ঢাকা ২০ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
দুপুরের মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা কঠিন লড়াইয়ের মানসিকতা থাকতে হবে : মার্তিনেস ফ্রান্সের দুর্ধর্ষ আক্রমণভাগ বনাম গিল প্রাচীর ‘আহাদ! আহাদ!’ ঘানাকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় কলম্বিয়া নগরকান্দায় প্রবাসীর বাড়ি দখল করে তালা, পুলিশের হস্তক্ষেপে উদ্ধার কেপ ভার্দের লড়াকু মানসিকতার প্রশংসা বুবিস্তার নাটোরে ৩৫ ফুট কালী প্রতিমা ঘিরে পূজা ও মেলা মায়ানমারে বিমান হামলার আতঙ্কে টেকনাফ সীমান্তের মানুষ পদ্মায় শতাধিক ড্রেজারে বালু উত্তোলন ডাকসুর উদ্যোগে দুই মাসব্যাপী আবৃত্তি-অভিনয় ও সঙ্গীত কর্মশালার উদ্বোধন ঢাকার বাতাস আজ ‘সহনীয়’, দূষণের শীর্ষে কিনশাসা খবরের কাগজ ‘বন্ধুজন’ শৈলকুপা উপজেলা কমিটি গঠিত সহজ প্রতিপক্ষ বলা সমালোচকদের জবাব দিলেন স্কালোনি ইতিহাসের সাক্ষী জিগাগাড়ী জামে মসজিদ জুলাই শহিদদের স্মরণে আজ বিশেষ সভায় থাকবেন প্রধানমন্ত্রী কেপ ভার্দেকে প্রশংসায় ভাসালেন মেসি আদালতের রায়ে বদলে গেল চট্টগ্রাম-৪ এর রাজনৈতিক সমীকরণ তিব্বতের পতাকা নিয়ে জাতিসংঘের সামনে আত্মহত্যা বাড়ছে জমি নিবন্ধনের খরচ ভারতে ইনস্টাগ্রামে শিশু যৌন নির্যাতনের বিজ্ঞাপন অভিজ্ঞতার ঢাল, গতির তলোয়ার ফিলিস্তিনের পতাকা উড়িয়ে যে বার্তা দিলেন মিশরের কোচ ইসলামী ব্যাংক: ছুটি থেকে এসে জানতে পারেন চাকরি নেই আরাগচি-গালিবাফকেও হত্যা করতে চেয়েছিল ইসরায়েল কষ্টার্জিত জয়ে আত্মসমালোচনায় মেসি চট্টগ্রামে রাজস্ব আদায়ে শীর্ষে জ্বালানি-গাড়ি আমদানি অপ্রতিরোধ্য ফ্রান্সের সামনে প্যারাগুয়ে মেসির আরও একটি নতুন ইতিহাস উদাস করা বাবলা ফুল

টিটিপির উত্থান নিজের সৃষ্ট আগুনে জ্বলছে পাকিস্তান

প্রকাশ: ২৫ অক্টোবর ২০২৫, ১০:৫৪ এএম
আপডেট: ২৫ অক্টোবর ২০২৫, ১১:৩৮ এএম
নিজের সৃষ্ট আগুনে জ্বলছে পাকিস্তান
ছবি: সংগৃহীত

২০২৫ সালের ‘গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্স’ অনুসারে পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদের ভয়াবহ পুনরুত্থানের মুখে পড়েছে। দেশটির সশস্ত্র গোষ্ঠী তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) বিশ্বের সবচেয়ে প্রাণঘাতী সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছে।

২০২৪ সালে বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসী হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪ হাজার ২০৪ জনে দাঁড়িয়েছে। যেটি আগের বছরের তুলনায় ১১ শতাংশ বেশি। এ মৃত্যুর ৮০ শতাংশের জন্য দায়ী চারটি গোষ্ঠী- ইসলামিক স্টেট (আইএস), জামাত নুসরাত আল-ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম), টিটিপি ও আল-শাবাব। ১০ বছর আগে এই চার গোষ্ঠীর দায় ছিল ৪০ শতাংশেরও কম।

আইএস এখনো বিশ্বের সবচেয়ে প্রাণঘাতী সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক হিসেবে রয়ে গেছে। গোষ্ঠীটি ও এর সহযোগীরা ২৩টি দেশে সক্রিয়। যদিও ২০২৪ সালে তাদের হাতে নিহতের সংখ্যা ১০ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ১ হাজার ৮০৫ জনে। অন্যদিকে টিটিপি মৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি বাড়িয়েছে, ৯০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৫৫৮ জনে দাঁড়িয়েছে।

