ঢাকা ১ শ্রাবণ ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
ময়মনসিংহে গ্যাংকার লাইনচ্যুত, দুই রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ অতিরিক্ত ভিড়ে পুরীর রথযাত্রায় নিহত ২, আহত শতাধিক ঢাকায় উদ্বোধন হলো ডেল্টা অ্যাওয়ার্ড ফর আর্কিটেকচার এবং ডেল্টা ফেস্টিভ্যাল অব আর্কিটেকচার ২০২৬ মাদকে বাধা দেওয়ার জেরে বিএনপি নেতা খুন বিমানের বহরে যুক্ত হবে বোয়িং ও এয়ারবাস: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু তিন প্রতিষ্ঠানের খাদ্যপণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ বদলি হলেন বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের ২৮ কর্মকর্তা আইইউবিতে সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট মেজর চালু ‘ই-হেলথ কার্ড’ ও ‘ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন’ ব্যবস্থা বাস্তবায়নের দ্বারপ্রান্তে: স্বাস্থ্যপ্রতিমন্ত্রী হবিগঞ্জে তিন মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল ৩ যুবকের বিশ্বের সম্ভাব্য সব জায়গায় শ্রমবাজার উন্মুক্ত হবে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী শাহরাস্তিতে গৃহবুধু হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন শেষ হলো অপেক্ষা, মিলল নিখোঁজ ডুবুরির মরদেহ গণ-অভ্যুত্থানের বিচার জনগণের, আদালতের নয়: ল' ইয়ার্স কাউন্সিল তুরাগে বাবার আছাড়ে প্রাণ গেল ৭ মাসের শিশুর মাদকবিরোধী র‍্যালির জেরে যুবককে কুপিয়ে-পিটিয়ে জখম স্কুল পর্যায়ে নিয়মিত ক্রীড়া কার্যক্রম বাস্তবায়নের তথ্য পাঠানোর নির্দেশ সনাতন ধর্মাবলম্বীরাও সমান সুযোগ পাবেন: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মির্জা ফখরুলের সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছে ফিনল্যান্ড বিএনপি ক্যাশলেস স্মার্ট ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে যৌথ উদ্যোগ উপায় ও ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটির চুক্তি ১৪ অঞ্চলে বজ্রসহ ঝড়ের সতর্কতা তেঁতুলিয়ায় ১৩টি জাল পাসপোর্টসহ যুবক গ্রেপ্তার বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ৫৮, ক্ষতিগ্রস্ত ১২ লাখের বেশি মানুষ সিলেটে রথযাত্রা মহোৎসব শুরু ক্লান্তি দূর করার মহৌষধ সন্তানদের অবহেলায় জীবিত থাকতেই কবর তৈরি মায়ের লৌহজংয়ে পদ্মাপাড়ে ভয়াবহ ভাঙন বরিশালে ১১ দলীয় জোটের সমাবেশ ঘিরে প্রস্তুতি জোরদার মাগুরায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা অনুষ্ঠিত

বিশ্বকাপে সবার ওপরে সাকিব-মুশফিক

প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৩, ০৬:৩৮ পিএম
আপডেট: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০১:১৯ পিএম
বিশ্বকাপে সবার ওপরে সাকিব-মুশফিক

এবারের ওয়ানডে বিশ্বকাপ শুরুর আগেই একটা রেকর্ডে বাংলাদেশ থাকছে সবার ওপরে। দুই টাইগার ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিম এবার পঞ্চম বিশ্বকাপ খেলতে নামছেন। ভারতে হতে যাওয়া এবারের আসরে ১০ দল মিলিয়ে যে ১৫০ জন ক্রিকেটার অংশ নিচ্ছেন, তাদের মধ্যে সাকিব-মুশফিকেরই কেবল এ অভিজ্ঞতা হতে যাচ্ছে। বিরাট কোহলি, স্টিভেন স্মিথরাও এখানে তাদের পেছনে। শুধু বিশ্বকাপ সংখ্যা নয়, সাকিব-মুশফিক এবারের আসরে নামছেন সবচেয়ে বেশি বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতাকেও সঙ্গী করে।

