ঢাকা ২ শ্রাবণ ১৪৩৩, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
শুঁয়োপোকা সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের এমডি হিসেবে যোগ দিলেন মো. আবেদুর রহমান সিকদার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের কাজ শুরু হয়েছে: অর্থমন্ত্রী মেঘ বাতাসের খেলা জন্ম-মৃত্যুর খেলা নোনা জলের প্রহসন বেদনার নীল আকাশ আধিভৌতিক স্বর: এক অভিযোজন বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানো মানবিক দায়িত্ব দায়িত্বে অবহেলাজনিত বন্যার দায়ভার কার? শহীদুল জহিরের সাহিত্য ও সাম্প্রতিক বিতর্ক ভিডিও ধারণ করে আপন বোনের সাথে শারীরিক সম্পর্ক,  ফিল্মি কায়দায় ভাইকে হত্যা, বোন সহ গ্রেপ্তার ২ ব্যক্তি নয়, রাজনীতির ভাষার সংকট অচেনা শহরে মেহেরুননেসা এসেছেন শরণার্থী হিসেবে প্রণোদনা কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়ক হবে ৪.৯ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি হলো পেলের বিশ্বকাপ ফাইনালের জার্সি একজন হুমায়ূন আহমেদ নোয়াখালীতে বিধবা ভাতার টাকা নিয়ে প্রতারণা, অসহায় বৃদ্ধার পাশে দাঁড়ালেন ইউএনও জুলাইয়ের চেতনায় বৈষম্য নিরসনে কাজ করছে সরকার বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথমবার চ্যাম্পিয়নদের আংটি দেবে ফিফা পূর্ণকালীন হলেন ঢাবির আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক আবছার কামাল মেসির সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় নিয়ে মুখ খুললেন বেলিংহাম সামান্য বৃষ্টিতে অচল রাজধানী ২০২০ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে চীনা হস্তক্ষেপ: ট্রাম্প বিশ্বকাপ ফাইনালে গুরু-শিষ্যের দ্বৈরথ নিঝুমদ্বীপে অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার খুলনায় মসজিদের মুয়াজ্জিনকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা মেসির উত্তরাধিকার বনাম নতুন স্বপ্ন টাঙ্গাইলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ২ যুবকের মৃত্যু

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের এমডি হিসেবে যোগ দিলেন মো. আবেদুর রহমান সিকদার

প্রকাশ: ১৭ জুলাই ২০২৬, ০১:২০ পিএম
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের এমডি হিসেবে যোগ দিলেন মো. আবেদুর রহমান সিকদার
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবেদুর রহমান সিকদার।

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে যোগদান করেছেন মো. আবেদুর রহমান সিকদার।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান কাজি শায়রুল হাসানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেন এবং ব্যাংকের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। এর আগে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ তাকে আগামী ৩ বছরের জন্য এ পদে নিয়োগ প্রদান করে।

প্রায় তিন দশকের সমৃদ্ধ ব্যাংকিং অভিজ্ঞতার অধিকারী আবেদুর রহমান সিকদার, এর আগে ডাচ-বাংলা ব্যাংক পিএলসির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ অপারেটিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৭ সালে ডাচ-বাংলা ব্যাংকে যোগদানের পর তিনি রিটেইল ব্যাংকিং, এসএমই ব্যাংকিং, লায়াবিলিটি বিজনেস, কার্ডস, ই ব্যাংকিং, এজেন্ট ব্যাংকিং, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, ব্রাঞ্চ অপারেশনস এবং ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্কের আধুনিকায়নে গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব প্রদান করেন। তার নেতৃত্বে ব্যাংকের ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি, গ্রাহকসেবা, অপারেশনাল উৎকর্ষ এবং ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়।

বাংলাদেশে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি সম্প্রসারণে এজেন্ট ব্যাংকিং ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস সম্প্রসারণে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্যাশলেস বাংলাদেশ উদ্যোগ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বাংলা কিউআর সারাদেশে জনপ্রিয় করতে নেক্সাসপে ও রকেট প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কার্যকর অবদান রাখেন। তার নেতৃত্বে নেক্সাসপে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ও উদ্ভাবনী ডিজিটাল ব্যাংকিং অ্যাপে পরিণত হয়।