পাকিস্তানে সন্ত্রাসের বিস্তার
পাকিস্তান ২০২৪ সালে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে প্রাণহানির দিক থেকে বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্ত দেশ। ওই বছর সন্ত্রাসে নিহতের সংখ্যা ৪৫ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৮১ জনে পৌঁছায়। বিশ্লেষকরা বলছেন, আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতায় আসার পর থেকেই পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদের ঢেউ বাড়ছে। ২০২১ সালের পর থেকে দেশটিতে হামলার সংখ্যা পাঁচ গুণ বেড়েছে।

টিটিপির উত্থানই এই প্রবণতার মূল কারণ। আফগান তালেবানের আদর্শে অনুপ্রাণিত এই গোষ্ঠী পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ২০২৩ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে টিটিপির হামলায় প্রাণহানি প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।

২০২৪ সালে টিটিপি ৪৮২টি হামলা চালায়, যেখানে নিহত হন ৫৫৮ জন। এটি ২০১১ সালের পর সর্বোচ্চ। সংগঠনটি এখন বিশ্বের তৃতীয় সবচেয়ে প্রাণঘাতী সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে বিবেচিত। এই হামলার ৯৬ শতাংশ ঘটেছে আফগান সীমান্তবর্তী খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে। সেখানে ২০২৩ সালের তুলনায় হামলার সংখ্যা দ্বিগুণের বেশি বেড়ে দাঁড়ায় ৪৬২টিতে, যেখানে নিহত হন ৫৪৫ জন।

সবচেয়ে ভয়াবহ হামলাটি ঘটে এক সেনা ফাঁড়িতে, যেখানে টিটিপি জঙ্গিরা ১৬ জন পাকিস্তানি সেনাকে হত্যা করে। এটি ছিল তাদের এক শীর্ষ কমান্ডার নিহত হওয়ার প্রতিশোধ।

প্রতিবেদন জানায়, টিটিপির ৫১ শতাংশ হামলা পুলিশের বিরুদ্ধে, ১৬ শতাংশ সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে এবং ১৬ শতাংশ বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে। সশস্ত্র আক্রমণ সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত কৌশল, যা মোট হামলার দুই-তৃতীয়াংশ এবং মৃত্যুর ৭২ শতাংশের জন্য দায়ী। বোমা হামলার সংখ্যাও তিন গুণ বেড়েছে।

টিটিপির লক্ষ্য ও কার্যক্রম
২০০৭ সালে গঠিত টিটিপি আফগান তালেবানের মতোই আদর্শে বিশ্বাসী। তাদের লক্ষ্য পাকিস্তান সরকারকে উৎখাত করে ইসলামি শাসন প্রতিষ্ঠা করা। গোষ্ঠীটি পাকিস্তান-আফগান সীমান্ত অঞ্চলে সক্রিয়। বিভিন্ন ছোট ইসলামপন্থি দলকে অন্তর্ভুক্ত করে।

২০১৪ সালের ডিসেম্বরে টিটিপির সবচেয়ে নৃশংস হামলায় পেশোয়ারের এক স্কুলে ১৪১ জন নিহত হয়, যাদের অধিকাংশই শিশু। এরপর পাকিস্তান সরকার সন্ত্রাস দমন পরিকল্পনা হিসেবে ‘ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান’ (ন্যাপ) চালু করে।

২০২৪ সালের জুনে ‘অপারেশন আজম-ই-ইস্তেহকাম’ শুরু হয়, যাতে জঙ্গি ও বিদ্রোহী নেতাদের লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়। তবে আফগানিস্তানের পাকটিকা প্রদেশে এসব হামলায় বেসামরিক হতাহতের অভিযোগ উঠেছে।

সরাসরি কোনো ভূখণ্ডের দখল না থাকলেও টিটিপি উত্তর ও দক্ষিণ ওয়াজিরিস্তানসহ সীমান্তবর্তী এলাকায় প্রভাব বজায় রেখেছে। পাহাড়ি এলাকা ব্যবহার করে তারা সহজেই সীমান্ত পারাপার ও ঘাঁটি বদল করতে পারে।

