ঢাকা ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩, রোববার, ২৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ইংল্যান্ডের নকআউট প্রতিপক্ষ ডিআর কঙ্গো প্রতি উপজেলায় পুষ্টিবিদের পদ সৃষ্টির প্রস্তাব বিবিএফ চেয়ারপারসনের সম্পর্কের পরীক্ষায় ঢাকা-বেইজিং পার্সি টাউয়ের আলো ছড়ানো অভিযান মেসি বনাম রোনালদো লড়াইয়ের শেষ সমীকরণ মেসিবিহীন আর্জেন্টিনার জর্ডানের বিপক্ষে প্রথমার্ধেই দুই গোলের লিড কারাকাস বারবার কেন আক্রান্ত হয় ড্র করে গ্রুপ রানার্সআপ পর্তুগাল, শেষ বত্রিশে প্রতিপক্ষ ক্রোয়েশিয়া হরিরামপুরে সহিংসতার ঘটনায় ঘুরেফিরে এক নাম ময়লার স্তূপে ঢাকছে চট্টগ্রাম নগরীর সড়ক রেশমের শহরে বিদেশি কাপড়ের দাপট জামালপুর-১ আসনের সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদ গ্রেপ্তার ভারতের ভ্রমণ ভিসার আবেদন আজ থেকে লোকোশেড থেকে আরএনবি পর্যন্ত অরাজকতা কালিমাখচিত পতাকা মিছিল আর্জেন্টিনা-জর্ডান ম্যাচের আগে ১ মিনিট নীরবতা কেন? ২৮ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ২৮ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল ব্রাজিলের মাঝমাঠের প্রাণ ব্রুনো গুইমারায়েস উজবেকিস্তানকে হারিয়ে নকআউটে ডিআর কঙ্গো গ্রুপসেরা কলম্বিয়া, রানার্সআপ হয়ে নকআউটে পর্তুগাল জর্ডানের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার একাদশে ৯ পরিবর্তন বৈরী গ্যালারিই কানাডার প্রেরণা ২৮ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি আর্জেন্টিনা-জর্ডান ম্যাচে কার জয়ের সম্ভাবনা কত, জানাল সুপারকম্পিউটার হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, বিরতিতে গোলশূন্য পর্তুগাল-কলম্বিয়া ৩৬ বছরের রেকর্ড ভেঙে ইতিহাস গড়লেন হ্যারি কেইন রেকর্ড গড়ে বিশ্বকাপের নকআউটে আফ্রিকার ৭ দেশ ঘানাকে হারিয়ে বিশ্বকাপের নকআউটে ক্রোয়েশিয়া গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে ইংল্যান্ড

ডিমের দাম কমলেও বাড়তি মুরগির

প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২৪, ০৩:৫২ পিএম
আপডেট: ৩০ অক্টোবর ২০২৪, ০৩:৫৩ পিএম
ডিমের দাম কমলেও বাড়তি মুরগির
খবরের কাগজ গ্রাফিকস

গত দুই বছর থেকে ডিম ও মুরগির বাজার অস্থির হলে মামলা করে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন। তার পরও বাজার ঠেকানো যাচ্ছে না। বাধ্য হয়ে সরকার দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে। এতে দাম কিছুটা কমে ১৪২ টাকা ডজনে বিক্রি হচ্ছে ডিম। কিন্তু মুরগির দাম এখনো বাড়তি। 

বিভিন্ন বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এখনো ভোক্তাদের নির্ধারিত দর ১৮০ টাকার ব্রয়লার ২০০-২১০ টাকা ও ২৭০ টাকার সোনালি মুরগি ৩০০-৩৩০ টাকা কেজি কিনতে হচ্ছে। তবে খামারিরা বলছেন, সরকার রাজধানীর ২০টি বাজারে মুরগি বিক্রি করতে জায়গা দিলে খুচরা পর্যায়ে নির্ধারিত দরে মুরগি বিক্রি করা সম্ভব। এতে ভোক্তারা কম দরে পাবেন মুরগি, স্থিতিশীল হবে বাজার। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে। 

