ঢাকা ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
ঈশ্বরগঞ্জে একরাতে ১০ গরু চুরি, আতঙ্কে কৃষক মুক্তির আগেই বিতর্ক থানচিতে ফিরেছে শতাধিক পর্যটক, পথে আরও ১৮ জন ইবি ছাত্রশক্তির কমিটিকে ‘হাইব্রিড পকেট কমিটি’ দাবি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় ৩৮ বিলিয়ন ডলার ধৈর্যই আমাদের জয়ের চাবিকাঠি:  স্পেনের কোচ দে লা ফুয়েন্তে জবি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত ১৩ বিরতি ভেঙে ফিরছেন বুবলি নামাজের শেষ মুহূর্তের এক মহামূল্যবান সুযোগ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সমীক্ষা সম্পন্ন: পানিসম্পদ মন্ত্রী কলকাতার নন্দনে নন্দিত বাংলাদেশের ‘সম্পর্ক’ মহাকালের পটে এক ঋজু পদচ্ছাপ: আবুল কাসেম ফজলুল হক ও বাঙালির মননবিশ্বের বিবর্তন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৫৪ গবেষকের পিএইচডি-এমফিল ডিগ্রি অর্জন এআই অ্যান্ড ডেটা সায়েন্সে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং প্রোগ্রাম চালু করল আইএসইউ মির্জা শরফউদ্দীন বেগ (রহ.)-এর স্মরণে বরিশালে দোয়া মাহফিল মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আক্ষেপ থেকেই যাবে! যাত্রীসেবায় আরও যত্নশীল হোক রেলওয়ে বাজেট প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশা নাকি সংস্কারের হারানো সুযোগ ঢলে ভাসছে চকরিয়া-পেকুয়া, পাহাড়ধসে শিশুর মৃত্যু ‘বিড়ালের অভিশাপে’ বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছে ব্রাজিল রাঙামাটিতে পাহাড়ধস ও ভূমিধসের শঙ্কা, প্রস্তুত ৪৪ আশ্রয়কেন্দ্র মেসি ও সালাহর সামনে রেকর্ডের হাতছানি জয়পুরহাটে ট্রাক-অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৫ ভূমিরূপ পরিবর্তন অধ্যায়ের ১১টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র সদাচারী জ্ঞানসাধক আবুল কাসেম ফজলুল হক কিনব্রিজের পাদদেশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০ বছর উদযাপন চট্টগ্রামে দেয়ালধসে নিহত ১, শিশুসহ আহত তিন টানা বৃষ্টির প্রভাব, চট্টগ্রাম–কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল ব্যাহত বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থার সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১টি সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র অবিরাম বৃষ্টিতে ঝুঁকিতে বান্দরবান, খোলা হলো ২২০ আশ্রয়কেন্দ্র

মিরসরাই সীমান্ত চোরাই চিনি বহনকালে নদীতে কিশোরের মৃত্যু

প্রকাশ: ২৫ জুন ২০২৪, ০৬:৫১ পিএম
চোরাই চিনি বহনকালে নদীতে কিশোরের মৃত্যু
জাহেদুল ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে চিনি চোরাচালান করতে গিয়ে ফেনী নদীতে ডুবে প্রাণ গেল কিশোরের। তার নাম জাহেদুল ইসলাম (১৭)। শ্রবণপ্রতিবন্ধী জাহেদুল মিরসরাইয়ের করেরহাট ইউনিয়নের পূর্ব অলিনগর গ্রামের মো. ফারুক ইসলামের ছেলে। মঙ্গলবার (২৫ জুন) ভোর সাড়ে ৬টায় তার মরদেহ নদীতে ভেসে উঠে। 

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের মিরসরাই উপজেলার করেরহাট ইউনিয়নের ফেনী নদীর আমলীঘাট মেরকুম সীমান্ত এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। 

