বিশ্বকাপ থেকে উরুগুয়ের হতাশাজনক বিদায়ের পর এর সম্পূর্ণ দায় নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন কোচ মার্সেলো বিয়েলসা। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, ‘জাতীয় দলের সঙ্গে তার এই তিন বছরের সফর উরুগুয়ের ফুটবলের জন্য পিছনে কিছুই রেখে যেতে পারেনি।’
শনিবার (২৭ জুন) স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে বিশ্বকাপ অভিযান শেষ করেছে উরুগুয়ে। এর আগে সৌদি আরব ও কেপ ভার্দের বিরুদ্ধে ড্র করায় টুর্নামেন্টের একটি ম্যাচেও জয়ের মুখ দেখেনি দলটি। 'এইচ' গ্রুপ থেকে স্পেনের পাশাপাশি নকআউট পর্বে জায়গা করে নিয়েছে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে আসা কেপ ভার্দে।
উরুগুয়ে ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে বিয়েলসার চুক্তি এই বিশ্বকাপ পর্যন্তই ছিল। স্পেনের কাছে হারের পর তার কণ্ঠে ছিল বিদায়ের সুর। ৭০ বছর বয়সী এই আর্জেন্টাইন কোচ বলেন, ‘একজন কোচ তিন বছর দায়িত্ব পালন করার পর তার অবদান তখনই টিকে থাকে, যখন সাফল্য আসে। বাছাইপর্বে চতুর্থ হওয়া বা কোপা আমেরিকায় তৃতীয় স্থান লাভ করার এখন আর কোনো মূল্য নেই। আর আজ যা ঘটল, তা তো সবার সামনেই স্পষ্ট। তাই বলা যায়, এই পুরো মেয়াদে আমি আসলে কিছুই রেখে যেতে পারিনি।’
উরুগুয়ের থেকে সেরাটা বের করতে না পারায় ব্যর্থতার সব দায় নিজের ওপর নিয়েছেন তিনি। বিয়েলসা বলেন, ‘আমার মনে হয় প্রথম তিন ম্যাচ থেকে আমাদের ৭ পয়েন্ট পাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু আমরা মাত্র ২ পয়েন্ট নিয়ে বিদায় নিচ্ছি।’
ফিফা র্যাংকিংয়ের ১৯ নম্বরে থাকা উরুগুয়ে চলতি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়া এখন পর্যন্ত সবচেয়ে শীর্ষ দল। কোচ হিসেবে মার্সেলো বিয়েলসার জন্য এটি দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়ার ঘটনা।
এর আগে ২০০২ বিশ্বকাপে তার অধীনে আর্জেন্টিনা পার করতে পারেনি গ্রুপ পর্ব। কোচ হিসেবে বিশ্বকাপে তার সেরা সাফল্য এসেছিল ২০১০ সালে। সেইবার তার অধীনে শেষ ষোলেতে কোয়ালিফাই করেছিল চিলি।
পাপ্পু/এএফ