তরুণ প্রজন্মের পছন্দের স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস (এমডব্লিউসি) ২০২৫-এ তাদের ‘আল্ট্রা’ ফোনের কনসেপ্ট উন্মোচন করেছে। এই ফোনটিতে ইন্টারচেঞ্জেবল লেন্স সেটআপের মতো অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।
এই কনসেপ্ট ফোনে থাকবে ‘প্রোপাইটরি লেন্স মাউন্ট সিস্টেম’-এর সঙ্গে ১ ইঞ্চি কাস্টমাইজড সনি সেন্সর। এর ফলে ব্যবহারকারীরা সরাসরি ডিএসএলআর লেন্স স্মার্টফোনের সঙ্গে যুক্ত করতে পারবেন।
ফোনটিতে ৭৩ মিলিমিটার পোট্রেট এবং ২৩৪ মিলিমিটার টেলিফটোসহ দুটি প্রো-লেভেলের লেন্স থাকবে। এছাড়া ১০ গুণ জুমসহ ক্রিমি বোকেহ সুবিধা থাকায় মোবাইল ডিভাইসে অকল্পনীয় স্বচ্ছ ছবি তোলা যাবে।
এমডব্লিউসি ২০২৫-এ রিয়েলমি তাদের আগামী তিন বছরের কৌশলগত পরিকল্পনাও প্রকাশ করেছে। মধ্য থেকে উচ্চস্তরের বাজারে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করে বিশ্বব্যাপী ব্যবহারকারীর সংখ্যা দ্বিগুণ করার কথা ভাবছে প্রতিষ্ঠানটি।
রিয়েলমির ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং সিএমও চেজ জু বলেন, ‘প্রবৃদ্ধির এই নতুন সময়ে, আমরা ব্যবহারকারীদের চাহিদা অনুযায়ী উপযোগী উদ্ভাবনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের নতুন কৌশলগত পরিকল্পনায় শুধু বাজার সম্প্রসারণ নয়, তরুণ প্রজন্মের ক্ষমতায়নের বিষয়টিও প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।’
কৌশলগত পরিকল্পনার অংশ হিসেবে রিয়েলমি তাদের পণ্য পরিকল্পনা, ব্র্যান্ড উন্নত ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের একটি রোডম্যাপ তৈরি করেছে।
এমডব্লিউসি ২০২৫-এ রিয়েলমি তাদের তিনটি সিগনেচার পণ্যের বিশ্বব্যাপী অবস্থান ঘোষণা করেছে, এর মধ্যে রয়েছে জিটি, নাম্বার ও সি সিরিজ। এই পণ্যগুলো তরুণদের প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম হবে বলে রিয়েলমি মনে করে।
তরুণ প্রজন্মের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহার জনপ্রিয় করার লক্ষ্যে রিয়েলমি ‘নেক্সট এআই’ উদ্যোগ চালু করেছে। এর মাধ্যমে এআই ইমেজিং, এআই দক্ষতা এবং এআই গেমিংয়ের মতো ক্ষেত্রে উন্নত প্রযুক্তি সরবরাহ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
রিয়েলমি আগামী তিন বছরে বিশ্বব্যাপী ১০ কোটি এআই স্মার্টফোন সরবরাহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটি তাদের জিটি, নাম্বার এবং সি সিরিজের ফোনগুলোতে সেরা চিপসেট ও ব্যাটারি ব্যবহারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
ভবিষ্যতে তরুণ প্রজন্মের পছন্দের আইকনিক আইপিগুলোর সঙ্গে কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে রিয়েলমির। ২০২৫ সালে রিয়েলমি শীর্ষস্থানীয় বিনোদন ও লাক্সারি আইপিগুলোর সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে নতুন মানদণ্ড তৈরি করতে চায়।
/আবরার জাহিন