আবেদুর রহমান সিকদার তার কর্মজীবন শুরু করেন উত্তরা ব্যাংক পিএলসিতে। পরে তিনি ডাচ-বাংলা ব্যাংক পিএলসিতে যোগদান করেন এবং পরে ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসির প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য হিসেবে ব্যাংকটির যাত্রার শুরু থেকেই যুক্ত হন। ব্র্যাক ব্যাংকে দীর্ঘ ১৬ বছরের কর্মজীবনে তিনি ব্যাংকিং অপারেশনস, ট্রেজারি ও রেমিট্যান্স কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দেশে এসএমই ব্যাংকিং সেবা বিকাশ ও সম্প্রসারণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। এ ছাড়া তিনি বিভিন্ন শাখার ব্যবস্থাপক, ক্লাস্টার হেড এবং রিটেইল ব্যাংকিং, ব্রাঞ্চ ব্যাংকিং, অল্টারনেটিভ ব্যাংকিং, মার্কেটিং অ্যান্ড করপোরেট অ্যাফেয়ার্স, প্রিমিয়াম ব্যাংকিং এবং কাস্টমার এক্সপেরিয়েন্সসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগের প্রধান হিসেবে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন।

পরবর্তীতে তিনি শ্রীলঙ্কার ব্র্যাক লংকা ফাইন্যান্স পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটি ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি, সুশাসন এবং অপারেশনাল উৎকর্ষতায় উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করে।

দীর্ঘ কর্মজীবনে আবেদুর রহমান সিকদার করপোরেট সুশাসন, ব্যবসা উন্নয়ন, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশন, ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক উন্নয়ন, গ্রাহকসেবা, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং কর্মদক্ষতাভিত্তিক সাংগঠনিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। প্রযুক্তিনির্ভর ব্যাংকিং সেবা সম্প্রসারণ এবং উদ্ভাবনী ব্যাংকিং সমাধান বাস্তবায়নে তার ভূমিকা দেশের ব্যাংকিং খাতে বিশেষভাবে সমাদৃত।

আবেদুর রহমান সিকদার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গভর্নমেন্ট স্টাডিজ স্নাতকোত্তর ডিগ্রি এবং ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনসে পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা করেছেন। এ ছাড়া তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিষয়ে অধ্যয়ন করেন এবং বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট থেকে বিজনেস ম্যানেজমেন্টে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রি অর্জন করেন। নেতৃত্ব, ব্যাংকিং, ডিজিটাল ফাইন্যান্স, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট এবং করপোরেট গভর্ন্যান্স বিষয়ে দেশ বিদেশে তিনি অসংখ্য পেশাগত প্রশিক্ষণ ও উচ্চতর কোর্সে অংশগ্রহণ করেছেন। এ ছাড়া এশিয়া, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য ও অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন দেশে ব্যক্তিগত ও পেশাগত সফরের অভিজ্ঞতা তার বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি ও নেতৃত্বকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

যোগ্যতার স্বীকৃতি স্বরূপ মো. আবেদুর রহমান সিকদার ডাচ বাংলা ব্যাংক এবং ব্র্যাক ব্যাংক থেকে চেয়ারম্যান’স এক্সেলেন্স অ্যাওয়ার্ড, ইনটেগ্রিটি অ্যাওয়ার্ড এবং বেস্ট ব্র্যাঞ্চ ম্যানেজার অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন।

বিজ্ঞপ্তি/

ঢাকায় উদ্বোধন হলো ডেল্টা অ্যাওয়ার্ড ফর আর্কিটেকচার এবং ডেল্টা ফেস্টিভ্যাল অব আর্কিটেকচার ২০২৬

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ১০:২১ পিএম
ঢাকায় উদ্বোধন হলো ডেল্টা অ্যাওয়ার্ড ফর আর্কিটেকচার এবং ডেল্টা ফেস্টিভ্যাল অব আর্কিটেকচার ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের স্থাপত্যশিল্পে উদ্ভাবনী, টেকসই ও কনটেক্সট-রেসপন্সিভ ভবন নকশার উৎকর্ষকে স্বীকৃতি প্রদানের লক্ষ্যে চালু হলো ‘ডেল্টা অ্যাওয়ার্ড ফর আর্কিটেকচার’।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাজধানী ঢাকায় ‘ডেল্টা অ্যাওয়ার্ড ফর আর্কিটেকচার’ শীর্ষক এ পুরস্কার প্ল্যাটফর্ম এবং ‘ডেল্টা ফেস্টিভ্যাল অব আর্কিটেকচার ২০২৬’ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

আয়োজকদের মতে, বাংলাদেশের স্থাপত্য খাতে উৎকর্ষ, টেকসই নকশাভাবনা, জলবায়ু-উপযোগী নির্মাণ এবং উদ্ভাবনী উদ্যোগের প্রসার ঘটানোই এ প্ল্যাটফর্মের লক্ষ্য। 

