ঢাকা ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
আরও দুটি নতুন ইলেকট্রিক বাইক আনলো রিভো বাংলাদেশ ৩১ আগস্ট স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে ইসি আর্জেন্টিনা কি সত্যিই বাড়তি সুবিধা পাচ্ছে? আর্জেন্টিনা শিবিরে স্বস্তির খবর চকরিয়ায় পাহাড়ধসে ২ শিশুর মৃত্যু, পানিবন্দি লাখো মানুষ একটু অসচেতনতায় হারিয়ে যাচ্ছে অসামান্য উপহার জামালপুরে সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদ শোন অ্যারেস্ট বহিরাগত প্রবেশে নিরাপত্তা শঙ্কায় ইবির শিক্ষার্থীরা বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন আদনান আজাদ জনপ্রশাসনে বড় পদোন্নতি, ১৭২ জন হলেন যুগ্মসচিব কারেনের সেঞ্চুরিতে জিম্বাবুয়ের পুঁজি ২৪৭ প্রিয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় খাদ্যে ভেজাল নিয়ে সংসদে এমপিদের অসন্তোষ, খাদ্য প্রতিমন্ত্রীর আশ্বাস আহসান হাবীব: কবিতায় নিবিড়, গভীর অর্থায়নের সূচনা অধ্যায়ের ২০টি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা ১ম পত্র ব্র্যাক ব্যাংকের ৫০ হাজার কোটি টাকার রিটেইল ডিপোজিট মাইলফলক শিশুশিক্ষায় প্রয়োজন জলবায়ু সহনশীল শিক্ষাব্যবস্থা মালা নয়, হাতে উঠল হাতকড়া শিক্ষার্থীদের সফট স্কিল বাড়াতে প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম চালুর উদ্যোগ ইউজিসির টানা বৃষ্টিতে কেরানীহাট-বান্দরবান মহাসড়ক পানির নিচে সীতাকুণ্ডে শিশু ইরা হত্যা: পাঁচ মাস পর বাবু শেখের মৃত্যুদণ্ড রক্ত পরীক্ষায় ভয় নয় দেশজুড়ে ফ্লেক্সিবল ডেলিভারি অপশন নিয়ে এলো পাঠাও পার্সেল সিলেট সীমান্তে বিএসএফের অবৈধ পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ, সতর্ক বিজিবি দুর্গত মানুষের নিরাপত্তা ও ত্রাণ সহায়তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি: ত্রাণমন্ত্রী মুখ দেখালেই বোর্ডিং পাস আইস্ক্রিনে ফুটবলের সেরা দুই সিনেমা ‘দামাল’ ও ‘জাগো’ রাজবাড়ীতে কোরআন পোড়ানোর অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার শেরপুরে বাসচাপায় নিহত ১, আটক ২ উর্মি খানের নতুন গান ‘ভাবনার মিছিল’

আইনজীবী হত্যার নিন্দা ও তদন্তের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

প্রকাশ: ২৬ নভেম্বর ২০২৪, ১১:১০ পিএম
আইনজীবী হত্যার নিন্দা ও তদন্তের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস

চট্টগ্রামে আইনজীবী হত্যার নিন্দা জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি এ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে।

এতে বলা হয়, প্রধান উপদেষ্টা জনগণকে শান্ত থাকার এবং অপ্রীতিকর কার্যকলাপে অংশ নেওয়া থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে চট্টগ্রামসহ আশপাশের সব ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করার নির্দেশ দেন।

অন্তর্বর্তী সরকার যেকোনো মূল্যে বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিশ্চিত করতে ও সমুন্নত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে প্রেস উইংয়ের বার্তায় উল্লেখ করা হয়।

৩১ আগস্ট স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে ইসি

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৬ পিএম
৩১ আগস্ট স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে ইসি
খবরের কাগজ ইনেফোগ্রাফিক

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে আগামী ৩১ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

একই সঙ্গে ভোটকেন্দ্র স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা নীতিমালায় বড় ধরনের সংশোধনী এনে ভোটকক্ষে ভোটার সংখ্যা বাড়ানো, ভোটকেন্দ্রের খসড়া তালিকা আগেভাগে প্রকাশ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী একাধিক গোপন কক্ষ স্থাপনের বিধান রেখে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সাংবিধানিক সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ইসির সিনিয়র সহকারী সচিব মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরী মাঠ কর্মকর্তাদের পাঠানো এক চিঠিতে ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময়সূচি জানান।

