ঢাকা ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩, রোববার, ২৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু হলে ইসলামের বিধান কী? নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ আবারও ভেন্টিলেটরে মুস্তাফা মনোয়ার Slow and Steady Wins the Race বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র কেপ ভার্দে কঠিন প্রতিপক্ষ, সতর্ক স্ক্যালোনি বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর উরুগুয়ের চার্টার্ড ফ্লাইট বাতিল আক্কেলপুরে দিনমজুর শ্যামল হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ঠাকুরগাঁও প্রেসক্লাবের সহ-সাধারণ সম্পাদক হলেন নবীন হাসান জয়পুরহাটে স্ত্রী হত্যার অভিযোগে স্বামী আটক জাবির ৩৪৮ কোটি টাকার বাজেট পাস, গবেষণায় বরাদ্দ নেই দৌড়েই সেরে উঠলেন ওয়াসিম স্মৃতির ক্যানভাসে সাগরকন্যা কুয়াকাটা জুলাই গণঅভ্যুত্থান মামলা: সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ৩ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড সাতক্ষীরায় ৭৩ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস জামালপুরে সন্তান হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার মা গ্যাসসংকট সমাধানে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করবে সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী বিশ্বমঞ্চে ইউআইইউ মার্স রোভার সুরের আকাশে নতুন ধূমকেতু রেইথস চারুকলার নান্দনিক কাঠগোলাপ সৌরভের হৃদয়ের খুব কাছে মেসি এ প্লাস মানুষ গড়াই আমাদের লক্ষ্য: এমপি মনজুর টুনটুনির পুকুর দরজার আশায় জমানো লাখ টাকা ফেরত পাননি অসহায় নারী অবাক করা এক মাছ ভাঙ্গায় অধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষে আহত ৫০, মহাসড়কে যানজট সাশ্রয়ী মূল্যে নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসনের ব্যবস্থা করবে সরকার: গণপূর্ত মন্ত্রী বুদ্ধিমান প্রজাপতি ও দুষ্টু ফড়িং নির্যাতিত নেতাকর্মীদের পুনর্বাসনে বাজেটে বরাদ্দ চাইলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ষষ্ঠ শ্রেণিতে চালুর উদ্যোগ ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’নামে নতুন বই জনবল নেবে মধুমতি ব্যাংক, আবেদন করুন অনলাইনে

বাংলাদেশ প্রসঙ্গে জামায়াতের মতপ্রকাশের বৈধতা

প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২৫, ০৭:২৩ পিএম
বাংলাদেশ প্রসঙ্গে জামায়াতের মতপ্রকাশের বৈধতা

জামায়াত-শিবিরের সঙ্গে রাষ্ট্র, সমাজ, সংস্কার, নির্বাচন নিয়ে কথা বলাই উচিত নয়! এমনকি কোনো জাতীয় কিংবা বাংলাদেশ সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক ইস্যুতে আলোচনা, গোলটেবিল বৈঠক, মতবিনিময় সভা, টকশো প্রভৃতিতে তাদের আমন্ত্রণ জানানোই অনাবশ্যক! সনাতন ধর্মাবলম্বীরা পাপ হলে পবিত্র গঙ্গাজলে স্নান করে পাপ মোচন করে, পুণ্যতা লাভ করে আর মুসলমানরা মক্কা শরিফের পবিত্র জমজম কূপের পানি পান করে আল্লাহর কাছে মাফ চেয়ে নিজেদের পরিশুদ্ধ করে! একইভাবে জামায়াতকেও ’৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করার জন্য দেশ ও দেশবাসীর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চেয়ে শুদ্ধ হতে হবে এবং এটা তাদের আরও আগেই করা উচিত ছিল যখন গোলাম আযম, মতিউর রহমান নিজামী আর দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর মতো নেতারা জীবিত ছিলেন! স্বাধীনতা-পরবর্তী তেপ্পান্ন বছর ধরে বাংলাদেশের মানুষ তাদের সহ্য করছে, এই তো অনেক বেশি! জামায়াত তখনই দেশ, সংস্কার ইত্যাদি ইস্যুতে কথা বলার বৈধতা অর্জন করবে যখন তারা তাদের ভুল স্বীকার করে জনসমক্ষে ক্ষমা চাইবে! 
একাত্তর সালে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে পাকিস্তানের ক্ষমা চাওয়ার কথা উঠেছে অতীতে বহুবার, কিন্তু আজ পর্যন্ত তা হয়ে ওঠেনি! যদিও এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগকে অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর চাইতে বেশি তৎপর মনে হতো! আজকাল সেই আওয়ামী লীগের ক্ষমা চাওয়া নিয়ে কথা উঠছে, কিন্তু সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ জামায়াতের ক্ষমাপ্রার্থিতা! মুক্তিযুদ্ধকালীন তাদের যুদ্ধাপরাধের কথা কারও অজানা নয়! আসছে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারাটাও তাদের ক্ষমা চাওয়ার ওপরেই নির্ভরশীল হওয়া উচিত, নইলে দেশের মাটি ও মানুষের প্রতি অবিচারের দায় আমরা কেউই এড়াতে পারি না! 