বাংলাদেশের বিশিষ্ট স্থপতি জালাল আহমেদের (এফআইএবি, এফকেআইএ) প্রতিষ্ঠিত ‘আর্কিকানেক্ট’ এবং ‘কনফারেন্স অ্যান্ড এক্সিবিশন ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেস (সেমস-গ্লোবাল)’-এর যৌথ উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়। এ আয়োজনের হোস্ট প্ল্যাটফর্ম হিসেবে রয়েছে ‘৩১তম বিল্ড বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো ২০২৬’। এ উদ্যোগের কৌশলগত অংশীদার হিসেবে রয়েছে ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশন (আইএফসি) - ওয়ার্ল্ড ব্যাংক গ্রুপের প্রাইভেট সেক্টর আর্ম হিসেবে পরিচিত প্রতিষ্ঠান।

‘ডেল্টা অ্যাওয়ার্ড ফর আর্কিটেকচার’-এর মাধ্যমে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য স্থাপত্য প্রকল্প, পেশাগত নেতৃত্ব, উদীয়মান প্রতিভা এবং একাডেমিক অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া হবে। পুরস্কারের বিভিন্ন ক্যাটাগরির মধ্যে রয়েছে ‘ডেল্টা সাসটেইনেবিলিটি অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স অ্যাওয়ার্ড’, ‘ডেল্টা কনটেক্সচুয়াল অ্যান্ড সোশ্যাল ইমপ্যাক্ট অ্যাওয়ার্ড’, ‘ডেল্টা লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’, ‘ডেল্টা আর্কিটেক্ট অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ড’, ‘ডেল্টা ইমার্জিং আর্কিটেক্ট অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ড’ এবং ‘ডেল্টা আর্কিটেকচারাল স্কলার অ্যাওয়ার্ড’। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, তিন দিনব্যাপী ‘ডেল্টা ফেস্টিভ্যাল অব আর্কিটেকচার ২০২৬’ উৎসবের মধ্য দিয়ে ‘ডেল্টা অ্যাওয়ার্ড ফর আর্কিটেকচার’-এর প্রথম সংষ্করণের সমাপনী পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। উৎসবটিকে এমন একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিকল্পনা করা হয়েছে, যেখানে স্থাপত্যশিল্প, প্রযুক্তি, উপকরণ উদ্ভাবন, গ্রিন ফাইন্যান্স এবং কমপ্লায়েন্সকে একই পরিসরে সংযুক্ত করবে।

রাজধানীর শেরাটন হোটেলে আয়োজিত প্ল্যাটফর্মটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, কূটনৈতিক মিশন, টেকসই নির্মাণ ও গ্রিন বিল্ডিং বিশেষজ্ঞ, আন্তর্জাতিক মান নির্ধারণ ও সনদ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, কমপ্লায়েন্স রেগুলেটরি অর্গানাইজেশন, প্রযুক্তি কোম্পানি, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি, স্থপতি, প্রকৌশলী, নগর পরিকল্পনাবিদ, শিল্প উদ্যোক্তা এবং নীতিনির্ধারকেরা অংশ নেন।

আয়োজকেরা জানান, পুরস্কারের জন্য অনলাইন আবেদন গ্রহণ শুরু হবে ১৬ জুলাই এবং চলবে ১৬ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত। সব ক্যাটাগরিতে অংশগ্রহণ সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে করা যাবে। ‘ডেল্টা অ্যাওয়ার্ড ফর আর্কিটেকচার’-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বাংলাদেশের যেকোনো অঞ্চলে নির্মিত প্রকল্পগুলো পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন জমা দিতে পারবে।

