দীর্ঘ ২২ বছর পর এবং সরকার গঠনের পর প্রথম চাঁদপুর সফরকে কেন্দ্র করে উৎসবের আমেজ দেখা গেছে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে।
শনিবার (১৬ মে) প্রিয় নেতা তথা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দেখতে এবং স্বাগত জানাতে সকাল থেকেই মহাসড়কের দুই পাশে ঢল নামে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের হাজার হাজার নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের।
সকাল ১০টা ২৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর গজারিয়ার তেতৈতলা হাঁস পয়েন্ট এলাকায় পৌঁছালে সৃষ্টি হয় ভালোবাসার এক অসাধারণ পরিবেশ। এ সময় বাসের ভেতর থেকে হাত নেড়ে নেতা-কর্মীদের অভিবাদন ও ভালোবাসার জবাব দেন প্রধানমন্ত্রী।
এর আগে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী সকাল ৭টা থেকেই নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে তেতৈতলা হাঁস পয়েন্ট এলাকায় জড়ো হতে থাকেন।
প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মীদের মাঝে ছিল অভিনব ও ব্যতিক্রমী উচ্ছ্বাস। কাউকে দেখা গেছে মাথায় মাথাল দিয়ে এবং হাতে ধানের শীষ নিয়ে কৃষকের বেশে, আবার কেউ এসেছেন জেলের বেশে।
সকাল সাড়ে ৮টার মধ্যেই রাস্তার দুই পাশে নেতাকর্মীদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। সকাল ৯টায় অনুষ্ঠানস্থলে এসে উপস্থিত হন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন।
সকাল ১০টা ২৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গাড়িবহর মহাসড়কের গজারিয়া অংশে এসে পৌঁছালে অপেক্ষমাণ জনতা সমস্বরে স্লোগান দিতে শুরু করেন। স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের এই বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস দেখে প্রধানমন্ত্রী গাড়ির ভেতর থেকেই হাত নেড়ে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও শুভেচ্ছা জানান।
প্রধানমন্ত্রীর এই গুরুত্বপূর্ণ সফরকে নির্বিঘ্ন করতে গজারিয়া অংশে নেওয়া হয়েছে নিশ্ছিদ্র ও নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
জেলা পুলিশ ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক তৎপরতা চালানো হয়।
এর আগে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ), স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা যাতায়াতের রুট পরিদর্শন করেন।
এ উপলক্ষে মহাসড়কের গজারিয়া অংশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল পরিমাণ সদস্য মোতায়েন থাকতে দেখা গেছে।
অমিয়/