ঢাকা ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
বন্যা মোকাবিলায় সমন্বিতভাবে কাজের আহ্বান স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর ৩ দফা দাবিতে উত্তাল রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন সাপেক্ষে উদ্বোধন করা হবে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর সবচেয়ে প্রিয় বাগানটাই দান কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের সামনে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভ বোয়ালমারীতে শিশু বলাৎকারের মামলায় কিশোর গ্রেপ্তার র‍্যাগিং ও ব্যাচকল ঠেকাতে এবার কঠোর জাককানইবি প্রশাসন কাতারের সাবেক আমিরের মৃত্যুতে শোকবইয়ে স্বাক্ষর করলেন মিয়া গোলাম পরওয়ার রামপুরায় নড়াই নদীর নামফলক উধাও, থানায় জিডি সেমিফাইনালের আগে ফের আলোচনায় স্কালোনি-বেকহামের পুরোনো দ্বন্দ্ব এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে ধর্ষণ: ১ জনের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন, ৪ জন খালাস ইংল্যান্ড দলে কোনো বিভক্তি নেই: কেইন ঈশ্বরগঞ্জে ফায়ার সার্ভিস অফিসারের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ ঔপনিবেশিক যুগ ও বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রাম অধ্যায়ের ৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় প্রোডাক্ট ম্যানেজার ও প্রজেক্ট ম্যানেজারের কাজের মধ্যে পার্থক্য আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড সেমিফাইনালের টিকিট ফ্রান্স-স্পেন ম্যাচের দ্বিগুণেরও বেশি ফরিদপুরে ৫ দফা দাবিতে শিক্ষার্থীদের সমাবেশ ও বিক্ষোভ ডকুমেন্টারি ফিল্ম ‘কাগজের মানুষ’ সাংবাদিকতার ইতিহাসের দলিল হয়ে থাকবে: ডা. জাহেদ মৌলভীবাজারে বন্যায় আটকা ১১ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী, মেলেনি সহায়তা পানি কমলেও কমেনি কষ্ট, চকরিয়া-মাতামুহুরীতে তীব্র খাদ্য ও পানির সংকট রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশের বাস চলাচল বন্ধ জিতলে সোনার চেইন দুর্নীতির শিকারে শীর্ষে ময়মনসিংহ, ঘুষে খুলনা: টিআইবি মেসিকে নয়, নিজেদের শান্ত রাখাই লক্ষ্য ইংল্যান্ডের: জর্ডান পিকফোর্ড আর্জেন্টিনা ম্যাচের আগে ইংল্যান্ড শিবিরে স্বস্তি পানি কমতেই ভেসে উঠছে ক্ষতচিহ্ন বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই শেখ হাসিনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা সুন্দরবনের ডাকাত ছোট জাহাঙ্গীরসহ ২৭ জনের আত্মসমর্পণ বেরোবিতে র‍্যাগিং ঠেকাতে নেই কার্যকর পদক্ষেপ ‘ফেভারিট শেফ’-এর কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশি মাদিহা

চট্টগ্রামে টানা বর্ষণে ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৯:২৪ এএম
আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০২:১১ পিএম
চট্টগ্রামে টানা বর্ষণে ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা
আবহাওয়া পরিস্থিতি কিছুটা ভালো হলে আসতে শুরু করে পণ্যবাহী পরিবহন। এতে লাগে যানজট। তবে এখনো কাটেনি ক্রেতাসংকট। ছবিটি চট্টগ্রামের বড় পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জ থেকে তোলা  ছবি- মোহাম্মদ হানিফ

টানা ৯ দিনের ভারী বর্ষণে চট্টগ্রামের পাইকারি বাজারে ব্যবসায়িক কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। নগরীর চাক্তাই, খাতুনগঞ্জ ও পাহাড়তলীর বিভিন্ন আড়ত, গুদাম ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ক্রেতা ও পণ্যবাহী যান চলাচল কমে যাওয়ায় বেচাবিক্রি হ্রাস পেয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা।