স্থানীয়রা জানান, রবিবার (২৩ জুন) রাত ১০টার দিকে প্রায় দুই শতাধিক লোক ভারত সীমান্ত থেকে মাথায় বয়ে আনছিল ভারতীয় চোরাই চিনি। সীমান্তের নো ম্যানস্ ল্যান্ড এলাকায় হঠাৎ ভারতীয় বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) এর উপস্থিত হলে একজন বাদে বাকি সবাই পালিয়ে নৌকায় উঠতে সক্ষম হয়। নৌকা থেকে চোরাকারবারিরা বিএসএফ এর দিকে লেবু এবং পাথর নিক্ষেপ করলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে জাহেদুলের মুখে পিস্তলের বাঁট দিয়ে আঘাত করে। আঘাত পেয়ে সে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হয়। পরদিন সোমবার (২৪ জুন) উপজেলার বারইয়ারহাট ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার কর্মী এবং চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিসের তিন সদস্যের ডুবুরী দল টানা ৮ ঘন্টা উদ্ধার অভিযান চালিয়েও নিখোঁজ কিশোরকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়। পরদিন মঙ্গলবার (২৫ জুন) উদ্ধার অভিযান চালানোর কথা থাকলেও ভোর সাড়ে ৬টার নাগাদ পরিবারের লোকজন নিখোঁজ জাহেদুলের মরদেহ নদীতে ভাসতে দেখে স্থানীয় জোরারগঞ্জ থানা পুলিশকে খবর দিলে তারা মরদেহটি উদ্ধার করে। 

জোরারগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্লাহ আল হারুন জানান, কিশোর জাহেদুল এর মরদেহ উদ্ধারের পর সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে। এতে শরীরের কোন অংশে বড় ধরণের কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে দীর্ঘ সময় নদীর পানিতে ডুবে থাকায় মুখের একটি অংশে আঘাতের মত সামান্য কিছু ক্ষত দেখা যাচ্ছে। মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল (চমেক) হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়না তদন্ত রিপোর্ট হাতে আসা পর্যন্ত এ বিষয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না।

এদিকে নিহত জাহেদুল ইসলামের চাচা নজরুল ইসলাম দাবি করেন, ‘এলাকার কিছু চিনি চোরাকারবারী টাকার প্রলোভন দেখিয়ে আমার ভাতিজা জাহেদুলসহ আরও অনেক কিশোরকে চিনির বস্তা বহনে ব্যবহার করতো। ওই রাতেও করেরহাট ইউনিয়নের বদ্ধভবানী এলাকার মফিজুল তাকে সীমান্তের ওপারে (ভারত) নিয়ে যায়। পরে বিএসএফ আসলে সবাই পালিয়ে গেলেও আমার ভাতিজা ফিরতে পারেনি।’

এ বিষয়ে চিনি চোরাকারবারী সিন্ডিকেটের সদস্য মফিজুলের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে মফিজুল বলেন, ‘ওই রাতে আমার কোন কাজ ছিলো না। করেরহাট ইউনিয়নের পশ্চিম অলিনগর গ্রামের জামাল মাঝি ও তার ভাই রাইফুল জাহেদুলকে এ কাজে নিয়ে যায়।’ চিনি চোরাকারবারীর সঙ্গে যুক্ত কিনা জানতে চাইলে মফিজুল বলেন, ‘আগে এগুলো করতাম, এখন আর করি না।’

পরবর্তীতে মফিজুলের কাছ থেকে পাওয়া জামাল মাঝি ও তার ভাই রাইফুলের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলতে চাইলে রাইফুলের ফোনে কথা বলা সম্ভব হয়নি। তবে জামাল মাঝি বলেন, ‘আমি হলাম মাঝি, আমার কাজ হলো লোকজন সংগ্রহ করে দেয়া। আমি মফিজুলকে লোকবল সংগ্রহ করে দেই।’ এসময় জামাল মাঝির কাছে চিনিচোরা কারবারীদের তথ্য জানতে চাইলে তিনি এ প্রতিবেদককে বলেন, ‘এখানে বড় কোন মাথা নেই। এলাকার প্রায় ৩০ জনের মতো লোক ভারত থেকে সীমান্ত পার করে চিনি নিয়ে আসেন।’