আসিফ আল মাহমুদ 
আকবরশাহ মাজার, পাহাড়তলী, চট্টগ্রাম ৪২০২ 
[email protected] 

পোশাক পরিবর্তন নয়, প্রয়োজন কার্যকর সংস্কার

প্রকাশ: ২৬ জুন ২০২৬, ১১:০৬ এএম
পোশাক পরিবর্তন নয়, প্রয়োজন কার্যকর সংস্কার

বাংলাদেশ পুলিশের পোশাকে আবারও পরিবর্তন আনা হয়েছে। গাঢ় নীল ও হালকা অলিভ (জলপাই) রঙের সংমিশ্রণে আগের পোশাক ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে বিভিন্ন সরকারের সময়ে নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি ও সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পুলিশের পোশাক, লোগোসহ কিছু বিষয় পরিবর্তন করা হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও পুলিশসহ কয়েকটি বাহিনীর পোশাকে পরিবর্তন আনা হয়, যা নিয়েও বিভিন্ন মহলে মতভিন্নতা দেখা যায়। এখন আবার নতুন সরকারের সময়ে পোশাক পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত এসেছে।

এভাবে বারবার পোশাক পরিবর্তনের বিষয়টি নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, একটি রাষ্ট্রীয় বাহিনীর পরিচয় কি শুধুই পোশাকে, নাকি তাদের কাজ, আচরণ ও পেশাদারত্বে? কারণ একটি বাহিনীর মর্যাদা ও গ্রহণযোগ্যতা মূলত নির্ভর করে তাদের দায়িত্ব পালন, জনসেবার মান, দক্ষতা ও নিরপেক্ষতার ওপর। পোশাক গুরুত্বপূর্ণ হলেও তা কোনো প্রতিষ্ঠানের মূল শক্তি নয়। বারবার পোশাক পরিবর্তনের সঙ্গে বড় ধরনের আর্থিক ব্যয় জড়িত। সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে যদি রাষ্ট্রীয় বাহিনীর পোশাক ও অন্যান্য প্রতীকী বিষয় পরিবর্তনের ধারায় চলে, তাহলে সেই ব্যয়ের চাপ শেষ পর্যন্ত জনগণের অর্থ থেকেই বহন করতে হয়। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে জনগণের স্বার্থ, রাষ্ট্রীয় সম্পদের সঠিক ব্যবহার এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত। পুলিশের প্রয়োজন আধুনিকায়ন, প্রশিক্ষণ, জবাবদিহি ও জনবান্ধব পেশাদারি কাজ। পোশাকের পরিবর্তনের চেয়ে বেশি জরুরি হলো, পুলিশ যেন মানুষের আস্থা অর্জন করতে পারে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় একটি নিরপেক্ষ ও দক্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করতে পারে। তাই অপ্রয়োজনীয় পরিবর্তনের বদলে রাষ্ট্রীয় অর্থের সঠিক ব্যবহার ও কার্যকর সংস্কারের দিকেই বেশি মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।

এম মহাসিন মিয়া
লেখক ও গবেষক
[email protected]

নেশাজাত দ্রব্যে জরিমানা নয়; মূল কেন্দ্র উৎখাত করুন

প্রকাশ: ২৬ জুন ২০২৬, ১১:০৩ এএম
নেশাজাত দ্রব্যে জরিমানা নয়; মূল কেন্দ্র উৎখাত করুন

