আল্লাহতায়ালা পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করেছেন, যারা ব্যবসা-বাণিজ্য ও দুনিয়াবি কাজের ভিড়েও আল্লাহর ঘরকে আবাদ রাখে এবং তাঁর জিকির থেকে গাফেল হয় না, তারাই প্রকৃত সফল। মসজিদের পবিত্রতা রক্ষা করা অন্তরের তাকওয়ার পরিচায়ক।
মসজিদে অবস্থানকালে একজন মুমিনের প্রধান কাজ হলো আল্লাহর ধ্যানে মগ্ন থাকা। নিচের আমলগুলো বেশি বেশি করা মুস্তাহাব।
জিকির ও তাসবিহ: সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ এবং আল্লাহু আকবার পাঠ করা।
কোরআন তিলাওয়াত: মনোযোগের সঙ্গে পবিত্র কোরআন পাঠ করা।
দ্বীনি আলোচনা: হাদিস, ফিকহ বা শরিয়তের যেকোনো ইলমি আলোচনা করা বা শোনা।
নফল নামাজ: তাহিয়্যাতুল মাসজিদসহ অন্যান্য নফল নামাজ আদায় করা।
আল্লাহতায়ালা বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর নিদর্শনসমূহকে সম্মান করে, নিঃসন্দেহে তা অন্তরের তাকওয়া থেকেই উদ্ভূত। (সুরা হজ, আয়াত: ৩২)
তিনি আরও বলেন, আল্লাহ ওই সব ঘরকে (মসজিদ) মর্যাদা দেওয়ার আদেশ দিয়েছেন, যেখানে সকাল-সন্ধ্যায় তাঁর নাম স্মরণ করা হয় এবং তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করা হয়।
রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর অমূল্য শিক্ষা
রাসুলুল্লাহ (সা.) মসজিদের পবিত্রতা ও এর উদ্দেশ্য সম্পর্কে আমাদের সতর্ক করেছেন-
১. নিশ্চয়ই মসজিদগুলোকে যে কাজের জন্য (ইবাদত ও জিকির) নির্মাণ করা হয়েছে, সেখানে তাই করতে হবে। (সহিহ মুসলিম)
২. রাসুল (সা.) মসজিদের ভেতর অপরিচ্ছন্নতা পছন্দ করতেন না। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, মসজিদ কোনো ময়লা-আবর্জনা ফেলার জায়গা নয়; বরং এটি কেবল নামাজ, আল্লাহর জিকির এবং কোরআন তিলাওয়াতের জন্য।
লেখক: আলেম ও সাংবাদিক