এতে বলা হয়, ৩১ জুলাই ২০০৮ বা তার আগে জন্মগ্রহণকারী এবং ৩১ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত নিবন্ধিত বা নিবন্ধনযোগ্য ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে হালনাগাদ ভোটার তালিকা প্রস্তুত করা হবে। ৪ আগস্টের মধ্যে খসড়া তালিকার পিডিএফ মাঠ পর্যায়ে পাঠানো হবে, ৯ আগস্ট খসড়া প্রকাশ, ২৪ আগস্ট পর্যন্ত দাবি-আপত্তি গ্রহণ, ২৭ আগস্ট নিষ্পত্তি এবং ৩১ আগস্ট চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।

বর্তমানে দেশে মোট ভোটার ১২ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৬ কোটি ৫২ লাখ ১২ হাজার ৭৩১ জন, নারী ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার ২৬৬ জন এবং হিজড়া ভোটার ১ হাজার ২৪৩ জন। 

অন্যদিকে, ভোটকক্ষ বরাদ্দের নিয়মে বড় পরিবর্তন এনে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র স্থাপন ও ব্যবস্থাপনা নীতিমালা-২০২৫ সংশোধন করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সংস্থাটি।

গত ৭ জুলাই প্রকাশিত ওই প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, স্থানীয় সরকারের যে কোনো সাধারণ নির্বাচন ও উপনির্বাচন— উভয় ক্ষেত্রেই প্রতি ৬০০ জন পুরুষ এবং ৫০০ জন নারী ভোটারের জন্য একটি ভোটকক্ষ নির্ধারণ করা হবে। আগে এ সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ৪০০ এবং ৩০০-৩৫০ জন।  উপনির্বাচনেও একই নিয়ম কার্যকর হবে।  

সংশোধিত নীতিমালায় ভোটগ্রহণের অন্তত ২৫ দিন আগে ভোটকেন্দ্রের খসড়া তালিকা প্রকাশের বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে, যা আগে ছিল ১৫ দিন। ভোটকক্ষ কমলেও ভোটগ্রহণে গতি বজায় রেখে ভোটারের চাপ কমাতে প্রতিটি ভোটকক্ষে প্রয়োজন অনুযায়ী একাধিক গোপন কক্ষ স্থাপনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে গড়ে প্রতি দুই হাজার ভোটারের জন্য একটি ভোটকেন্দ্র নির্ধারণসহ মৌলিক বিধানগুলো অপরিবর্তিত থাকছে।

এলিস/এএফ

বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন আদনান আজাদ

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪২ পিএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪৫ পিএম
বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন আদনান আজাদ
বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা ২০২৬ এবং জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বৃহস্পতিবার ঢাকার আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আদনান আজাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: আরিফুল আমিন

দেশের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘জাতীয় পরিবেশ পদক ২০২৬’ (স্বর্ণপদক) পেয়েছেন আদনান আজাদ (ফয়সাল বিন আজাদ)। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ জাতীয় পুরস্কারের ‘ক’ ক্যাটাগরিতে ব্যক্তিপর্যায়ে তিনি এই সম্মাননা লাভ করেন। আদনান আজাদ বাংলাদেশ অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক এবং সেভ ওয়াইল্ডলাইফ অ্যান্ড নেচার (সোয়ান)-এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব পরিবেশ দিবস, পরিবেশ মেলা ২০২৬, জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬-এর যৌথ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আদনান আজাদের হাতে স্বর্ণপদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

‘রেপটাইল ম্যান অব বাংলাদেশ’ নামে পরিচিত আদনান আজাদ দীর্ঘদিন ধরে দেশের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে কাজ করে আসছেন। গত ২৮ বছর ধরে লোকালয় ও মানুষের বসতবাড়িতে ঢুকে পড়া অসংখ্য সাপসহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণী উদ্ধার করে নিরাপদে অবমুক্ত করার মাধ্যমে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। তিনি বুনো হাতির নিরাপদ করিডোর সংরক্ষণের দাবিতে ২০২১ সালে উচ্চ আদালতে রিট করেন, যা পরবর্তীতে জাতীয় পর্যায়ে হাতি সংরক্ষণ নীতিমালা প্রণয়নে ভূমিকা রাখে। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের পাশাপাশি তিনি দেশের একজন অন্যতম বন্যপ্রাণী আলোকচিত্রী হিসেবেও সমাদৃত।

পুরস্কার প্রাপ্তির পর এক প্রতিক্রিয়ায় আদনান আজাদ বলেন, এই স্বীকৃতি দেশের জীববৈচিত্র্য ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় তাঁর কাজের গতি আরও বাড়িয়ে দেবে। লোকালয়ে চলে আসা বন্যপ্রাণী হত্যা না করে, সেগুলোকে উদ্ধার ও অবমুক্ত করার বিষয়ে সাধারণ মানুষকে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

