ঢাকা ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
ইউএনও পরিচয়ে ফোন করে চাওয়া হচ্ছে বন্যার্তদের তালিকা, সতর্ক থাকার আহ্বান বাংলাদেশ হবে বিশ্বমঞ্চে ‘ডিস্যাবিলিটি ইনক্লুসিভ সোসাইটি’র অনন্য রোল মডেল: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী অতিবৃষ্টি ও বন্যা কেন আসে? ‘আসুন চেষ্টা করি যেখানে-সেখানে আবর্জনা না ফেলতে’ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত নিম্নাঞ্চল, বন্যার শঙ্কা বর্তমান পারফরমেন্স কে এগিয়ে ফ্রান্স না স্পেন? শাহরাস্তি উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর মরদেহ উদ্ধার মৌলভীবাজারে পানি নামলেও কমেনি দুর্ভোগ মারিয়ানো রাখয়ের বর্ণবাদী মন্তব্যে যা বললেন স্পেন ডিফেন্ডার সিলেটের নতুন জেলা প্রশাসকের যোগদান প্রাথমিক বৃত্তিতে আবারও সেরা আখাউড়ার মোগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মেক্সিকোতে ট্রাকের ধাক্কায় দুই শিশুসহ নিহত ১০ শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নতুন প্রস্তাব দিলো ইইউ হবিগঞ্জে নেমেছে বন্যার পানি, কৃষি ও মৎস্য চাষে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি আগামী এক বছরে ৪১ লাখ পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে: প্রধানমন্ত্রী ভারতে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে বর্জ্যের স্তূপ ধস, ৯ শ্রমিক নিহত ‘জুরাসিক পার্ক’ খ্যাত অভিনেতা স্যাম নিল আর নেই ৩৬ বছরের রেকর্ড ভাঙলো ২০২৬ বিশ্বকাপ অধরা স্বপ্ন পূরণের মিশনে কেইন রাজশাহী চিড়িয়াখানাকে সাফারি পার্ক করা হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থার সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১টি সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র চাঁপাইনবাবগঞ্জে শ্রমিক ইউনিয়নের মৃত সদস্যদের সন্তানদের বিয়েতে সহায়তা তাপমাত্রা নীতিমালা নিয়ে আলোচনায় ফিফা ও ফিফপ্রো গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ, পদ ১১ বন্যা পরিস্থিতিতে যেসব প্রস্তুতি নিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ধামরাইয়ে ঝুঁকিপূর্ণ বেইলি সেতু, আশঙ্কায় স্থানীয়রা দাউদকান্দিতে বন্যায় বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে ২ লাখ ৩৫ হাজার মার্কিন ডলার অনুদান পেল সরকার শাহ আমানত বিমানবন্দরে সাড়ে ৩ কোটি টাকার স্বর্ণের চালান আটক বন্যায় মজুত পর্যাপ্ত হলেও দুর্গম এলাকায় পৌঁছানোই চ্যালেঞ্জ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

কচুয়ায় সেতুর রেলিং ভেঙে খাদে বাস

প্রকাশ: ১৮ মার্চ ২০২৬, ০২:৫৩ পিএম
কচুয়ায় সেতুর রেলিং ভেঙে খাদে বাস
ছবি: খবরের কাগজ

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার সাজিরপাড় এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেতুর রেলিং ভেঙে খাদে পড়ে গেছে আল-আরাফাহ্ নামে একটি বাস। এতে বাসটিতে আগুন ধরে পুড়ে যায়। তবে যাত্রী না থাকায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

বুধবার (১৮ মার্চ) ভোরে কচুয়া-সাচার-গৌরীপুর সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, সেহেরির সময় হঠাৎ বিকট শব্দ শুনে বাইরে বের হয়ে আগুন দেখতে পান তারা। স্থানীয়রা দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন এবং ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশকে খবর দেন।

দুর্ঘটনার পরপরই বাসের চালক ও হেলপার ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

স্থানীয় বাসিন্দা সজীব হোসেন বলেন, বাসটি যাত্রীবিহীন অবস্থায় ভোরে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল। ঈদ সামনে রেখে যাত্রী আনার প্রস্তুতির সময়ই এই দুর্ঘটনা ঘটে।

কচুয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, বাসটি প্রায় ৮০ শতাংশ পুড়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, খাদে পড়ে যাওয়ার পর তেলের ট্যাংক বিস্ফোরিত হয়ে এই আগুনের সূত্রপাত।

