ঢাকা ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩, রোববার, ২৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
চুক্তি স্বাক্ষরের একদিন পরই লেবাননে ইসরায়েলের হামলা বই-ই তার বিশ্ববিদ্যালয় সিলেটে  কৃষক ও নারী উদ্যেক্তাদের নিয়ে  আর্থিক সাক্ষরতা কর্মশালা অনুষ্ঠিত ইংল্যান্ডের নকআউট প্রতিপক্ষ ডিআর কঙ্গো প্রতি উপজেলায় পুষ্টিবিদের পদ সৃষ্টির প্রস্তাব বিবিএফ চেয়ারপারসনের সম্পর্কের পরীক্ষায় ঢাকা-বেইজিং পার্সি টাউয়ের আলো ছড়ানো অভিযান মেসি বনাম রোনালদো লড়াইয়ের শেষ সমীকরণ মেসিবিহীন আর্জেন্টিনার জর্ডানের বিপক্ষে প্রথমার্ধেই দুই গোলের লিড কারাকাস বারবার কেন আক্রান্ত হয় ড্র করে গ্রুপ রানার্সআপ পর্তুগাল, শেষ বত্রিশে প্রতিপক্ষ ক্রোয়েশিয়া হরিরামপুরে সহিংসতার ঘটনায় ঘুরেফিরে এক নাম ময়লার স্তূপে ঢাকছে চট্টগ্রাম নগরীর সড়ক রেশমের শহরে বিদেশি কাপড়ের দাপট জামালপুর-১ আসনের সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদ গ্রেপ্তার ভারতের ভ্রমণ ভিসার আবেদন আজ থেকে লোকোশেড থেকে আরএনবি পর্যন্ত অরাজকতা কালিমাখচিত পতাকা মিছিল আর্জেন্টিনা-জর্ডান ম্যাচের আগে ১ মিনিট নীরবতা কেন? ২৮ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ২৮ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল ব্রাজিলের মাঝমাঠের প্রাণ ব্রুনো গুইমারায়েস উজবেকিস্তানকে হারিয়ে নকআউটে ডিআর কঙ্গো গ্রুপসেরা কলম্বিয়া, রানার্সআপ হয়ে নকআউটে পর্তুগাল জর্ডানের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার একাদশে ৯ পরিবর্তন বৈরী গ্যালারিই কানাডার প্রেরণা ২৮ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি আর্জেন্টিনা-জর্ডান ম্যাচে কার জয়ের সম্ভাবনা কত, জানাল সুপারকম্পিউটার হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, বিরতিতে গোলশূন্য পর্তুগাল-কলম্বিয়া ৩৬ বছরের রেকর্ড ভেঙে ইতিহাস গড়লেন হ্যারি কেইন

ব্রাজিলের মাঝমাঠের প্রাণ ব্রুনো গুইমারায়েস

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০৮:০০ এএম
ব্রাজিলের মাঝমাঠের প্রাণ ব্রুনো গুইমারায়েস
ব্রুনো গুইমারায়েস। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপ ফুটবল মানেই তারকার মেলা। এসব আসরে সাধারণত গোলদাতারা থাকেন আলোচনার কেন্দ্রে। উইঙ্গারদের গতি কিংবা ফরোয়ার্ডদের ফিনিশিং কাড়ে সব আলো। এবারের উত্তর আমেরিকার বিশ্বকাপেও বিভিন্ন দলের ফরোয়ার্ডদের নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে। তেমনি ফেভারিট ব্রাজিলের হয়েও আলোচনার শীর্ষে আছেন নেইমার, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, ম্যাথুয়াস কুনহারা।

কিন্তু ব্রাজিলের ছন্দ, ভারসাম্য আর নিয়ন্ত্রণের কেন্দ্রে দাঁড়িয়ে আছেন এক নীরব শিল্পী। যিনি রক্ষণ থেকে মাঝমাঠ, মাঝমাঠ থেকে আক্রমণ– সবখানে সেলোসাওদের সৃষ্টিশীল খেলার উৎস তৈরি করছেন, খেলায় আনছেন প্রাণ। তিনি হচ্ছেন অনেকটা আড়ালে থাকা নেপথ্য নায়ক সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার ব্রুনো গুইমারায়েস। ইংলিশ ক্লাব নিউক্যাসল ইউনাইটেডে খেলা আগামীর এই তারকা বিশ্বকাপে ব্রাজিলের তিনটি গ্রুপ ম্যাচেই নিজের জাত চিনিয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, ব্রাজিল এবার প্রত্যাশিত সাফল্য পেলে তার জন্য ২৮ বছর বয়সী অক্লান্ত যোদ্ধা ব্রুনোর অবদান অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

