ঢাকা ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩, রোববার, ২৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
জর্ডানের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার একাদশে ৯ পরিবর্তন বৈরী গ্যালারিই কানাডার প্রেরণা ২৮ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি আর্জেন্টিনা-জর্ডান ম্যাচে কার জয়ের সম্ভাবনা কত, জানাল সুপারকম্পিউটার হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, বিরতিতে গোলশূন্য পর্তুগাল-কলম্বিয়া ৩৬ বছরের রেকর্ড ভেঙে ইতিহাস গড়লেন হ্যারি কেইন রেকর্ড গড়ে বিশ্বকাপের নকআউটে আফ্রিকার ৭ দেশ ঘানাকে হারিয়ে বিশ্বকাপের নকআউটে ক্রোয়েশিয়া গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে ইংল্যান্ড সুচিচের গোলে প্রথমার্ধে এগিয়ে ক্রোয়েশিয়া প্রথমার্ধে গোলশূন্য ইংল্যান্ড-পানামা ম্যাচ এক ম্যাচে ১৮ কার্ডের রেকর্ড, তিনিই আর্জেন্টিনা-জর্ডান ম্যাচের রেফারি ইতিহাস গড়ার দ্বারপ্রান্তে হ্যারি কেইন পর্তুগাল-কলম্বিয়া ম্যাচ কে জিতবে, জানাল সুপারকম্পিউটার গোল বাতিলের আক্ষেপ, ড্রেসিংরুমে আবেগঘন বার্তা রেখে গেল ইরান সকালে মাঠে নামছে আর্জেন্টিনা, মোবাইলে খেলা দেখবেন যেভাবে উৎসব-দুশ্চিন্তার কেন্দ্রে সালাহ ফিনিক্স সামিট ২০২৬-এর সমাপনী দিনে সাইবার নিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বারোপ সাঁজোয়া যানের দুর্ঘটনায় ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী আহত, সবাই আশঙ্কামুক্ত ওয়াশিংটনের ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তি প্রত্যাখ্যান করল হিজবুল্লাহ সংসদে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ও সাইবার নিরাপত্তা আইনের সংশোধনী বিল তৃণমূলের মানুষের কল্যাণেই এ বাজেট, বাস্তবায়নে আত্মবিশ্বাসী সরকার: সমবায় প্রতিমন্ত্রী কুমিল্লায় যুবক হত্যা: ৯৯৯-এ ফোন করা প্রতিবেশী নারী আটক জর্ডানের বিপক্ষে কেমন হতে পারে আর্জেন্টিনা একাদশ টাঙ্গাইলকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করুন: এমপি আবদুস সালাম রোমে একই পরিবারের তিন বাংলাদেশি খুন, পরকীয়ার জেরের দাবি জিআই পণ্য টাঙ্গাইলের তাঁত শিল্প রক্ষায় সহজ শর্তে ঋণের দাবি প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর সময় চাহিয়া লজ্জা দিবেন না: স্পিকার ফুলগাজীতে সড়ক দুর্ঘটনা: মা-মেয়েসহ প্রাণ গেল ৩ জনের বরগুনায় জলবায়ু সচেতনতায় তরুণদের ক্যাম্প

রেকর্ড গড়ে বিশ্বকাপের নকআউটে আফ্রিকার ৭ দেশ

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০৬:০০ এএম
রেকর্ড গড়ে বিশ্বকাপের নকআউটে আফ্রিকার ৭ দেশ
ছবি: সংগৃহীত

চলমান ৪৮ দলের ফিফা বিশ্বকাপ আফ্রিকার ফুটবলের জন্য একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। দলসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে মহাদেশটির আরও বেশি দেশের সামনে বিশ্বমঞ্চে নিজেদের প্রমাণ করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। সেই সুযোগকে দারুণভাবে কাজে লাগিয়েছে আফ্রিকার প্রতিনিধিরা। গ্রুপ পর্ব শেষে রাউন্ড ৩২-এ জায়গা করে নিয়েছে ৭টি আফ্রিকান দেশ। এটি বিশ্বকাপের ইতিহাসে আফ্রিকার সর্বোচ্চ প্রতিনিধিত্ব এবং মহাদেশটির ফুটবল অগ্রগতির একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