প্রত্যেক দেশ অপরাধ নির্মূলে তার নিজস্ব আইনের সঠিক প্রয়োগের ওপর নির্ভর করে। সংবিধান কখনো অপরাধ দমন করতে পারে না, যতক্ষণ না সঠিক প্রয়োগ করা হয়। যে দেশের আইনের প্রয়োগ যত বেশি কার্যকর, সে দেশ তত বেশি নিরাপদ ও সুন্দর। দেশে শত শত অপরাধ হচ্ছে, যা মূলত একই ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত নয়; বরং রয়েছে অপরাধের ধরন ও প্রকার। তাই কিছু অপরাধ আছে যা কেবল জরিমানার মাধ্যমে দমন করা সম্ভব নয়। এমন অপরাধের মধ্যে ইয়াবা ও মাদক অন্যতম। এই অপরাধগুলো দমন করতে হলে ইয়াবা এবং মাদকের উৎপাদন স্থান ও ইম্পোর্ট-এক্সপোর্টের মূল কেন্দ্র উৎখাত করতে হবে। বর্তমান দেশে দেখা যায় জরিমানা করা হয়। কিন্তু মূল কেন্দ্র ঠিকই থেকে যায়। অতএব, নেশাজাত দ্রব্যের মূল উৎপাটনে প্রশাসনের প্রতি কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য বিশেষ আরজি প্রকাশ করছি।

আবদুর রশিদ
শিক্ষক, উত্তর সাতকানিয়া দারুল আরকাম একাডেমি, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম
[email protected]

রোহিঙ্গাদের সম্পদে পরিণত করুন

প্রকাশ: ২৫ জুন ২০২৬, ০৬:৩৭ পিএম
রোহিঙ্গাদের সম্পদে পরিণত করুন

রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে সম্পাদকীয়টি চমৎকার হয়েছে। দেশের শীর্ষ বুদ্ধিজীবীদের কাউকে বর্তমান বা প্রতিবছর ২২ লাখ করে বর্ধমান জনসংখ্যাকে দায় হিসেবে বলতে দেখছি না। সবাই বলেন, জনসংখ্যা জনসম্পদ। এর শীর্ষে ড. আনোয়ারুল্লাহ চৌধুরী অবস্থান করছেন। খবরের কাগজের পাতায় এই পণ্ডিত ও সর্বজনশ্রদ্ধেয় জাতীয় মনীষী উপ-সম্পাদকীয়তে এ বিষয়ের ওপর এক সুললিত লেখা লিখে উপসংহার টানতে গিয়ে জোরালোভাবে লিখলেন–‘পরিকল্পিত বা অপরিকল্পিত যাই হোক, কোনো দেশের জনসংখ্যা দায় হতে পারে না, তা সম্পদ’। চিত্তহরণকারী কথা বটে। তাহলে সম্পাদক সাহেব ২২ জুন যে লিখেছেন–রোহিঙ্গারা কক্সবাজারের পরিবেশ, জলবায়ু, সংস্কৃতি ও আইনশৃঙ্খলায় বিরূপ প্রতিক্রিয়া ও প্রভাব ফেলছে। কথাগুলো ঠিক নয়। জনসংখ্যা তো জনসম্পদ। রোহিঙ্গারাও আমাদের জনসম্পদ। তারা ছিল ১০ লাখ, সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদক্রমে তারা এখন ১৩ লাখ, আগামীতে তা হবে ১৫ লাখ। আমাদের উচিত এদের লালিত করে সম্পদ বৃদ্ধি করা। তার বদলে ভুল বুঝে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিউইয়র্কে নিয়োজিত সালাহউদ্দীন রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরানোর ওকালতি করে আমাদের দুর্লভ কষ্টার্জিত সম্পদ কমানোর চেষ্টা করছেন কেন? দেশের প্রতিটি পাড়া-মহল্লা আজ জনসম্পদ চাচ্ছে, কারণ দিগন্তজোড়া মাঠগুলো খাঁ খাঁ করছে। শিশু, তরুণ, নারী ও কর্মীর বড়ই অভাব। দেশে জনসংখার বৃদ্ধি খুব হতাশাজনক। তা ইউরোপের চেয়ে কম। লাখ লাখ পদ খালি অথচ লোকের অভাব। এত বড় দেশ, জনসংখ্যা মাত্র ১৯ কোটি। আনোয়ারুল্লাহ চৌধুরীকে জনসম্পদ কমিশনার পদে নিয়োজিত করে আমাদের উচিত জনসম্পদে দেশকে ভরপুর করা। একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক অবশ্যই একজন আমলার চেয়ে দূরদৃষ্টিসম্পন্ন। তাকে জাতি অনুসরণ করবে, এটাই কামনা করি।

মাসুদ আহমেদ
সাবেক সিনিয়র সচিব ও প্রজাতন্ত্রের সাবেক কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল
[email protected]

বজ্রপাত থেকে বাঁচাতে দৃষ্টান্তমূলক কার্যক্রম

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৬, ০৫:০৫ পিএম
বজ্রপাত থেকে বাঁচাতে দৃষ্টান্তমূলক কার্যক্রম