এদিকে একাধিক বাসিন্দা নিজেদের নাম পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘করেরহাট ইউনিয়নের আমলীঘাট মেরকুম সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন হাজারো বস্তা চিনি চোরাই পথে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। আবার চিনির বস্তার ভেতর অনেক সময় ভারতীয় মদ এবং ফেনসিডিলও আনা হয়। এ কাজে এলাকার উঠতি বয়সি ছেলেদের প্রতি বস্তায় ২’শ টাকা হারে দেয়া হয়। এতে প্রতিজন প্রতিদিন প্রায় ১৫’শ টাকারও বেশি রোজগার করে।’ 

এ ঘটনায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর অলিনগর বিওপি কমান্ডের নায়েব সুবেদার খোরশেদ আলমের সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, ‘আমরা নিখোঁজের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসি। সোমবার সকালে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন আসার পর জানলাম একটি ছেলে নদীতে নিখোঁজ হয়েছে।’

থানচিতে ফিরেছে শতাধিক পর্যটক, পথে আরও ১৮ জন

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৭:৪১ পিএম
থানচিতে ফিরেছে শতাধিক পর্যটক, পথে আরও ১৮ জন
ছবি: সংগৃহীত

বান্দরবানের থানচি উপজেলার নাফাখুম ও অমিয়াখুম এলাকায় টানা বৃষ্টির কারণে আটকে পড়া পর্যটকদের মধ্যে শতাধিক পর্যটক নিরাপদে থানচি সদরে ফিরেছেন।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেলে অমিয়াখুমে আটকে থাকা আরও ১৮ জন থানচির উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। তাদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনতে গাইডদের একটি দল পদ্মমুখ এলাকায় অবস্থান করেছে।

প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত তিন দিনের টানা বৃষ্টিতে সাঙ্গু নদীসহ পাহাড়ি ছড়া ও ঝরনার পানি হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় বিভিন্ন পর্যটন এলাকায় শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েন। তবে মঙ্গলবার থেকে সাঙ্গু ও মাতামুহুরি নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। লামা–আলীকদম সড়ক থেকেও পানি নেমে যাওয়ায় যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ-আল-ফয়সাল বলেন, রেমাক্রী এলাকায় আটকে পড়া ৭০ জন পর্যটককে লাইফ জ্যাকেটের সহায়তায় নিরাপদে থানচি সদরে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। অমিয়াখুম থেকে ফিরতে থাকা ১৮ জনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গাইডদের একটি দল পদ্মমুখ এলাকায় অবস্থান করছে।

তিন্দু ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মংপ্রু অং মারমা জানান, সোমবার সন্ধ্যায় তার শিলাগিরি রিসোর্টে আশ্রয় নেওয়া ৭০ জন পর্যটকের জন্য বিনা মূল্যে থাকার ব্যবস্থা এবং স্বল্পমূল্যে খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। তারা মঙ্গলবার নিরাপদে থানচি সদরে ফিরে গেছেন।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে জেলা প্রশাসন সোমবার রাত থেকে আগামী শুক্রবার পর্যন্ত জেলার সব পর্যটনকেন্দ্রে ভ্রমণ সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করেছে। এতে হোটেল ও রিসোর্ট ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন।

বান্দরবান হোটেল রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন বলেন, ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার কারণে অনেক পর্যটক অগ্রিম বুকিং বাতিল করছেন, ফলে ব্যবসায়ীরা ক্ষতির মুখে পড়ছেন।

বান্দরবান আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সনাতন কুমার মণ্ডল জানান, সোমবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১৬৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে, যা অতিভারী বৃষ্টিপাতের মধ্যে পড়ে।

জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস বলেন, সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলার ২২০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জেলা সদরসহ রুমা, থানচি ও রোয়াংছড়ির সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ সচল রাখতে ফায়ার সার্ভিস ও সেনাবাহিনী কাজ করছে। এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