তিনি আরও বলেন, চালকের বেপরোয়া গতি কিংবা ঘুমের কারণেই দুর্ঘটনাটি ঘটতে পারে। তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা বলা যাবে।

ফয়েজ/অমিয়/

ইউএনও পরিচয়ে ফোন করে চাওয়া হচ্ছে বন্যার্তদের তালিকা, সতর্ক থাকার আহ্বান

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৮ পিএম
ইউএনও পরিচয়ে ফোন করে চাওয়া হচ্ছে বন্যার্তদের তালিকা, সতর্ক থাকার আহ্বান
ছবি: প্রতীকি

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ফোন করার অভিযোগ উঠেছে। ফোন করে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের নাম ও মোবাইল নম্বরসহ তালিকা চাওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মেসেজ পাঠিয়ে এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।

মেসেজে বলা হয়, একটি নম্বর থেকে ইউএনও পরিচয়ে ফোন করে বন্যাদুর্গতদের তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে এই নম্বরের সঙ্গে উপজেলা প্রশাসনের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। কেউ যেন ওই নম্বরে কোনো ব্যক্তিগত তথ্য বা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রদান না করে, সে সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক থাকতে এবং বিষয়টি অন্যদেরও জানাতে অনুরোধ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে আনোয়ারার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মহিন উদ্দীন খবরের কাগজকে বলেন, প্রতারক এখনও টাকা পয়সা চায়নি, তবে তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছে। আমি বিষয়টি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) জানিয়েছি। তারা এই ব্যক্তিকে শনাক্তের চেষ্টা করছে এবং সাধারণ ডায়রি (জিডি) করার প্রক্রিয়া চলছে। নম্বরের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে শনাক্ত করা গেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতোমধ্যে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুনায়েত চৌধুরী খবরের কাগজকে বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পাইনি। ইউএনও মহোদয় বিষয়টি জানিয়েছেন। এ চক্রকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে এবং সবাইকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। এ ধরনের কোনো অপরাধ ঘটলে আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিব।’

উপজেলা প্রশাসন জানায়, সরকারি পরিচয় ব্যবহার করে কেউ তথ্য চাইলে, তা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মাধ্যমে যাচাই করে নেওয়া উচিত। সন্দেহজনক কোনো ফোনকল পেলে দ্রুত উপজেলা প্রশাসন বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীবাহিনীকে অবহিত করার আহ্বান জানিয়েছে প্রশাসন।

আতিকুল হা-মীম/থিওটোনিয়াস/

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত নিম্নাঞ্চল, বন্যার শঙ্কা

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫৫ পিএম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত নিম্নাঞ্চল, বন্যার শঙ্কা
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার প্লাবিত নিম্নাঞ্চলের বর্তমান অবস্থা। ছবি: খবরের কগজ

টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের পানিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে বন্যার পরিস্থিতির সৃষ্টির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এছাড়া আখাউড়া স্থলবন্দর সংলগ্ন কালন্দি খালে পানি বেড়ে বন্দরের কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকেছে। তবে স্বাভাবিক রয়েছে স্থলবন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির সঙ্গে সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল থেকে ভারতের ত্রিপুরা থেকে পাহাড়ি ঢলের পানি আসার কারণে আখাউড়া স্থলবন্দর সংলগ্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে থাকে। কয়েকটি ঘর-বাড়িতেও পানি প্রবেশ করেছে। এছাড়া বন্দরের কালন্দি খালের পানি বাড়ার ফলে কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকেছে। তবে পানি এখনও বন্দরের মূল সড়কে না উঠায় যাত্রী পারাপার ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।

তবে ঢলের পানি প্রবেশ অব্যাহত থাকলে স্থলবন্দর সংলগ্ন কয়েকটি গ্রামে বন্যা হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া জানান, এখনও পর্যন্ত বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। নদ-নদীর পানিও বিপৎসীমার নিচে রয়েছে ৷ তবে আগাম প্রস্তুতি হিসেবে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

আজিজুল সঞ্চয়/আজহার/

মৌলভীবাজারে পানি নামলেও কমেনি দুর্ভোগ

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৩ পিএম
আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৬ পিএম
মৌলভীবাজারে পানি নামলেও কমেনি দুর্ভোগ
মৌলভীবাজারে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যার পানি নামলেও দুর্ভোগ কমেনি বন্যাকবলিত মানুষজনের / ছবি - মনু নদের চাঁদনীঘাট পয়েন্টের।