সোমবার (১৩ জুলাই) আবহাওয়া তুলনামূলক ভালো থাকলেও আশানুরূপ বেচাবিক্রি বাড়েনি বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তবে শিগগিরই পণ্যের সরবরাহ আরও বাড়ার পাশাপাশি ব্যবসায় গতি ফিরবে বলে আশা করছেন তারা।

সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে খাতুনগঞ্জ, চাক্তাই ও পাহাড়তলী বাজারের বিভিন্ন আড়তে গিয়ে দেখা যায়, ৯ দিনের ভারী বর্ষণে এই পাইকারি বাজাগুলোতে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়নি। এসব এলাকার দোকাগুলোতে পানি প্রবেশ না করায় মালামালের ক্ষতি না হলেও ভারী বর্ষণে ক্রেতার আনাগোনা কম। যার কারণে অলস সময় কাটাচ্ছেন ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা। বেচাবিক্রি না হওয়ায় এসব পাইকারি বাজারে অধিকাংশ পণ্যের দাম বাড়েনি।

সোমবার (১৩ জুলাই) আবহাওয়া কিছুটা ভালো থাকায় চাক্তাই, খাতুনগঞ্জে দেখা গেছে ট্রাকের সারি। আসতে শুরু করেছে বিভিন্ন পণ্য। শ্রমিকরা গাড়ি থেকে পণ্য নামিয়ে আড়তে রাখছেন। ব্যবসায়ীরাও পর্যাপ্ত পণ্য সরবরাহে রেখেছেন। তবে ক্রেতার আনাগোনা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অনেক কম থাকায় এখনো বেচাবিক্রি জমে ওঠেনি।

খাতুনগঞ্জের হামিদুল্লাহ মিয়া মার্কেট ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির মো. ইদ্রিস খবরের কাগজকে বলেন, ভারী বর্ষণের কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা নেমে এসেছে। আদা, রসুন ও পেঁয়াজের সরবরাহও একটু কম। তবে বেচাবিক্রি কম থাকায় এসব পণ্যের দামও বাড়েনি।

তবে নগরীর চাক্তাই এলাকার লবণ পরিশোধনকারী প্রতিষ্ঠান লাল মিয়া সল্টের স্বত্বাধিকারী মো. আসাদ আসিফ খবরের কাগজকে বলেন, ভারী বর্ষণের কারণে বেচাবিক্রি তুলনামূলক কম হয়েছে। এখন আবহাওয়া পরিস্থিতি তুলনামূলক ভালো। দেখা যাক কী হয়।

চাক্তাই-খাতুনগঞ্জ আড়তদার সাধারণ ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও ভোগ্যপণ্য আমদানিকারক মো. মহিউদ্দিন খবরের কাগজকে বলেন, ‘খাতুনগঞ্জে জলাবদ্ধতা হয়নি। ভোগ্যপণ্যও নষ্ট হয়নি। তবে আবহাওয়া খারাপ থাকায় বেচাকেনা একেবারেই হয়নি। বর্তমানে সরবরাহও পর্যাপ্ত রয়েছে। ভোগ্যপণ্যের দামও বাড়েনি। আজকে থেকে আবহাওয়া ভালো দেখা যাচ্ছে। ভারী বর্ষণ নেই। আশা করছি ক্রেতা সমাগম বাড়বে।’

পাহাড়তলী বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. রেজা খান খবরের কাগজকে বলেন, ‘পাহাড়তলী বাজারটি উঁচু জায়গায় হওয়ায় কোনো ধরনের সমস্যা হয়নি। কিন্তু খারাপ পরিস্থিতির কারণে বেচাবিক্রিতে ভাটা পড়েছিল। এখনো তাই। তবে আজ থেকে যেহেতু পরিস্থিতি ভালো দেখা যাচ্ছে, আশা করছি, আস্তে আস্তে ব্যবসায়িক কার্যক্রমে স্বাভাবিক গতি ফিরে আসবে। পণ্যের দামও স্বাভাবিক পর্যায়ে রয়েছে।’

বন্যা মোকাবিলায় সমন্বিতভাবে কাজের আহ্বান স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৮ পিএম
বন্যা মোকাবিলায় সমন্বিতভাবে কাজের আহ্বান স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর
ছবি: খবরের কাগজ