গত দুই বছর থেকে জুলাই মাস এলেই ডিম ও মুরগির বাজার অস্থির হয়ে যাচ্ছে। কমতে চায় না দাম। কারসাজি করার অভিযোগে কাজী ফার্মসসহ বিভিন্ন কোম্পানির বিরুদ্ধে ২০২২ সাল এমনকি গত বছরও বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন মামলা করে। এ বছরেও একই দশা। বেড়েই যাচ্ছে ডিম ও মুরগির দাম। বাধ্য হয়ে অন্তর্বর্তী সরকার গত ১৫ সেপ্টেম্বর ফার্মের মুরগির ডিম, ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে। 

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ রেয়াজুল হকের স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর পোলট্রি খাতসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের নেতাদের সমন্বয়ে গঠিত জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের মতামতের ভিত্তিতে ২০২৪ সালের জন্য ডিম ও মুরগির ‘যৌক্তিক মূল্য’ নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দর অনুসারে, খুচরা পর্যায়ে প্রতিটি ডিমের দাম রাখা হবে ১১ টাকা ৮৭ পয়সা বা প্রতি ডজন ১৪২ টাকা ৪৪ পয়সা। উৎপাদন পর্যায়ে প্রতিটি ডিমের দাম পড়বে ১০ টাকা ৫৮ পয়সা, পাইকারিতে হবে ১১ টাকা শূন্য ১ পয়সা।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের চিঠিতে আরও বলা হয়, প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি খুচরা পর্যায়ে ১৭৯ টাকা ৫৯ পয়সা দরে বিক্রি করা হবে। উৎপাদন পর্যায়ে ১৬৮ টাকা ৯১ পয়সা ও পাইকারি পর্যায়ে ১৭২ টাকা ৬১ পয়সা দরে বিক্রি হবে। অন্যদিকে সোনালি মুরগি উৎপাদন পর্যায়ে ২৬০ টাকা ৭৮ পয়সা ও পাইকারিতে ২৬৪ টাকা ৫৭ পয়সা কেজি ও খুচরা পর্যায়ে ২৬৯ টাকা ৬৪ পয়সা দরে বিক্রি হবে।

পোলট্রি খাতসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের কাছে পাঠানো ওই চিঠিতে চলতি ২০২৪ সালের জন্য মুরগি (সোনালি ও ব্রয়লার) এবং ডিমের নির্ধারিত যৌক্তিক মূল্য সঠিকভাবে বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করা হয়েছে।

তার পরও ডিমের দাম না কমায় ভোক্তা অধিদপ্তরের অনুরোধে করপোরেট প্রতিষ্ঠান দিনে ১০ লাখ করে কাপ্তান বাজার ও তেজগাঁও বাজারে ২০ লাখ ডিম সরবরাহ করলে পাইকারি বিক্রেতারা নির্ধারিত দরে ১৩২ টাকা ডজন বিক্রি করছে। এ জন্য খুচরা বাজারেও আগের চেয়ে দাম কমেছে। নির্ধারিত দরের কাছাকাছা ১৪৫-১৫০ টাকা ডজনে নেমেছে। 

কিন্তু এখনো বেশি দামে ভোক্তাদের মুরগি কিনতে হচ্ছে। কারণ খামারেই দাম বেশি। পাইকারি বিক্রেতাদের নির্ধারিত ১৬৯ টাকা দরের মুরগি এখনো বেশি দামে ১৭৫ টাকা পর্যন্ত কেজি কিনতে হচ্ছে। এর সঙ্গে পরিবহন ভাড়া ও ওয়েট লসও রয়েছে কেজিতে ১৫-১৭ টাকা। অর্থাৎ পাইকারি বিক্রেতারা ১৯০ টাকার কম ব্রয়লার মুরগি বিক্রি করতে পারছে না। এ জন্য খুচরা বাজারেও বেশি। বিভিন্ন বাজারের খুচরা বিক্রেতারা বলেন, ‘২০০-২১০ টাকা কেজি। খুচরা পর্যায়ে সোনালি মুরগির দামও বেশি। বিভিন্ন বাজারে ৩০০-৩৩০ টাকা পর্যন্ত কেজি বিক্রি করা হচ্ছে।’