সরকারের অবস্থান
পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ বলেছেন, সরকার ‘কোনো অবস্থাতেই টিটিপির সঙ্গে আলোচনা করবে না।’ ইসলামাবাদ কেবল আফগান তালেবানের সঙ্গে আলোচনা চালাবে, কারণ টিটিপি আফগান মাটিতেই আশ্রয় নিচ্ছে।

সম্প্রতি সীমান্তে এক সপ্তাহের সংঘর্ষের পর কাতারের মধ্যস্থতায় পাকিস্তান ও আফগান তালেবান যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছেছে। আসিফ জানান, দোহায় তালেবান প্রতিনিধিদল প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তারা পাকিস্তানি জঙ্গিদের নিয়ন্ত্রণে রাখবে। তিনি আরও বলেন, ‘যুদ্ধবিরতি টেকানো নির্ভর করবে তালেবানদের প্রতিশ্রুতি রক্ষার ওপর।’ খসড়া চুক্তিতে মাত্র চারটি ধারা রয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারিত দীর্ঘ সংস্করণকে ‘বানোয়াট’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। আগামী সপ্তাহে তুরস্কে যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন নিয়ে আরও আলোচনা হবে বলে তিনি জানান।

বিপরীত বাস্তবতায় পাকিস্তান নিজের ফাঁদে
বিশ্লেষকরা বলছেন, পাকিস্তান এখন নিজের তৈরি জালে আটকে পড়েছে। আফগানিস্তানকে নিয়ন্ত্রণের স্বপ্নে দেশটি যে সন্ত্রাসবাদকে বছরের পর বছর লালন করেছে, সেটিই এখন তার জন্য অভিশাপ হয়ে ফিরে এসেছে।

নব্বইয়ের দশকে পাকিস্তান যেসব তালেবান নেতাকে গড়ে তুলেছিল, তারাই এখন পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরছে। আফগান যোদ্ধারা পাকিস্তানি সৈন্যদের পোশাক ‘ট্রফি’ হিসেবে প্রদর্শন করছে। যেটি ইসলামাবাদের জন্য এক গভীর অপমানের প্রতীক।

তালেবানকে নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হয়ে পাকিস্তান এখন আফগান শরণার্থীদের ওপর নিপীড়ন চালাচ্ছে। ঘরবাড়ি ভাঙা, স্কুলে নিষেধাজ্ঞা আর শারীরিক নির্যাতনের খবর প্রতিদিন বাড়ছে। অথচ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর নীরবতা চোখে পড়ার মতো। ভারতের দৃষ্টিকোণ থেকে এই পরিস্থিতি ‘কাব্যিক ন্যায়বিচার’-এর মতো। যে দেশ দশকের পর দশক ধরে ভারতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদকে অস্ত্র করেছে, এখন সেই একই আগুনে নিজেই পুড়ছে।

ওসামা বিন লাদেন থেকে শুরু করে দাউদ ইব্রাহিম- দুজনই পাকিস্তানের মাটিতে নিরাপদ আশ্রয় পেয়েছিলেন। আজ সেই দেশই বিশ্বের সবচেয়ে সন্ত্রাসপ্রবণ অঞ্চলের একটি।

পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্ত সংঘাত এখন শুধু আঞ্চলিক নয়, নৈতিক হিসাবের প্রতীকও। রাজনৈতিক লাভের জন্য চরমপন্থাকে আশ্রয় দেওয়ার যে পরিণতি হতে পারে, পাকিস্তান তার জীবন্ত উদাহরণ। বিশ্লেষকদের মতে, ‘যে দেশ ঘৃণা ও সন্ত্রাসের বীজ বপন করে, এক দিন সে নিজেই তার ফল ভোগ করে’। পাকিস্তানের ক্ষেত্রেও সেটিই এখন বাস্তব। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া, ভোলান্ট মিডিয়া ও দ্য হ্যানস ইন্ডিয়া।

