ঈদুল আজহার দিন নগরীতে তৈরি হওয়া কোরবানির বর্জ্য বিকেল পাঁচটার মধ্যেই পরিষ্কার করা হবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী।
বুধবার (২৯ মে) বিকালে চসিক কার্যালয়ে পরিচ্ছন্নতা বিভাগের সঙ্গে প্রস্তুতি সভায় এ লক্ষ্য নির্ধারণ করেন মেয়র।
মেয়র বলেন, আমরা বিকেল পাঁচটার মধ্যে নগরী থেকে কোরবানির বর্জ্যমুক্ত করার লক্ষ্যে আমাদের প্রায় চার হাজার কর্মী কাজ করবে। নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডকে সাতটি জোনে ভাগ করে মোট ৩২২টি গাড়ি বর্জ্য অপসারণে কাজ করবে। সাতটি জোনে সাতটি পানির ভাউজার থাকবে রক্ত পরিষ্কার করার জন্য। কোনো কর্মী অসুস্থ হলে জরুরি চিকিৎসা দেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্সসহ মেডিকেল টিম প্রস্তুত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মীদের ঈদের আগের দিনসহ মোট তিন দিনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। এ ছাড়া নগরীর পার্শ্ববর্তী উপজেলার কোরবানির চামড়া যাতে চট্টগ্রাম নগরীতে না আসতে পারে, সে জন্য ঈদের দিনসহ পরবর্তী দুই দিন নগরীর প্রবেশমুখে চেকপোস্ট স্থাপনসহ ম্যাজিস্ট্রেট ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে একযোগে কাজ করব আমরা।
পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম বেগবান করতে একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হবে, যেখানে অভিযোগ জানালে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কোরবানির পশুর বর্জ্য সংরক্ষণ করে যথাস্থানে রাখার জন্য পলিব্যাগ দেওয়া হবে বলেও জানান মেয়র।
সভায় উপস্থিত ছিলেন চসিকের সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্যানেল মেয়র গিয়াস উদ্দিন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান কাউন্সিলর মো. মোবারক আলী, চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, হাজী নুরুল হক, ছালেহ আহম্মদ চৌধুরী, মো. নুরুল আমিন, আবদুস সালাম মাসুম, জাফরুল হায়দার চৌধুরী, চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা লতিফুল হক কাজমী, মেয়রের একান্ত সচিব আবুল হাশেম, নির্বাহী প্রকৌশলী মীর্জা ফজলুল কাদের, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা মোরশেদুল আলম চৌধুরী, ম্যালেরিয়া ও মশক নিধন কর্মকর্তা শরফুল ইসলাম মাহি, সহকারী প্রকৌশলী রুবেল দাশসহ পরিচ্ছন্নতা ও প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
ইফতেখারুল/ইসরাত চৈতী/অমিয়/