ফিফা বিশ্বকাপে অপ্রত্যাশিতভাবে অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়কের দায়িত্ব পেয়ে নেতৃত্বগুণে মুগ্ধ করেছেন ডিফেন্ডার হ্যারি সাউটার। নিয়মিত অধিনায়ক ম্যাথু রায়ান ও জ্যাকসন আরভিনকে তুরস্কের বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচে বেঞ্চে রাখার পর সাউটারের হাতে ওঠে অধিনায়কের আর্মব্যান্ড। এরপর থেকে রক্ষণভাগে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পাশাপাশি নেতৃত্বেও নিজেকে প্রমাণ করছেন তিনি।
তুরস্কের বিপক্ষে ম্যাচসেরা হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ও প্যারাগুয়ের বিপক্ষেও ছিলেন দলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়। অস্ট্রেলিয়ার সহকারী কোচ ও সাবেক অধিনায়ক মাইল জেডিনাক বলেন, ‘হ্যারি খুব স্বাভাবিকভাবেই দায়িত্ব নিয়েছে। পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে সে আরও পরিপক্ক হয়ে উঠছে, তবে নিজের স্বাভাবিক ব্যক্তিত্বও ধরে রেখেছে। মাঠে ও মাঠের বাইরে সে একই মানুষ।’
বিশ্বকাপের আগে দীর্ঘ চোট কাটিয়ে ফেরা সাউটারের এই পারফরম্যান্স আরও বেশি প্রশংসিত হচ্ছে। ২০২৪ সালের শেষভাগ ও ২০২৫ সালের শুরুতে পরপর দুটি অ্যাকিলিস ইনজুরির কারণে প্রায় দুই বছর মাঠের বাইরে ছিলেন তিনি। বিশ্বকাপের আগে মাত্র দুটি প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলেই জাতীয় দলে ফিরেছেন।
সাউটারের প্রত্যাবর্তনে মুগ্ধ হয়ে চিরকাতি বলেন, ‘প্রায় দুই বছর পর ফিরে এসে সে এমন খেলছে, যেন কোনো ম্যাচই মিস করেনি। এর পেছনে তার কঠোর পরিশ্রমই সবচেয়ে বড় কারণ।’
আক্রমণভাগের খেলোয়াড় আজদিনও সাউটারের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তার ভাষ্যে, ‘হ্যারি সহজাত নেতা। সে হয়তো খুব উচ্চকণ্ঠ নয়, কিন্তু প্রয়োজনের সময় সামনে থেকে নেতৃত্ব দেয়। দুটি বড় চোট কাটিয়ে যেভাবে ফিরে এসেছে, তা সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক।’
নকআউট পর্বে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিপক্ষ মিসর। মোহামেদ সালাহ ও ওমর মারমুশকে সামলানোর বড় দায়িত্ব থাকবে সাউটারের কাঁধেই।
পাপ্পু/অন্তরা/