ছবি: খবরের কাগজ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের সাত ভাইয়াপাড়া এলাকায় বাবা ছেলেকে কুপিয়ে জখম করেছে প্রতিপক্ষরা।
শনিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় রবিবার (১২ জুলাই) দুপুরে আহত রাহুল আহমেদ বাদি হয়ে সোনারগাঁ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
জানা যায়, উপজেলার সাত ভাইয়া পাড়া গ্রামের জসীমউদ্দিন এলাকায় বিচার শালিস করে থাকেন। একই এলাকার হারকিউলিকসের ছেলে সেজান বিভিন্ন অপরাধ মূলক কর্মকান্ডে জড়িত। এ বিষয়ে শালিশকারী জসীমউদ্দিন শাসন করার তার সাথে বিরোধ দেখা দেয়৷ শনিবার সকালে জসীমউদ্দিনের মুদি দোকানের সামনে সেজানের নেতৃত্বে রাতুল মিয়া, সজিব মিয়া, মাছুম মিয়া, মাসুদ রানা সহ অজ্ঞাতনামা ৩-৪ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র দা, চাপাতি, চাইনিজ কুড়াল, সুইস গিয়ার চাকু, লোহার রড, এসএস পাইপ নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করিতে থাকে। এসময় গালাগালি করিতে নিষেধ করে।
এক পর্যায়ে এলোপাতাড়ীভাবে মারধর করে ও চুরিকাঘাত করে। এসময় দোকানে থাকার মালপত্র ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে আহতের পরিবারের লোকজন ও তার ছেলে রাহুল আহমেদ উদ্ধার করে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। দুপুরে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পথে ছেলে রাহুল আহমেদকে কুপিয়ে জখম করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
আহত জসীমউদ্দিন বলেন, সেজানকে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে বাধা দেওয়ার কারনে তার লোকজন নিতে তাকে ও তার ছেলেকে কুপিয়ে আহত করে। দোকানে হামলা করে করে লুটপাট ভাংচুর করে। কেউ প্রতিবাদ করতে গিয়ে হামলার শিকার হলে কেউ আর অপরাধের প্রতিবাদ করবে না।
অভিযুক্ত সেজানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তার ব্যবহৃত মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। খুদে বার্তা দিয়েও সাড়া পাওয়া যায়নি।
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কমর্কর্তা (ওসি) মো. গোলাম সারোয়ার বলেন, বাবা ছেলেকে কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় অভিযোগ গ্রহন করা হয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মো: ইমরান হোসেন/এসএন