রিজভী রাহাত/এসএন

মির্জা শরফউদ্দীন বেগ (রহ.)-এর স্মরণে বরিশালে দোয়া মাহফিল

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩২ পিএম
মির্জা শরফউদ্দীন বেগ (রহ.)-এর স্মরণে বরিশালে দোয়া মাহফিল
ছবি: সংগৃহীত

বরিশালের সর্বজন শ্রদ্ধেয় আলেম আলহাজ মির্জা শরফউদ্দীন বেগ (রহ.)-এর রূহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আলোচনা ও দোয়া পরিচালনা করেন আমীরে হিযবুল্লাহ, আমীরে শরীয়ত ও তরীকত ছারছীনা দরবার শরীফের পীর ছাহেব আলহাজ হজরত মওলানা মুফতী শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন (মা.জি.আ.)।

প্রধান অতিথি মাহফিলে উপস্থিত মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে তিনি ইসলামী জীবনব্যবস্থা, তাকওয়া, নৈতিকতা, মানবকল্যাণ এবং দ্বীনের খেদমতে আত্মনিয়োগের গুরুত্ব তুলে ধরে বক্তব্য প্রদান করেন।

সোমবার (৬ জুলাই)  বরিশাল সদর উপজেলার স্টিমার ঘাট জামে মসজিদে বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহ্, যুব হিযবুল্লাহ ও ছাত্র হিযবুল্লাহ, বরিশাল মহানগরের উদ্যোগে আয়োজিত ঈছালে ছাওয়াব মাহফিলে হজরত পীর ছাহেব কেবলা একথা বলেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও আলোচনা করেন- বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর নায়েবে আমীর ও বরিশাল চকবাজারস্থ ঐতিহ্যবাহী জামে এবাদুল্লাহ মসজিদের খতিব আলহাজ মওলানা মির্জা নূরুর রহমান বেগ ও পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের মেজ ছেলে মির্জা মাসুদ বেগ প্রমূখ।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে আলেম-ওলামা, সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহ্, যুব হিযবুল্লাহ ও ছাত্র হিযবুল্লাহ, বরিশাল মহানগর ও জেলার নেতৃবৃন্দ, কর্মী-সমর্থক এবং বিপুলসংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন। পরিশেষে হজরত পীর ছাহেব কেবলা মরহুম আলহাজ মির্জা শরফউদ্দীন বেগ (রহ.)-এর রূহের মাগফিরাত কামনাসহ দেশ, জাতি, মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন।

এসএন/

ঢলে ভাসছে চকরিয়া-পেকুয়া, পাহাড়ধসে শিশুর মৃত্যু

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৬:০৫ পিএম
ঢলে ভাসছে চকরিয়া-পেকুয়া, পাহাড়ধসে শিশুর মৃত্যু
ছবি: খবরের কাগজ
টানা কয়েকদিনের প্রবল বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে কক্সবাজারের চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলার বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। বান্দরবানের লামা ও আলীকদমে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে মাতামুহুরী নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে দুই উপজেলার অন্তত লাখো মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।
 
ভয়াবহ এই বন্যা পরিস্থিতির মধ্যেই পেকুয়ার টৈটংয়ে পাহাড় ধসে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এদিকে চকরিয়ায় সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলীর কার্যালয়টি সম্পূর্ণ পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির তোড়ে ভবনের একটি সীমানা প্রাচীর ধসে পড়েছে এবং স্থবির হয়ে পড়েছে দাপ্তরিক সব কার্যক্রম।
 
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টানা বৃষ্টির কারণে পেকুয়ার টৈটং পাহাড়ি এলাকার মাটি প্রচণ্ড নরম হয়ে পড়েছিল।
 
মঙ্গলবার (৭ জুলাই)  হঠাৎ একটি পাহাড়ের বিশাল অংশ ধসে নিচে পড়লে মাটির নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনার পর থেকে স্থানীয় পাহাড়ি এলাকার বাসিন্দাদের মাঝে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
 