রাউন্ড ৩২-এ উঠেছে মরক্কো, দক্ষিণ আফ্রিকা, আইভরি কোস্ট, সেনেগাল, কেপ ভার্দে, মিসর ও ঘানা। এই ৭টি দলের সাফল্য প্রমাণ করে, আফ্রিকার ফুটবল এখন আর শুধু সম্ভাবনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। তারা ধারাবাহিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক ফুটবল খেলছে এবং বিশ্বের সেরা দলগুলোর সঙ্গে সমানতালে লড়াই করার সক্ষমতা অর্জন করেছে।

বিশ্বকাপের এবারের অন্যতম বড় চমক কেপ ভার্দে। ছোট্ট এই দ্বীপরাষ্ট্র প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে অংশ নিয়েই নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে। শক্তিশালী সৌদি আরবকে গোলশূন্য ড্রয়ে আটকে দিয়ে তারা রাউন্ড ৩২ নিশ্চিত করে। পুরো গ্রুপ পর্বে দলটি শৃঙ্খলাবদ্ধ ফুটবল খেলেছে। রক্ষণভাগ ছিল সংগঠিত এবং প্রতিটি ম্যাচে খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। অভিষেক বিশ্বকাপেই এমন পারফরম্যান্স নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে। মিসর এবং ঘানাও তাদের শেষ ম্যাচে কাঙ্ক্ষিত ফলে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে। তাদের যোগ হওয়ার মধ্য দিয়েই আফ্রিকার প্রতিনিধির সংখ্যা সাতে পৌঁছেছে।

মরক্কো গত কয়েক বছরে আন্তর্জাতিক ফুটবলে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে। সেই ধারাবাহিকতা তারা এবারের বিশ্বকাপেও ধরে রেখেছে। সেনেগাল শক্তিশালী দল হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করেছে। দক্ষিণ আফ্রিকা কঠিন লড়াই করে পরের পর্বে উঠেছে। অন্যদিকে আইভরি কোস্ট তাদের অভিজ্ঞতা ও দলীয় সমন্বয়ের মাধ্যমে নকআউট নিশ্চিত করেছে। প্রতিটি দলই নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী ইতিবাচক ফুটবল উপহার দিয়েছে।

আফ্রিকার এই সাফল্যের পেছনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে। প্রথমত, মহাদেশটির অনেক খেলোয়াড় এখন ইউরোপের শীর্ষ লিগগুলোতে নিয়মিত খেলছেন। ফলে তারা আন্তর্জাতিক পর্যায়ের প্রতিযোগিতার সঙ্গে অভ্যস্ত। দ্বিতীয়ত, বিভিন্ন দেশের ফুটবল ফেডারেশন অবকাঠামো উন্নয়ন, বয়সভিত্তিক দল গঠন এবং আধুনিক কোচিং ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। এর ইতিবাচক প্রভাব এখন জাতীয় দলগুলোর পারফরম্যান্সে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে।

৪৮ দলের বিশ্বকাপের নতুন ফরম্যাটও আফ্রিকার জন্য সুযোগ তৈরি করেছে। তবে শুধু সুযোগ পেলেই সাফল্য আসে না। সেই সুযোগ কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজন ভালো পরিকল্পনা, ধারাবাহিক পারফরম্যান্স এবং মানসিক দৃঢ়তা। আফ্রিকার ৭টি দল গ্রুপ পর্বে সেটিই দেখিয়েছে।

এখন তাদের সামনে নকআউট পর্বের আরও কঠিন চ্যালেঞ্জ। এখান থেকে প্রতিটি ম্যাচই হবে বাঁচা-মরার লড়াই। তবে গ্রুপ পর্বে যে আত্মবিশ্বাস ও সংগঠিত ফুটবল তারা খেলেছে, সেটি ধরে রাখতে পারলে আরও কয়েকটি আফ্রিকান দল শেষ ষোলো কিংবা তারও পরের ধাপে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