আবেদনকৃত প্রকল্পগুলো মূল্যায়ন করবে ‘ডেল্টা অ্যাওয়ার্ড ফর আর্কিটেকচার’ জুরি বোর্ড। জুরি বোর্ডের সদস্য হিসেবে রয়েছেন ‘গ্রাবার অ্যান্ড স্টাইগার আর্কিটেক্টস’-এর সহপ্রতিষ্ঠাতা স্থপতি নিকলাউস গ্রাবার, ‘সাইফ উল হক স্থপতি’-এর প্রধান স্থপতি সাইফ-উল-হক, ‘সতত্ত্ব-আর্কিটেকচার ফর গ্রিন লিভিং’-এর প্রধান স্থপতি অধ্যাপক মো. রফিক আজম, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি ও মানবিক বিভাগের চেয়ারপারসন অধ্যাপক ফিরদৌস আজিম এবং ‘এহসান খান আর্কিটেক্টস লিমিটেড’-এর প্রধান স্থপতি মো. এহসান খান। ‘ডেল্টা লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’শীর্ষক ক্যাটাগরির মূল্যায়নে আইএফসি মনোনীত একজন প্রতিনিধি কারিগরি উপদেষ্টা হিসেবে যুক্ত থাকবেন। এর ফলে মূল্যায়ন প্রক্রিয়ায় সবুজ ও জলবায়ু-সহনশীল ভবন বিষয়ে বৈশ্বিক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার প্রতিফলন ঘটবে।

নির্বাচিত প্রকল্পগুলো ডেল্টা ফেস্টিভ্যাল অব আর্কিটেকচার-এ প্রদর্শন করা হবে এবং পুরস্কারের আনুষ্ঠানিক প্রকাশনা গ্রন্থেও (অ্যাওয়ার্ডস মনোগ্রাফ) স্থান পাবে। সংক্ষিপ্ত তালিকাভুক্ত স্থপতি ও প্রকল্পগুলো কিউরেটেড প্রদর্শনী, গণমাধ্যমে প্রচার, পেশাগত পরিচিতি বৃদ্ধি, প্রকাশনা এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। বিজয়ীরা পুরস্কারের অর্থ, ট্রফি ও সনদপত্রের পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচিতি, প্রকাশনার সুযোগ এবং পেশাগত নেটওয়ার্কিংয়ের সুবিধা পাবেন।

আগামী ১২ থেকে ১৪ নভেম্বর রাজধানীর কুড়িলে অবস্থিত ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা (আইসিসিবি)-তে অনুষ্ঠিত হবে ‘৩১তম বিল্ড বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো ২০২৬’। এ আয়োজনটি ‘ডেল্টা অ্যাওয়ার্ড ফর আর্কিটেকচার’ ও ‘ডেল্টা ফেস্টিভ্যাল অব আর্কিটেকচার ২০২৬’-এর হোস্ট প্ল্যাটফর্ম। এ আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীর পাশাপাশি একই সময়ে অনুষ্ঠিত হবে তিন দিনব্যাপী ‘ডেল্টা ফেস্টিভ্যাল অব আর্কিটেকচার’। এ উৎসবে থাকবে - সংক্ষিপ্ত তালিকাভুক্ত ও পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রকল্পের কিউরেটেড প্রদর্শনী, সেমিনার, প্রকাশনা উন্মোচন, উদ্ভাবনী স্থাপত্য ও নির্মাণ সমাধানের উপস্থাপন, মাস্টারক্লাস এবং পেশাজীবী ও শিল্পসংশ্লিষ্টদের জন্য নেটওয়ার্কিং কার্যক্রম। আবেদন গ্রহণ, জুরি মূল্যায়ন, প্রদর্শনী ও প্রকাশনা কার্যক্রম শেষে ২০২৬ সালের ১২ নভেম্বর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা ও আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মাননা প্রদান করা হবে। 

‘ডেল্টা অ্যাওয়ার্ড ফর আর্কিটেকচার’ এবং ‘ডেল্টা ফেস্টিভ্যাল অব আর্কিটেকচার ২০২৬’ বাংলাদেশের স্থাপত্যশিল্পের উৎকর্ষ বৃদ্ধি, শিল্পখাতের সহযোগিতা জোরদার এবং নির্মাণ ও অবকাঠামো খাতের সবুজ রূপান্তরে দীর্ঘমেয়াদি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদী আয়োজক প্রতিষ্ঠান আর্কিকানেক্ট ও সেমস-গ্লোবাল।

উল্লেখ্য, হোস্ট প্ল্যাটফর্ম ‘৩১তম বিল্ড বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো ২০২৬’ - প্রদর্শনীটি বাংলাদেশের নির্মাণ, অবকাঠামো, নির্মান উপকরণ, নির্মাণপ্রযুক্তি ও সংশ্লিষ্ট শিল্পখাতের অন্যতম, বৃহত্তম এবং দীর্ঘতম আন্তর্জাতিক আয়োজন হিসেবে পরিচিত। তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে এ প্ল্যাটফর্ম দেশি-বিদেশি স্থপতি, প্রকৌশলী, নির্মাতা, নির্মাণসামগ্রী প্রস্তুতকারক, প্রযুক্তি প্রদানকারী, বিনিয়োগকারী এবং শিল্পসংশ্লিষ্ট অংশীজনদের জন্য উদ্ভাবন প্রদর্শন, জ্ঞান বিনিময়, ব্যবসায়িক সংযোগ ও সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে ভূমিকা পালন করে আসছে।