তিব্বতের পতাকা নিয়ে জাতিসংঘের সামনে আত্মহত্যা

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৬ এএম
আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৫ এএম
তিব্বতের পতাকা নিয়ে জাতিসংঘের সামনে আত্মহত্যা
জাতিসংঘের সদর দপ্তরের তিব্বতের পতাকা হাতে লোবগা রাংজেন। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সামনে তিব্বতের পতাকা হাতে নিয়ে গায়ে আগুন লাগিয়ে এক ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। নিউইয়র্ক সিটি পুলিশের এক মুখপাত্র জানান, গত বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ৯১১-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে ৫২ বছর বয়সী ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নির্বাসিত তিব্বতিদের সংবাদমাধ্যম ‘ভয়েস অব তিব্বত’ জানায়, ওই ব্যক্তি তিব্বতের মানবাধিকারকর্মী। তার নাম ‘লোবগা রংজেন’। তবে স্থানীয় পুলিশ এখনো ঘটনার কারণ এবং নিহতের পরিচয় প্রকাশ করেনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের এক ভিডিওতে দেখা যায়, ওই ব্যক্তি জাতিসংঘ সদর দপ্তরের বিপরীতে ফার্স্ট অ্যাভিনিউতে তিব্বতের পতাকা হাতে দাঁড়ান এবং তার শরীর আগুনে ঝলসে যায়। রাস্তায় গাড়ি চলাচলের সময়ই তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। সেখানে থাকা দুজন ব্যক্তি অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র দিয়ে আগুন নেভাতে সক্ষম হন। এ ঘটনায় তিব্বতের নির্বাসিত সরকার পেনপা সেরিং বলেন, তিনি এই ঘটনায় খুবই মর্মাহত। তিনি তিব্বতিদের তাদের জীবনের মূল্য অনুধাবন করার আহবান জানান।
সূত্র : সিএনএন

ভারতে ইনস্টাগ্রামে শিশু যৌন নির্যাতনের বিজ্ঞাপন

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৯:০০ এএম
আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৯:০১ এএম
ভারতে ইনস্টাগ্রামে শিশু যৌন নির্যাতনের বিজ্ঞাপন
ইনস্টাগ্রাম। ছবি: সংগৃহীত

ভারতে শিশু যৌন নির্যাতনের ভিডিও বিক্রির বিজ্ঞাপন প্রচারের অভিযোগ উঠেছে ইনস্টাগ্রামের বিরুদ্ধে। ইনস্টাগ্রামে অর্থের বিনিময়ে প্রকাশিত এসব বিজ্ঞাপনে ‘রেপ ভিডিও’ ও ‘চাইল্ড ভিডিও’র মতো শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসিআই। বিজ্ঞাপনগুলো থেকে ব্যবহারকারীদের মেসেজিং অ্যাপ টেলিগ্রামের বিভিন্ন চ্যানেলে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে মাত্র ৯৯ রুপিতেই এসব ভিডিও কেনার সুযোগ দেওয়া হচ্ছিল।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইনস্টাগ্রামে বিজ্ঞাপন প্রকাশের আগে সেগুলো প্ল্যাটফর্মটির স্বয়ংক্রিয় পর্যালোচনা ব্যবস্থার অনুমোদন পায়। অথচ বিবিসি একটি বিজ্ঞাপনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার ২৪ ঘণ্টা পর ইনস্টাগ্রাম জানায়, সেটি তাদের কমিউনিটি গাইডলাইন লঙ্ঘন করেনি।

পরে বিবিসি বিষয়টি নিয়ে ইনস্টাগ্রামের মূল প্রতিষ্ঠান মেটার কাছে জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, তারা ইতোমধ্যে কয়েকটি বিজ্ঞাপন সরিয়ে ফেলেছে। সংশ্লিষ্ট একাধিক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করেছে এবং নীতিমালা লঙ্ঘনকারী আরও কনটেন্টের লিংক ব্লক করেছে। মেটার দাবি, শিশু যৌন নির্যাতন একটি জঘন্য অপরাধ। এ ধরনের কার্যক্রম ঠেকাতে তারা সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

টেলিগ্রাম জানিয়েছে, ২০২৬ সালে শিশু যৌন নির্যাতনসংক্রান্ত ২ লাখ ৭৪ হাজারের বেশি গ্রুপ ও চ্যানেল সরিয়ে ফেলেছে তারা। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি ও মানবীয় তদারকির সমন্বয়ে তারা এ ধরনের কনটেন্ট দমনে কাজ করছে। প্রকাশ্যে এ ধরনের কনটেন্ট ছড়িয়ে পড়া প্রায় নির্মূল করা হয়েছে।