আর্জেন্টিনা-জর্ডান ম্যাচে কার জয়ের সম্ভাবনা কত, জানাল সুপারকম্পিউটার

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০৬:৫২ এএম
আর্জেন্টিনা-জর্ডান ম্যাচে কার জয়ের সম্ভাবনা কত, জানাল সুপারকম্পিউটার
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘জে’-এর শেষ ম্যাচে ডালাসে জর্ডানের মুখোমুখি হবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। গ্রুপসেরা হিসেবে ইতোমধ্যেই শেষ ৩২ নিশ্চিত করায় এই ম্যাচে অধিনায়ক লিওনেল মেসিকে বিশ্রাম দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন কোচ লিওনেল স্কালোনি।

রবিবার (২৮ জুন) বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টায় মুখোমুখি এই দুই দল। 

অস্ট্রিয়াকে ২-০ গোলে হারানোর পাশাপাশি আলজেরিয়ার কাছে জর্ডানের ২-১ ব্যবধানে পরাজয়ের ফলে গ্রুপের শীর্ষস্থান নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা। এর আগে উদ্বোধনী ম্যাচে আলজেরিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়েছিল আলবিসেলেস্তেরা। ফলে টানা দুই ম্যাচে কোনো গোল না হজম করেই জয় তুলে নিয়েছে তারা। এর আগে, ১৯৯৮ বিশ্বকাপেই কেবল প্রথম তিন ম্যাচে ক্লিন শিট রেখে জয়ের সূচনা করেছিল আর্জেন্টিনা।

জর্ডান ও আর্জেন্টিনা এর আগে কখনো কোনো প্রতিযোগিতামূলক বা প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হয়নি। ল্যাতিন আমেরিকার দলগুলোর বিপক্ষে জর্ডানের রেকর্ডও খুব একটা ভালো নয়। সবশেষ পাঁচ ম্যাচের চারটিতেই হেরেছে তারা। একমাত্র জয়টি এসেছিল ২০০৪ সালে ইকুয়েডরের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে।

জর্ডানের বিপক্ষে গ্রুপের শেষ ম্যাচে আর্জেন্টিনাকেই এগিয়ে রাখছে পরিসংখ্যানভিত্তিক বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান অপ্টার সুপারকম্পিউটার।

সুপারকম্পিউটারের মতে, এই ম্যাচে আর্জেন্টিনার জয়ের সম্ভাবনা ৭৮.১ শতাংশ। ড্র হওয়ার সম্ভাবনা ১৩.২ শতাংশ, আর জর্ডানের জয়ের সম্ভাবনা মাত্র ৮.৭ শতাংশ। 

সালমান/

হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, বিরতিতে গোলশূন্য পর্তুগাল-কলম্বিয়া

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০৬:২৭ এএম
আপডেট: ২৮ জুন ২০২৬, ০৬:৪২ এএম
হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, বিরতিতে গোলশূন্য পর্তুগাল-কলম্বিয়া
ছবি: সংগৃহীত

গ্রুপ ‘কে’-এর শীর্ষস্থান নির্ধারণের ম্যাচে শুরু থেকেই দারুণ লড়াই উপহার দিয়েছে কলম্বিয়া ও পর্তুগাল। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে ম্যাচ জমে উঠলেও কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি। ফলে মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধ শেষ হয়েছে ০-০ সমতায়।

রবিবার (২৮ জুন) বাংলাদেশ সময় ভোর সাড়ে ৫টায় শুরু হওয়া ম্যাচে শুরু থেকেই বল দখল ও আক্রমণে সমানতালে লড়াই করেছে দুই দল। দ্রুতগতির ফুটবলে একের পর এক সুযোগ তৈরি হলেও দুই গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় স্কোরলাইন অপরিবর্তিত থাকে।

প্রথমার্ধে কলম্বিয়ার সবচেয়ে ভালো সুযোগটি আসে ২৫তম মিনিটে। জহন কর্দোবার জোরালো শট অসাধারণ দক্ষতায় ফিরিয়ে দেন পর্তুগালের গোলরক্ষক দিয়োগো কোস্তা।

