সরকারি চাকরি থেকে অবসরের পর তিন বছরের মধ্যে জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিধিনিষেধ প্রশ্নে শুনানি শুরু হয়েছে। কয়েকটি রিট আবেদনে জারি করা রুলের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের বেঞ্চে এ শুনানি শুরু হয়। আংশিক শুনানির পর বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) পর্যন্ত মুলতবি রাখেন আদালত।
শুনানিতে রিটের পক্ষে বক্তব্য উপস্থাপন করেন ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর ও অ্যাডভোকেট প্রবীর নিয়োগী। নির্বাচন কমিশনের পক্ষে ব্যারিস্টার খান মোহাম্মদ শামীম আজিজ ও রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশগুপ্ত। এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অবসরের পর তিন বছরের মধ্যে নিবার্চনে অংশ নেওয়ার বিধান কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি রুল জারি করেন হাইকোর্ট। প্রধান নির্বাচন কমিশনার, আইন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, জনপ্রশাসন সচিব, স্থানীয় সরকার সচিব ও লালমনিরহাট জেলা প্রশাসককে চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়।
নির্বাচনে প্রার্থী হতে সরকারি চাকরিজীবীদের অযোগ্যতার বিষয়ে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও)-১৯৭২ এর ১২ (১) (চ) ধারায় বলা হয়েছে, ‘প্রজাতন্ত্রের বা সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষের বা প্রতিরক্ষা কর্ম বিভাগের কোনো চাকরি থেকে পদত্যাগ করেছেন বা অবসরে গেছেন এবং উক্ত পদত্যাগ বা অবসরে যাওয়ার পর তিন বৎসর অতিবাহিত না হয়ে থাকে তাহলে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন না।‘ এ বিধান চ্যালেঞ্জ করে গত জানুয়ারিতে বিগ্রেডিয়ার জেনারেল(অব:) মো. শামীম কামাল হাইকোর্টে রিট করেছেন। পরে অবসরে যাওয়া আরো অনেক সরকারি কর্মকর্তা রিট করেন। ওইসব রিটের শুনানি নিয়ে বিভিন্ন সময়ে হাইকোর্ট রুল জারি করেন। মঙ্গলবার সবগুলো রুলের চূড়ান্ত শুনানি শুরু হয়।
আ.রহিম