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সাম্প্রতিক ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সমন্বয় করে মোকাবিলা করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাকে আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় উদ্ভূত বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে এ আহ্বান জানান।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে সমন্বিত উদ্যোগের কোনো বিকল্প নেই। প্রত্যেক মন্ত্রণালয় ও সংস্থাকে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে দ্রুত সেবা ও সহায়তা পৌঁছে দিতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের সব প্রতিষ্ঠানকে সমন্বয়ের ভিত্তিতে কাজ করতে হবে। উদ্ধার, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ এবং ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পুনরুদ্ধারে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সরকার দুর্যোগ মোকাবিলায় সর্বাত্মকভাবে কাজ করছে। 

তিনি বন্যাকবলিত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, কোনো ধরনের দুর্নীতি ছাড়াই প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দিতে হবে।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের একটি নির্ভুল ডাটাবেজ তৈরি করতে হবে, যাতে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম আরও সুশৃঙ্খল ও কার্যকর হয়। একই সঙ্গে তিনি সরবরাহ ব্যবস্থা এবং যোগাযোগ অবকাঠামো সচল রাখার ওপর গুরুত্ব দেন।

সভায় বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসন ও ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। 

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব বিভাগ নিজ নিজ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে। পানি নেমে যাওয়ার পর প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির চিত্র মূল্যায়ন করে খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি পরিচালনা করা হবে।

এছাড়া কৃষি খাতের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সক্রিয়ভাবে কাজ করার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে নতুন বীজ সরবরাহের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বন্যাকবলিত এলাকায় বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং রোগব্যাধি প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা জোরদার করারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভায় এলজিইডির আওতাধীন ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। একই সঙ্গে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আওতাধীন ক্ষতিগ্রস্ত মহাসড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ সড়ক যোগাযোগ দ্রুত পুনরুদ্ধারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

সরকারি সূত্র জানায়, বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে উদ্ধার, ত্রাণ, স্বাস্থ্যসেবা এবং পুনর্বাসন কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

অমিয়/

প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন সাপেক্ষে উদ্বোধন করা হবে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:০১ পিএম
আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৫ পিএম
প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন সাপেক্ষে উদ্বোধন করা হবে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর
ছবি: খবরের কাগজ

বিগত ১৮ বছরের দুঃশাসন ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক আত্মত্যাগ এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিকে অম্লান রাখতে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। সরকারের সুনির্দিষ্ট আইনি বিধি-নিষেধ ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করে অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে এই জাদুঘর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের প্রস্তুতি চলছে। 

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী এসব তথ্য জানান।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এমপি, সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ্ কানিজ মওলা।

সংবাদ সম্মেলনে সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর দুঃশাসনে দেশের মানুষ অতিষ্ঠ ছিল। দীর্ঘ ১৮ বছরের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবেই আমরা এই ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান পেয়েছি। এই গণঅভ্যুত্থানের গভীরতা, ব্যাপকতা এবং এর মূল তাৎপর্য বিশ্লেষণ করেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রকল্পকে আরও নিখুঁত ও স্থায়ী রূপ দেওয়ার জন্য কিছু কাঠামোগত পরিবর্তন ও আইনি পরিমার্জন আনছে।

জাদুঘর উদ্বোধনে বিলম্ব এবং ব্যয় সংক্রান্ত সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী অত্যন্ত স্পষ্টতার সঙ্গে বলেন, জাদুঘর পরিচালনার জন্য একটি শক্তিশালী পরিচালনা পর্ষদ ইতোমধ্যে গঠন করা হয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালককে এখানে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু একটি পূর্ণাঙ্গ জাদুঘর পরিচালনায় স্থায়ী জনবল কাঠামো ও সুনির্দিষ্ট অর্গানোগ্রাম প্রয়োজন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আইনি অনুমতি ও বিধিমালা সংশোধনের প্রক্রিয়ার কারণে কিছুটা সময় ব্যয় হয়েছে। নির্মাণ ও সংস্কার কাজ প্রায় সম্পূর্ণ হওয়ার পথে। আগামী দুই-একদিনের মধ্যে নবগঠিত পরিচালনা পর্ষদের প্রথম সভায় জনবল নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত করা হবে। এরপরই প্রধানমন্ত্রীর সুবিধাজনক সময় ও অনুমতি সাপেক্ষে অতি দ্রুত একটি সুনির্দিষ্ট তারিখে এই স্মৃতি জাদুঘর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে। 