তিনি গোল করেন না নিয়মিত, নাটকীয় উদযাপনও খুব একটা দেখা যায় না। কিন্তু ম্যাচের প্রতিটি মিনিটে তার ছাপ স্পষ্ট। বল পায়ে ব্রুনো যেন এক সুরকার। কখন গতি বাড়াতে হবে, কখন খেলা ধীর করতে হবে, কখন ডিফেন্স ভেঙে সামনে পাস বাড়াতে হবে– সবকিছুর হিসাব যেন তার মস্তিষ্কে আগেই আঁকা। ব্রাজিলের গ্রুপপর্বের ম্যাচগুলোতে সবচেয়ে চোখে পড়ার মতো বিষয় ছিল তাদের মিডফিল্ডের নিয়ন্ত্রণ। প্রতিপক্ষ যতই চাপ সৃষ্টি করুক, ব্রুনো গিমারেজ ঠাণ্ডা মাথায় সেই চাপ সামলে দিয়েছেন। কখনো ছোট ছোট পাসে, কখনো লম্বা সুইচে, আবার কখনো নিখুঁত ট্যাকলে তিনি ব্রাজিলকে এনে দিয়েছেন ছন্দ ও স্থিরতা।

আক্রমণে ভিনিসিয়ুস ঝড় তুলেছেন, কুনহা জাদু দেখিয়েছেন। কিন্তু সেই আক্রমণের ভিত গড়ে দিয়েছেন ব্রুনো। তার পা থেকেই শুরু হয়েছে বহু গুরুত্বপূর্ণ মুভ। প্রতিপক্ষের দেয়াল ভেঙে ব্রাজিলকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি অনন্য। ব্রুনোর সবচেয়ে বড় শক্তি সম্ভবত তার ভারসাম্য। তিনি যেমন ডিফেন্সে নেমে বল কাড়তে পারেন, তেমনি আক্রমণে উঠে গিয়ে তৈরি করতে পারেন গোলের সুযোগ। আধুনিক ফুটবলে এমন ‘বক্স-টু-বক্স’ মিডফিল্ডারের মূল্য আকাশচুম্বী। ব্রুনো তার উজ্জ্বল উদাহরণ। 

ফুটবলে সব নায়ক আলোয় থাকেন না। কেউ কেউ আড়ালে থেকেই দলের ভিত্তি শক্ত করেন। ব্রাজিলের এবারের বিশ্বকাপ যাত্রায় ব্রুনো গিমারেজ ঠিক তেমনই এক নায়ক। নিঃশব্দ, স্থির অথচ অপরিহার্য। সাম্বার দেশের আক্রমণভাগ যতই মুগ্ধ করুক, মাঝমাঠের হৃদস্পন্দন কিন্তু একজনই–ব্রুনো। এবার ব্রাজিল যদি অনেক দূর যায়, ইতিহাস হয়তো মনে রাখবে গোলদাতাদের নাম। কিন্তু যারা খেলা গভীরভাবে দেখেছেন, তারা জানবেন এই দলের প্রাণ লুকিয়ে ছিল এক নীরব যোদ্ধার পায়ে। সবশেষ স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ গ্রুপ ম্যাচেও ব্রুনো নিজের জাত চিনিয়েছেন। ম্যাচে সবচেয়ে বেশি দূরত্ব অতিক্রম করেন তিনি। ম্যাচজুড়ে দৌড়েছেন ১২.১ কিলোমিটার। যা তার নিরলস পরিশ্রম, ফিটনেস এবং দলের প্রতি নিবেদনেরই প্রমাণ। মিডফিল্ডে আক্রমণ গড়ে তোলা, বল পুনরুদ্ধার, প্রতিপক্ষের আক্রমণ ভেঙে দেওয়া এবং সতীর্থদের জন্য জায়াগা তৈরি করা–সব ক্ষেত্রেই ব্রুনো দারুণ কার্যকর। তার এই প্রাণবন্ত উপস্থিতিই ব্রাজিলের মাঝমাঠকে ভারসাম্যপূর্ণ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

