পটুয়াখালীতে চক্ষু হাসপাতাল নামে একটি বেসরকারি চিকিৎসা কেন্দ্রে রোগীদের সেবা দিচ্ছেন মেডিকেল সহকারীরা। প্রতারণা ও অপচিকিৎসার অভিযোগে আগেও স্বাস্থ্য বিভাগ তিনবার প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বন্ধ করে দিলেও কর্তৃপক্ষ প্রভাবশালী হওয়ায় প্রতিবারই তারা কার্যক্রম শুরু করে।
এক ভুক্তভোগী জুনায়েদ আহমেদ নাসিম (২২) জানান, গত মঙ্গলবার তিনি পটুয়াখালী চক্ষু হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যান। এ সময় চিকিৎসকের আচরণে কিছুটা বিব্রত হয়ে তিনি হাসপাতাল ত্যাগ করেন। ঔষধ কিনতে গেলে ফার্মেসির মালিক তাকে জানায়, তার চিকিৎসাপত্রটি দিয়েছেন হাসপাতালের মেডিকেল সহকারী মোঃ জাহাঙ্গীর আলম। বিষয়টি জানার পর কারণ জানতে চাইলে হাসপাতালের কর্মীরা নাসিমের সাথে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। এরপর চিকিৎসকের ভিজিট বাবদ নেওয়া ২০০ টাকা তাকে ফেরৎ দেয়।
একই দিনে বাউফল উপজেলার তহমিনা বেগমও চোখের সমস্যা নিয়ে পটুয়াখালী চক্ষু হাসপাতালে আসেন। এরপর কথিত চিকিৎসক জাহাঙ্গীর তাকে ব্যবস্থাপত্র দেয়।
এ প্রসঙ্গে মেডিকেল সহযোগী জাহাঙ্গীর বলেন, তিনি রোগী দেখতে চাননি। তবুও কাউন্টার থেকে তার কক্ষে রোগী পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী চক্ষু হাসপাতালের পরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, বিষয়টিতে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। এটি নিয়ে সংবাদ না করার জন্য তিনি অনুরোধ করেন।
পটুয়াখালী সিভিল সার্জন ডা. এস এম কবির হাসান বলেন, অভিযোগ পেলে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।