ঢাকা ২ শ্রাবণ ১৪৩৩, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
শুঁয়োপোকা সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের এমডি হিসেবে যোগ দিলেন মো. আবেদুর রহমান সিকদার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের কাজ শুরু হয়েছে: অর্থমন্ত্রী মেঘ বাতাসের খেলা জন্ম-মৃত্যুর খেলা নোনা জলের প্রহসন বেদনার নীল আকাশ আধিভৌতিক স্বর: এক অভিযোজন বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানো মানবিক দায়িত্ব দায়িত্বে অবহেলাজনিত বন্যার দায়ভার কার? শহীদুল জহিরের সাহিত্য ও সাম্প্রতিক বিতর্ক ভিডিও ধারণ করে আপন বোনের সাথে শারীরিক সম্পর্ক,  ফিল্মি কায়দায় ভাইকে হত্যা, বোন সহ গ্রেপ্তার ২ ব্যক্তি নয়, রাজনীতির ভাষার সংকট অচেনা শহরে মেহেরুননেসা এসেছেন শরণার্থী হিসেবে প্রণোদনা কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়ক হবে ৪.৯ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি হলো পেলের বিশ্বকাপ ফাইনালের জার্সি একজন হুমায়ূন আহমেদ নোয়াখালীতে বিধবা ভাতার টাকা নিয়ে প্রতারণা, অসহায় বৃদ্ধার পাশে দাঁড়ালেন ইউএনও জুলাইয়ের চেতনায় বৈষম্য নিরসনে কাজ করছে সরকার বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথমবার চ্যাম্পিয়নদের আংটি দেবে ফিফা পূর্ণকালীন হলেন ঢাবির আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক আবছার কামাল মেসির সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় নিয়ে মুখ খুললেন বেলিংহাম সামান্য বৃষ্টিতে অচল রাজধানী ২০২০ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে চীনা হস্তক্ষেপ: ট্রাম্প বিশ্বকাপ ফাইনালে গুরু-শিষ্যের দ্বৈরথ নিঝুমদ্বীপে অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার খুলনায় মসজিদের মুয়াজ্জিনকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা মেসির উত্তরাধিকার বনাম নতুন স্বপ্ন টাঙ্গাইলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ২ যুবকের মৃত্যু

দায়িত্বে অবহেলাজনিত বন্যার দায়ভার কার?

প্রকাশ: ১৭ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৪ পিএম
দায়িত্বে অবহেলাজনিত বন্যার দায়ভার কার?
ছবি: খবরের কাগজ

টানা ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে দেশে ১২টি জেলার ওপর দিয়ে এখন বন্যার পানি প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যা পরিস্থিতি এখন নাজুক দশায় পরিণত হয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকায় রাষ্ট্রের অনেক কিছু করার ছিল কিন্তু চোখে পড়ার মতো দৃশ্যমান কিছু দেখা যাচ্ছে না।

বিশেষ করে এবারের বর্ষণের কারণে পাহাড় ধসে ৩৫ জনের মতো মৃত্যু হয়েছে। রাষ্ট্রের যেন এতে কোনো দায় নেই। তাছাড়া চট্টগ্রাম, বান্দারবান, কক্সবাজার, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, ফেনী, সিলেট, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা ও জামালপুরে লাখ লাখ লোক পানিবন্দি হয়ে পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। অন্যদিকে ঢাকা শহরে যুগের পর যুগ সামান্য বৃষ্টি হলেই জলের স্রোত বয়ে চলে, অবিরত বর্ষায় তার পরিস্থিতি কতটা নাজুক হয় তা ঢাকা শহরের মানুষ হারে হারে টের পাচ্ছে। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন কত ঢাকঢোল পেটাল। হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করল।

কিন্তু ড্রেন আর কালভার্টগুলো সময়মতো পরিষ্কার না করার কারণে বর্ষায় তাদের নাকাল হতেই হলো। যেন রাষ্ট্রের কোনো ভাবাবেগ নেই, কোনো দায়িত্ব নেই। সড়কগুলোতে নদীর মতো পানির ঢেউ চলছে। মানুষ ও যানবাহন চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছে। কর্মজীবীরা পড়েছেন সবচেয়ে বেশি বিপত্তিতে। কোথাও কোমর আবার কোথায়ও গলাসমান পানিতে নেমে অফিসে যেতে হচ্ছে।

ঢাকার একটি হাসপাতাল জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। রোগী ও তার স্বজনরা হাসপাতালে যেতে মহাবিপাকের শিকার হচ্ছেন। সিটি করপোশেনের কুম্ভকর্ণের ঘুম আর কবে ভাঙবে, সেটাই দেশের মানুষ এখন জানতে চায়?