অন্যদিকে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে সামনে রেখে একাধিক আক্রমণ গড়ে তোলে পর্তুগাল। ব্রুনো ফার্নান্দেস ও জোয়াও ফেলিক্সও আক্রমণে সক্রিয় ছিলেন। তবে শেষ মুহূর্তে কলম্বিয়ার রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় জালের দেখা পায়নি রবার্তো মার্তিনেজের শিষ্যরা।

পরিসংখ্যানে প্রথমার্ধে কিছুটা এগিয়ে ছিল কলম্বিয়া। তারা মোট ১৫টি শট নিয়ে ৩টি লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয়। অন্যদিকে পর্তুগাল ৯টি শট নিলেও লক্ষ্যে রাখতে পারে মাত্র ২টি।

প্রথম ৪৫ মিনিটে গোল না এলেও ম্যাচের গতি, আক্রমণের ধার এবং দুই গোলরক্ষকের দুর্দান্ত নৈপুণ্যে গ্রুপসেরার এই লড়াইয়ে উত্তেজনার কোনো কমতি ছিল না। দ্বিতীয়ার্ধে তাই গোলের অপেক্ষায় থাকবে দুই দলের সমর্থকরা।

এসজি/

৩৬ বছরের রেকর্ড ভেঙে ইতিহাস গড়লেন হ্যারি কেইন

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০৬:০৫ এএম
৩৬ বছরের রেকর্ড ভেঙে ইতিহাস গড়লেন হ্যারি কেইন
ছবি: সংগৃহীত

অবশেষে শেষ হলো ৩৬ বছরের অপেক্ষা। গ্যারি লিনেকারের ১০ গোলের রেকর্ড ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের নতুন সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে ইতিহাস গড়লেন হ্যারি কেইন।

বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘এল’-এর শেষ ম্যাচে পানামাকে ২-০ গোলে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউট পর্বে (রাউন্ড অব ৩২) উঠেছে ইংল্যান্ড। আর এই জয়ের ম্যাচেই দেশের ফুটবল ইতিহাসে নিজের নাম আরও উজ্জ্বল করলেন ইংলিশ অধিনায়ক।

ম্যাচের ৬৭তম মিনিটে জুড বেলিংহামের বাড়ানো ক্রসে হেডে গোল করেন কেইন। এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপে তার মোট গোলসংখ্যা দাঁড়ায় ১১, যা ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ।

এর আগে এই রেকর্ডটি ছিল কিংবদন্তি গ্যারি লিনেকারের দখলে। ১৯৮৬ ও ১৯৯০ বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে তিনি করেছিলেন ১০ গোল। চলতি আসরের প্রথম ম্যাচে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোল করে সেই রেকর্ড স্পর্শ করেছিলেন কেইন। আর পানামার বিপক্ষে গোল করে লিনেকারকে পেছনে ফেলে এককভাবে রেকর্ডের মালিক হয়ে গেলেন তিনি।

এসজি/

ঘানাকে হারিয়ে বিশ্বকাপের নকআউটে ক্রোয়েশিয়া

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০৫:০৪ এএম
আপডেট: ২৮ জুন ২০২৬, ০৫:৪৩ এএম
ঘানাকে হারিয়ে বিশ্বকাপের নকআউটে ক্রোয়েশিয়া
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়ামে ঘানাকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে (রাউন্ড অব ৩২) জায়গা করে নিয়েছে ক্রোয়েশিয়া। গ্রুপ ‘এল’-এর রানার্সআপ হিসেবে দ্বিতীয় রাউন্ড নিশ্চিত করল লুকা মদ্রিচরা।

শনিবার (২৭ জুন) বাংলাদেশ সময় রাতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণের লড়াই দেখা যায়। তবে প্রথমার্ধে গোলের দেখা পেতে অপেক্ষা করতে হয় দুই দলকেই।

৩১ মিনিটে ম্যাচের প্রথম গোলটি আসে ক্রোয়েশিয়ার হয়ে। মাতেও কোভাচিচের নিখুঁত পাসে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের জোরালো শটে জাল কাঁপান পেতার সুচিচ। সেই গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ক্রোয়াটরা এবং বিরতিতে যায় লিড নিয়ে।