সংবাদ সম্মেলনে সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে মন্ত্রণালয়ের গৃহীত বিশেষ কর্মসূচি তুলে ধরেন। 
তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি ও স্পিরিট মানুষের হৃদয়ে জাগিয়ে রাখতে এবং দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। আগামীবুধবার (১৫ জুলাই) থেকে আমাদের সব প্রতিষ্ঠান দেশজুড়ে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, প্রদর্শনী ও প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে। 

বিশেষ করে ১৫ জুলাই আমাদের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন, কারণ ১৪ জুলাই রাত ১২টার পর ছাত্ররা রাজপথে নেমে আসে এবং ১৫ জুলাই শিক্ষার্থীদের ওপর, বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের ওপর বর্বরোচিত হামলা চালানো হয়েছিল, যা পরবর্তীতে ১৬ জুলাইয়ের মহান আত্মত্যাগের মিছিলকে তরান্বিত করে। তিনি এই ল্যান্ডমার্ক দিনগুলোর চেতনা জনগণের মাঝে ছড়িয়ে দিতে এবং অনুষ্ঠানমালার প্রচারে গণমাধ্যমকর্মীদের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।

জয়ন্ত সাহা/অন্তরা/

রামপুরায় নড়াই নদীর নামফলক উধাও, থানায় জিডি

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০২:৪১ পিএম
আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:০১ পিএম
রামপুরায় নড়াই নদীর নামফলক উধাও, থানায় জিডি
ছবি: খবরের কাগজ

রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী নড়াই নদীর অস্তিত্ব জানান দেওয়া নামফলকটি চুরি হওয়ার ঘটনায় রামপুরা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে পরিবেশ ও নদী রক্ষায় নিয়োজিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘নোঙর বাংলাদেশ’। 

সোমবার (১৩ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টায় নোঙর বাংলাদেশ-এর প্রতিষ্ঠাতা সুমন শামস এ সাধারণ ডায়েরি করেন।

জিডির পর রামপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে উপ-পরিদর্শক (এসআই) পলাশ কুমার ঘোষকে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া নির্দেশ দেন।
 

নামফলকটি চুরি করে নদী ও পরিবেশের ওপর পরিকল্পিত আঘাত করা হয়েছে। এটি দ্রুত উদ্ধারের দাবিতে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ‘নোঙর বাংলাদেশ’।

২০২৩ সালের ১৪ অক্টোবর নড়াই নদী রক্ষায় সচেতনতা বাড়াতে মানববন্ধন ও নৌ-র‌্যালি করা হয়েছিল। তখন দেশের বিশিষ্ট পরিবেশবিদ ও নদীপ্রেমীদের উপস্থিতিতে এই নামফলকটি স্থাপন করা হয়, যা দীর্ঘ দিন ধরে এলাকার নদী রক্ষা ও পরিবেশগত সচেতনতার এক অনন্য প্রতীক হিসেবে ছিল। কিন্তু গত ২৬ জুন সকাল ১০টার পর থেকে সাইনবোর্ডটি আর নির্দিষ্ট স্থানে দেখা যাচ্ছে না।

পরিবেশবাদীদের ধারণা, নড়াই নদীর অস্তিত্ব মুছে ফেলা এবং নদী দখলের হীন উদ্দেশ্যে কোনো স্বার্থান্বেষী মহল অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে এই চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে। একটি নদীর নামফলক উপড়ে ফেলার অর্থ হলো- নদীটির নাম ও ইতিহাসকে সমাজ থেকে আড়াল করে দেওয়া, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

