সাউথইস্ট ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান এম এ কাসেমের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগের অনুসন্ধান শুরু করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সম্প্রতি এম এ কাসেমের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তিন সদস্যের অনুসন্ধান টিম গঠন করেছে দুদক।
অনুসন্ধান টিমের সদস্যরা হলেন- উপপরিচালক আজিজুল হক, সহকারী পরিচালক মো. মেহেদী মুসা জেবিন ও সহকারী পরিচালক আল-আমিন। এ বছরের জুন মাসের ২ তারিখে তার বিষয়ে অনুসন্ধানের চিঠি ইস্যু করে দুদক।
এম এ কাশেমের বিষয়ে গঠিত অনুসন্ধান টিমের হেড ও দুদকের উপপরিচালক আজিজুল হকের কাছে অনুসন্ধানের অগ্রগতির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, উনার (এম এ কাসেম) বিরুদ্ধে দুদকে দুইটি অভিযোগ করা হয়েছে। একটি গাড়ি ক্রয় এবং অন্যটি জমি সংক্রান্ত। পাশাপাশি অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগও আনা হয়েছে। আমরা এসব অভিযোগ খতিয়ে দেখছি। খুব শিগগিরিই তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হবে।
এদিকে সাউথইস্ট ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান এম এ কাসেমের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের বিষয়ে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা চেয়ে দুদকে আরেকটি অভিযোগ জমা পড়েছে। ৩ সেপ্টেম্বর নিজামুল আলম নামের একজন ভুক্তভোগী দুদকে এ অভিযোগ দেন। তাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য জমি কেনাকাটায় ৩০৪ কোটি হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করা হয়। এ ছাড়া অবৈধভাবে বোর্ড সদস্যদের জন্য দামি গাড়ি কেনা ও সিটিং অ্যালাউন্স বাবদ অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে। পাশাপাশি সাউথইস্ট ব্যাংকের অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগও আনা হয়েছে।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, রাষ্ট্রের স্বার্থে সাউথইস্ট ব্যাংক ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো দুটি প্রতিষ্ঠান রক্ষায় এম এ কাশেমের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে এম এ কাসেম বলেন, অভিযোগগুলো সব মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। দুদক যদি কোনো তদন্ত করে, তাহলে আমাদের পক্ষ তাতে সহযোগিতা করা হবে।
সুমন/