বিশ্বকাপের উজ্জ্বল পারফরমেন্সের পুরস্কারও পেতে চলেছেন ব্রুনো। বিশ্বকাপ শেষে তাকে পেতে বিশ্বের বাঘা বাঘা দল যে লাইন দেবে সেটা এখনই স্পষ্ট। ইতোমধ্যে তাকে পেতে প্রথম পদক্ষেপ নিয়েছে আরেক ইংলিশ জায়ান্ট আর্সেনাল। গানার্সরা নিউক্যাসেল ইউনাইটেডের কাছে ৫৫ মিলিয়ন ইউরোর আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাঠালেও, সেটি কোনো দ্বিধা ছাড়াই প্রত্যাখ্যান করেছে নিউক্যাসেল। ক্লাবটির অবস্থান একেবারেই পরিষ্কার– ব্রুনো বিক্রির জন্য নন। তাই তার নামের পাশে কার্যত ‘নট ফর সেল’ বার্তাই ঝুলিয়ে দিয়েছে নিউক্যাসেল। তবে এখানেই থেমে যেতে রাজি নয় আর্সেনাল। ব্রুনোকে নিজেদের দলে আনতে তারা এখনো আশাবাদী। 

তবে সবকিছু বাদ দিয়ে ব্রুনোর মনোযোগ এখন শুধুই মাঠের খেলায়। তিনি ব্রাজিলকে নিজের সেরাটা দিয়ে সাহায্য করতে চান। এ প্রসঙ্গে ব্রুনো বলেন, ‘মিডফিল্ডাররা যদি ভালো খেলে, তা হলে পুরো দলই ভালো খেলবে। আমাদের কাজ হলো সব সময় ভিনি, কুনহা, রায়ান, রাফিনিয়া, নেইমার যেই খেলুক না কেন; তাদের জন্য খেলাটা যতটা সম্ভব সহজ করে দেওয়া।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা হয়তো গোল করব না। কিন্তু এমন পরিবেশ তৈরি করতে চাই, যেখানে আমাদের ফরোয়ার্ডরা নিজেদের সেরাটা দিতে পারে। কারণ তারা ভালো খেললে, ব্রাজিলও ভালো খেলবে।’

ইংল্যান্ডের নকআউট প্রতিপক্ষ ডিআর কঙ্গো

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০৯:০৯ এএম
ইংল্যান্ডের নকআউট প্রতিপক্ষ ডিআর কঙ্গো
ছবি: সংগৃহীত

চলমান ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশে ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ হিসেবে নিশ্চিত হয়েছে ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে পানামাকে ২-০ গোলে হারিয়ে নিজেদের গ্রুপের শীর্ষস্থান নিশ্চিত করার পরই ইংল্যান্ডের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ নিয়ে হিসাব-নিকাশ শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত ‘কে’ গ্রুপে তৃতীয় স্থান অর্জন করায় কঙ্গোর সঙ্গেই মুখোমুখি হবে থ্রি লায়ন্সরা।

ইংল্যান্ডের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হিসেবে শুরুতে দুটি দলের নাম সামনে ছিল ‘আই’ গ্রুপের তৃতীয় দল সেনেগাল এবং ‘কে’ গ্রুপের তৃতীয় দল ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো। ‘কে’ গ্রুপের শেষ ম্যাচের ফলাফলের ওপরই নির্ভর করছিল এই সমীকরণ।

বাঁচা-মরার লড়াইয়ে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামে কঙ্গো। ম্যাচের ১০ মিনিটেই এলডর শমুরুদভের গোলে এগিয়ে যায় উজবেকিস্তান। তখন মনে হচ্ছিল, ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ হতে যাচ্ছে সেনেগাল।

তবে দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ায় কঙ্গো। ডি-বক্সে ইয়োয়ান উইসাকে ফাউল করলে পেনাল্টি থেকে সমতা ফেরান তিনি। 

এরপর ৭৮তম মিনিটে ফিস্টন মায়েলের গোলে এগিয়ে যায় কঙ্গো। ম্যাচের শেষ দিকে উইসা নিজের দ্বিতীয় ও দলের তৃতীয় গোল করে ৩-১ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করেন। এই জয়ের সুবাদে গ্রুপের তৃতীয় স্থান দখল করে নকআউট পর্বে জায়গা করে নেয় কঙ্গো। এতে করে ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ হিসেবে নিশ্চিত হয় কঙ্গো।