দ্বিতীয়ার্ধে ঘানা ম্যাচে ফিরে আসে ৭২তম মিনিটে। আর্নেস্ট নুয়ামাহর ফ্রি-কিক থেকে ভেসে আসা বল বাঁ পায়ের ভলিতে জালে পাঠান ডেরিক লুকাসেন। অফসাইড নিয়ে কিছুটা সন্দেহ থাকলেও ভিএআর পর্যালোচনার পর গোলটি বৈধ ঘোষণা করা হয়।

সমতা ফেরানোর পর ঘানার আত্মবিশ্বাস বাড়লেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আবারও নিজেদের হাতে নেয় ক্রোয়েশিয়া। ৮২তম মিনিটে লুকা মদ্রিচের কর্নার থেকে নিখুঁত ক্রসে দুর্দান্ত হেডে গোল করেন নিকোলা ভ্লাসিচ। এই গোলেই ২-১ ব্যবধানে ম্যাচ জিতে নেয় তারা।

শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চেষ্টা করেও আর কোনো গোল শোধ করতে পারেনি ঘানা। ফলে রানার্সআপ হয়ে গ্রুপ ‘এল’ থেকে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করে ক্রোয়েশিয়া।

অন্যদিকে চার পয়েন্ট নিয়ে সেরা তৃতীয় স্থানধারী দলের একটি হিসেবে শেষ ৩২-এ জায়গা করে নেয় ঘানা। তবে তাদের এই ফলের কারণে গ্রুপ ‘সি’-তে থাকা স্কটল্যান্ডের বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয়ে যায়।

নকআউট পর্বে ক্রোয়েশিয়ার সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হিসেবে রয়েছে পর্তুগাল অথবা কলম্বিয়া।

এসজি/

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে ইংল্যান্ড

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০৪:৫৮ এএম
আপডেট: ২৮ জুন ২০২৬, ০৫:২৩ এএম
গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে ইংল্যান্ড
ছবি: সংগৃহীত

পানামাকে ২-০ গোলে হারিয়ে গ্রুপ ‘এল’-এর চ্যাম্পিয়ন হয়ে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে (রাউন্ড অব ৩২) উঠেছে ইংল্যান্ড।

শনিবার (২৭ জুন) বাংলাদেশ সময় রাতে নিউইয়র্কের নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে প্রথমার্ধে গোলের দেখা না পেলেও দ্বিতীয়ার্ধে জুড বেলিংহাম ও হ্যারি কেইনের নৈপুণ্যে জয় নিশ্চিত করে থ্রি লায়ন্সরা।

ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখল ও আক্রমণে আধিপত্য দেখায় ইংল্যান্ড। তবে পানামার সংগঠিত রক্ষণ ভাঙতে ব্যর্থ হয় তারা। প্রথমার্ধে দুই দলই গোলশূন্য অবস্থায় বিরতিতে যায়।

দ্বিতীয়ার্ধে ৬২তম মিনিটে ম্যাচের গতিপথ বদলে দেন জুড বেলিংহাম। বুকায়ো সাকার নেওয়া কর্নার থেকে আসা নিচু ক্রস ভলিতে জালে পাঠিয়ে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে দেন এই মিডফিল্ডার।

এর মাত্র পাঁচ মিনিট পর আবারও আক্রমণে জ্বলে ওঠে ইংল্যান্ড। এবার বেলিংহামের নিখুঁত ক্রস থেকে হেডে গোল করেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন। ফলে ব্যবধান দাঁড়ায় ২-০।

ম্যাচের শেষ দিকে ৮৯ মিনিটে হোসে ফাজার্ডো গোল করলেও অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়ে যায়। এরপর আর কোনো দলই গোল করতে না পারায় পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিয়েই মাঠ ছাড়ে ইংল্যান্ড।

এই জয়ের ফলে গ্রুপ ‘এল’-এর চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউট পর্বে পা রাখে থমাস টুখেলের দল। শেষ ৩২-এ তাদের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হতে পারে ডিআর কঙ্গো বা সেনেগাল।

সালমান/