২০০৫ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখা মুশফিক ২০০৭ সালে নিজের প্রথম ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলেন। এরপর প্রতিটি আসরেই দলের অংশ ছিলেন তিনি। ২০১১ সালের বিশ্বকাপে ঘরের মাঠে, ২০১৫ সালে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডে ও ২০১৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আসরে খেলেছেন। সেই ধারাবাহিতকায় থাকছেন এবারের আসরেও। সাকিবও তাই। ২০০৬ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রাখার পর প্রতিটি ওয়ানডে বিশ্বকাপেই খেলার অভিজ্ঞতা আছে তার। এই দুজনের মতো তামিম ইকবালেও এবার পঞ্চম বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা হতে পারতো। কিন্তু শেষ মুহূর্তে নানা নাটকীয়তায় বিশ্বকাপের অংশ হতে পারেননি এই বাঁহাতি ওপেনার।

এবারে মোট ৩০ জনের বেশি ক্রিকেটার প্রথমবারের মতো ওয়ানডে বিশ্বকাপে নামবেন। বাংলাদেশের আট ক্রিকেটারের এবার প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা হবে। অর্থাৎ অর্ধেকের বেশি ক্রিকেটার নতুন। তবে সাকিব-মুশফিকের সঙ্গে মাহমুদউল্লাহর অভিজ্ঞতা এখানে বিষয়টা ব্যালেন্সড করবে অনেকটাই। মাহমুদউল্লাহ এবার নিজের চতুর্থ বিশ্বকাপ খেলবেন। যেমনটা খেলবেন বিরাট কোহলি, স্টিভেন স্মিথ, কেন উইলিয়ামসনরা।

টানা বা সবমিলিয়ে পাঁচটি ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলার রেকর্ড আসলে খুব বেশি ক্রিকেটারের নেই। ইমরান খান, অর্জুন রানাতুঙ্গা, অরবিন্দ ডি সিলভা, ওয়াসিম আকরাম, ইনজামাম উল হক, সনাথ জয়াসুরিয়া, ব্রায়ান লারা, শিবনারায়ন চন্দরপল, জ্যাক ক্যালিস, মুত্তিয়া মুরালিধরন, রিকি পন্টিং, টসাম ওডিও, স্টিক কিটোলো, মাহেলা জয়াবর্ধনে, শহিদ আফ্রিদিরা রয়েছেন এই তালিকায়। তাদের সঙ্গে যোগ হচ্ছে সাকিব ও মুশফিকের নাম। যারা নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের ক্রিকেটের কিংবদন্তি।

সবচেয়ে বেশি ছয়টি ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলেছেন মাত্র দুজন ক্রিকেটার। তারা হলেন শচীন টেন্ডুলকার ও জাভেদ মিয়াঁদাদ। তবে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার রেকর্ডটা রিকি পন্টিংয়ের দখলে। ১৯৯৬ থেকে ২০১১, টানা পাঁচটি বিশ্বকাপে মোট ৪৬টি ম্যাচ খেলেছেন এই কিংবদন্তি। তার নেতৃত্বে ২০০৩ ও ২০০৭ সালে চ্যাম্পিয়নের মুকুট পরে অজিরা। এই রেকর্ডে পন্টিংয়ের পরের অবস্থানে শচীন টেন্ডুলকার। ১৯৯২ থেকে ২০১১ আসর পর্যন্ত ৪৫টি ম্যাচ খেলেছেন ভারতীয় কিংবদন্তি। ২০১১ সালে শচীন টেন্ডুলকার তার সর্বশেষ বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়নব হওয়ার স্বাদ নিতে পেরেছিলেন।

এবারের আসরে যারা অংশ নিচ্ছেন তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২৯টি করে ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা সাকিব ও মুশফিকের। ২৬ ম্যাচ খেলে তাদের পরের অবস্থানে কোহলির নাম। তিন নম্বরে থাকা স্টিভেন স্মিথ খেলেছেন ২৪টি ম্যাচ। ২৩ ম্যাচ খেলে উইলিয়ামসন চারে। পাঁচে থাকা ট্রেন্ট বোল্ট খেলেছেন ১৯ ম্যাচ।

বিশ্বকাপ ফাইনাল: জেনে নিন আর্জেন্টিনা-স্পেন মহারণের সব তথ্য

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৬:০৯ পিএম
আপডেট: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫২ পিএম
বিশ্বকাপ ফাইনাল: জেনে নিন আর্জেন্টিনা-স্পেন মহারণের সব তথ্য
ছবি: সংগৃহীত