হাজি মো. রাসেল ভূঁইয়া
খলিফাবাড়ি, সিপাহিপাড়া, মুন্সীগঞ্জ
[email protected]

বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানো মানবিক দায়িত্ব

প্রকাশ: ১৭ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৮ পিএম
বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানো মানবিক দায়িত্ব

বর্তমানে দেশের এক বিস্তীর্ণ অঞ্চল ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়েছে। লাখ লাখ মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়ে পানিবন্দি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। বন্যাকবলিত এলাকায় তীব্র খাদ্যসংকট দেখা দিয়েছে, সেই সঙ্গে নেই কোনো বিশুদ্ধ খাবার পানি। বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় সেখানকার পরিস্থিতি আরও জটিল রূপ নিয়েছে।

বিশেষ করে শিশু, বৃদ্ধ এবং অসুস্থ ব্যক্তিরা চরম অবর্ণনীয় কষ্টের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। এই চরম বিপদের দিনে ঘরে বসে থাকার সুযোগ নেই। মানুষ হিসেবে মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। আমাদের ছোট একটি উদ্যোগ বা সামান্য সাহায্য একজন মানুষের জীবন বাঁচাতে পারে।

আসুন, আমরা যে যার অবস্থান থেকে সাধ্যমতো বন্যার্তদের সাহায্যে এগিয়ে আসি। শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি, প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং পোশাক দিয়ে এই বিপন্ন মানুষগুলোর মুখে হাসি ফোটাই।

লিয়াকত হোসেন খোকন 
রূপনগর, ঢাকা
[email protected]

দায়িত্বে অবহেলাজনিত বন্যার দায়ভার কার?

প্রকাশ: ১৭ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৪ পিএম
দায়িত্বে অবহেলাজনিত বন্যার দায়ভার কার?
ছবি: খবরের কাগজ

টানা ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে দেশে ১২টি জেলার ওপর দিয়ে এখন বন্যার পানি প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যা পরিস্থিতি এখন নাজুক দশায় পরিণত হয়েছে। বন্যাকবলিত এলাকায় রাষ্ট্রের অনেক কিছু করার ছিল কিন্তু চোখে পড়ার মতো দৃশ্যমান কিছু দেখা যাচ্ছে না।

বিশেষ করে এবারের বর্ষণের কারণে পাহাড় ধসে ৩৫ জনের মতো মৃত্যু হয়েছে। রাষ্ট্রের যেন এতে কোনো দায় নেই। তাছাড়া চট্টগ্রাম, বান্দারবান, কক্সবাজার, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, ফেনী, সিলেট, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা ও জামালপুরে লাখ লাখ লোক পানিবন্দি হয়ে পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। অন্যদিকে ঢাকা শহরে যুগের পর যুগ সামান্য বৃষ্টি হলেই জলের স্রোত বয়ে চলে, অবিরত বর্ষায় তার পরিস্থিতি কতটা নাজুক হয় তা ঢাকা শহরের মানুষ হারে হারে টের পাচ্ছে। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন কত ঢাকঢোল পেটাল। হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করল।

কিন্তু ড্রেন আর কালভার্টগুলো সময়মতো পরিষ্কার না করার কারণে বর্ষায় তাদের নাকাল হতেই হলো। যেন রাষ্ট্রের কোনো ভাবাবেগ নেই, কোনো দায়িত্ব নেই। সড়কগুলোতে নদীর মতো পানির ঢেউ চলছে। মানুষ ও যানবাহন চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটছে। কর্মজীবীরা পড়েছেন সবচেয়ে বেশি বিপত্তিতে। কোথাও কোমর আবার কোথায়ও গলাসমান পানিতে নেমে অফিসে যেতে হচ্ছে।

ঢাকার একটি হাসপাতাল জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। রোগী ও তার স্বজনরা হাসপাতালে যেতে মহাবিপাকের শিকার হচ্ছেন। সিটি করপোশেনের কুম্ভকর্ণের ঘুম আর কবে ভাঙবে, সেটাই দেশের মানুষ এখন জানতে চায়?

হাজি মো. রাসেল ভূঁইয়া
খলিফাবাড়ি, সিপাহিপাড়া, মুন্সীগঞ্জ
[email protected]

লৌহজংয়ে পদ্মাপাড়ে ভয়াবহ ভাঙন

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪৩ পিএম
লৌহজংয়ে পদ্মাপাড়ে ভয়াবহ ভাঙন

পদ্মার ভয়াবহ ভাঙন শুরু হয়েছে লৌহজংয়ের গাওদিয়া বাজারের পশ্চিম পাশ দিয়ে। সেখানে পানি উন্নয়ন বোর্ড সিসি ব্লক দিয়ে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করেছিল মাস দেড়েক আগে। কিন্তু অনিয়ম আর দুর্নীতির কবলে পড়ে বাঁধটি টেকসই হয়নি। বর্ষা শুরু হতেই নতুন বাঁধটি বিশাল এলাকা নিয়ে ধসে পড়েছে নদীতে। গাওদিয়াবাসী বাঁধের ভাঙন দেখে এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। নদী ভাঙতে ভাঙতে গাওদিয়াবাসী ভিটেবাড়ি, সহায়-সম্বলহীন হয়ে পড়েছিলেন অনেক আগেই। থাকার মতো যে সামান্য একটু জমি রয়েছে তাও এবারের ভাঙনের কবলে পড়ে তারা হারাতে বসেছেন। নতুন বাঁধ দিতে দেখে গাওয়াদিয়াবাসীর মনে কিছুটা আশার সঞ্চয় হয়েছিল। এলাকার রিতা রানী দে নতুন ঘর তোলার জন্য খুঁটি কিনে এনেছিলেন। কিন্তু এখন আর তার ঘর উঠানো হবে না। অনেকেই ভাঙন আতঙ্কে ঘরবাড়ি ভেঙে নিয়ে যাচ্ছেন অন্যত্র। আবার অনেকেরই সব জমি নদীগর্ভে হারিয়ে এখন আর যাওয়ার মতো কোনো জায়গা খুঁজে পাচ্ছেন না। তাদের হয়তো কোনো সরকারি সড়কের পাশেই আশ্রয় নিতে হবে। স্থানীয় ইউপি সদস্য তোবারক ঢালী পানি উন্নয়ন বোর্ডকে দ্রুত ভাঙনকবলিত এলাকা মেরামত করার জন্য অনুরোধ করেছেন। এখনই যদি বাঁধের ভাঙন ঠেকানো না যায় তাহলে হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে স্থায়ী বাঁধের সবটুকুই পদ্মার করাল গ্রাসে তলিয়ে যাবে।