/আবরার জাহিন

জনপ্রশাসনে বড় পদোন্নতি, ১৭২ জন হলেন যুগ্মসচিব

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩৪ পিএম
জনপ্রশাসনে বড় পদোন্নতি, ১৭২ জন হলেন যুগ্মসচিব
খবরের কাগজ গ্রাফিকস

সরকার ১৭২ জন সিনিয়র সহকারী সচিবকে যুগ্মসচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের আপাতত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে, তবে তাদের নতুন কর্মস্থলে পদায়নের আদেশ এখনো জারি হয়নি।

আদেশে বলা হয়, পদোন্নতির আদেশে উল্লিখিত কর্মস্থল থেকে কোনো কর্মকর্তার দপ্তর/কর্মস্থল ইতোমধ্যে পরিবর্তন হলে কর্মরত দপ্তরের নাম/ঠিকানা উল্লেখ করে তিনি যোগদানপত্র দাখিল করবেন। পরবর্তীতে কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনো বিরূপ/ভিন্নরূপ তথ্য পাওয়া গেলে তার ক্ষেত্রে এই আদেশের প্রয়োজনীয় সংশোধন/বাতিল করার অধিকার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে।

সরকারের যুগ্মসচিব পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাবৃন্দ তাদের যোগদানপত্র সরাসরি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর অথবা অনলাইনে ইমেইল ঠিকানায় (sal @mopa.gov.bd) দাখিল করতে পারবেন।

পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সম্পূর্ণ তালিকা ও বর্তমান কর্মস্থল:

১. জনাব মোঃ সাইদুর রহমান: বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (উপসচিব), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

২. জনাব মোঃ খয়বর রহমান: আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা (উপসচিব), ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন।

৩. জনাব মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম নজরুল: উপসচিব, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত (শিল্প মন্ত্রণালয়-এ বদলির আদেশাধীন)।

৪. মিজ নাফিসা আরেফীন: উপসচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ।

৫. জনাব মো: হুসাইন শওকত: পরিচালক (উপসচিব), বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (বিপিএটিসি) (কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর, খুলনা-এ বদলির আদেশাধীন)।

৬. জনাব মুহা: আহসান হাবিব: উপসচিব, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

৭. জনাব মো: শরিফুজজামান: উপ ভূমি সংস্কার কমিশনার (উপসচিব), ভূমি সংস্কার বোর্ড।

৮. জনাব মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন: উপসচিব, गृहায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় (পরিকল্পনা বিভাগ-এ বদলির আদেশাধীন)।

৯. জনাব মো: আমিনুর রহমান: উপ প্রকল্প পরিচালক (উপসচিব), ঢাকা ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (লাইন-৬)।

১০. জনাব মোহাম্মদ নাজমুল হাসান: পরিচালক (উপসচিব), দুর্নীতি দমন কমিশন।

১১. জনাব মো: শাহীনুর আলম: উপসচিব, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ।

১২. জনাব শাহ আবদুল সাদী: উপসচিব, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ।

১৩. জনাব মো: আবদুল ওয়াদুদ: উপসচিব, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

১৪. জনাব মো: রবিউল ইসলাম: উপসচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগ।

১৫. জনাব মো: আসাদুজ্জামান: উপসচিব, বিদ্যুৎ বিভাগ।

১৬. জনাব মো: নাজমুল হুদা: জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার (উপসচিব), জোনাল সেটেলমেন্ট অফিস, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, রংপুর।

১৭. মিজ আছমা আরা বেগম: উপসচিব, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।

১৮. জনাব খন্দকার জাকির হোসেন: পরিচালক (উপসচিব), দুর্নীতি দমন কমিশন।

১৯. জনাব আবু হায়াত মো: রহমতুল্লাহ: পরিচালক (উপসচিব), বাংলাদেশ প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউট (বিয়াম) ফাউন্ডেশন।

২০. জনাব মো: শহীদুল ইসলাম: উপসচিব, ভূমি মন্ত্রণালয়।

২১. জনাব এস, এম, মুনীর উদ্দিন: উপসচিব, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়।

২২. জনাব মোহাম্মদ গোলাম কবির: উপসচিব, অর্থ বিভাগ।

২৩. জনাব মো: হাফিজুর রহমান: মহাব্যবস্থাপক (উপসচিব), বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন।