আর মাত্র কয়েক দিনের অপেক্ষা। বিশ্বের কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর দৃষ্টি এখন ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালের দিকে। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা ও ইউরোপিয়ান শক্তি স্পেন। দুই দলের লড়াইয়ে নির্ধারিত হবে বিশ্ব ফুটবলের নতুন রাজা।

ফিফার সূচি অনুযায়ী, ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৯ জুলাই (রবিবার)। ম্যাচটি হবে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক/নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে (মেটলাইফ স্টেডিয়াম), নিউ জার্সির ইস্ট রাদারফোর্ডে। স্থানীয় সময় বিকেল ৩টা এবং বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় ম্যাচটি শুরু হবে।

৮২ হাজারের বেশি দর্শক ধারণক্ষমতাসম্পন্ন মেটলাইফ স্টেডিয়ামটি প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনাল আয়োজন করছে। ২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে শুরু করে সেমিফাইনাল ও ফাইনাল- সব গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচই যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে, স্পেন ২-০ ব্যবধানে ফ্রান্সকে হারিয়ে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে জায়গা নিশ্চিত করেছে।

আর্জেন্টিনার সামনে রয়েছে ইতিহাস গড়ার হাতছানি। লিওনেল মেসির দল ফাইনালে জিততে পারলে ১৯৬২ সালের পর প্রথম দল হিসেবে টানা দুইটি বিশ্বকাপ জয়ের কীর্তি গড়বে। অন্যদিকে, ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে স্পেন।

এবারের বিশ্বকাপ ফাইনালে আরও একটি নতুনত্ব থাকছে। ফিফার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ফাইনালের বিরতিতে (হাফটাইম) বিশেষ বিনোদনমূলক আয়োজন রাখা হয়েছে, যা সুপার বোলের আদলে অনুষ্ঠিত হবে।

বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি দর্শক টেলিভিশন ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ম্যাচটি সরাসরি উপভোগ করবেন। ফুটবলপ্রেমীদের প্রত্যাশা, ২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ম্যাচটি হতে যাচ্ছে সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে আকর্ষণীয় একটি ফাইনাল।

অমিয়/

মেসির কোলে শিশু ইয়ামাল, ভাইরাল ছবি কি সত্য গল্প?

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৪:০৫ পিএম
মেসির কোলে শিশু ইয়ামাল, ভাইরাল ছবি কি সত্য গল্প?
ছবি: সংগৃহীত

আর্জেন্টিনা ও স্পেনের ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনাল ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ যখন তুঙ্গে। এমন সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে ভাইরাল হয়েছে লিওনেল মেসি ও লামিনে ইয়ামালের একটি পুরোনো ছবি। ছবিতে দেখা যায়, ২০ বছর বয়সী মেসির কোলে শিশু ইয়ামালকে গোসল করানো হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে অনেকেই ছবিটিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি বলে মনে করলেও, বাস্তবে এটি একটি সত্য ঘটনা।

২০০৭ সালের ডিসেম্বর মাসে ইউনিসেফ এবং এফসি বার্সেলোনা ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে একটি দাতব্য ক্যালেন্ডারের জন্য ছবিটি তোলা হয়েছিল। ওই ফটোশুটের আলোকচিত্রী জোয়ান মনফোর্ট জানান, এটি ছিল একটি চ্যারিটি ক্যাম্পেইনের অংশ। স্থানীয় পরিবারগুলোর মধ্যে লটারির মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী নির্বাচন করা হয় এবং সৌভাগ্যক্রমে লামিনে ইয়ামালের পরিবার সেই সুযোগ পায়। কাকতালীয়ভাবে, শিশু ইয়ামালের সঙ্গে ছবি তোলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল বার্সেলোনার তরুণ প্রতিভা লিওনেল মেসিকে।

তখন কেউ কল্পনাও করেননি, মেসির কোলে থাকা সেই শিশুই একদিন বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম বড় তারকায় পরিণত হবে। ভাইরাল হওয়া ছবিটি সম্পর্কে ইয়ামাল জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন তিনি নিজেই ছবিটির অস্তিত্ব সম্পর্কে জানতেন না। পরে তার বাবার কাছ থেকে বিষয়টি জানতে পারেন। ছবিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