অন্যদিকে, পেকুয়ার শিলখালী ইউনিয়নের জারুলবুনিয়া এলাকায় পাহাড় ধসে স্থানীয় ব্যবসায়ী ছৈয়দ হোসেনের একটি ছাগলের খামার সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে। পাহাড়ের মাটির চাপায় খামারে থাকা ২৫টি ছাগলের মধ্যে দুটি ঘটনাস্থলেই মারা যায়।
 
বন্যা ও পাহাড়ি ঢলের তীব্রতায় পেকুয়ার টৈটং এলাকায় প্রধান লাইনের বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়ার পর থেকে পুরো উপজেলা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। দীর্ঘদিন বিদ্যুৎ না থাকায় স্থানীয়দের মোবাইল ফোন বন্ধ হয়ে গেছে। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন এই দুর্যোগের সুযোগ নিয়ে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী জেনারেটরের মাধ্যমে মোবাইল চার্জের বাণিজ্য শুরু করেছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের বিভিন্ন বাজারে জেনারেটর চালু করে অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল সেট প্রতি ১০ টাকা এবং বাটন মোবাইল ৫ টাকা করে চার্জের ফি আদায় করা হচ্ছে। নিরুপায় হয়ে বন্যার্ত মানুষ টাকা দিয়েই মোবাইল সচল রাখার চেষ্টা করছেন।
 
দেখা গেছে, চকরিয়া পৌর শহরের চিরিঙ্গা এলাকায় অবস্থিত সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের কার্যালয় ও আশপাশের চত্বর এখন থৈ থৈ পানিতে ভাসছে। কার্যালয়ের ভেতরে এখন হাঁটু সমান পানি।
 
ঢলের পানির তোড়ে চকরিয়ার সুরাজপুর-কাকারা, মানিকপুর, বরইতলী, ভেওলা, কৈয়ারবিল, খিলছাদেক ও গোবিন্দপুর এবং পেকুয়ার মগনামা, রাজাখালী ও পেকুয়া সদর ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল নতুন করে প্লাবিত হচ্ছে। গ্রামীণ সড়কগুলো তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। হঠাৎ করে পানি ঢুকে পড়ায় বন্যাকবলিত এলাকার মানুষ ঘরের আসবাবপত্র ও গবাদিপশু নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন। অনেক এলাকায় আমন ধানের বীজতলা ও শাকসবজির খেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে এবং চিংড়ি ঘের ভেসে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন চাষিরা।
 
পাহাড়ি ঢলের পানি গ্রামীণ সড়ক ও ফসলি জমিতে উঠে আসায় বিভিন্ন স্থানে চাষের মাছ ভেসে গেছে। প্লাবিত ফসলি জমি ও বিলে স্থানীয় অনেক মানুষকে জাল এবং বিভিন্ন দেশীয় সরঞ্জাম নিয়ে মাছ ধরতে দেখা গেছে।
 
স্থানীয়দের অভিযোগ, বর্ষা মৌসুমের সুযোগ নিয়ে কিছু অসাধু ব্যক্তি পাহাড় কেটে সমতল করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। কোদাল দিয়ে পাহাড়ের মাটি কেটে ভবিষ্যতে সেখানে পাকা ভবন নির্মাণের প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা। শুষ্ক মৌসুমে পাহাড় কাটলে প্রশাসনের নজরদারি ও আইনি ব্যবস্থার মুখে পড়ার আশঙ্কা থাকায়, অনেকেই ভারী বৃষ্টিকে সুযোগ হিসেবে কাজে লাগাচ্ছেন। বৃষ্টির কারণে পাহাড়ের মাটি নরম থাকায় কাটাও তুলনামূলক সহজ হয়। তবে এ ধরনের কর্মকাণ্ড পাহাড়ধসের ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে বলে সচেতন মহল মনে করছেন।
 