মুরগির বাজারে অস্থিরতার ব্যাপারে মোহাম্মদপুরের টাউন হল বাজারের ব্রয়লার হাউসের স্বত্বাধিকারী মো. বিল্লাল হোসেন খবরের কাগজকে বলেন, ‘বর্তমানে খুচরা পর্যায়ে ব্রয়লার ২০০ টাকা ও সোনালি মুরগি ৩০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। তবে হাতিরপুলসহ অন্য বাজারের খুচরা বিক্রেতারা বলেন, ব্রয়লার ২১০ টাকা ও সোনালি ৩২০-৩৩০ টাকা কেজি। 

মো. বিল্লাল হোসেন বলেন, ‘মুরগির বাচ্চা ও খাদ্যের দাম বেশি হওয়ায় উৎপাদন খরচ বেশি। কাজেই করপোরেট প্রতিষ্ঠানকে এ ক্ষেত্রে দাম কমাতে হবে। তাহলে খামারিরা কম দামে ডিম ও মুরগি বিক্রি করতে পারবেন। এটা কার্যকর হলে ভোক্তারাও নির্ধারিত দরে খেতে পারবেন। এ ছাড়া করপোরেট ও প্রান্তিক খামারিরা সরাসরি আমাদের কাছে মুরগি বিক্রি করলে দাম কমবেই। কারণ মাঝপথে কোনো মধ্যস্বত্বভোগী থাকবে না। তিন-চার হাতবদল হবে না। এভাবে তারা আমাদের মুরগি দিলে পাইকারিতে ৪-৬ টাকা ও খুচরায় ১৫ টাকা লাভ থাকবে।’

এ ব্যাপারে নাজিফা পোলট্রি ফার্মের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বাংলাদেশ পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুমন হাওলাদার খবরের কাগজকে বলেন, ‘মুরগির বাচ্চা ও খাদ্যের দাম বেশি নিচ্ছে করপোরেটরা। এ জন্য উৎপাদন খরচ বেশি। বর্তমানে ব্রয়লারের উৎপাদন খরচ পড়ছে কেজিতে ১৫৫-১৭০ টাকা। এটা কয়েক হাতবদল, পরিবহন খরচ ও ওয়েট লসের কারণে খুচরা বিক্রেতার কাছে যেতে ২০ টাকা খরচ আছে। তারা কেজিতে ১০ টাকা লাভ করবে। সব মিলে ভোক্তা পর্যায়ে ২০০ টাকা কেজি, এটা যৌক্তিক দাম বলা যায়। আর সোনালি মুরগির উৎপাদন খরচ ২২০-২৪০ টাকা। সব মিলে কেজিতে বাড়তি ২০ টাকা খরচ আছে। খুচরা বিক্রেতারা ১০-১৫ টাকা লাভ করবে। এ জন্য ২৮০ টাকা হতে পারে। কিন্তু ৩০০ টাকা কেজি ভোক্তাদের কিনতে হচ্ছে। এটা বেশি।’ 

অপর এক প্রশ্নের জবাবে এই খামারি বলেন, ‘প্রান্তিক খামারিরা চাহিদার ৮০ শতাংশ ডিম ও মুরগি উৎপাদন করলেও কৌশল করে করপোরেটরা বাজারটা নিয়ন্ত্রণ করছে। এ জন্য বাজার অস্থির হয়ে থাকছে। সরকার আমাদের কারওয়ান বাজার, শান্তিনগর, মোহাম্মদপুরসহ ১৫-২০টি বাজারে মুরগি বিক্রির সুযোগ দিলে খুচরা পর্যায়ে ব্রয়লার ১৮০ টাকা কেজি ও সোনালি মুরগি ২৭০ টাকা নির্ধারিত দরে মুরগি বিক্রি করা সম্ভব। এতে বাজার অস্থির হবে না। স্থিতিশীলতা আসবে। কারণ আমরা প্রাপ্তিক খামারিরা ৮০ শতাংশ ডিম ও মুরগি উৎপাদন করছি। খুচরা বিক্রেতারা সরাসরি আমাদের কাছ থেকে মুরগি কিনতে পারবেন।’