মেসি এই ফটোশুট নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য না করলেও ইয়ামালের প্রতিভার প্রশংসা একাধিকবার করেছেন। আর্জেন্টিনার অধিনায়ক বলেছেন, ইয়ামালকে দেখলে তার নিজের ক্যারিয়ারের শুরুর দিনের কথা মনে পড়ে। এত অল্প বয়সেই ইয়ামাল যেভাবে নিজেকে বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।

প্রায় দুই দশক আগে দাতব্য উদ্যোগের একটি স্মরণীয় মুহূর্তে একই ফ্রেমে ধরা পড়েছিলেন মেসি ও ইয়ামাল। সময়ের পরিক্রমায় সেই ছবিই আজ ইতিহাসের অংশ। আর এখন ফুটবল বিশ্বের নজর তাদের সম্ভাব্য আরেকটি মুখোমুখি লড়াইয়ের দিকে।

পাপ্পু/

দ্বিতীয় ফুটবলার হিসেবে তিনটি বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলতে যাচ্ছেন মেসি

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০২:০৬ পিএম
দ্বিতীয় ফুটবলার হিসেবে তিনটি বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলতে যাচ্ছেন মেসি
লিওনেল মেসি। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের ইতিহাসে নতুন এক মাইলফলকের সামনে দাঁড়িয়ে লিওনেল মেসি। ব্রাজিলের কিংবদন্তি কাফুর পর দ্বিতীয় ফুটবলার হিসেবে তিনটি বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলার কীর্তি গড়তে যাচ্ছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।

বুধবারের (১৫ জুলাই) সেমিফাইনালে গোল না পেলেও আর্জেন্টিনার জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন ৩৯ বছর বয়সী এই মহাতারকা। তার দুটি নিখুঁত অ্যাসিস্টে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

ম্যাচের ৮৫তম মিনিটে মেসির বাড়ানো বল থেকে গোল করে আর্জেন্টিনাকে সমতায় ফেরান এনজো ফার্নান্দেজ। এরপর অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে মেসির দারুণ ক্রস থেকে হেডে জয়সূচক গোল করেন বদলি ফরোয়ার্ড লাউতারো মার্টিনেজ।

নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে স্পেনের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা।

এটি হবে মেসির টানা দ্বিতীয় এবং ক্যারিয়ারের তৃতীয় বিশ্বকাপ ফাইনাল। এর আগে ২০১৪ সালে প্রথমবার ফাইনালে খেলেছিলেন তিনি। সেবার জার্মানির কাছে ১-০ গোলে হেরে শিরোপা হাতছাড়া করে আর্জেন্টিনা। পরে ২০২২ সালে ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন পূরণ করেন মেসি।

বিশ্বকাপ ইতিহাসে এর আগে তিনটি ফাইনাল খেলার কীর্তি ছিল শুধু ব্রাজিলের কিংবদন্তি উইং-ব্যাক কাফুর। তিনি ১৯৯৪, ১৯৯৮ ও ২০০২ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলেছিলেন। এর মধ্যে ১৯৯৪ ও ২০০২ সালে শিরোপা জিতেছিল ব্রাজিল।

এদিকে, ফাইনালে স্পেনকে হারাতে পারলে ইতিহাসের পাতায় আরও একটি অনন্য কীর্তি গড়বে আর্জেন্টিনা। ইতালি (১৯৩৪ ও ১৯৩৮) এবং ব্রাজিলের (১৯৫৮ ও ১৯৬২) পর মাত্র তৃতীয় দল হিসেবে টানা দুইবার বিশ্বকাপ জয়ের গৌরব অর্জন করবে আলবিসেলেস্তেরা।

পাপ্পু/অন্তরা/

পিকফোর্ডের পানির বোতলে আর্জেন্টিনাকে ঠেকানোর গোপন ছক!

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০২:০০ পিএম
পিকফোর্ডের পানির বোতলে আর্জেন্টিনাকে ঠেকানোর গোপন ছক!
ছবি: সংগৃহীত

ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে আর্জেন্টিনা। তবে উত্তেজনাপূর্ণ সেই ম্যাচের পর আলোচনায় এসেছে আরেকটি চমকপ্রদ ঘটনা। ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডের পানির বোতলে পাওয়া গেছে আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য পেনাল্টি শুটারদের নিয়ে তৈরি একটি কৌশলগত নোট।