টানা ভারী বর্ষণের ফলে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার মধ্যেই চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খোলা রাখায় চরম ঝুঁকি ও ভোগান্তির মুখে পড়েছে হাজারো শিক্ষার্থী। সকালে শিক্ষার্থীরা ছাতা মাথায় দিয়ে কিংবা হাঁটু সমান পানি মাড়িয়ে ঝুঁকি নিয়ে স্কুল-কলেজে যেতে দেখা যায়।
 
পাহাড় ধসের আশঙ্কায় পাহাড়ি এলাকায় বসবাসরতদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে স্থানীয় প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবকরা জোর প্রচারণা চালাচ্ছে। সিপিপি (ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি) ইউনিটের লিডার মনিরুল ইসলাম জানান, ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে যারা আছেন, তাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে।
 
পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রফিকুল ইসলাম বলেন, আমি সব সময় খোঁজখবর রাখছি কোথাও কোনো বেড়িবাঁধ ভাঙছে কি না বা পাহাড় ধসে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কত। সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের সঙ্গে আমার সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রয়েছে এবং পাহাড়ি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের সতর্ক করতে নিয়মিত মাইকিং করা হচ্ছে।
 
রকিবুল হাসান/এসএন

রাঙামাটিতে পাহাড়ধস ও ভূমিধসের শঙ্কা, প্রস্তুত ৪৪ আশ্রয়কেন্দ্র

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪৮ পিএম
রাঙামাটিতে পাহাড়ধস ও ভূমিধসের শঙ্কা, প্রস্তুত ৪৪ আশ্রয়কেন্দ্র
ছবি: খবরের কাগজ

অতিবর্ষণে রাঙামাটিতে পাহাড়ধস ও ভূমিধসের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে জেলা শহরসহ ১০ উপজেলায় পাহাড়ধসের সতর্কতা জানিয়ে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে প্রচার চালাচ্ছে স্থানীয় প্রশাসন। জেলায় ৪৪টি অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এরমধ্যেই শহরের লোকনাথ মন্দির আশ্রয়কেন্দ্রে আসতে শুরু করেছেন ঝুঁকিপূর্ণ বাসিন্দারা। পরিস্থিতি সামাল দিতে কুইক রেসপন্স টিম ও পর্যাপ্ত ত্রাণসামগ্রী মজুদ রাখার কথা জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী। 

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সকাল আটটার দিকে জেলার বাঘাইছড়ি লাইল্যাঘোনা এলাকায় গড়িয়ে পড়া গাছের গুড়ির আঘাতে লক্ষিবিলাশ চাকমা (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা মারজান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এদিকে রাঙামাটির কাপ্তাই-চট্টগ্রাম সড়কের বালুচরা এলাকায় সকালে পাহাড়ধস ও গাছ উপড়ে পড়ে যানবাহন ও মানুষ চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে পড়ে। পরে মাটি ও গাছ অপসারণ করে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে। 

শনিবার (৪ জুলাই) বিকেল থেকে জেলায় বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। থেমে থেমে চলছে মাঝারি ও ভারী বর্ষণ। তবে সোমবার সকাল থেকে রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নিতে মাইকিং করা হচ্ছে। আজও করা হয়েছে মাইকিং। ভারী বৃষ্টিপাত দেখা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পাহাড়ের পাদদেশে যারা বসবাস করছেন, তাদের স্থানীয় আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে যেতে বলা হয়েছে। 

এরমধ্যে মঙ্গলবার বিকেল চারটা পর্যন্ত শহরের লোকনাথ মন্দির আশ্রয়কেন্দ্রে ২১টি পরিবারের শিশুসহ ৭০ জন আশ্রয় নিয়েছেন। প্রশাসন থেকে তাদের খাবারের ব্যবস্হা করা হয়েছে।

আশ্রয় নেয়া নুরজাহান বেগম( ৫০) বলেন, 'আমরা পাহাড়ের নীচে থাকি। টাকা পয়সা নাই। না হলে সমতলে থাকতাম। বৃষ্টিবাদল আসলেই আমরা এখানে আশ্রয় নেই'।

গৃহিনী রহিমা বেগম( ৫০) বলেন, ঘরের মধ্যে মাটি এসে পড়ছে। এজন্য আশ্রয়কেন্দ্রে এসেছি। বৃষ্টি হলেই এখানে আসা লাগে। কী করব, গরীব মানুষ। সরকার স্থান (অন্য জমি) না দিলে কোথায় যাবো?