মৌলভীবাজারে টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যার পানি ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। তবে পানি যত নামছে, ততই দৃশ্যমান হচ্ছে বন্যার ক্ষত। বন্যায় ঘরবাড়ি ও ঢলের পানিতে ফসলি জমি, বীজতলা ও সবজি খেত ভেসে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গ্রামীণ সড়ক। ডুবে গেছে নলকূপ ও পুকুর। অনেক এলাকায় এখনও বিশুদ্ধ পানিসহ খাবারের সংকটে দুর্ভোগে রয়েছেন বন্যাকবলিত মানুষ।

সোমবার (১৩ জুলাই) জেলার রাজনগর, কমলগঞ্জ ও সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, কোথাও কোথাও পানি কমলেও অসংখ্য বাড়িঘর, আঙিনা ও সড়কে এখনও কাদা এবং পানি জমে আছে। কিছু কিছু পরিবার ঘরে ফিরতে শুরু করলেও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা এখনও পুরোপুরি ফিরেনি।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বন্যার সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে কৃষি খাতে। অনেক কৃষকের আমনের বীজতলা, আউশ ধান ও সবজি খেত পানিতে তলিয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা। নলকূপ ও পুকুর ডুবে যাওয়ায় অনেক এলাকায় বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। নিরাপদ পানির অভাবে পানিবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও করছেন তারা।

স্থানীয় কৃষকদের ভাষ্য অনুযায়ী, রাজনগর, কমলগঞ্জের বিস্তীর্ণ কৃষিজমি এখনও পানির নিচে রয়েছে। অনেকেই ঋণ নিয়ে চাষাবাদ করেছিলেন। ফলে ফসল হারিয়ে তারা এখন ঋণ পরিশোধ নিয়েও চরম অনিশ্চয়তায় রয়েছেন। 

স্থানীয় কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বন্যায় কবলিত এলাকায় ২৪৮ হেক্টর আউশ ধান, ৮৬.৫০ হেক্টর রোপা আমনের বীজতলা ও ৬৪.৫০ হেক্টর সবজি খেত পানিতে সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়ে গেছে।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বন্যাদুর্গতদের জন্য ইতোমধ্যে এক হাজার ৭৫০ প্যাকেট শুকনো খাবার, ৯০ মেট্রিক টন চাল এবং ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় রান্না করা খাবারও বিতরণ করা হচ্ছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. জালাল উদ্দিন বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। পানি পুরোপুরি নেমে গেলে সরেজমিনে গিয়ে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব করে প্রতিবেদন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।

জেলা সিভিল সার্জন মো. মামুনুর রহমান জানান, বন্যাকবলিত এলাকায় মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে এবং পর্যাপ্ত ওষুধ মজুদ রাখা হয়েছে, যাতে পানিবাহিত রোগে আক্রান্তরা দ্রুত চিকিৎসা পান।

মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল বলেন, বন্যার্তদের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় আরও বরাদ্দ দেওয়া হবে।

পুলক পুরকায়স্থ/তামান্না রুপা/

সিলেটের নতুন জেলা প্রশাসকের যোগদান

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:১০ পিএম
আপডেট: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৭ পিএম
সিলেটের নতুন জেলা প্রশাসকের যোগদান
সিলেটের নতুন জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন।

সিলেটের নতুন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যোগদান করেছেন আব্দুল্লাহ আল মামুন।

সোমবার (১৩ জুলাই) তিনি তার দায়িত্ব বুঝে নেন এবং সকাল ৯টা থেকে অফিস করেন বলে বিষয়টি খবরের কাগজকে নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) পিংকি সাহা।  

জানা যায়, আব্দুল্লাহ আল মামুনের বাড়ি সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলায়। তিনি দেওয়া গ্রামের গোলাম মাওলা চৌধুরীর সন্তান। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ৯ জুলাই তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগের উপসচিব আব্দুল্লাহ আল মামুনকে সিলেটের ডিসি করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।

এর আগে, ২৮ জুন কুমিল্লার ডিসি মু. রেজা হাসানকে সিলেটের ডিসি নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। সিলেটে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ঢাকা বিমানবন্দরে পৌঁছালেও শেষ মুহূর্তে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ফিরে যেতে হয় তাকে।