ম্যাচ শেষে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়রা যখন সমর্থকদের সঙ্গে জয় উদযাপনে ব্যস্ত, তখন দলের ম্যাসাজ থেরাপিস্ট মার্সেলো ‘ড্যাডি’ ডি’আন্দ্রেয়ার হাতে আসে পিকফোর্ডের পানির বোতল। বোতলের গায়ে লাগানো একটি কাগজে লেখা ছিল আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য পেনাল্টি নেওয়া খেলোয়াড়দের নাম এবং তারা সাধারণত কোন দিকে শট নিতে পছন্দ করেন, সেই তথ্য।

টেলিভিশন ক্যামেরায় দেখা যায়, ডি’আন্দ্রেয়া সেই কাগজ নিয়ে যান লিওনেল মেসি, নিকোলাস গঞ্জালেস ও মার্কোস সেনেসির কাছে। মেসি মনোযোগ দিয়ে নোটটি পড়েন। পরে সতীর্থদের সঙ্গে সেটি নিয়ে আলোচনা করেন তিনি। যদিও ম্যাচ টাইব্রেকারে গড়ায়নি, তবে পেনাল্টি শুটআউট হলে এই তথ্যই হতে পারত পিকফোর্ডের বড় অস্ত্র।

শুধু মেসি বা গঞ্জালেস নয়, ওই তালিকায় ছিল ম্যাচে গোল করা এনজো ফার্নান্দেজের নামও। নিজের নাম দেখে হেসে ফেলেন এই আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার। পরে আকাশের দিকে তাকিয়ে ইশারা করেন, যেন টাইব্রেকারে যেতে না হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করছেন তিনি।

পরে আর্জেন্টিনার ফিটনেস কোচ লুইস মার্তিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেই নোটের ছবি প্রকাশ করেন। সেখানে দেখা যায়, সম্ভাব্য পেনাল্টি শুটারদের জন্য আলাদা আলাদা নির্দেশনা প্রস্তুত করে রেখেছিল ইংল্যান্ডের টিম ম্যানেজমেন্ট।

পাপ্পু/অন্তরা/

তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের গোলও কি ভাগ্য গড়ে গোল্ডেন বুটের?

প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০১:১৮ পিএম
তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের গোলও কি ভাগ্য গড়ে গোল্ডেন বুটের?
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের শেষ সময়ে এসে দর্শকদের মনে একটি প্রশ্ন প্রায়ই দেখা দেয়। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে করা গোল কি গোল্ডেন বুটের হিসাবের মধ্যে ধরা হয়? উত্তর হলো, হ্যাঁ। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, টুর্নামেন্টের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিটি ম্যাচে করা গোলই সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কারের দৌড়ে সমানভাবে বিবেচিত হয়।

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ, নকআউট পর্ব, ফাইনাল কিংবা তৃতীয় স্থান নির্ধারণী-সব ম্যাচের গোলই গোল্ডেন বুটের হিসাবের অংশ।

১৯৯৮ বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়ার স্ট্রাইকার ডেভোর সুকের নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে জয়সূচক গোল করেন। সেটি ছিল তার টুর্নামেন্টের ষষ্ঠ গোল। ওই গোলের মাধ্যমে তিনি আর্জেন্টিনার গ্যাব্রিয়েল বাতিস্তুতাকে পেছনে ফেলে এককভাবে গোল্ডেন বুট জিতে নেন।

২০১০ বিশ্বকাপেও তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। জার্মানির থমাস মুলার উরুগুয়ের বিপক্ষে গোল করে নিজের গোলসংখ্যা পাঁচে উন্নীত করেন। পরে গোলের সঙ্গে অ্যাসিস্টের হিসাব মিলিয়ে তিনিই জিতে নেন সেই আসরের গোল্ডেন বুট।

ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, একাধিক খেলোয়াড়ের গোলসংখ্যা সমান হলে প্রথমে বিবেচনা করা হয় অ্যাসিস্টের সংখ্যা। সেখানেও সমতা থাকলে দেখা হয় কে কম সময় মাঠে খেলেছেন। অর্থাৎ, গোলের পাশাপাশি অ্যাসিস্ট ও মাঠে কাটানো সময়ও হয়ে ওঠে গুরুত্বপূর্ণ।

তাই ফাইনালে ওঠার সুযোগ হারালেও তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে নামা খেলোয়াড়দের সামনে থাকে বড় ব্যক্তিগত অর্জনের সুযোগ।

পাপ্পু/অন্তরা/