যারা আন্দোলন করে শেখ হাসিনাকে পতন ঘটিয়েছিলেন তাদের বলছি, শেখ হাসিনার পতন আর মুক্তিযোদ্ধার পতন এক কথা না বলে মন্তব্য করেছেন বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম।
সোমবার (৮ নভেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইল শহরে তার নিজ বাসা সোনার বাংলাতে সংক্ষিপ্ত এক আলোচনা সভা শুরুর আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম বলেন, ‘আমার বাড়ি ধ্বংস করে দিলে যদি দেশের মানুষের শান্তি হয় আমি তাতেই রাজি, আর এখন আমার ৮০ বছর বয়স হয়েছে, এখন আমি চলে যেতে পারলে আরও খুশি। সরকারকে বলছি, যারা আন্দোলন করে শেখ হাসিনাকে পতন ঘটিয়েছিলেন তাদের বলছি; শেখ হাসিনার পতন আর মুক্তিযোদ্ধার পতন এক কথা না; শেখ হাসিনার পতন আর বঙ্গবন্ধুর পতন এক কথা না; শেখ হাসিনার পতন আর স্বাধীনতার পতন এক কথা না; এই জিনিসগুলো কেউ কেউ বুঝতে চাচ্ছেন না। যারা চব্বিশে বিজয়ী হয়েছেন, তারা যদি এখন এইভাবে ব্যর্থ হয়, ভবিষ্যতে যদি কেউ স্বৈরাচার হয়, তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াবার জন্য সাধারণ মানুষ এগিয়ে আসবে না, সেটা আমার ভয়।’
এ সময় কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘রবিবার বাসাইলে আমার উপস্থিতি ছিল না, এটা ঠিক না, ১৪৪ ধারা জারি করেছে বাসাইলে যেখানে আমরা মুক্তিযোদ্ধারা মিটিং করতে চেয়োছিলাম, দেখে গেলাম এই দেশে বেঁচে থেকে যে মুক্তিযোদ্ধাদেরও মিটিংয়ে বাঁধা দেওয়া হয়, সেই দেশে যেই দেশ পয়দা দিয়েছে মুক্তিযোদ্ধারা।’
পুলিশি বাধার বিষয়ে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘আমি তো পুলিশ দেখিনা, যখন বাসা ভাঙচুর করলে তখন একটা পুলিশও ছিল না, এখন দেখেন কয়জন পুলিশ এসেছে। আমি আইনি বাধা মানতে রাজি তবে বেয়াইনি বাধা মানিনা। রবিবার বাসায় হামলা বিষয়ে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।’
সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম। এ সময় মুক্তিযোদ্ধা, কোম্পানি কমান্ডার ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
জুয়েল রানা/সুমন/