তদন্তের অংশ হিসেবে বিবিসি ভারতে ছদ্মনামে একটি ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট খুলে কয়েকজন যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ কনটেন্ট নির্মাতাকে অনুসরণ করে। এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে সেই অ্যাকাউন্টে ভিডিও কলের প্রস্তাব, পর্নোগ্রাফি এবং পরে শিশুদের নিয়ে যৌন নির্যাতনের ইঙ্গিতপূর্ণ বিজ্ঞাপন দেখানো শুরু হয়। মোট প্রায় ৩০টি ভিন্ন বিজ্ঞাপনে শিশু যৌন নির্যাতনের ভিডিও প্রচার করা হয় এবং আরও প্রায় ২০টি বিজ্ঞাপনে প্রাপ্তবয়স্কদের পর্নোগ্রাফি দেখানো হয়।

ভারতের আইনে শিশু যৌন নির্যাতনের উপাদান এবং পর্নোগ্রাফি বিতরণ–উভয়ই ফৌজদারি অপরাধ। মেটার বিজ্ঞাপন নীতিতেও শিশুদের যৌন শোষণ, নগ্নতা কিংবা এ ধরনের কনটেন্ট সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। বিবিসি সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞাপন ও টেলিগ্রাম চ্যানেলগুলোর তথ্য ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছেও হস্তান্তর করেছে।

একটি বিজ্ঞাপনে প্রায় ১২ বছর বয়সী এক ছেলে ও এক মেয়েকে যৌন কর্মকাণ্ডে লিপ্ত অবস্থায় দেখানো হয়। আরেকটিতে ৫২ বছর বয়সী এক ব্যক্তির সঙ্গে ১২ বছর বয়সী এক শিশুর ছবি দিয়ে লেখা ছিল, ‘আরও দেখতে ক্লিক করুন’, যা একটি টেলিগ্রাম চ্যানেলে নিয়ে যায়।

বিবিসি জানায়, একটি বিজ্ঞাপনে যৌন নির্যাতনের শিকার বলে মনে হওয়া এক শিশুকন্যার ছবি ছিল। সেটি রিপোর্ট করার পরও ইনস্টাগ্রাম জানায়, বিজ্ঞাপনটি তাদের নীতিমালা লঙ্ঘন করেনি। পরে মেটা স্বীকার করে, তাদের পর্যালোচনা ব্যবস্থা সব ধরনের নীতিমালা লঙ্ঘন শনাক্ত করতে সক্ষম নয়।

মেটা জানায়, তারা শিশু শোষণের অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সেন্টার ফর মিসিং অ্যান্ড এক্সপ্লয়টেড চিলড্রেন (এনসিএমইসি)-এ রিপোর্ট করে। ২০২৫ সালে সংস্থাটির সাইবার টিপলাইন থেকে ভারতে ১৯ লাখ এবং যুক্তরাষ্ট্রে ২০ লাখ অভিযোগ পাঠানো হয়।

ভারতের সাবেক সুপ্রিম কোর্ট বিচারপতি মদন লোকুর বিবিসিকে বলেন, এ ধরনের বিজ্ঞাপন প্রকাশ করে ইনস্টাগ্রাম কার্যত একটি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে অর্থ উপার্জন করছে। তার মতে, বিষয়টি এতটাই গুরুতর যে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে পারে।

ফেসবুকের (বর্তমান মেটা) সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্রায়ান বোল্যান্ডও বিবিসির অনুসন্ধানে বিস্ময় প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ব্যবহারকারীদের দীর্ঘ সময় প্ল্যাটফর্মে ধরে রাখতে ইনস্টাগ্রামের অ্যালগরিদম ক্রমেই আরও উত্তেজক কনটেন্ট দেখায়। তার ভাষায়, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ব্যবহারকারীর নিরাপত্তার চেয়ে আয়ের বিষয়টি কোম্পানির কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

মেটা এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, তারা কখনোই ইচ্ছাকৃতভাবে শিশুদের দিয়ে তৈরি বিজ্ঞাপন অনুপযুক্ত ব্যবহারকারীদের কাছে পৌঁছে দেয় না। ২০২৫ সালে সন্দেহজনক আচরণের কারণে ৪০ লাখের বেশি অ্যাকাউন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ করা হয় বলেও জানায় মেটা।

ভারতের শিশু অধিকারকর্মীরা বলছেন, ইনস্টাগ্রাম থেকে টেলিগ্রামে সহজে চলে যাওয়ার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অপরাধীরা একই ধরনের কনটেন্ট বারবার ছড়িয়ে দিচ্ছে। তাদের মতে, এ অপরাধ দমনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা আরও জোরদার করা জরুরি। সূত্র: বিবিসি