খুচরা বিক্রেতা ও খামারিদের অভিযোগের ব্যাপারে ব্রিডার্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ সভাপতি মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, ডলারের কারণে খাদ্যের দাম বেশি। এ জন্য উৎপাদন খরচ বেশি। তাই ব্রয়লার মুরগির কেজি ২০০ টাকার বেশি নয় ‘সরকার তো খুচরা পর্যায়ে ব্রয়লার ১৮০ ও সোনালি ২৭০ টাকা কেজি নির্ধারণ করে দিয়েছে।’ এ ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘এই রেট অনেক আগের। সরকার পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে দেরিতে প্রকাশ করা হয়েছে। এটা পর্যালোচনা করে নতুন দর নির্ধারণ করা দরকার।’ 

ডিমের মতো বাজারে মুরগি সরবরাহ করার ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘ফার্ম থেকে ডিম বাজারে পৌঁছা যতটা সহজ মুরগি অত সহজ না। আমাদের ভ্যান তেমন নেই। তবে সরকার উদ্যোগ নিলে প্রসেসিং করা মুরগি বাজারে বিক্রি করা সম্ভব। বিশ্বে এটা হচ্ছে। আমাদের দেশে স্বপ্ন, আগোরা শপিং শপে শুরু করেছে। তাহলে কম দামে ভোক্তারা মুরগির মাংস খেতে পাবেন।’

স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরি কত?

প্রকাশ: ২৭ জুন ২০২৬, ১০:৫৮ এএম
স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরি কত?
ছবি: সংগৃহীত

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।

শনিবার (২৭ জুন) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ২৮ হাজার ৪৮২ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৮ হাজার ২৯২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৭ হাজার ৪৪০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৩ হাজার ১৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সর্বশেষ স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৩ হাজার ৪২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৫০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৮২ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ৪১ দফা বাড়ানো হয়েছে, কমানো হয়েছে ৪০ দফা ও ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে।

অন্তরা/

২৫ জুন: দাম কমল ইউরো-পাউন্ডের

প্রকাশ: ২৫ জুন ২০২৬, ১১:১৪ এএম
আপডেট: ২৫ জুন ২০২৬, ১১:২২ এএম
২৫ জুন: দাম কমল ইউরো-পাউন্ডের
বৈদেশিক মুদ্রা। ছবি: সংগৃহীত

দিন দিন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হচ্ছে। এ ছাড়াও পড়াশোনা, চিকিৎসা, ভ্রমণ থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রয়োজনে বিদেশি মুদ্রার সঙ্গে আমাদের দেশের মুদ্রা বিনিময় করতে হয়।

একটা বিষয় মনে রাখা প্রয়োজন, মুদ্রার বিনিময় হার প্রতিদিন পরিবর্তিত হয়। আমরা প্রতিদিন সর্বশেষ বিনিময় হার তুলে ধরছি। আরও বিস্তারিত জানতে স্থানীয় ব্যাংক বা বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করা বা তাদের ওয়েবসাইট পরিদর্শন করা যেতে পারে।

 

