়নের ২৪ নম্বর লেদা ক্যাম্পে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, অপহরণ, ছিনতাই, চাঁদাবাজি এবং জোরপূর্বক ধর্ষণসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ কাউছার সিকদার জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

শাহীন/তামান্না রুপা/

দাফন নিয়ে অনিশ্চয়তা, জীবিত থাকতেই কবর তৈরি বৃদ্ধার

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৪ পিএম
দাফন নিয়ে অনিশ্চয়তা, জীবিত থাকতেই কবর তৈরি বৃদ্ধার
নিজের কবরের সামনে আয়েশা খাতুন। ছবি: খবরের কাগজ

জীবনের শেষ সময়ে এসে অধিকাংশ মা-বাবার ভরসা থাকে সন্তানের ওপর। কিন্তু বাস্তবতা সব সময় সেই আশার প্রতিফলন ঘটায় না। এমনই এক হৃদয়বিদারক দৃষ্টান্ত দেখা গেছে এক বৃদ্ধা মায়ের জীবনে। সন্তানেরা মৃত্যুর পর যথাযথভাবে দাফন করবেন কি না—এই অনিশ্চয়তা থেকেই তিনি জীবিত থাকতেই নিজের কবর তৈরি করে রেখেছেন।

হৃদয়বিদারক এ ঘটনাটি ঘটেছে ঠাকুরগাঁওয়ের ভূল্লী উপজেলার বালিয়া ইউনিয়নের বড়বালিয়া পাইকারমনি গ্রামে। 

জানা যায়, বৃদ্ধা আয়েশা খাতুন ঐ গ্রামের মৃত আয়নাল হকের স্ত্রী। স্বামীর মৃত্যুর পর দীর্ঘদিন ধরে সন্তানদের অবহেলা ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন এই বৃদ্ধা। ছেলেরা সম্পদ লিখে নেওয়ার পর এখন আর কেউ খোঁজ খবর নেয় না। বড় ও ছোট ছেলের বাড়ীতে কিছুদিন থাকার পর বনাবনি না হওয়ায় সন্তানেরা এই বৃদ্ধা মাকে বাসা থেকে বের করে দেন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় স্বামীর দেওয়া আড়াই শতাংশ জমির উপর ঠাই নেন বৃদ্ধা আয়েশা খাতুন। 

সন্তানদের এমন আচরণে ও তাদের উপর ভরসা না থাকায় ঘরেই পাশেই তৈরী করে রেখেছেন নিজের কবর। প্রতিদিন সেই কবরের পাশ দিয়ে হেঁটে যান, আর নীরবে মৃত্যুর অপেক্ষা করেন।

বৃদ্ধার এই সিদ্ধান্ত স্থানীয়দের আবেগাপ্লুত করেছে। অনেকেই বলছেন, একজন মায়ের এমন সিদ্ধান্ত সমাজের জন্য লজ্জাজনক। যে মা সারা জীবন সন্তানকে মানুষ করতে নিজের সবকিছু উৎসর্গ করেন, শেষ বয়সে সেই মাকেই নিজের কবরের ব্যবস্থা করে রাখতে হয়।এ দৃশ্য আমাদের পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়েরই প্রতিচ্ছবি।

বৃদ্ধা মায়ের তৈরি করে রাখা এই কবর যেন আমাদের সবাইকে একটি প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করায়। আমরা কি সত্যিই আমাদের মা-বাবার প্রতি দায়িত্ব পালন করছি?
বৃদ্ধা আয়েশা খাতুন বলেন, সন্তানরা কেউ খোঁজ খবর নেয় না। ঘরের মধ্যে পানি ঠুকে তারপরও কষ্ট করে থাকি। ঘরের মধ্যে কারেন্ট নেই অন্ধকারে থাকতে হয়। না খেয়ে দিন পার করতে হয়। একবারও তারা খোঁজ নেয় না মা কেমন আছে। কান্নাজড়িত কণ্ঠে বৃদ্ধা আয়েশা খাতুন বলেন, এতো কষ্ট করে সন্তানদের বড় করলাম কেউ দেখতেও আসে না।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ৫ বছর থেকে বৃদ্ধা আয়েশা খাতুন এখানে থাকেন। অনেক কষ্ট করে চলেন। তার সন্তানরা জমি লিখে নেওয়ার পর আর কেউ দেখেন না। এলাকাবাসীকে তিনি বলে রেখেছেন তিনি মারা গেলে যেন তার তৈরী করা কবরে দাফন করা হয়। তার ছেলেরা সবাই ব্যবসা করে, সবাই ভালো চলে অথচ তার মায়ের কেউ খোঁজ খবর নেয় না। আমরা কিছু বলতে গেলে উল্টো আমাদেরকে গালিগালাজ করে।

শেষ বয়সে বৃদ্ধা আয়েশা খাতুন যেন তার সন্তানদের সাথে থাকতে পারে প্রশাসনের কাছে এমনটাই দাবি স্থানীয়দের । 

ঠাকুরগাঁও সংবাদদাতা/এসএন

মাগুরায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩৪ পিএম
আপডেট: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩৯ পিএম
মাগুরায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠিত
ছবি: খবরের কাগজ

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা মহোৎসব উপলক্ষে মাগুরায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই)  বিকেলে মাগুরা শহরের নতুন বাজার এলাকা থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন) মাগুরার উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

এর আগে নতুন বাজারে রথযাত্রা উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও মাগুরা-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী।

রথযাত্রা উপলক্ষে ভক্তদের অংশগ্রহণে পুরো আয়োজন উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়।

কাসেমুর/এএফ

জয়পুরহাটে শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৬:২০ পিএম
আপডেট: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৬:২২ পিএম
জয়পুরহাটে শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠিত
ছবি: খবরের কাগজ