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাশেদুল বজ্রপাতে নিহতের ঘটনায় তার সহপাঠীরা ব্যতিক্রমধর্মী এক কার্যক্রম হাতে নিয়েছেন। নড়াইল থেকে ঢাকা পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার এলকাজুড়ে রাশেদের বন্ধুরা ট্রেন পথের দুই পাশে বজ্রপ্রতিরোধী বীজ ফেলে তাদের কার্যক্রম শুরু করেছেন। বীজের মধ্যে রয়েছে খেজুর, কাঁঠাল এবং তাল। তাদের ফেলে দেওয়া শত কিলোমিটারের মধ্যে এ বীজ গজিয়ে যদি গাছ হয়ে বেড়ে ওঠে এবং বজ্র থেকে মানুষকে রক্ষা করতে পারে, তাহলেই রাশেদের বন্ধুরা কিছুটা শান্তি পাবেন। মহৎ কাজের জন্য কোনো ধরনের অজুহাত লাগে না। শুরু করলে তা এক সময় শেষ হয়। আমাদের দেশে বর্ষা মৌসুমে বজ্রপাতে ব্যাপক প্রাণহানি ঘটে। কয়েক দিন আগে ট্রেনের কয়েকজন যাত্রীও প্রাণ হারিয়েছেন বজ্রপাতে। এত দিন শুধু মাঠের কৃষক, গরুর রাখালরা বজ্রপাতের শিকার হতেন। এখন ট্রেন ও সড়ক পথের যাত্রীরাও বজ্র থেকে রক্ষা পাচ্ছেন না। সরকার বিভিন্ন সময় তালগাছ রোপণ এবং বজ্রপ্রতিরোধী রিং বসিয়েছিল। কিন্তু তা কাজে আসেনি। তাই বজ্রপাত প্রতিরোধে রাশেদের বন্ধুদের এমন দৃষ্টান্তমূলক কাজ থেকে আরও স্বেচ্ছাসেবী মানুষ যদি নিজ নিজ এলাকায় বর্ষা মৌসুমে তালগাছ, কাঁঠাল এবং খেজুর গাছের চারা রোপণ করেন তাহলে বজ্রপ্রতিরোধ করা তেমন কষ্টসাধ্য হবে বলে আমি মনে করি না। এখন বর্ষা মৌসুম। সরকার দেশের ছাত্রছাত্রী এবং বিভিন্ন সংগঠনকে কাজে লাগিয়ে সবুজে-শ্যামলে রূপান্তার করে দিতে পারে আমাদের এ সোনার বাংলাকে।

হাজি মো. রাসেল ভূঁইয়া
খলিফাবাড়ি, সিপাহিপাড়া, মুন্সিগঞ্জ
[email protected]

বিদ্যুৎ-বিভ্রাট, পেমেন্ট ও প্রিপেইড মিটার সমস্যা

প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২৬, ০৫:০২ পিএম
বিদ্যুৎ-বিভ্রাট, পেমেন্ট ও প্রিপেইড মিটার সমস্যা

বর্তমানে প্রতিটি সেক্টরে বিদ্যুৎ একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই বিদ্যুৎ ব্যবহারে কেউ পিছিয়ে নেই। বিদ্যুৎ সমস্যার সম্মুখীন হলে অনেক ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ততার শিকার হতে হয়। সম্প্রতি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিভ্রাট সমস্যার নিরসন না হওয়ায় সামনে এল বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ সমস্যা। হঠাৎ পোস্টপেইড মিটারগুলোর বিল বিকাশ, নগদ, রকেট, ব্যাংক ইত্যাদি কোনো উপায়েই পরিশোধ করা সম্ভব না হওয়ায় গ্রাহকদের অপরিশোধিত বিলের ওপর পরবর্তী বিলের সঙ্গে অতিরিক্ত যুক্ত ভ্যাটও দিতে হবে। ফলে ব্যবহারকারীদের ওপর অতিরিক্ত অর্থের চাপ বাড়ছে। অপরদিকে প্রিপেইড মিটারগুলোর টোকেন নম্বর দুই শতাধিক হওয়ায় ব্যবহারকারীরা অত্যন্ত ঝামেলার সম্মুখীন হচ্ছে। অতএব, বিদ্যুৎ বিভ্রাট নিরসন, বিল পেমেন্টের প্রসেসিং সচল রাখা ও প্রিপেইড মিটারের ঝামেলাপূর্ণ টোকেন নম্বর সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।

আবদুর রশীদ
শিক্ষক, উত্তর সাতকানিয়া দারুল আরকাম একাডেমি, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম
[email protected]