অতিরিক্ত সময় চেয়ে আমাকে বিব্রত না করার আহ্বান জানিয়ে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন মুদির দোকানে লেখা থাকে বাকি চাহিয়া লজ্জা দিবেন না। তেমনি, সময় চাহিয়া লজ্জা দিবেন না।
তিনি বলেন, ‘জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের সাধারণ আলোচনা শুরুর আগে সংসদ সদস্যদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বক্তব্য শেষ করার কড়া নির্দেশ দিয়েছেন স্পিকার।’
শনিবার (২৭ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৬তম দিনে বাজেট আলোচনার সূচনায় স্পিকার জানান, হাতে সময় কম থাকায় নির্ধারিত সময় মেনেই সব সদস্যকে বক্তব্য শেষ করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘সরকারি ও বিরোধী দলের হুইপরা যে সময় নির্ধারণ করেছেন, তার বাইরে অতিরিক্ত সময় দেওয়া হবে না।’
স্পিকার সংসদ সদস্যদের ঘড়ির দিকে লক্ষ্য রেখে বক্তব্য দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে বলেন, ‘এমনভাবে বক্তব্য শেষ করতে হবে যাতে অসমাপ্ত অবস্থায় বসে যেতে না হয়।’
এদিন ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনা শেষে বাজেট বিতর্ক শুরু হলে প্রতিটি বক্তার জন্য নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হয়। গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলন অতিরিক্ত সময় চাইলে স্পিকার সরাসরি বলেন, ‘সময় নাই।’
পরে আবার সময়ের আবেদন জানালে তিনি রসিকতার সুরে পুনরায় বলেন, ‘সময় চাহিয়া লজ্জা দিবেন না।’
চট্টগ্রামের সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীও বক্তব্যের সময় বাড়ানোর অনুরোধ করলে স্পিকার জানান, সময় নির্ধারণ করেন হুইপরা, তার দায়িত্ব শুধু তা কার্যকর করা।
এলিস/রিফাত/