বিজ্ঞপ্তি/

ক্যাশলেস স্মার্ট ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে যৌথ উদ্যোগ উপায় ও ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটির চুক্তি

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৪ পিএম
ক্যাশলেস স্মার্ট ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে যৌথ উদ্যোগ উপায় ও ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটির চুক্তি
ছবি: সংগৃহীত

দেশের উচ্চশিক্ষা খাতে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা সম্প্রসারণে অংশীদারত্ব চুক্তি করেছে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি) পরিচালিত ইউসিবি ফিনটেক কোম্পানি লিমিটেডের মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) উপায় এবং ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ক্যাম্পাস।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়টিকে একটি আধুনিক ও ক্যাশলেস স্মার্ট ক্যাম্পাস হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

সম্প্রতি রাজধানীর বনানী ক্লাবে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

এতে ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরিফুল বারী মজুমদার এবং উপায় এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামল বি. দাশ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে দুই প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চুক্তির আওতায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে উপায়-এর কিউআর-ভিত্তিক মার্চেন্ট পেমেন্ট চালু করা হবে। এর ফলে শিক্ষার্থীরা ক্যাফেটেরিয়া, বইয়ের দোকান, খুচরা বিক্রয়কেন্দ্রসহ বিভিন্ন অনুমোদিত মার্চেন্টে সহজে ও নিরাপদে ক্যাশলেস পেমেন্ট করতে পারবেন। তারা উপায়-এর মাধ্যমে টিউশন ফি পরিশোধ এবং বৃত্তির অর্থ গ্রহণও করতে পারবেন।

এ ছাড়া উভয় প্রতিষ্ঠান আরএফআইডি-সক্ষম স্মার্ট স্টুডেন্ট আইডি কার্ড চালুর পরিকল্পনা করেছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পরিচয় ব্যবস্থাপনা আরও সহজ হবে এবং ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সেবা আরও আধুনিক ও কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তি/

শ্রীমঙ্গলে ওয়ালটন ক্যাবলসের বার্ষিক ডিলার কনফারেন্স-২০২৬ অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৬:০৭ পিএম
শ্রীমঙ্গলে ওয়ালটন ক্যাবলসের বার্ষিক ডিলার কনফারেন্স-২০২৬ অনুষ্ঠিত
ওয়ালটন ক্যাবলসের পুরস্কারপ্রাপ্ত সেরা পরিবেশকদের সঙ্গে ওয়ালটন হাই-টেকের এমডি এস এম মাহবুবুল আলম এবং পরিচালক নিশাত তাসনিম শুচিসহ প্রতিষ্ঠানটির ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণ। ছবি: সংগৃহীত

‘রাইজ টুগেদার’ স্লোগানে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে জাঁকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হলো দেশের ইলেকট্রনিক্স ও ইলেকট্রিক্যাল খাতের সুপারব্র্যান্ড ওয়ালটন ক্যাবলসের বার্ষিক ডিলার কনফারেন্স-২০২৬।

এতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ওয়ালটন ক্যাবলসের তিন শতাধিক ডিলার বা পরিবেশক ও বিক্রয় প্রতিনিধি অংশ নেন।

বুধবার (১৫ জুলাই) সন্ধ্যায় শ্রীমঙ্গলের পাঁচতারকা হোটেল গ্র্যান্ড সুলতানে ওয়ালটন ক্যাবলসের ‘বার্ষিক ডিলার কনফারেন্স-২০২৬’ এর উদ্বোধন করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম এবং পরিচালক নিশাত তাসনিম শুচি।

সম্মেলনে ওয়ালটন ক্যাবলসের মার্কেট শেয়ার বৃদ্ধি ও সুদৃঢ় করার মাধ্যমে বিক্রয়ের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিতকল্পে বাজার গবেষণা, সময়োপযোগি বিপণন ও ব্যবসায়িক কলাকৌশল নিয়ে পরিবেশকদের গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা দেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