তেহরানকে সতর্ক করেছিল যুক্তরাষ্ট্র আরাগচি-গালিবাফকেও হত্যা করতে চেয়েছিল ইসরায়েল

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৫ এএম
আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৭ এএম
আরাগচি-গালিবাফকেও হত্যা করতে চেয়েছিল ইসরায়েল
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ও পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের শুরুতে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার সময় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ও পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফকে হত্যার চেষ্টা হতে পারে বলে তেহরানকে পরোক্ষভাবে সতর্ক করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে গত বৃহস্পতিবার এমন তথ্য প্রকাশ করে নিউইয়র্ক টাইমস।

প্রতিবেদনে বর্তমান ও সাবেক মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও ইসরায়েল শীর্ষ দুই ইরানি আলোচককে হত্যার পরিকল্পনা করতে পারে–এমন আশঙ্কা করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের কিছু কর্মকর্তা। সে কারণেই মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের মাধ্যমে তেহরানকে সতর্কবার্তা পাঠায় ওয়াশিংটন।

মার্কিন কর্মকর্তারা বলেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর ইসরায়েল যখন ইরানের শীর্ষ সামরিক ও রাজনৈতিক নেতাদের লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছিল, তখন আরাগচি ও গালিবাফও সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু ছিলেন। ওই সময় জাতীয় নিরাপত্তাপ্রধান আলী লারিজানি এবং সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী কামাল খাররাজিসহ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ভূমিকা রাখতে পারতেন–এমন আরও কয়েকজন জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয়।

এপ্রিলের শুরুতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর আরাগচি ও গালিবাফ ইরানের পক্ষে আলোচনায় নেতৃত্ব দিতে শুরু করলে তাদের ওপর হামলা হলে শান্তি আলোচনা ভেঙে পড়তে পারত এবং নতুন করে সংঘাত শুরু হওয়ার আশঙ্কা ছিল বলে মার্কিন কর্মকর্তারা মনে করেন।

মার্চে রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানায়, পাকিস্তানের অনুরোধে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে আরাগচি ও গালিবাফকে টার্গেট না করার আহ্বান জানায়। পাকিস্তানের এক কর্মকর্তা তখন বলেন, এই দুই নেতাকে হত্যা করা হলে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার মতো কার্যকর কোনো পক্ষ অবশিষ্ট থাকত না। এর পরই যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে সরে দাঁড়াতে বলে।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০২৫ সালের জুনে ইরানে ইসরায়েলের হামলার সময় এবং চলতি বছর আরেকটি ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান গালিবাফ। উভয় ক্ষেত্রেই হামলার শিকার ভবনের ধ্বংসস্তূপ থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১২ এপ্রিল ইসলামাবাদে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে বৈঠক শেষে গালিবাফ দেশে ফেরার সময়ও তার নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়। ইরান সম্ভাব্য ইসরায়েলি হামলার আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক নিশ্চয়তা চেয়েছিল এবং পাকিস্তান ইরানি প্রতিনিধিদলের নিরাপত্তায় যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছিল।

ফেরার পথে ইরানের নিরাপত্তা সংস্থাগুলো গালিবাফের বিমানকে সতর্ক করে জানায়, গোয়েন্দা তথ্যে ইসরায়েলের সম্ভাব্য হামলার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। একই সময়ে ইরাকের আকাশসীমা দিয়ে দুটি ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান ইরানে প্রবেশ করেছে বলেও তথ্য পাওয়া যায়।

এরপর গালিবাফের বিমানটি জরুরি ভিত্তিতে উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদে অবতরণ করে। সেখান থেকে তিনি ও তার প্রতিনিধিদল প্রায় ৮ ঘণ্টার সড়কপথে তেহরানে ফিরে যান বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

‘আমি ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় বন্ধু’—নতুন দাবি ট্রাম্পের

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ১০:৪১ পিএম
‘আমি ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় বন্ধু’—নতুন দাবি ট্রাম্পের
ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন ইহুদিদের একটি বড় অংশ কেন এখনো ডেমোক্র্যাটিক পার্টিকে সমর্থন করে, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি নিজেকে ইসরায়েলের ইতিহাসে সবচেয়ে বন্ধুসুলভ মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দাবি করেন এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমলে ইরানের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তিকে ‘ভুল সিদ্ধান্ত’ বলে কড়া সমালোচনা করেন। যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব মন্তব্য করেন ট্রাম্প।