এরআগে দুপুর দুইটার দিকে শহরের লোকনাথ মন্দির এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ও আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করেন রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নসজমা আশরাফী। এসময় ভারী বৃষ্টিপাতে পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ বাসিন্দাদের স্থানীয় আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে যাওয়ার নির্দেশনা দেন জেলা প্রশাসক। 

জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী সাংবাদিকদের বলেন, ‘এই মুহূর্তে মানুষের জীবন বাঁচানোকে আমরা প্রাধান্য দিচ্ছি। মানুষকে সচেতন করছি। যাতে পাহাড় ধস কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগে কোন জীবনহানি না হয়। উদ্ধার ও নিরাপত্তার জন্য আমাদের পর্যাপ্ত ত্রাণ মজুদ ও রেসপন্স টিম আছে। এছাড়া জেলা ও উপজেলা প্রশাসন থেকে সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে'। 

জেলা আবহাওয়া অফিসের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষক ক্যাচিংনু মারমা জানান, জেলায় ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ধসের আশঙ্কা রয়েছে। এ জন্য সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ৬ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ৭ জুলাই সকাল ৬ পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৪৯.৩০ মিলিমিটার ও সকাল ৬টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত ১৯০.৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এটি আরও বাড়তে পারে।

রাঙামাটি পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের ২৯টি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করা হয়েছে এবং ১১টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এসব এলাকায় ৫ হাজার পরিবারে অন্তত ২০ হাজার মানুষ রয়েছেন। এদের মধ্যে শহরের লোকনাথ মন্দির, বেতার এলাকার নতুনপাড়া, শিমুলতলী, টিভি স্টেশন এলাকার রূপনগর, যুব উন্নয়ন এলাকা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। তবে রাঙামাটি জেলায় কী পরিমাণ মানুষ পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিতে বাস করছেন তার পরিসংখ্যান নেই জেলা প্রশাসনের কাছে। জেলায় লক্ষাধিক মানুষ পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাস করছে বলে জানা গেছে। 

জিয়াউর রহমান জুয়েল/এসএন

জয়পুরহাটে ট্রাক-অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৫

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩৫ পিএম
জয়পুরহাটে ট্রাক-অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৫
দুর্ঘটনাকবলিত অটোরিকশা। ছবি: খবরের কাগজ

জয়পুরহাট সদর উপজেলার বনখুর এলাকায় ট্রাক ও যাত্রীবাহী অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীসহ ২ জন নিহত হয়েছেন এবং গুরুতর আহত হয়েছেন আরও ৫ জন।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেলে জয়পুরহাট-পাঁচবিবি আঞ্চলিক মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, অটোচালক পাঁচবিবি উপজেলার কাদেরপাড়া গ্রামের এনামুল হকের ছেলে তৌহিদ হোসেন। তবে নিহত নারীর পরিচয় পাওয়া যায়নি, তার বাড়ি বীরনগর বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার বিকেলের দিকে বীরনগর এলাকা থেকে একটি অটোরিকশা জয়পুরহাট শহরের দিকে আসছিল। পথে সদর উপজেলার বনখুর এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাক অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশার চালকসহ এক নারী যাত্রী ঘটনাস্থলেই নিহত হন এবং আহত হন আরও ৫ জন। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতের জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।

জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সিনিয়র স্টাফ নার্স আব্দুল্লাহ রানা জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ জনকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এর মধ্যে এক নারী ও এক পুরুষকে আমরা মৃত অবস্থায় পাই। অন্য ৫ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের অবস্থা কিছুটা আশঙ্কাজনক।

জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছে এবং আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করে দিয়েছে। ঘটনার পর চালক ও ট্রাকটিকে আটক করা হয়েছে।

সাগর/নাঈম