মুদ্রা ক্রয় (টাকা) বিক্রয় (টাকা) বাড়ল/কমল
ইউএস ডলার     122.75 (ব্যাংক নির্ধারিত 122.75 (ব্যাংক নির্ধারিত --
ইউরো     139.40 139.44 -0.3
ব্রিটেন পাউন্ড     161.60 161.66 -0.46
অস্ট্রেলিয়ান ডলার     84.68 84.73 -0.18
জাপানি ইয়েন 0.75 0.75 --
কানাডিয়ান ডলার 86.23 86.24 -0.12
সুইস ক্রোনা 12.57 12.61 -0.03
সিঙ্গাপুর ডলার 94.58 94.67 -0.06
চায়না ইউয়ান     18.01 18.0186 -0.05
ইন্ডিয়ান রুপি     1.29 1.29 --
সৌদি রিয়াল 32.58 32.89 --
আরব আমিরাত দিরহাম 33.32 33.60 --

 

সূত্র: (বাংলাদেশ ব্যাংক)

নাঈম/

স্বর্ণের দাম আবারও কমল, ভরিতে কত?

প্রকাশ: ২৫ জুন ২০২৬, ১১:০২ এএম
আপডেট: ২৫ জুন ২০২৬, ১১:০৩ এএম
স্বর্ণের দাম আবারও কমল, ভরিতে কত?
ছবি: সংগৃহীত

দেশের বাজারে স্বর্ণের গহনার দাম আবারও কমানো হয়েছে। এবার ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি। 

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ২৩ হাজার ০৭৪ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৩ হাজার ০৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৫০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫০ হাজার ৯৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে মূল্যবৃদ্ধির মাত্র দুই দিনের মাথায় আবারও উল্টো পথে গেল স্বর্ণের বাজার। নতুন সমন্বয়ে সব ক্যারেটের স্বর্ণের দামই কমেছে।

বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, দাম কমানোর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত পূর্ব নির্ধারিত উচ্চমূল্যেই স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছিল। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে দেশের গহনার বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অন্তরা/ 

সংকটে দেশের নারী উদ্যোক্তারা

প্রকাশ: ২৫ জুন ২০২৬, ০৮:৫৮ এএম
সংকটে দেশের নারী উদ্যোক্তারা
ছবি: খবরের কাগজ

প্রতি বছর বাজেট এলেই নারী উদ্যোক্তাদের জন্য নানা ধরনের প্রতিশ্রুতির ঘোষণা আসে। সহজ শর্তে ঋণ নেওয়া, বিশেষ পুনঃঅর্থায়ন তহবিল, কর সুবিধা কিংবা উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচির কথা শোনা যায়। কিন্তু এসব উদ্যোগের বেশির ভাগই বাস্তবায়ন হয় না, এমন অভিযোগ জানিয়ে এ খাতের সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, উদ্যোগ বাস্তবায়নে সরকারকে আরও মনোযোগী হতে হবে। বেসরকারি খাতকেও এসএমই নারীদের ভাগ্যোন্নয়নে এগিয়ে আসতে হবে। 

দেশের নারী উদ্যোক্তাদের অন্যতম সংগঠন উইমেন এন্টারপ্রেনারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা সভানেত্রী নাসরিন ফাতেমা আউয়াল খবরের কাগজকে বলেন, এসএমই নারী উদ্যোক্তার সংখ্যা আগের চেয়ে বেড়েছে। তবে প্রতিবন্ধকতা দূর হয়নি। প্রতি অর্থবছরই সরকার এসএমই খাতের নারীদের জন্য বিভিন্ন ধরনের উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেন। আমার প্রশ্ন হচ্ছে এসব উদ্যোগের কতটা বাস্তবায়ন হয়? আর যা বাস্তবায়ন হয় তাতে এসএমই নারী উদ্যোক্তাদের ভাগ্যোন্নয়ন কতটা হয়েছে? 