সে সময় পরিবেশকগণ দেশের প্রতিটি বাড়িতে নিরাপদ ও আন্তর্জাতিকমানের ওয়ালটন ক্যাবলস পৌঁছে দেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সম্মেলনে পরিবেশকগণের উদ্দেশ্যে ওয়ালটন হাই-টেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম মাহবুবুল আলম বলেন, আপনারা হচ্ছেন ওয়ালটন ক্যাবলসের বড় শক্তি। আপনাদের মাধ্যমে ওয়ালটনের তৈরি বিশ্বমানের ও নিরাপদ ক্যাবলস গ্রাহকদের কাছে যেমন পৌঁছে যাচ্ছে, তেমনি ওয়ালটন ক্যাবলসের মার্কেট শেয়ারও প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি ও সুসংহত হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, নিরাপদ আবাসস্থল ও স্থাপনার ক্ষেত্রে ক্যাবলস ও ইলেকট্রিক সল্যুশন্স পণ্যের গুরুত্ব অপরিসীম। তাই ব্যবসার পাশাপাশি গ্রাহকদের প্রতিও আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে।

আবাসস্থল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, অফিস-আদালত সর্বত্র নিরাপদ স্থাপনার বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দিয়ে ওয়ালটন আন্তর্জাতিকমানের নিরাপদ ক্যাবলস ও ইলেকট্রিক সল্যুশন্স উৎপাদন ও বাজারজাত করছে।

ওয়ালটনের পরিচালক নিশাত তাসনিম শুচি বলেন, আপনাদের (পরিবেশক) অক্লান্ত শ্রম ও প্রচেষ্টায় দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে ওয়ালটন ক্যাবলস। স্থানীয় বাজারের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি ওয়ালটন ক্যাবলস এখন ভারত, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ইয়েমেন, নেপাল, ভূটানসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে। এসময় তিনি আঞ্চলিক পর্যায়ে ওয়ালটন ক্যাবলসের ব্যাপক ব্র্যান্ডিং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পরিবেশকদের পরামর্শ দেন।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন প্লাজার ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ রায়হান, ওয়ালটন হাই-টেকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর নজরুল ইসলাম সরকার, ইভা রিজওয়ানা ও মো. ইউসুফ আলী, চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ, ওয়ালটন ক্যাবলসের চিফ বিজনেস অফিসার রাজু আহমেদ প্রমুখ।

এছাড়াও সঞ্চালনায় ছিলেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক এবং ওয়ালটনের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আমিন খান। সম্মেলনে অংশ নিতে সারাদেশ থেকে আসা ওয়ালটন ক্যাবলসের পরিবেশকদের পদচারণায় উৎসবে রূপ নেয় হোটেল গ্র্যান্ড সুলতানের আঙ্গিনা। সন্ধ্যায় শুরু হয়ে অনুষ্ঠান চলে সারা রাত।

সম্মেলনে চলতি বছর ওয়ালটন ক্যাবলস বিক্রয়ে ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে বিশেষ অবদান রাখায় অর্ধ-শতাধিক পরিবেশককে পুরস্কৃত করা হয়। ছিলো র‌্যাফেল ড্র। সবশেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শেষ হয় ওয়ালটন ক্যাবলসের বার্ষিক ডিলার কনফারেন্স-২০২৬।

বিজ্ঞপ্তি/

জুলাইজুড়ে হোটেল সারিনায় থাকছে আকর্ষণীয় ফুড অ্যান্ড বেভারেজ আয়োজন

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ১২:২৫ পিএম
আপডেট: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০২:০৫ পিএম
জুলাইজুড়ে হোটেল সারিনায় থাকছে আকর্ষণীয় ফুড অ্যান্ড বেভারেজ আয়োজন
ছবি: সংগৃহীত

দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় পাঁচতারকা 'হোটেল সারিনা ঢাকা' জুলাই ২০২৬ উপলক্ষে তাদের বিশেষ ফুড অ্যান্ড বেভারেজ ক্যাম্পেইন ঘোষণা করেছে। 

অতিথিদের জন্য এই আয়োজনে রয়েছে আন্তর্জাতিক মানের বুফে, সিগনেচার সেট মেনু, প্রিমিয়াম ইতালিয়ান ও অথেনটিক ভারতীয় খাবার, ক্যাফে স্পেশাল এবং বিশেষ ডাইনিং অফার। প্রতিটি আয়োজনই সাজানো হয়েছে ভিন্নধর্মী স্বাদ, মানসম্মত সেবা এবং স্মরণীয় ডাইনিং অভিজ্ঞতা উপহার দেওয়ার লক্ষ্যে।