২৪. জনাব মুহাম্মদ আবদুর রউফ মিয়া: উপসচিব, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ।

২৫. জনাব দুলাল চন্দ্র সূত্রধর: উপ প্রকল্প পরিচালক (উপসচিব), ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্প।

২৬. জনাব মো: মামুনুর রশিদ: উপপরিচালক (উপসচিব), উপপরিচালকের কার্যালয়, কৃষি বিপণন কার্যালয়, রাজশাহী বিভাগ।

২৭. মিজ হাছিনা বেগম: উপসচিব, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

২৮. মিজ রত্না শারমীন ঝরা: উপপ্রধান (উপসচিব), পরিকল্পনা বিভাগ।

২৯. জনাব মো: আবুল কালাম আজাদ: পরিচালক (উপসচিব), মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

৩০. মিজ ফারজানা আহমেদ: উপসচিব, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।

৩১. মিজ নাজিয়া ইসলাম: উপসচিব, বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ।

৩২. জনাব মুহাম্মদ মকবুল হোসেন: উপসচিব, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ।

৩৩. জনাব মো: মনিরুজ্জামান: পরিচালক (উপসচিব), বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ।

৩৪. মিজ সাজিয়া জামান: পরিচালক (উপসচিব), বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ।

৩৫. জনাব মু: খায়রুজ্জামান: উপসচিব, শিল্প মন্ত্রণালয়।

৩৬. জনাব খোন্দকার ফরহাদ আহমদ: উপসচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগ।

৩৭. জনাব সুমন চৌধুরী: জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার (উপসচিব), জোনাল সেটেলমেন্ট অফিস, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, নোয়াখালী।

৩৮. মিজ দিল আফরোজা বেগম: উপসচিব, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।

৩৯. জনাব মো: শফিকুল ইসলাম: উপসচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

৪০. জনাব সাইফুল ইসলাম: উপসচিব, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ।

৪১. মিজ رুবিনা ফেরদৌসী: উপসচিব, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।

৪২. জনাব মোহাম্মদ মাহবুবুল আলম মজুমদার: উপপরিচালক (উপসচিব), আরপিএটিসি, ঢাকা।

৪৩. জনাব এস, এম, জাহাঙ্গীর হোসেন: সচিব (উপসচিব), ঢাকা ওয়াসা।

৪৪. জনাব মোহাম্মদ দিদারুল আলম: উপসচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

৪৫. জনাব জন কেনেডি জাম্বিল: অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উপসচিব), বিভাগীয় কমিশনার এর কার্যালয়, ময়মনসিংহ বিভাগ।

৪৬. জনাব মো: নাজমুল আলম: উপসচিব, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।

৪৭. মিজ শাহানা সুলতানা: উপসচিব, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।

৪৮. মিজ নিলুফার ইয়াসমিন: উপসচিব, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

৪৯. জনাব রতন কুমার মন্ডল: উপসচিব, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

৫০. জনাব মোহাম্মদ আহম্মেদ আলী: উপসচিব, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

৫১. জনাব মো: সাইফুল ইসলাম: উপসচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

৫২. জনাব সালাহউদ্দিন আহাম্মদ: উপসচিব, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

৫৩. জনাব মো: মাইনুল হক ভূঁইয়া: উপসচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ (আইসিটিডি)।

৫৪. জনাব আবদুল্লা-আল-শাহীন: উপসচিব, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত।

৫৫. ড. মো: মাহবুবুর রশীদ: উপসচিব, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

৫৬. ড. এ এস এম ফজলুর রহমান: উপসচিব, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

৫৭. জনাব মোহাম্মদ ইকরামুল হক সরকার: আইন কর্মকর্তা (উপসচিব), গণপূর্ত অধিদপ্তর।

৫৮. জনাব মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ: পরিচালক (উপসচিব), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ-এ সংযুক্ত।

৫৯. জনাব মো: মমিনুর রহমান: উপসচিব, অর্থ বিভাগ।

৬০. জনাব মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম: উপসচিব, কৃষি মন্ত্রণালয়।

৬১. জনাব মোহাম্মদ মফিজুল ইসলাম: উপসচিব, ভূমি মন্ত্রণালয়।

৬২. জনাব মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী: জেলা প্রশাসক (উপসচিব), জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, পটুয়াখালী।

৬৩. জনাব মো: নূরুল করিম ভূঁইয়া: জেলা প্রশাসক (উপসচিব), জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, গাজীপুর।

৬৪. জনাব মোহাম্মদ জাকির হোসেন: উপসচিব, অর্থ বিভাগ।

৬৫. জনাব মো: সাইদুজ্জামান: উপসচিব, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ।