এই ফলাফলে টুর্নামেন্টের অন্যান্য সমীকরণেও পরিবর্তন এসেছে। কঙ্গোর জয়ের ফলে শেষ ৩২-এ সেনেগালের প্রতিপক্ষ হয়েছে বেলজিয়াম। অন্যদিকে, তৃতীয় স্থানে থাকা সেরা আটটি দলের তালিকা থেকে ছিটকে গিয়ে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া।

মেসি বনাম রোনালদো লড়াইয়ের শেষ সমীকরণ

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০৮:৫৪ এএম
আপডেট: ২৮ জুন ২০২৬, ০৮:৫৬ এএম
মেসি বনাম রোনালদো লড়াইয়ের শেষ সমীকরণ
ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের সূচি বা ব্র্যাকেটের ভিন্ন ভিন্ন পাশে পড়ে গেছে আর্জেন্টিনা ও পর্তুগাল। ফলে ফুটবলপ্রেমীদের বহু প্রতীক্ষিত লিওনেল মেসি বনাম ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো দ্বৈরথ এখন অনেকটাই কঠিন সমীকরণের মুখে। তবে সমীকরণ কঠিন হলেও, এই দুই মহাতারকার মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা এখনো পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি।

শনিবার গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে কলম্বিয়ার সাথে গোলশূন্য ড্র করে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল। 'কে' গ্রুপের রানার্স-আপ হিসেবে তারা নকআউট পর্বে পা রাখায় ফুটবল ভক্তরা কিছুটা হতাশ হয়েছেন। কারণ, দুই দলই নিজ নিজ গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হলে কোয়ার্টার ফাইনালেই দেখা হতে পারত আর্জেন্টিনা ও পর্তুগালের। কিন্তু পর্তুগাল রানার্স-আপ হওয়ায় এবং আর্জেন্টিনা নিজেদের গ্রুপে শীর্ষস্থান নিশ্চিত করায়, এখন কেবল ফাইনালেই এই দুই দলের দেখা হওয়া সম্ভব।

জর্ডানের বিরুদ্ধে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচের ফল যাই হোক না কেন, আর্জেন্টিনা ইতোমধ্যেই 'জে' গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হওয়া নিশ্চিত করেছে। অন্যদিকে পর্তুগাল রানার্স-আপ হওয়ায় এখন মেসি ও রোনালদোর মুখোমুখি হতে হলে দুই দলকেই টুর্নামেন্টের ফাইনাল পর্যন্ত পথ পাড়ি দিতে হবে। ফ্রান্স, ইংল্যান্ড, ব্রাজিল কিংবা নেদারল্যান্ডসের মতো শক্তিশালী দলগুলো যেভাবে ফর্মে রয়েছে, তাতে দুই দলের জন্যই ফাইনালের টিকিট কাটা বেশ কঠিন হবে। তবে ফুটবলে কোনো কিছুই অসম্ভব নয়।

ফাইনালে ওঠার সম্ভাব্য পথ: পর্তুগাল

পর্তুগালের নকআউট পর্বের যাত্রা শুরু হচ্ছে আগামী বৃহস্পতিবার (২ জুলাই)। রাউন্ড অফ ৩২-এর ম্যাচে টরন্টো স্টেডিয়ামে তারা মুখোমুখি হবে 'এল' গ্রুপের রানার্স-আপ ক্রোয়েশিয়ার।

ক্রোয়েশিয়া বাধা পার করতে পারলে রোনালদোদের সামনে অপেক্ষা করছে আরও কঠিন চ্যালেঞ্জ। সেক্ষেত্রে আগামী ৬ জুলাই ডালাস স্টেডিয়ামে রাউন্ড অফ ১৬-এর ম্যাচে তাদের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হতে পারে শক্তিশালী স্পেন।

স্পেনকে হারাতে পারলে ১০ জুলাই লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে কোয়ার্টার ফাইনালে তাদের খেলতে হবে ইংল্যান্ড বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো দলের বিরুদ্ধে। আর সেই বাধা টপকাতে পারলে ১৪ জুলাই ডালাসে সেমিফাইনালে তাদের মুখোমুখি হতে পারে জার্মানি, নেদারল্যান্ডস কিংবা বর্তমানের অন্যতম শক্তিশালী দল ফ্রান্সের।