সামারফিল্ডস (লেভেল-২)-এ অতিথিরা উপভোগ করতে পারবেন ঢাকার অন্যতম সেরা আন্তর্জাতিক বুফে। প্রতিদিনের বুফে ব্রেকফাস্ট, বুফে লাঞ্চ, জনপ্রিয় ফ্রাইডে বুফে ব্রাঞ্চ এবং আড়ম্বরপূর্ণ বুফে ডিনার-এর পাশাপাশি প্রতি বুধবার থাকছে ‘ফার ইস্ট থিম নাইট’ এবং প্রতি বৃহস্পতিবার ‘অ্যারাবিক থিম নাইট’। এছাড়া শুক্রবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত থাকছে আন্তর্জাতিক বুফে ডিনার।

অতিথিদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে রয়েছে Buy 1 Get 3 Dinner অফার, মাত্র ৯,০০০ টাকা নেট, যা সামারফিল্ডসকে রাজধানীর অন্যতম সেরা ভ্যালু ফর মানি লাক্সারি বুফে ডাইনিং গন্তব্যে পরিণত করেছে।

অথেনটিক ভারতীয় খাবারের অনুরাগীদের জন্য অমৃত – টেস্ট অব ইন্ডিয়ান কুইজিন পরিবেশন করছে বিশেষভাবে সাজানো তিনটি সিগনেচার মিল কম্বো, ল্যাম্ব সিক কাবাব রয়্যাল কম্বো অ্যান্ড ড্রিংক, কাশ্মিরি চিকেন কারি রাইস সেট এবং ক্রিমি মালাই চিকেন ডিলাইট উইথ পিস পোলাও অ্যান্ড ড্রিংক।

ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় স্বাদ ও সমৃদ্ধ রন্ধনশৈলীর সমন্বয়ে তৈরি এই পদগুলো অতিথিদের জন্য নিয়ে এসেছে এক অনন্য খাবারের অভিজ্ঞতা। অন্যদিকে ইতালিয়ান খাবার প্রেমীদের জন্য রিসোত্তো পরিবেশন করছে স্টেক মাশরুম ক্যালজোন, সিফুড ফেতুচিনি উইথ গার্লিক ব্রেড এবং ডিপ-ফ্রাইড ক্যালামারি উইথ পিংক টারটার সস-এর মতো প্রিমিয়াম ইতালিয়ান স্পেশালিটি। প্রতিটি পদই প্রস্তুত করা হয় আসল ইতালিয়ান রেসিপি, উৎকৃষ্ট উপকরণ এবং দক্ষ শেফদের নিপুণতায়।

স্ট্রিট ১৭ ক্যাফে-তে অতিথিরা উপভোগ করতে পারবেন পেপার বিফ রাইস ফিস্ট বক্স, গোল্ডেন ফিশ স্ট্রিপস স্ন্যাক মিল এবং গ্রিক চিকেন স্কিউয়ার্স-এর মতো সুস্বাদু ক্যাজুয়াল মিল। দ্রুত লাঞ্চ, বিকেলের আড্ডা কিংবা সন্ধ্যার ক্যাফে অভিজ্ঞতার জন্য এটি একটি আদর্শ গন্তব্য। অন্যদিকে লেভেল-১৭-এর দ্য এলিট ক্লাব চলমান FIFA Live Screening-এর মাধ্যমে ইতোমধ্যেই ঢাকার অন্যতম জনপ্রিয় ফুটবল ভিউয়িং ভেন্যুতে পরিণত হয়েছে। টুর্নামেন্টজুড়ে প্রতিটি ম্যাচেই বিপুলসংখ্যক ফুটবলপ্রেমীর উপস্থিতি, উল্লেখযোগ্য অগ্রিম রিজার্ভেশন এবং প্রায় প্রতিটি ম্যাচে পূর্ণ আসনের মাধ্যমে এই আয়োজন ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। বিশাল Giant HD Screen, প্রাণবন্ত স্টেডিয়াম-সদৃশ পরিবেশ, প্রিমিয়াম আতিথেয়তা এবং বিশেষ Match-Day Food & Beverage Menu- এর সমন্বয়ে প্রতিটি ম্যাচ পরিণত হয়েছে এক উৎসবমুখর অভিজ্ঞতায়। সেমিফাইনাল ও ফাইনালকে
ঘিরেও দর্শকদের আগ্রহ ও রিজার্ভেশন দিন দিন বেড়েই চলেছে।