রাষ্ট্রের এমন অপচয় মেনে নেওয়া যায় না। সামান্য পয়সা চুরি করতে গিয়ে কাজের  অনেক ফাঁকি দেওয়া হয়েছে। তার খেসারত এখন সরকার এবং সাধারণ মানুষকে দিতে হচ্ছে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী এবং ঠিকাদারকে তলব করে কৈফিয়ত এবং ক্ষতি পূরণ আদায় করা বাধ্যতামূলক মনে করেন গাওদিয়ার সাধারণ জনগণ।
 
হাজি মো. রাসেল ভূঁইয়া
খলিফাবাড়ি, সিপাহিপাড়া, মুন্সীগঞ্জ
[email protected]

তরুণদের দক্ষতায় বদলে যাবে আগামীর বাংলাদেশ

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৫:০৮ পিএম
তরুণদের দক্ষতায় বদলে যাবে আগামীর বাংলাদেশ

বাংলাদেশ একটি তরুণপ্রধান দেশ। এই বিপুল যুবশক্তিকে আধুনিক শিক্ষা, প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও কর্মমুখী দক্ষতায় গড়ে তুলতে পারলে তারা দেশের উন্নয়নের প্রধান শক্তিতে পরিণত হবে। বর্তমান কর্মবাজারে শুধু শিক্ষাগত যোগ্যতা নয়, প্রয়োজন প্রযুক্তি ব্যবহারের সক্ষমতা, যোগাযোগ দক্ষতা ও সমস্যা সমাধানের যোগ্যতা। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল প্রযুক্তি ও অটোমেশন দ্রুত পরিবর্তন আনছে। তাই তরুণদের ডিজিটাল দক্ষতা, কারিগরি জ্ঞান, উদ্যোক্তা হওয়ার সক্ষমতা ও উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশ ঘটাতে হবে। তথ্যপ্রযুক্তি, ফ্রিল্যান্সিং ও উদ্যোক্তা কার্যক্রমে বাংলাদেশের তরুণদের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে শহরের পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলের তরুণদের জন্যও মানসম্মত প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। যুবদক্ষতা উন্নয়নে সরকারের কার্যকর ভূমিকা জরুরি। কারিগরি শিক্ষা সম্প্রসারণ, আধুনিক প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা এবং শিল্প খাতের চাহিদাভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে। শুধু সনদ নয়, দক্ষতা ও শিক্ষার সমন্বয়ই পারে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে। বিশ্ব যুবদক্ষতা দিবস ২০২৬ আমাদের আহ্বান জানায়–দক্ষ যুবসমাজ গড়ে তুলে জ্ঞানভিত্তিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ নির্মাণের।

ডা. মাহতাব হোসাইন মাজেদ
লেখক
[email protected]

কুকুরের আতঙ্কে ইবির শিক্ষার্থীরা

প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪৫ পিএম
কুকুরের আতঙ্কে ইবির শিক্ষার্থীরা

কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কয়েক দিন ধরে বেশ কিছু নেড়ে কুকুরের উৎপাত বেড়েছে। সাধারণত গরমের সময় বা প্রজননকালে কুকুরের ক্ষিপ্ত আচরণ বৃদ্ধি পায়। সম্প্রতি এক দিনেই আটজন শিক্ষার্থী কুকুরের কামড়ে আহত হয়েছেন। জলাতঙ্কের ঝুঁকি বাড়লে শিক্ষার্থীদের ওপর দীর্ঘস্থায়ী নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। কুকুরগুলোর পাগলাটে আচরণে ব্যাপক আতঙ্কে চলাচল করছেন সবাই। এমতাবস্থায় কুকুরগুলো দ্রুত অপসারণের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যবস্থা রাখা ও ক্যাম্পাসের সীমানাপ্রাচীরের ভাঙা অংশগুলো সংস্কার করা জরুরি হয়ে পড়েছে। এ ব্যাপারে সতর্কতা বৃদ্ধি ও যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

মো. জাহিদ হাসান
শিক্ষার্থী, বাংলা বিভাগ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া 
[email protected]