ইহুদিদের ভোটদানের প্রসঙ্গ টেনে ট্রাম্প বলেন, “একজন ইহুদি কীভাবে ডেমোক্র্যাটদের ভোট দিতে পারে, তা আমি বুঝি না। কারণ, ইসরায়েলের ইতিহাসে আমিই সেরা মার্কিন প্রেসিডেন্ট এবং তারা তা স্বীকারও করে। আমি মনে করি ইসরায়েলে আমার জনপ্রিয়তার হার ৯৯ শতাংশ বা এরকম কিছু।”

তবে ইসরায়েলিদের মধ্যে ঐতিহাসিকভাবে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা থাকলেও সম্প্রতি তা কমেছে। ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারক স্ইয়ের পর ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় এমনটি হয়েছে।

অনেক পর্যবেক্ষকের মতে, এই চুক্তি ইসরায়েলের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের ওবামার আমলের চুক্তির চেয়েও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।

ইসরায়েল ডেমোক্রেসি ইনস্টিটিউট-এর গত মাসের এক জরিপে দেখা গেছে, ট্রাম্পের কাছে ইসরায়েলের নিরাপত্তা অন্যতম প্রধান বিবেচ্য বিষয় বলে মনে করেন মাত্র ৪৪ শতাংশ ইসরায়েলি।

ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসাবে নিজের প্রথম মেয়াদ এবং ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারের সময়ও বারবার প্রশ্ন তুলেছিলেন কেন মার্কিন ইহুদিরা ঐতিহাসিকভাবে ডেমোক্র্যাটদের ভোট দেয়? তিনি বলেছিলেন, যেসব ইহুদি ডেমোক্র্যাটদের ভোট দেয়, তাদের “মাথা পরীক্ষা করা উচিত।”

২০১৬, ২০২০ এবং ২০২৪ সালের বুথফেরত জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের বেশিরভাগ ইহুদি ট্রাম্পের পরিবর্তে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীকেই ভোট দিয়েছে। গত এপ্রিলের এক জরিপে দেখা যায়, মাত্র ২২ শতাংশ মার্কিন ইহুদি প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্পের কার্যকলাপ সমর্থন করে।

দ্য টাইমস অব ইসরায়েল/এসএন

ফ্রান্সে তীব্র দাবদাহে ৯০০০ মানুষের মৃত্যু

প্রকাশ: ০৩ জুলাই ২০২৬, ০৯:২৮ পিএম
ফ্রান্সে তীব্র দাবদাহে ৯০০০ মানুষের মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

ফ্রান্সে জুনের শেষ দিকে হওয়া ভয়াবহ দাবদাহে ৯ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

গত ২২ থেকে ২৮ জুনের মধ্যে তাদের মৃত্যুর তথ্য ইলেকট্রনিকভাবে নিবন্ধিত হয়েছে। এ ছাড়াও তাপপ্রবাহের সময় অতিরিক্ত ২ হাজার ২৫ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিক এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

ফ্রান্সের জাতীয় পরিসংখ্যান ও অর্থনৈতিক গবেষণা সংস্থা (আইএনএসইই) এ তথ্য জানিয়েছে।

শুক্রবার (৩ জুলাই) সংবাদমাধ্যম বিএফএমটিভি এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

ফ্রান্সের স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্টেফানি রিস্ত বলেন, এই তথ্য এখনো প্রাথমিক এবং চূড়ান্ত নয়। কারণ ইলেকট্রনিক মৃত্যুর সনদ দেশজুড়ে সব মৃত্যুর তথ্য কভার করে না।

কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে জানিয়েছে, বর্তমান তথ্য সতর্কতার সঙ্গে বিশ্লেষণ করা উচিত এবং এতে তাপপ্রবাহের প্রকৃত প্রভাব পুরোপুরি প্রতিফলিত নাও হতে পারে। দেশে ইলেকট্রনিক মৃত্যু সনদ প্রায় ৬০ শতাংশ মৃত্যুকে কভার করে, তবে অঞ্চলভেদে এই হার ভিন্ন।

ফ্রান্সে সম্প্রতি একাধিক দিন ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস (৯৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট) এর বেশি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে, যা তীব্র গরম পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে। সূত্র: বিবিসি

এএফ/