ফাইনালের আগেই ফাইনালের আমেজ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে। কেননা, দুবাইতে আজ মুখোমুখি হতে চলেছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত এবং পাকিস্তান। স্বাভাবিকভাবেই ক্রিকেটের সবচেয়ে হাইভোল্টেজ ম্যাচটি এখন আলোচনার তুঙ্গে। চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ, যা ম্যাচ শেষ হওয়ার পরও স্থায়ী হবে কয়েক দিন। তবে আপাতত জয়ের ছক কষছে দুই দল। ভারত কি পরিকল্পনা করেছে তা জানতে চাওয়া হয়েছিল শুভমান গিলের কাছে, যিনি গতকাল সংবাদ সম্মেলনে ভারতের প্রতিনিধি হয়ে হাজির হন। তরুণ এই ব্যাটার অনেক কিছুই বলেছেন। তবে লড়াইয়ের আগে তাদের ব্লুপ্রিন্ট গড়গড় করে বলে যাননি। শুধুমাত্র এতটুকু বলেছেন, ‘ম্যাচের পরিস্থিতি দেখে খেলব।’
দুবাইতে ইতোমধ্যে একটি ম্যাচ খেলেছে ভারত। বাংলাদেশের বিপক্ষে সেই লড়াইয়ে পেয়েছে ৬ উইকেটের দাপুটে জয়। তাই কন্ডিশন সম্পর্কে ভালো ধারণা হয়েছে তাদের। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শুভমান গিল বলেন, ‘(বাংলাদেশের বিপক্ষে) সর্বশেষ ম্যাচে শিশির ছিল না। ফ্লাডলাইটের নিচে আলো শিশির থাকবে না হয়তো। এখানাকার মন্থর উইকেটে রান করা সহজ নয়। আমাদের স্ট্রাইক ঘোরাতে হবে। মাঝের ওভারগুলোতে (১১-৪০ ওভারে) যে দল ভালো খেলবে তাদের জেতার জন্য ভালো সুযোগ থাকবে।’
বড় ম্যাচে ভারতের এপ্রোচ কেমন হবে? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আদর্শ ক্রিকেট খেলার ধরন হলো কন্ডিশন দেখে এবং উইকেট মূল্যায়ন করে। বাংলাদেশ ম্যাচে আমরা প্রথমে ফিল্ডিং করতে পেরেছিলাম এবং উইকেট কেমন ছিল তা বুঝার সময় পেয়েছিলাম। একজন ব্যাটার হিসেবে আপনাকে কন্ডিশন মূল্যায়ন করতে হবে। অবশ্যই আমাদের আক্রমনাত্মক এবং ইতিবাচক ক্রিকেট খেলতে হবে, তবে সবকিছু নির্ভর করবে উইকেটের ওপর। এই উইকেটগুলোতে ২৬০-২৮০ একটি ভালো স্কোর। আবার ভিন্ন উইকেট হলে আমরা ৩২০-৩৪০ করতে চাই। আমাদের কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য নেই। তবে আমরা যেকোনো পিচে মোটের চেয়ে ১৫-৩০ রান বেশি করার চেষ্টা করি।’
গিল আরও বলেন, ‘দুবাইতে টসের কোনো প্রভাব থাকে না। যেহেতু শিশির নেই। যদি শিশির চলে আসে, তাহলে অনেক বড় পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। আমরা পাকিস্তানের নির্দিষ্ট কোনো বোলারকে টার্গেট করিনি। ম্যাচের পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে আমাদের খেলার ধরন। আমি জানি না এটা অতিরঞ্জিত কি না। তবে এই লড়াইয়ের অনেক ইতিহাস রয়েছে এবং লাখ লাখ মানুষ এই খেলাটি দেখতে ভালোবাসে। ভারত-পাকিস্তান বড় ম্যাচ। আমরা ভালো ক্রিকেট খেলতে চাই এবং পাকিস্তানকে ছোট দল হিসেবে দেখছি না।’