এসএমই খাতের নারীদের এই নেত্রী বলেন, এসএমই খাতের নারী উদ্যোক্তারা এখনো পুঁজি সংকটে আছেন। পারিবারিক বাধা এখনো অন্যতম সমস্যা। ছোট নারী উদ্যোক্তারা ব্যাংকের ঋণ পাচ্ছেন না বলা যায়। নারী উদ্যোক্তারা পণ্য পরিবহনে সমস্যায় পড়েছেন। প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, পণ্যের বিপণন সমস্যা এবং প্রাতিষ্ঠানিক জটিলতার মতো পুরোনো চ্যালেঞ্জের মুখোমুখিও হচ্ছেন তারা। এসব সমস্যা বহু পুরোনো। সবাই জানেন। তাই শুধু অর্থ বরাদ্দ দিলেই হবে না, নারীদের সংকটের সমাধানে জোর দিতে হবে, নজরদারি বাড়াতে হবে। 

তিনি আরও বলেন, অনেক সময় বাজেটে আনুপাতিক হারে বরাদ্দ বাড়ালেও মাঠপর্যায়ে তার কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত না হওয়ায় নারী উদ্যোক্তারা সফল হচ্ছেন না। ফলে প্রতি বছর বাজেট আসে, বাজেট যায়; কিন্তু এসএমই নারীদের সংকট আর কাটে না।

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে স্টার্টআপ খাতে ৪০০ কোটি টাকার বিশেষ তহবিল বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। এখানে নারী উদ্যোক্তাদের বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। অগ্রাধিকারভিত্তিতে নারীদের ব্যবসা প্রসারে সহজ শর্তে ঋণ ও বিশেষ সুযোগ-সুবিধারও ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। নারী পরিচালিত এসএমই, কুটিরশিল্প ও নতুন ব্যবসায়িক উদ্যোগের জন্য সহজ শর্তে ঋণের পাশাপাশি দক্ষতা উন্নয়ন, ডিজিটাল মার্কেটিং ও রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। 

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে ১২৫ কোটি টাকার বিশেষ তহবিল বরাদ্দ করা হয়। এসএমই খাতের বিকাশে ১০ হাজার ক্ষুদ্র উদ্যোক্তার জন্য ১ হাজার কোটি টাকার ঋণ তহবিল গঠন করা হয়। এসএমই খাতের জন্য বিশেষভাবে নারী উদ্যোক্তাদের জন্যে জামানতবিহীন ও সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা নিশ্চিত করতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোয় নারী উদ্যোক্তাদের জন্য পৃথক ডেস্ক ও বিশেষ স্কিম চালু রাখা হয়েছে। নারী উদ্যোক্তাদের করমুক্ত আয়ের বার্ষিক টার্নওভার সীমা ৫০ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তৃণমূল পর্যায়ে নারীদের দক্ষতাভিত্তিক প্রশিক্ষণ দেওয়ার মাধ্যমে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করতে ‘জাতীয় মহিলা প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন একাডেমি’র মাধ্যমে নানামুখী কর্মসূচি গ্রহণ করার কথা বলা হয়েছে। 

২০২৪-২৫ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য আয়কর ছাড়, সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা এবং দক্ষতা উন্নয়নমূলক বিভিন্ন বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়। সামগ্রিক নারী উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের জন্য ওই অর্থবছরে জেন্ডার বাজেটে ৪ লাখ ৫৪ হাজার ২১১ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়। যা ৪৪টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মাধ্যমে বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জন্য ৫ হাজার ২২২ কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) প্রস্তাব করা হয়েছিল। এসএমই খাতের বিকাশের বিশেষ করে গ্রামীণ ও নতুন নারী উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ প্রাপ্তি, ই-কমার্স সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের ওপর জোর দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। 

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন খবরের কাগজকে বলেন, দেশের অর্থনীতিতে নারী উদ্যোক্তারা এখন গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। কর্মসংস্থান সৃষ্টি থেকে শুরু করে ফ্রিল্যান্সিং, ব্যবসা, রপ্তানি সম্ভাবনা বৃদ্ধিতে তাদের ভূমিকা বেড়েই চলছে। তবে তা যথেষ্ট না। দীর্ঘদিন ধরে একই ধরনের সমস্যার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। গুরুত্ব দিয়ে এসব সমস্যার সমাধান করার পরামর্শ দেন এই বিশেষজ্ঞ। 

বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ২৮ লাখ নারী পরিচালিত ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোগ রয়েছে। দেশের মোট এসএমই প্রতিষ্ঠানের প্রায় এক-চতুর্থাংশই নারীদের নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে। তবে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানই ক্ষুদ্র পরিসরে সীমাবদ্ধ থেকে যাচ্ছে। ফলে তা বড় ব্যবসায় রূপ নিতে পারছে না। 
বিশেষজ্ঞদের মতে, উদ্যোক্তা তৈরির পথে অগ্রগতি হলেও সেই উদ্যোগকে টেকসই ও সম্প্রসারণযোগ্য ব্যবসায় রূপান্তরের ক্ষেত্রে বড় ধরনের ঘাটতি রয়ে গেছে। 

নারী উদ্যোক্তাদের সংগঠন ওয়েবের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রান্তিক ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তারা এখনো ই-কমার্স থেকে অনেক দূরে। এসব নারী উদ্যোক্তাদের প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ করা সম্ভব হলে অনলাইন ব্যবসায় অংশগ্রহণ বাড়বে। লাখ লাখ ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তা সারা বছর অল্প অল্প পুঁজি সঞ্চয় করে পণ্য তৈরি করেন। এসব পণ্য বিক্রিতে সরকারি উদ্যোগে ব্যবস্থা নিতে হবে। ইচ্ছা থাকলেও বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতায় ৮০ শতাংশ নারী ব্যবসা করতে পারছেন না। প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দিয়ে নারীদের তথ্যপ্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত করার মাধ্যমে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি আত্মকর্মসংস্থানের জন্য কারিগরি, বৃত্তিমূলক ও আয়বর্ধক প্রশিক্ষণ, উৎপাদনশীল উপকরণ এবং ক্ষুদ্র ঋণের ব্যবস্থা করতে হবে। 

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সরকারের উদ্যোগে প্রশিক্ষণ পাওয়া নারীদের কুটিরশিল্পে সম্পৃক্ত করতে হবে। তাদের উৎপাদিত পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ নগদ প্রণোদনার পাশাপাশি দেশ-বিদেশের মেলায় অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে। নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ওয়ান স্টপ সেবা চালু করতে হবে। বিভিন্ন জেলায় নারী উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত পণ্যের প্রচার-প্রসার ও বিক্রির জন্য মার্কেটিং আউটলেট প্রতিষ্ঠা প্রয়োজন।

ব্যাংক খাত সংস্কারে বিশ্বব্যাংকের ৪৫ কোটি ডলার ঋণ

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৬, ০৯:২১ পিএম
ব্যাংক খাত সংস্কারে বিশ্বব্যাংকের ৪৫ কোটি ডলার ঋণ
বিশ্বব্যাংক। ছবি: সংগৃহীত

দেশের নড়বড়ে ব্যাংক খাত সংস্কার ও ভিত্তি শক্তিশালী করতে ৪৫ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকা। সংস্থাটির বোর্ড সভায় ‘আর্থিক খাত সহায়তা প্রকল্প-২ এর আওতায় এই ঋণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) বিশ্বব্যাংকের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংস্থাটির বোর্ড সভায় এ ঋণ অনুমোদন দেয়া হয়েছে। মূলত ক্ষুদ্র আমানতকারীদের সুরক্ষা দিতে আমানত বিমা জোরদার এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকি সক্ষমতা বাড়াতে খরচ হবে এ অর্থ।

এছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক সংস্কার ও ব্যাংক পুনর্গঠন কৌশলেও সহায়তা করবে সংস্থাটি। বর্তমানে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের উচ্চ হার ও মূলধন ঘাটতির যে চ্যালেঞ্জ রয়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে একটি কার্যকর জরুরি তারল্য সহায়তা কাঠামো গড়ে তোলার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে এ প্রকল্পে।

বিশ্বব্যাংক মনে করে, এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য অর্জনে স্থিতিশীল ব্যাংক খাতই হবে প্রধান চালিকাশক্তি।

এসএন/