তারও আগে ২১ জুন সিলেটের ডিসি মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে সংযুক্ত করা হয়। সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহারের পর থেকে সিলেটের জেলা প্রশাসকের দায়িত্বে ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পিংকি সাহা। তিনি ১২ জুলাই পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করেছেন।

শাকিলা ববি/থিওটোনিয়াস/

প্রাথমিক বৃত্তিতে আবারও সেরা আখাউড়ার মোগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৬ পিএম
প্রাথমিক বৃত্তিতে আবারও সেরা আখাউড়ার মোগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
আখাউড়া উপজেলার মোগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা। ছবি: খবরের কাগজ
ধারাবাহিক সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার মোগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আবারও প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় সেরা হয়েছে।
 
২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফলে বিদ্যালয়টির ২৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৭ জন বৃত্তি পেয়েছে। এ ফলাফলের ভিত্তিতে 
বিদ্যালয়টি উপজেলায় প্রথম স্থান অর্জন করেছে।
 
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ বছর বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ২৪ শিক্ষার্থীর মধ্যে পাঁচজন ট্যালেন্টপুল এবং ১২ জন সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে।
ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলো-ফাহমিদা জান্নাত নওরিন, আফনান রহমান নিহা, রাকাত মনি, মো. রাইয়ান ইসলাম ও আসোয়াত ইসলাম তাফসির।
 
সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়েছে জাকিয়া সুলতানা, রাইসা নূর, মারিয়াম নূর ইন্তু, শতাব্দী পাল, রিতু আক্তার, সামিরা আক্তার, সোনিয়া আক্তার, নাদিয়া আক্তার লিমু, অর্পিতা ঘোষ বৃষ্টি, মো. তাসকিন আহমেদ, ওমর ফারুক পরশ ও জারিফ ইসলাম।
 
এর আগে সর্বশেষ অনুষ্ঠিত ২০২২ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায়ও বিদ্যালয়টি উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করে। সে সময় ২৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে নয়জন ট্যালেন্টপুল ও ১০ জন সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়ে মোট ১৯ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি লাভ করে। ওই ফলাফলের ভিত্তিতে বিদ্যালয়টি উপজেলা ও জেলা-উভয় পর্যায়েই প্রথম স্থান অর্জন করেছিল।
 
এ ছাড়া করোনা মহামারির আগে ২০১৯ সালের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় বিদ্যালয়ের ২০ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করে। একই বছরে চারজন ট্যালেন্টপুল ও ছয়জন সাধারণ গ্রেডে বৃত্তি পেয়ে মোট ১০ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পায়। তখনও বিদ্যালয়টি উপজেলায় প্রথম স্থান অধিকার করে।
 
করোনা মহামারির কারণে ২০২০ ও ২০২১ সালে এবং পরবর্তী সময়ে ২০২৩ ও ২০২৪ সালেও প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও আয়োজিত পরীক্ষায় আগের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে মোগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় উপজেলায় শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখল।
 
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ শাহজালাল বলেন, একটি বিদ্যালয়ের ভালো ফলাফলের মূল কৃতিত্ব শিক্ষার্থী ও তাদের সচেতন অভিভাবকদের। শিক্ষার্থীদের কঠোর পরিশ্রম, অধ্যবসায় এবং অভিভাবকদের সহযোগিতার কারণেই এ সাফল্য এসেছে। শিক্ষক হিসেবে আমরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করেছি। প্রতিদিনের পাঠদানের পাশাপাশি বিশেষ ক্লাস, সাপ্তাহিক ও মাসিক পরীক্ষা, বাড়িতে পড়াশোনার নিয়মিত তদারকি এবং মাসে অন্তত একটি অভিভাবক সমাবেশের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি মূল্যায়ন করেছি। প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য আলাদা পড়ার রুটিন তৈরি করে তা অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, সেটিও নিয়মিত খোঁজ নিয়েছি।
 
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ড. দৌলদ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, মোগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই ধারাবাহিক সাফল্য শুধু বিদ্যালয়ের নয়, পুরো উপজেলার জন্য গর্বের। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই এমন অর্জন সম্ভব হয়েছে। অন্য বিদ্যালয়গুলোকেও এ সাফল্য থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে আরও আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।
 
 জুটন বণিক/আজহার/