৬৬. জনাব মোহাম্মদ রবিউল ফয়সাল: উপসচিব, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।

৬৭. জনাব মো: ছাদেকুর রহমান: উপসচিব (সংযুক্ত), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

৬৮. মিজ ফাতেমা তুল জান্নাত: উপসচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ (আইসিটিডি)।

৬৯. জনাব মোহাম্মদ রুবায়েত খান: উপসচিব, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।

৭০. জনাব কাজী নূরুল ইসলাম: উপসচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ।

৭১. জনাব সফিকুল ইসলাম: উপসচিব, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

৭২. জনাব আবু ছালেহ মো: মুসা জঙ্গী: জেলা প্রশাসক (উপসচিব), জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

৭৩. জনাব মোঃ রাজিবুল আহসান: উপসচিব, অর্থ বিভাগ।

৭৪. জনাব হোসেন আহমেদ: উপসচিব, পরিকল্পনা বিভাগে সংযুক্ত।

৭৫. জনাব মোহাম্মদ সাহেদুল ইসলাম: উপসচিব, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

৭৬. জনাব মো: জুলকার নায়ন: আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা (উপসচিব), ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন।

৭৭. জনাব হাসান মূর্তাজা মাসুম: উপসচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

৭৮. জনাব আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন: উপসচিব, বিদ্যুৎ বিভাগ।

৭৯. জনাব মো: ইয়ারুল ইসলাম: উপসচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

৮০. জনাব মো: আজাহারুল ইসলাম: উপসচিব, বিদ্যুৎ বিভাগ।

৮১. জনাব মো: আজাদ জাহান: অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উপসচিব), বিভাগীয় কমিশনার এর কার্যালয়, ময়মনসিংহ বিভাগ।

৮২. জনাব মোঃ ইসরাইল হোসেন: উপসচিব, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ।

৮৩. মিজ সিফাত মেহনাজ: অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উপসচিব), বিভাগীয় কমিশনার এর কার্যালয়, খুলনা বিভাগ।

৮৪. জনাব কাজী শহিদুল ইসলাম: জেলা প্রশাসক (উপসচিব), জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, রাজশাহী।

৮৫. মিজ আফরিনা ইসলাম: উপসচিব, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ।

৮৬. জনাব মো: মশিউর রহমান তালুকদার: উপসচিব, অর্থ বিভাগ।

৮৭. মিজ রুমানা রহমান শম্পা: উপসচিব, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

৮৮. জনাব মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বকাউল: উপসচিব, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

৮৯. জনাব মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান: জেলা প্রশাসক (উপসচিব), জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, নীলফামারী।

৯০. মিজ আফিয়া আখতার: উপসচিব, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়।

৯১. মিজ রোকসিন্দা ফারহানা: উপসচিব, বিদ্যুৎ বিভাগ।

৯২. ড. জয়নাল আবদিন: উপসচিব, অর্থ বিভাগ।

৯৩. বেগম মিনারা নাজমীন: উপসচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

৯৪. মোসা: আলিয়া ফেরদৌস জাহান: সামরিক ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা (উপসচিব), সামরিক ভূ-সম্পত্তি প্রশাসন দপ্তর, নর্দান সার্কেল, বগুড়া সেনানিবাস।

৯৫. জনাব সাইয়েদ এ. জেড মোরশেদ আলী: উপসচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ।

৯৬. জনাব মোঃ বাকাহীদ হোসেন: প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (উপসচিব), জেলা পরিষদ, ফরিদপুর।

৯৭. জনাব এ বি এম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার: মন্ত্রীর একান্ত সচিব (উপসচিব), স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।

৯৮. জনাব মোহাম্মদ কামরুল হাসান মোল্যা: উপসচিব, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

৯৯. মোছা: জেসমুন নাহার: উপসচিব, বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ।

১০০. জনাব মোহাম্মদ শওকত ওসমান: প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা (উপসচিব), ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (খুলনা বিভাগে বদলির আদেশাধীন)।

১০১. জনাব এস. এম. শফি কামাল: সচিব (উপসচিব), বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিঃ (বোয়েসেল)।

১০২. জনাব মোহাম্মদ শফিউল আলম: উপসচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগ।

১০৩. মিজ ফরিদা খানম: জেলা প্রশাসক (উপসচিব), জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, ঢাকা।

১০৪. মিজ শারমিন আক্তার জাহান: উপসচিব, অর্থ বিভাগ।

১০৫. মিজ শরীফা হক: জেলা প্রশাসক (উপসচিব), জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, টাঙ্গাইল।

