মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে ভাগ্নেকে হত্যা করে তার অটোরিকশা ছিতনাইয়ের অভিযোগ উঠেছে মামার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত মামা জাবেদসহ (২৭) তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজাহিদুল ইসলাম খবরের কাগজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
হত্যাকাণ্ডের শিকার অটোরিকশাচালক নেকবর হোসেন (২২) উপজেলার চর গুলগুলিয়া এলাকার মৃত শাহজাহান মিয়ার ছেলে।
পুলিশ জানায়, সোমবার (২ অক্টোবর) সকালে এলাকার একটি পুকুরে নেকবরের মরদেহ ভাসতে দেখা যায়। খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।
এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই মো. তোফাজ্জেল হোসেন সিরাজদিখান থানায় হত্যা মামলা করেন।
পুলিশ জানায়, ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নিহতের মামা জাবেদ ও তার সহযোগী একই এলাকার ভাড়াটিয়া রেজাউলকে আটক করা হয়। উদ্ধার করা হয় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রশি। পরে তাদেরকে মামলার আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
পুলিশের কাছে ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জাবেদ জানান, তিনি পেশায় অটো-মিশুকের মিস্ত্রি ও তার সহযোগী রেজাউল চালক। এই সূত্রে তারা পূর্ব পরিচিত। টাকার জন্য তারা দুজনে মিলে পরিকল্পিতভাবে নেকবরকে গলায় রশি পেচিয়ে হত্যা করে তার অটোরিকশাটি ছিনিয়ে নেন। পরে তা সিরাজদিখানের কৃষ্ণনগর এলাকার মো. শাহাজালালের (২৭) কাছে ৩৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেন।
পুলিশ আরও জানায়, শাহজালালের দেয়া তথ্যমতে নারায়ণগঞ্জ জেলার ডিগ্রীরচর এলাকা হতে অটোরিকশার বিচ্ছিন্ন কিছু অংশ উদ্ধার করা হয়েছে। মামলায় তাকেও আসামি করা হয়েছে।