সরকার ও গণমাধ্যমের প্রতি জরুরি আহ্বান ও নড়াই নদী রক্ষায় এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার নিন্দা জানিয়ে নোঙর ট্রাস্টের চেয়ারম্যান সুমন শামস বলেন, ‘নদীর নামফলক চুরি কেবল একটি সাইনবোর্ড চুরি নয়, এটি আমাদের নদী ও পরিবেশের ওপর এক ধরনের সন্ত্রাসী হামলা। নদীখেকো চক্রকে অবিলম্বে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। আমরা প্রশাসন ও সরকারের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি, অবিলম্বে এই চুরির নেপথ্যের নায়কদের খুঁজে বের করা হোক এবং নদীর সীমানা ও অস্তিত্ব রক্ষায় কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হোক।’

খাদিজা রুমি/

দুর্নীতির শিকারে শীর্ষে ময়মনসিংহ, ঘুষে খুলনা: টিআইবি

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০১:৫৯ পিএম
আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০২:২৩ পিএম
দুর্নীতির শিকারে শীর্ষে ময়মনসিংহ, ঘুষে খুলনা: টিআইবি
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)

দেশের সেবা খাতে বিভাগভেদে দুর্নীতির চিত্র বিশ্লেষণ করে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটির ‘সেবাখাতে দুর্নীতি : জাতীয় খানা জরিপ ২০২৫’ এর ফলাফলে দেখা গেছে, সেবা নিতে গিয়ে দেশের বিভাগগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতির শিকার হচ্ছেন ময়মনসিংহ বিভাগের মানুষ। অন্যদিকে, সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ঘুষ দিতে বাধ্য হচ্ছেন খুলনা বিভাগের সাধারণ নাগরিকেরা।

টিআইবির প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাতীয়ভাবে দেশের ৮১ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ দুর্নীতির শিকার এবং ৬৩.৬ শতাংশ মানুষ বিভিন্ন সেবার বিনিময়ে ঘুষ দিতে বাধ্য হচ্ছেন।

বিভাগভিত্তিক দুর্নীতি ও ঘুষের হারের তুলনামূলক চিত্র:

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৮টি বিভাগে দুর্নীতি এবং ঘুষের শিকার পরিবারের শতকরা হার নিম্নরূপ-

ময়মনসিংহ: বিভাগে সবচেয়ে বেশি ৮৮ দশমিক ৯ শতাংশ পরিবার দুর্নীতির শিকার হয়েছেন এবং এখানে ঘুষের শিকার হয়েছেন ৬৬ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ।

খুলনা: এই বিভাগে দুর্নীতির হার ৮৮ দশমিক ০ শতাংশ এবং দেশের সর্বোচ্চ ৭৩ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ এখানে ঘুষের শিকার হয়েছেন।

বরিশাল: বরিশাল বিভাগে দুর্নীতির শিকার ৮৭ দশমিক ৬ শতাংশ এবং ঘুষের শিকার ৬৯ দশমিক ১ শতাংশ সেবাগ্রহীতা।

রংপুর: এই বিভাগে দুর্নীতির শিকার ৮৫ দশমিক ৭ শতাংশ ও ঘুষের শিকার ৬২ দশমিক ৮ শতাংশ মানুষ।

ঢাকা: রাজধানী ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় দুর্নীতির হার ৮০ দশমিক ১ শতাংশ এবং ঘুষের শিকার হয়েছেন ৬৩ দশমিক ৯ শতাংশ বাসিন্দা।

চট্টগ্রাম: বন্দরনগরী বিভাগে দুর্নীতির শিকার ৭৯ দশমিক ৪ শতাংশ এবং ঘুষের শিকার ৫৯ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ।

সিলেট: এই বিভাগে দুর্নীতির হার ৭৯ দশমিক ৩ শতাংশ এবং ঘুষের শিকারের হার ৫৮ দশমিক ৯ শতাংশ।

রাজশাহী: তুলনামূলক কম হলেও রাজশাহী বিভাগে দুর্নীতির শিকার ৭২ দশমিক ৯ শতাংশ এবং ঘুষের শিকার হয়েছেন ৫৮ দশমিক ৮ শতাংশ সাধারণ মানুষ।

সংবাদ সম্মেলনে টিআইবি জানায়, সেবা খাতের এই চিত্র প্রমাণ করে যে এখনো দেশের তৃণমূল পর্যায়ে সাধারণ মানুষের জন্য হয়রানিমুক্ত ও স্বচ্ছ সেবা প্রাপ্তি নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোর আইন প্রয়োগ এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছে সংস্থাটি।