ফাইনালে ওঠার সম্ভাব্য পথ: আর্জেন্টিনা

বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার শিরোপা ধরে রাখার মিশন পুনরায় শুরু হচ্ছে আগামী শুক্রবার (৩ জুলাই)। মিয়ামি স্টেডিয়ামে রাউন্ড অফ ৩২-এর ম্যাচে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা মুখোমুখি হবে কেপ ভার্দের।

এই ম্যাচে জয় পেলে রাউন্ড অফ ১৬-তে আলবিসেলেস্তেরা মুখোমুখি হবে অস্ট্রেলিয়া ও মিশরের মধ্যকার ম্যাচের বিজয়ী দলের।

কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার সামনে পড়তে পারে কলম্বিয়া, সুইজারল্যান্ড কিংবা ইরানের মতো কোনো দল। আর সেমিফাইনালের মঞ্চে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের পরীক্ষা নিতে অপেক্ষায় থাকতে পারে ফ্রান্স কিংবা নেদারল্যান্ডসের মতো ইউরোপীয় পরাশক্তিরা।

সব বাধা পেরিয়ে যদি আর্জেন্টিনা এবং পর্তুগাল দুই দলই ফাইনালে পৌঁছাতে পারে, তবেই বিশ্বমঞ্চে দেখা যাবে ইতিহাসের অন্যতম সেরা দুই ফুটবলারের শেষ মহারণ। 

আজহার/

মেসিবিহীন আর্জেন্টিনার জর্ডানের বিপক্ষে প্রথমার্ধেই দুই গোলের লিড

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০৮:৫৩ এএম
মেসিবিহীন আর্জেন্টিনার জর্ডানের বিপক্ষে প্রথমার্ধেই দুই গোলের লিড
জিওভানি লো সেলসো। ছবি: সংগৃহীত

লিওনেল মেসিকে শুরুর একাদশে না রেখেই জর্ডানের বিপক্ষে মাঠে নেমেছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের আগে দলের কোচ লিওনেল স্কালোনি জানিয়েছিলেন, ৩৯ বছর বয়সী এই তারকাকে শুরু থেকে খেলানো হবে না। পরিকল্পনা অনুযায়ী তাকে বেঞ্চেই রাখা হয়েছে।

ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে স্কালোনি বলেন, ‘লিও (মেসি) সম্ভবত দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নামবে।’ সেই পরিকল্পনা অনুসারেই শুরু থেকে মেসিকে বিশ্রাম দিয়েছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

তবে মেসি না থাকলেও আক্রমণে কোনো ঘাটতি দেখা যায়নি আর্জেন্টিনার খেলায়। শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য বিস্তার করে আলবিসেলেস্তেরা। এরই ধারাবাহিকতায় ম্যাচের ১৯তম মিনিটে দুর্দান্ত এক ফ্রি-কিক থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন জিওভানি লো সেলসো। নিখুঁত শটে জর্ডানের গোলরক্ষককে পরাস্ত করে আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি।

প্রথম গোলের পরও আক্রমণের ধার অব্যাহত রাখে আর্জেন্টিনা। একের পর এক আক্রমণে চাপে পড়ে জর্ডানের রক্ষণভাগ। ম্যাচের ৩০ মিনিটের মধ্যেই ব্যবধান দ্বিগুণ করে স্কোলনির শিষ্যরা। বক্সের ভেতরে ফাউলের পর পাওয়া পেনালটি থেকে সফলভাবে জালের ঠিকানা খুঁজে নেন লাওতারো মার্তিনেজ। তার গোলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা।

ড্র করে গ্রুপ রানার্সআপ পর্তুগাল, শেষ বত্রিশে প্রতিপক্ষ ক্রোয়েশিয়া

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০৮:৫১ এএম
আপডেট: ২৮ জুন ২০২৬, ০৮:৫৬ এএম
ড্র করে গ্রুপ রানার্সআপ পর্তুগাল, শেষ বত্রিশে প্রতিপক্ষ ক্রোয়েশিয়া
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ছবি: সংগৃহীত

কলম্বিয়ার বিপক্ষে গোলশূন্য (০-০) ড্র করে ‘কে’ গ্রুপের দ্বিতীয় দল (রানার্সআপ) হিসেবে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করল ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দেশ। তাই নিয়ম অনুযায়ী পর্তুগালকে এখন রাউন্ড অব ৩২ লড়াইয়ে মুখোমুখি হতে হবে ‘এল’ গ্রুপের রানার্সআপ দল ক্রোয়েশিয়ার।