হোটেল সারিনা ঢাকা বরাবরই দেশের অন্যতম শীর্ষ ফুড অ্যান্ড বেভারেজ ডেস্টিনেশন হিসেবে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করে আসছে। প্রতিটি মেনু, প্রতিটি প্রচারণা এবং প্রতিটি ডাইনিং অভিজ্ঞতা অতিথিদের সর্বোচ্চ মানের খাবার, নির্ভুল সেবা এবং স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দেওয়ার লক্ষ্যেই পরিকল্পিত। প্রিমিয়াম উপকরণ নির্বাচন থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক মানের আতিথেয়তা নিশ্চিত করার মাধ্যমে হোটেলটি প্রতিনিয়ত অতিথিদের প্রত্যাশাকে ছাড়িয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে হোটেল সারিনা ঢাকার একজন মুখপাত্র বলেন, 'হোটেল সারিনা ঢাকায় আমরা সবসময়ই আন্তর্জাতিক মানের খাবার, সেরা সেবা এবং ব্যতিক্রমী ডাইনিং অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জুলাই মাসের এই বিশেষ আয়োজনের মাধ্যমে আমরা অতিথিদের জন্য নিয়ে এসেছি বৈচিত্র্যময় আন্তর্জাতিক স্বাদ, বিশেষ থিমভিত্তিক বুফে এবং আমাদের সিগনেচার ডিশসমূহ, যা আমাদের উৎকর্ষতার প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন।জুলাই মাসজুড়ে এই বিশেষ আয়োজন উপভোগ করতে আগ্রহী অতিথিদের অগ্রিম টেবিল সংরক্ষণের জন্য অনুরোধ জানানো হচ্ছে।'

হোটেল সারিনা ঢাকা সম্পর্কে

হোটেল সারিনা ঢাকা দেশের অন্যতম স্বনামধন্য পাঁচতারকা লাক্সারি হোটেল, যা বিলাসবহুল আবাসন, আন্তর্জাতিক মানের সেবা এবং বৈচিত্র্যময় রন্ধন অভিজ্ঞতার জন্য সুপরিচিত। একাধিক স্পেশালিটি রেস্টুরেন্ট, মৌসুমি ফুড ফেস্টিভ্যাল এবং বিশ্বমানের আতিথেয়তার মাধ্যমে হোটেলটি
কর্পোরেট অতিথি, পরিবার এবং বিশেষ আয়োজনের জন্য অন্যতম পছন্দের গন্তব্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।

রিজার্ভেশন ও তথ্যের জন্য:

📞 +880 1329 684542
📧 [email protected]
🌐 www.sarinahotel.com

বিজ্ঞপ্তি

ময়মনসিংহে অগ্রণী ব্যাংকের ‘বাংলা কিউআর’ প্রচারণায় মতবিনিময় সভা

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৪ এএম
আপডেট: ১৬ জুলাই ২০২৬, ১১:৫৫ এএম
ময়মনসিংহে অগ্রণী ব্যাংকের ‘বাংলা কিউআর’ প্রচারণায় মতবিনিময় সভা
বাংলা কিউআর ব্যবহারের প্রচারণা। ছবি: খবরের কাগজ

ময়মনসিংহে ক্যাশলেস বাংলাদেশ বিনির্মাণে অগ্রণী ব্যাংকের বাংলা কিউআর এর প্রচারণা বিষয়ক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে নগরীর ছোটবাজারে অগ্রণী ব্যাংক চত্বরে আয়োজিত হয় এই সভা।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংক, ময়মনসিংহ কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক মো. আবু বকর সিদ্দিক।

অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির ময়মনসিংহ অঞ্চলের উপ-মহাব্যবস্থাপক ও অঞ্চল প্রধান মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের সার্কেল সচিবালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক হোসনে আরা খানম ও মো. আইয়ুব আলী। এছাড়াও ব্যাংকের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, গ্রাহক ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অংশ নেন।

সভায় বক্তারা বলেন, 'ডিজিটাল লেনদেনকে সহজ, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী করতে বাংলা কিউআর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দেশের প্রতিটি স্তরে ক্যাশলেস লেনদেন সম্প্রসারণে ব্যাংক, ব্যবসায়ী ও গ্রাহকদের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলেও তারা উল্লেখ করেন।'

আয়োজকরা জানান, সাধারণ ব্যবসায়ী ও গ্রাহকদের মধ্যে বাংলা কিউআর ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ডিজিটাল অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করতেই এ ধরনের প্রচারণামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। সভা শেষে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি ছোটবাজার এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় ব্যাংক চত্বরে এসে শেষ হয়।

কামরুজ্জামান মিন্টু/তামান্না রুপা/