১০৬. মিজ নুসরাত সুলতানা: অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উপসচিব), বিভাগীয় কমিশনার এর কার্যালয়, চট্টগ্রাম বিভাগ।

১০৭. জনাব জালাল উদ্দীন: পরিচালক (উপসচিব), বাংলাদেশ প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউট (বিয়াম) ফাউন্ডেশন।

১০৮. মিজ তাহসিনা বেগম: জেলা প্রশাসক (উপসচিব), জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, শরীয়তপুর।

১০৯. মিজ ফ্লোরা বিলকিস জাহান: পরিচালক (উপসচিব), দুর্নীতি দমন কমিশন।

১১০. জনাব মোস্তাফিজুর রহমান: উপসচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগ।

১১১. জনাব মোঃ সগীর হোসেন: উপসচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগ।

১১২. মিজ আক্তারুন্নাহার: উপসচিব, কৃষি মন্ত্রণালয়।

১১৩. জনাব মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা: জেলা প্রশাসক (উপসচিব), জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, চট্টগ্রাম।

১১৪. জনাব মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম: উপসচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগ।

১১৫. মিজ্ জাকিয়া সুলতানা: পরিচালক (উপসচিব), সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল।

১১৬. ড. মোছা: শিরিন সবনম: উপসচিব, অর্থ বিভাগ।

১১৭. মিজ লাবনী চাকমা: উপপরিচালক (উপসচিব), দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর।

১১৮. জনাব মো: নুরুজ্জামান: উপসচিব, কৃষি মন্ত্রণালয়।

১১৯. জনাব এইচ এম রকিব হায়দার: জেনারেল ম্যানেজার (উপসচিব), জীবন বীমা কর্পোরেশন।

১২০. জনাব মো: জয়নুল আবেদীন: প্রধান ভান্ডার ও ক্রয় কর্মকর্তা (উপসচিব), ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন।

১২১. জনাব গোলাম মো: শাহনেওয়াজ: প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (উপসচিব), জেলা পরিষদ, বগুড়া।

১২২. মিজ নার্গিস পারভীন: উপসচিব, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।

১২৩. জনাব এ টি এম শরিফুল আলম: উপসচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

১২৪. জনাব মৃধা মো: মোজাহিদুল ইসলাম: জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার (উপসচিব), জোনাল সেটেলমেন্ট অফিস, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, বরিশাল।

১২৫. জনাব আলীমুন রাজীব: উপসচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

১২৬. জনাব শাহেদ মোস্তফা: উপসচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগ।

১২৭. মিজ লুৎফুন নাহার: জেনারেল ম্যানেজার (উপসচিব), জীবন বীমা কর্পোরেশন।

১২৮. জনাব মো: ইমতিয়াজ মাহমুদ জুয়েল: প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (উপসচিব), জেলা পরিষদ, বরিশাল।

১২৯. মিজ সামসুন নাহার সুমি: নির্বাহী পরিচালক (উপসচিব), শেখ জায়েদ বিন সুলতান আল-নাহিয়ান ট্রাস্ট।

১৩০. জনাব মো: নূরুল হাফিজ: পরিচালক (উপসচিব), ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর।

১৩১. মিজ রোকসানা রহমান: উপসচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

১৩২. জনাব মো: মাহবুবুর রহমান: উপসচিব, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

১৩৩. মিজ শারমিন আলম: উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক (উপসচিব), চট্টগ্রাম পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশন কর্তৃপক্ষ।

১৩৪. মিজ কানিজ ফাতেমা তানিয়া: পরিচালক (উপসচিব), বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন সচিবালয়।

১৩৫. জনাব মুহাম্মদ ashraf হোসেন: উপসচিব, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

১৩৬. জনাব মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন: উপসচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

১৩৭. মিজ ইশরাত ফারজানা: উপসচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

১৩৮. জনাব মোতাকাব্বীর আহমেদ: জেলা প্রশাসক (উপসচিব), জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, মাগুরা।

১৩৯. জনাব মো: ফয়সাল আবেদীন খান: পরিচালক (উপসচিব), প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

১৪০. জনাব মো: আবদুল লতিফ: উপসচিব, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ।

১৪১. জনাব সৈয়দ জাহিদুল আনাম: উপসচিব, শিল্প মন্ত্রণালয়।

১৪২. জনাব মশিউর রহমান: উপপরিচালক (উপসচিব), বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ।