আজহার/

বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই শেখ হাসিনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

প্রকাশ: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০১:৩৮ পিএম
আপডেট: ১৪ জুলাই ২০২৬, ০১:৪০ পিএম
বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই শেখ হাসিনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা
ছবি: খবরের কাগজ

শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আদালতে মামলার মুখোমুখি হবেন এবং বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই তার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে সচিবালয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. জাহেদ বলেন, ‘শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। এ অবস্থায় ডিসেম্বরে আসবেন বলে তিনি যে ঘোষণা দিয়েছেন, সেটিকে সরকারের পক্ষ থেকে স্বাগত জানাই। তিনি আসবেন, মামলা ফেস করবেন।’

তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘আইসিটিতে অবজারভার রাখার ব্যবস্থা রয়েছে, সেখানে ভিডিও ক্যামেরা রাখা যায়। আদালতে তিনি যদি প্রমাণ করতে পারেন যে তিনি অপরাধী নন, আদালত যদি তাকে অন্য কোনো শাস্তি দেন বা খালাস দেয়, সেটাই হবে। সরকার চায় বিচার নিশ্চিত করতে। এজন্যই শেখ হাসিনার ফিরে আসার ঘোষণাকে স্বাগত জানাই।’

সংবিধান সংশোধন ও সংস্কারের মধ্যে মূলত শব্দগত পার্থক্য রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, ‘সংশোধনীর মাধ্যমেই রাষ্ট্রব্যবস্থা ও সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তন আনা সম্ভব। তবে কতটুকু পরিবর্তন হবে এবং কোন কোন বিষয়ে রাজনৈতিক ঐকমত্য তৈরি হবে, সেটিই মূল প্রশ্ন।’

জাতীয় সংসদে সংবিধান সংশোধনের জন্য ১৭ সদস্যের বিশেষ কমিটি গঠন এবং এতে বিরোধীদলের সদস্যের নাম না থাকার বিষয়ে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘বিরোধীদলের উচিত কমিটির আলোচনায় অংশ নেয়া এবং তাদের প্রস্তাব সংসদের ভেতরে তুলে ধরা।’

তিনি বলেন, ‘সংবিধান সংশোধন নাকি সংস্কার, এটি মূলত শব্দের বিষয়। আসল প্রশ্ন হলো, আমরা কতটুকু পরিবর্তন করতে চাই। সংশোধনীর মাধ্যমেই সংবিধানে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা সম্ভব। পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের বহু অংশে পরিবর্তন আনা হয়েছিল। তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন করা হয়। পরে আদালতের রায়ে ওই সংশোধনীর কয়েকটি অংশ বাতিল হয়েছে।’

বর্তমান সরকার জুলাইকে নিশ্চিতভাবে ধারণ করে। জুলাইয়ে গণ-অভ্যুত্থান যে স্পিরিটের কারণে হয়েছে, সরকার তা মানুষের কাছে ছড়িয়ে দিতে চায় জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এ উপদেষ্টা বলেন, ‘পার্লামেন্টে যে জুলাই সনদ স্বাক্ষর হয়েছে, সেটার ভিত্তিতেই কাজ করবে সরকার। সনদের যে সব ক্ষেত্রে বিএনপির নোট অব ডিসেন্ট রয়েছে, সেগুলো বিবেচনায় নেওয়া হবে না।’

বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, ‘বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনাসহ প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা ও মাঠ প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ পর্যন্ত সাতটি জেলার ৫৯টি উপজেলা বন্যাকবলিত। বন্যায় ১ লাখ ৫৫ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়েছে। এ পর্যন্ত ৫৪ জন মানুষ বন্যায় মারা গেছেন।’

বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্লান্ট তৈরির প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ‘ঢাকা শহরে দৈনিক ৩ হাজার টন বর্জ্য থেকে আমিন বাজারে ২৫ বছর মেয়াদি বিদ্যুৎ উৎপাদন প্লান্ট তৈরির উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। বর্জ্য বিদ্যুৎ বিনিয়োগ করে ৪২ দশমিক ৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে, যা ২০২৮ সাল বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে।’

অমিয়/