জয়পুরহাটে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে সদর উপজেলার পারুলিয়া জগন্নাথ মন্দির প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য রথ শোভাযাত্রা বের করা হয়।

শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কেন্দ্রীয় বারোয়ারি মন্দিরে এসে শেষ হয়।

এ সময় ঢাক-ঢোল, শঙ্খ ও উলুধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রাকে রথে বসিয়ে টানার এই পুণ্যময় উৎসবে হাজার হাজার নারী-পুরুষ ভক্ত ও পুণ্যার্থীর ঢল নামে।

সনাতন ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, রথযাত্রার মাধ্যমে প্রভু জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রা দেবী বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রাসহকারে নিজ মন্দির থেকে সপ্তাহকালের জন্য মাসির বাড়ি গমন করেন। এই বেড়াতে যাওয়ার উৎসবই মূলত রথযাত্রা। শাস্ত্রীয় মতে, রথের দড়ি টানলে বিশেষ পুণ্যলাভ হয়।

রথ টানার সময় সনাতন নিয়ম মেনে চারদিকে ভক্তদের দল এবং মাঝে শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর স্মরণে কীর্তন দল অংশ নেয়।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, জগন্নাথ দেব হলেন জগতের নাথ বা অধীশ্বর (জগতের ঈশ্বর)। তার অনুগ্রহ লাভ করলে মানুষ পুনর্জন্মের চক্র থেকে মুক্তি পেয়ে মোক্ষ লাভ করে। এই গভীর বিশ্বাস ও ভক্তি থেকেই প্রতি বছর অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে রথযাত্রার আয়োজন করা হয়।

সাগর/এএফ

স্বাস্থ্যসেবার দাবিতে হাঁটু পানিতে নিঝুমদ্বীপবাসী

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩৪ পিএম
স্বাস্থ্যসেবার দাবিতে হাঁটু পানিতে নিঝুমদ্বীপবাসী
ছবি: খবরের কাগজ

নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার নিঝুমদ্বীপে ৫০ শয্যার একটি হাসপাতাল স্থাপনের দাবিতে হাঁটু পানিতে নেমে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের নামার বাজার এলাকার ইসলামপুর গ্রামে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। 

এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সদস্য এবং শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, নিঝুমদ্বীপের কয়েক হাজার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত। জরুরি চিকিৎসার জন্য রোগীদের হাতিয়া উপজেলা সদর কিংবা মূল ভূখণ্ডে নিতে হয়, যা দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া ও জোয়ারের সময় প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।

বক্তারা অভিযোগ করেন, গত বুধবার জোয়ার ও জলাবদ্ধতার কারণে এক প্রসূতিকে সময়মতো হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয়নি। ফলে তিনি অনাগত সন্তানসহ নিজ বাড়িতেই মারা যান। এ মর্মান্তিক ঘটনার পর এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।

তারা বলেন, নিঝুমদ্বীপের মানুষের জীবন ও স্বাস্থ্যসেবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অবিলম্বে এখানে একটি ৫০ শয্যার হাসপাতাল স্থাপন করতে হবে। পাশাপাশি জরুরি চিকিৎসা, অ্যাম্বুলেন্স ও দক্ষ চিকিৎসক নিয়োগেরও দাবি জানান তারা।

মানববন্ধন থেকে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়া হলে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন স্থানীয়রা।

এসএন/

বগুড়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে রথযাত্রা অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৩ পিএম
বগুড়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে রথযাত্রা অনুষ্ঠিত
ছবি: সংগৃহীত

বগুড়ায় অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শহরের সেউজগাড়ী ইসকন মন্দির থেকে একটি বর্ণাঢ্য রথযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বনানী শিব মন্দিরে গিয়ে শেষ হয়।

রথযাত্রাকে কেন্দ্র করে গোটা বগুড়া শহরে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। রথযাত্রার বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় হিন্দু ধর্মাবলম্বী নারী-পুরুষ, শিশু ও যুবকদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুলসংখ্যক ভক্ত ও দর্শনার্থী অংশ নেন।

রঙিন সাজে সজ্জিত রথ টেনে নেওয়ার সময় ভক্তদের মুখে ছিল হরিনাম সংকীর্তন, ধর্মীয় সংগীত ও প্রার্থনা। রাস্তার দুপাশে দাঁড়িয়ে হাজারো সাধারণ মানুষকে এই নান্দনিক রথযাত্রা উপভোগ করতে দেখা যায়।

ঐতিহাসিক এই রথযাত্রা উৎসবের শুভ উদ্বোধন করেন বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন। উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রেখে সব সম্প্রদায়ের মানুষ নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব নির্বিঘ্নে পালন করবেন—এটাই আমাদের ঐতিহ্য।’

তিনি শান্তিপূর্ণভাবে এ আয়োজন সম্পন্ন করার জন্য আয়োজক ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

রথযাত্রা উৎসবকে নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণ করতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। পুরো রুট জুড়ে বগুড়া জেলা পুলিশের পাশাপাশি র‍্যাব সদস্যরা মোতায়েন ছিলেন। এছাড়া শোভাযাত্রার সময় শহরের যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ট্রাফিক পুলিশের বিশেষ দল দায়িত্ব পালন করে।

রথযাত্রা আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রতিবছরের মতো এবারও অত্যন্ত নিয়মতান্ত্রিক ও ধর্মীয় শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে উৎসব সম্পন্ন হয়েছে। প্রশাসনের আন্তরিক সহযোগিতা এবং ভক্তদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে তারা গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

রিপন দাস/এএফ