১৪৩. জনাব মো: রুহুল আযম: উপপ্রধান (উপসচিব), পরিকল্পনা বিভাগ।

১৪৪. জনাব মোহাম্মদ আবু কাউছার: উপসচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

১৪৫. জনাব মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান সরকার: পরিচালক (উপসচিব), বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন সচিবালয়।

১৪৬. জনাব মো: মাহবুবুল আলম সিদ্দিকী: উপপ্রধান (উপসচিব), পরিকল্পনা বিভাগে সংযুক্ত।

১৪৭. জনাব মোহাম্মদ আরিফুর রহমান: উপসচিব, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ।

১৪৮. জনাব এস, এম, ইমরুল হাসান: উপসচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে সংযুক্ত।

১৪৯. জনাব মো: জালাল হাবিবুর রহমান: উপসচিব, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

১৫০. ড. মোঃ সাইফুল ইসলাম: উপসচিব, শিল্প মন্ত্রণালয়।

১৫১. জনাব মোঃ মাজেদুল ইসলাম: উপসচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

১৫২. জনাব মোঃ মফিদুল ইসলাম: উপপরিচালক (উপসচিব), উপপরিচালকের কার্যালয়, কৃষি বিপণন কার্যালয়, ঢাকা বিভাগ।

১৫৩. ড. মোঃ রফিকুল ইসলাম: উপপরিচালক (উপসচিব), কৃষি বিপণন অধিদপ্তর।

১৫৪. জনাব মোঃ নওসাদ হোসেন: উপসচিব (সংযুক্ত), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

১৫৫. মিজ মাহবুবা খাতুন মিনু: উপসচিব, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

১৫৬. জনাব নজরুল ইসলাম আজাদ: উপসচিব, অর্থ বিভাগ।

১৫৭. মোছাঃ আইরিন সুলতানা: পরিচালক (উপসচিব), বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড।

১৫৮. ড. মোহাম্মদ রুহুল আমীন: জ্যেষ্ঠ বিশেষজ্ঞ (উপসচিব), জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)।

১৫৯. ডা. সঞ্জীব সুত্রধর: পরিচালক (উপসচিব), গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর।

১৬০. মিজ সাবিনা ফেরদৌস: উপসচিব, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

১৬১. জনাব মোঃ আব্দুস সবুর: সচিব (উপসচিব), বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল।

১৬২. মোছাঃ মরিয়ম বেগম: পরিচালক (উপসচিব), গণগ্রন্থাগার অধিদপ্তর।

১৬৩. জনাব এ, কে, এম, আজিজুল হক: পরিচালক (উপসচিব), তথ্য কমিশন।

১৬৪. শেখ মুহাম্মদ রেফাত আলী: পরিচালক (উপসচিব), বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ)।

১৬৫. জনাব মোহাম্মদ এমদাদুল বারী: উপসচিব, বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ।

১৬৬. জনাব মোস্তাক আহমেদ: উপসচিব, অর্থ বিভাগ।

১৬৭. ড. মোহাম্মদ এনামুল হক: উপসচিব, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ।

১৬৮. মিজ সালমা আক্তার খুকী: উপসচিব, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।

১৬৯. মিজ ফাহমিদা হক খান: উপসচিব, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।

১৭০. জনাব মোঃ রাকিব উদ্দিন: উপ প্রকল্প পরিচালক (উপসচিব), ঢাকা ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট ডেভলপমেন্ট প্রজেক্ট (লাইন-১)।

১৭১. জনাব মোঃ মোস্তাফিজার রহমান: উপ প্রকল্প পরিচালক (উপসচিব), দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং বর্ধিতকরণ প্রকল্প।

১৭২. জনাব মোঃ সাইদুর রশিদ: উপসচিব, কৃষি মন্ত্রণালয়।

এসএন/

খাদ্যে ভেজাল নিয়ে সংসদে এমপিদের অসন্তোষ, খাদ্য প্রতিমন্ত্রীর আশ্বাস

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৫ পিএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:২৬ পিএম
খাদ্যে ভেজাল নিয়ে সংসদে এমপিদের অসন্তোষ, খাদ্য প্রতিমন্ত্রীর আশ্বাস
ছবি: সংগৃহীত

খাদ্যপণ্যে ভেজাল নিয়ে জাতীয় সংসদে উদ্বেগ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সংরক্ষিত নারী আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য সাবিকুন্নাহার। তিনি বলেছেন, 'মাদকে ভেজাল নেই, কিন্তু খাদ্যে ভেজাল। এটা বড়ই আশ্চর্যজনক বিষয়।'

