নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠের ধবলধোলাই হয়ে অস্ট্রেলিয়ায় পা রেখে ভারত। সেখানেও প্রথম ইনিংসে ১৫০ রানে অল আউট হয়ে বিপাকে পড়ে ভারত। তবে ১০৪ রানে স্বাগতিকদের অল আউট করে ৪৬ রানের লিড পায় সফরকারীরা। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে যশস্বী জয়সওয়ালের রেকর্ড গড়া দেড়শ রানের ইনিংসে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ৪০০ রানের লিড পার করেছে ভারত।
প্রথম ইনিংসে ০ রানে আউট হওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে করেন ১৬১ রানে। ২৯৭ বলে এই ইনিংস খেলার পথে তিনি ১৫টি চার ও ৩টি ছক্কা হাঁকান। তার ইনিংসে হয়েছে বেশ কয়েকটি রেকর্ডও।
২
ক্রিকেটবিশ্বে দ্বিতীয় ব্যাটার হিসেবে নিউজের প্রথম চার শতককেই দেড়শ তে রূপান্তর করেছেন জয়সওয়াল। তার আগে এই কীর্তি গড়েছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অধিনায়ক অধিনায়ক গ্রায়েম স্মিথ।
৩
২০০১ সালের পর তিনজন বিদেশি ক্রিকেটার অস্ট্রেলিয়ায় ছক্কা হাঁকিয়ে সেঞ্চুরি করেন। প্রথমজন ২০০৩ সালে রাহুল দ্রাবিড়, ২০০৯ সালে ক্রিস গেইল আর এবার জয়সওয়াল।
১৫
ক্যারিয়ারের ১৫তম টেস্টে শেষে রান সংগ্রাহকদের তালিকায় চতুর্থ স্থানে অবস্থান করছে যশস্বী জয়সওয়াল। তার নামের পাশে ১৫৬৮ রান করেছেন। তার ওপরে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান কিংবদন্তি ডন ব্র্যাডম্যান (২১১৫), মার্ক টেলর (১৮১৮) ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের এভারটন উইকস (১৫৭৬)।
২৩
২২ বছর ৩৩২ দিন বয়সে টেস্ট ক্যারিয়ারে চতুর্থবার ১৫০ রানের বেশি ইনিংস খেললেন যশস্বী জয়সোয়াল। এর আগে, ২৩ বছর বয়সে ৪ বার ১৫০ রান ছুঁয়েছেন শচীন টেন্ডুলকার। একই কীর্তি গ্রায়েম স্মিথ ও জাভেদ মিয়াঁদাদেরও আছে। সর্বোচ্চ ৮ বার ১৫০ স্পর্শ করা রেকর্ডটি ডন ব্র্যাডম্যানের।
২৩/৩
বয়স ২৩ পূর্ণ হওয়ার আগেই এক পঞ্জিকাবর্ষে ৩টি শতক হাঁকিয়ে ফেললেন এই তরুণ ব্যাটার। একই বয়সে সমান ৩টি করে শতক রয়েছে রবি শাস্ত্রী ও শচীনের। তবে গাভাস্কার ও বিনোদ কাম্বলি ওই সময়েই ৪টি টেস্টে তিন অঙ্কের দেখা পেয়েছেন।
১০০
প্রথমবার অস্ট্রেলিয়ায় খেলতে নেমেই সেঞ্চুরির দেখা পাওয়া ভারতের ক্রিকেটারদের মধ্যে তৃতীয় জয়সওয়াল। এর আগে, ১৯৬৭-৬৮ সালে ব্রিসবেন টেস্টে জয়সিমহা (১০১) ও ১৯৭৭-৭৮ সালে একই ভেন্যুতে সুনীল গাভাস্কার সেঞ্চুরি করেন অস্ট্রেলিয়ায় অভিষেক টেস্টে।