শনিবার (২৭ জুন) মায়ামিতে গ্রুপ পর্বের অভিযান শেষ করেছে পর্তুগাল।

এবারের বিশ্বকাপে পর্তুগালের যাত্রাটা খুব একটা মায়াবী ছিল না। ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোর (ডিআর কঙ্গো) বিপক্ষে ১-১ গোলের হতাশাজনক ড্র দিয়ে আসর শুরু করেছিল তারা। তবে দ্বিতীয় ম্যাচেই চেনা ছন্দে ফেরে রবার্তো মার্তিনেজের শিষ্যরা। বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো খেলতে আসা উজবেকিস্তানকে ৫-০ গোলে বিধ্বস্ত করে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়ায় তারা।

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে পরের রাউন্ডে যেতে হলে শেষ ম্যাচে কলম্বিয়ার বিপক্ষে জয়ের কোনো বিকল্প ছিল না পর্তুগালের। কিন্তু আক্রমণভাগের চেনা ধার হারিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় দলটিকে। পুরো ম্যাচেই আক্রমণভাগের একঘেয়ে ও নিষ্প্রাণ পারফরম্যান্সের কারণে পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই সন্তুষ্ট থাকতে হয় তাদের, যার খেসারত দিতে হলো গ্রুপের শীর্ষস্থান হারিয়ে।

২০১৮ বিশ্বকাপের রানার্সআপ ক্রোয়েশিয়া গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ঘানাকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে নাটকীয়ভাবে নকআউট পর্বের টিকিট কেটেছে। আগামী ৩ জুলাই টরন্টোতে হবে পর্তুগাল ও ক্রোয়েশিয়ার মধ্যকার এই হাইভোল্টেজ ম্যাচটি।

তবে পর্তুগালের জন্য আসল পরীক্ষা কেবল শুরু। ক্রোয়েশিয়ার বাধা টপকে যদি তারা রাউন্ড অব ১৬ জায়গাও করে নেয়, সেখানে তাদের সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ বর্তমান ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন স্পেন। শেষ বত্রিশের ম্যাচে অস্ট্রিয়া কিংবা ইরানের মুখোমুখি হবে স্পেন এবং সেই ম্যাচে তারাই পাবে নিরঙ্কুশ জয়।

পর্তুগালের জন্য নকআউট পর্বের এই পথটি যে বেশ কঠিন, তা বলাই বাহুল্য। কারণ তাদের একই ব্র্যাকেটে (একই কোয়ার্টারে) রয়েছে জার্মানি, ফ্রান্স এবং নেদারল্যান্ডসের মতো বিশ্বফুটবলের অন্য পরাশক্তিরাও। এখন দেখার বিষয়, শুরুর ধাক্কা সামলে মার্তিনেজের দল কতদূর যেতে পারে।

থিওটোনিয়াস/

আর্জেন্টিনা-জর্ডান ম্যাচের আগে ১ মিনিট নীরবতা কেন?

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০৮:২৯ এএম
আর্জেন্টিনা-জর্ডান ম্যাচের আগে ১ মিনিট নীরবতা কেন?
ছবি: সংগৃহীত

ডালাসে জর্ডানের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচটি শুরু হওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে খেলোয়াড়রা এক মিনিটের নীরবতা পালন করেন।

শুধু এই ম্যাচেই নয়, 'জে' গ্রুপের অন্য ম্যাচে অস্ট্রিয়া ও আলজেরিয়ার মধ্যকার লড়াই এবং এর আগে অনুষ্ঠিত 'কে' ও 'এল' গ্রুপের চারটি ম্যাচেও আগে একইভাবে নীরবতা পালন করে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

সম্প্রতি দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলায় ঘটে যাওয়া ভয়াবহ ভূমিকম্পে প্রাণ হারিয়েছেন অনেকে। তাদের স্মরণে ও সম্মানে এই নীরবতা পালন করা হয়।

চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে দেশটিতে রিখটার স্কেলে ৭.১ ও ৭.২ মাত্রার চেয়েও শক্তিশালী দুটি তীব্র ভূমিকম্প আঘাত হানে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এই দুর্যোগে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯২০ জন।  আহত হয়েছেন হাজারেরও বেশি মানুষ।