একই সঙ্গে খাদ্যের মান সংরক্ষণ এবং জনগণের জন্য ভেজালমুক্ত খাদ্য নিশ্চিত করতে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপ জানতে চান তিনি।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ২২তম দিনের বৈঠকে সম্পূরক প্রশ্নে তিনি এমন প্রশ্ন তোলেন।

সাবিকুন্নাহার বলেন, এই ফলের মৌসুমে ফলের রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়। কোন ফলটি যে কিনবো, কোনটি যে ফরমালিন মুক্ত, কোনটি যে আমার স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী, সেটা আমরা ডিসাইড করতে পারি না। তো এই অবস্থা কতদিন চলবে? লক্ষ্য করছি মাদকের মধ্যে ভেজাল নেই, কিন্তু খাদ্যের মধ্যে ভেজাল। এটা বড়ই আশ্চর্যজনক বিষয়। এ পরিস্থিতি কতদিন চলবে, সরকারের উদ্দেশ্যে সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।

জবাবে খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেন, খাদ্যে ভেজাল একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য সমস্যা। ভেজাল খাদ্যের কারণে ক্যান্সার, কিডনি রোগসহ নানা জটিল অসুখে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে। এ বিষয়ে সরকার ও প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছেন।

তিনি জানান, সম্প্রতি মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকারী ম্যাজিস্ট্রেট, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের নিয়ে দীর্ঘ বৈঠকে ভেজালবিরোধী কার্যক্রম জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। জনপ্রশাসন উপদেষ্টার নেতৃত্বে একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে, যা প্রয়োজনীয় সুপারিশ দেবে। ইতোমধ্যে কমিটির প্রথম বৈঠকে কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং খাদ্য মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে ভেজালবিরোধী অভিযান ও তদারকি জোরদার করবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী খাদ্যদ্রব্য ভেজালমুক্ত করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণে সরকার সচেষ্ট থাকবে।

এলিস/এএফ

দুর্গত মানুষের নিরাপত্তা ও ত্রাণ সহায়তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি: ত্রাণমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩৯ পিএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৫:৪২ পিএম
দুর্গত মানুষের নিরাপত্তা ও ত্রাণ সহায়তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি: ত্রাণমন্ত্রী
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। ছবি: ছবি: সংগৃহীত

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, ভারী বর্ষণে চট্টগ্রাম ও পার্বত্যাঞ্চলে সৃষ্ট দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের নিরাপত্তা ও ত্রাণ সহায়তাকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। একই সঙ্গে পাহাড়ের ঢালে ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসন করে তাদের জন্য সরকারি উদ্যোগে বাড়ি নির্মাণ করা হবে।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া বিবৃতিতে মন্ত্রী জানান, পাহাড়ধস ও বন্যায় এখন পর্যন্ত কক্সবাজারে ১৯ জন, চট্টগ্রামে ৫ জন, বান্দরবানে ৫ জন এবং রাঙ্গামাটিতে একজনের মৃত্যু হয়েছে। দুর্গত এলাকায় চট্টগ্রামে ৪১টি, কক্সবাজারে ৬৪০টি, রাঙ্গামাটিতে ২১টি, খাগড়াছড়িতে ১৩৫টি এবং বান্দরবানে ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। সেখানে আশ্রিতদের জন্য বিশুদ্ধ পানি, স্যানিটেশন, শিশু খাদ্য ও তিনবেলা খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

তিনি জানান, প্রথম দফায় পাঁচ জেলায় ১০ লাখ টাকা করে জিআর (নগদ) ও ২০০ মেট্রিক টন করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। পরে চট্টগ্রামে ২৫ লাখ, কক্সবাজারে ২০ লাখ এবং রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে ১০ লাখ টাকা করে অতিরিক্ত বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি চট্টগ্রামে ৩০০, কক্সবাজারে ২৫০ এবং বাকি তিন জেলায় ২০০ মেট্রিক টন করে চাল বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকেও প্রতিটি দুর্গত জেলায় ২০ লাখ টাকা করে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

ত্রাণমন্ত্রী বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় মাইকিংয়ের মাধ্যমে লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়া হচ্ছে। পাহাড়ধসে বারবার প্রাণহানি রোধে খাসজমি ও অন্যান্য সরকারি জমিতে ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোর জন্য ঘর নির্মাণ করবে সরকার।

এ কাজে স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সহযোগিতা কামনা করে তিনি বলেন, সম্মিলিত উদ্যোগে ভবিষ্যতে পাহাড়ধসে প্রাণহানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব।

এলিস/এএফ