ঢাকা ২০ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
দুপুরের মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা কঠিন লড়াইয়ের মানসিকতা থাকতে হবে : মার্তিনেস ফ্রান্সের দুর্ধর্ষ আক্রমণভাগ বনাম গিল প্রাচীর ‘আহাদ! আহাদ!’ ঘানাকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় কলম্বিয়া নগরকান্দায় প্রবাসীর বাড়ি দখল করে তালা, পুলিশের হস্তক্ষেপে উদ্ধার কেপ ভার্দের লড়াকু মানসিকতার প্রশংসা বুবিস্তার নাটোরে ৩৫ ফুট কালী প্রতিমা ঘিরে পূজা ও মেলা মায়ানমারে বিমান হামলার আতঙ্কে টেকনাফ সীমান্তের মানুষ পদ্মায় শতাধিক ড্রেজারে বালু উত্তোলন ডাকসুর উদ্যোগে দুই মাসব্যাপী আবৃত্তি-অভিনয় ও সঙ্গীত কর্মশালার উদ্বোধন ঢাকার বাতাস আজ ‘সহনীয়’, দূষণের শীর্ষে কিনশাসা খবরের কাগজ ‘বন্ধুজন’ শৈলকুপা উপজেলা কমিটি গঠিত সহজ প্রতিপক্ষ বলা সমালোচকদের জবাব দিলেন স্কালোনি ইতিহাসের সাক্ষী জিগাগাড়ী জামে মসজিদ জুলাই শহিদদের স্মরণে আজ বিশেষ সভায় থাকবেন প্রধানমন্ত্রী কেপ ভার্দেকে প্রশংসায় ভাসালেন মেসি আদালতের রায়ে বদলে গেল চট্টগ্রাম-৪ এর রাজনৈতিক সমীকরণ তিব্বতের পতাকা নিয়ে জাতিসংঘের সামনে আত্মহত্যা বাড়ছে জমি নিবন্ধনের খরচ ভারতে ইনস্টাগ্রামে শিশু যৌন নির্যাতনের বিজ্ঞাপন অভিজ্ঞতার ঢাল, গতির তলোয়ার ফিলিস্তিনের পতাকা উড়িয়ে যে বার্তা দিলেন মিশরের কোচ ইসলামী ব্যাংক: ছুটি থেকে এসে জানতে পারেন চাকরি নেই আরাগচি-গালিবাফকেও হত্যা করতে চেয়েছিল ইসরায়েল কষ্টার্জিত জয়ে আত্মসমালোচনায় মেসি চট্টগ্রামে রাজস্ব আদায়ে শীর্ষে জ্বালানি-গাড়ি আমদানি অপ্রতিরোধ্য ফ্রান্সের সামনে প্যারাগুয়ে মেসির আরও একটি নতুন ইতিহাস উদাস করা বাবলা ফুল

‌‌‌‌‍‘রক্তদান মানবিক সেবা, তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান'

প্রকাশ: ২৮ অক্টোবর ২০২৫, ০৮:২৬ পিএম
‌‌‌‌‍‘রক্তদান মানবিক সেবা, তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান'
স্বেচ্ছাসেবী সঙ্ঘ কোয়ান্টাম আয়োজিত তিন শতাধিক স্বেচ্ছা রক্তদাতা সম্মাননা অনুষ্ঠান। ছবি: খবরের কাগজ

ল্যাবে এসে রক্তদান করলে একজন নয়; সেই রক্তে ৪ জনের জীবন বাঁচাতে সহযোগিতা করা সম্ভব। কোয়ান্টাম ল্যাবে ধারাবাহিকভাবে রক্তদানের ফলেই একজন দাতা ২৫ কিংবা ৫০ বারের বেশি রক্তদান করতে পারেন। ২৫ বার রক্ত দিতে একজন দাতার সময় লাগে প্রায় ৯ বছর। আর ৫০ বার রক্ত দিতে সময় লাগে প্রায় ১৮ বছর। ১০০ বার বা সেঞ্চুরি করতে হলে একজন দাতাকে টানা প্রায় ৩৬ বছর রক্ত দিতে হবে।

স্বেচ্ছাসেবী সঙ্ঘ কোয়ান্টাম আয়োজিত তিন শতাধিক স্বেচ্ছা রক্তদাতা সম্মাননা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন আলোচকরা। 

মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর কাকরাইলস্থ ইনস্টিটিউট অফ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) মিলনায়তনে রক্তদাতা সম্মাননা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. আর. কবির।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপচার্য অধ্যাপক ড. এম. আর. কবির বলেন, একজন দাতার দীর্ঘ সময়ের ধারাবাহিক রক্তদান মোটেই সহজ কাজ নয়। এটি একটি মানবিক সেবা। তিনি আরো বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশ ভুটান রক্তচাহিদা মেটাতে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেও বিপুল জনসংখ্যার এই দেশে এখনও রক্ত চাহিদা পূরণ হচ্ছে না। এজন্যে মানবিক এই সেবায় তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে।

অনুষ্ঠানে কমপক্ষে ৩ বার রক্তদান করে লাইফ লং, ১০ বারের দানে সিলভার, ২৫ বারে গোল্ডেন এবং ৫০ বার রক্তদান করে প্লাটিনাম ক্লাবের সদস্য হয়েছেন- এমন তিন শতাধিক স্বেচ্ছা রক্তদাতাকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। স্বেচ্ছা রক্তদাতাদের উদ্বুদ্ধ করতে প্রধান অতিথি এসময় তাদের হাতে সম্মাননা সনদ, ক্রেস্ট ও মেডেল তুলে দেন। অনুষ্ঠানে রক্তদানের অনুভূতির কথা জানান 'বি' পজেটিভ গ্রুপের ২৫ বারের রক্তদাতা রুমানা হক এবং দাতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত রক্তগ্রহীতা খাদিজা আক্তার মলি।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, কোয়ান্টামে কমপক্ষে ২৫ বার রক্ত দিয়েছেন এমন গোল্ডেন ডোনারের সংখ্যা এ পর্যন্ত ২৯৫৯ জন আর ৫০ বারের প্লাটিনাম দাতার সংখ্যা ১৫২ জন। 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন স্বেচ্ছা রক্তদান কার্যক্রমের পরিচালক মোটিভেশন এম রেজাউল হাসান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্বেচ্ছা রক্তদান কার্যক্রমের কো-অর্ডিনেটর ডা. মনিরুজ্জামান। স্বেচ্ছা রক্তদাতাদের কৃতজ্ঞতা জানানোর পাশাপাশি দেশে রক্ত চাহিদা পুরোপুরি মেটাতে তরুণ স্বেচ্ছা রক্তদাতাদের মানবিক এ সেবায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তারা।

প্রসঙ্গত, একজন প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ মানুষ নিয়মিত চার মাস অন্তর অনায়াসেই রক্ত দান করতে পারেন। এতে রক্তাদাতার শারীরিক ক্ষতির কোনো আশঙ্কা তো নেই; বরং তা শারীরিক মানসিক সুস্থতাকে আরো বাড়িয়ে দেয়।

এসএন/

দুপুরের মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ১০:১৭ এএম
দুপুরের মধ্যে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা
ছবি: খবরের কাগজ

দেশের কয়েকটি অঞ্চলে দুপুরের মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। সেই সঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিরও আশঙ্কা রয়েছে।

শনিবার (০৪ জুলাই) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দুপুর ১টা পর্যন্ত আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির আশঙ্কা থাকায় ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ওইসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

অন্তরা/

মায়ানমারে বিমান হামলার আতঙ্কে টেকনাফ সীমান্তের মানুষ

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৯ এএম
মায়ানমারে বিমান হামলার আতঙ্কে টেকনাফ সীমান্তের মানুষ
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের সঙ্গে মায়ানমারের সীমান্ত শহরগুলোতে শুক্রবার (৩ জুলাই) নতুন করে হামলা না হলেও কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার মানুষের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় প্রশাসন থেকে সীমান্তবর্তী এলাকার বসবাসকারীদের সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকার জন্য বলা হয়েছে।

কোস্টগার্ড সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ও যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে নাফ নদী ও সীমান্তসংলগ্ন জলসীমায় টহল এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

দীর্ঘ সময় ধরে কিছুটা যুদ্ধবিরতি থাকলেও চলতি জুলাই মাসে মায়ানমারের পরিস্থিতি আবার উত্তপ্ত হয়েছে। গত ১ ও ২ জুলাই জান্তা বাহিনী বাংলাদেশের সীমান্তসংলগ্ন বিভিন্ন এলাকায় বিমান হামলা চালিয়েছে। এতে সীমান্ত এলাকার মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

পালংখালী এলাকার বাসিন্দা মো. রফিক বলেন, গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হোয়াইক্যং উলুবনিয়া নাফ নদী সীমান্তের ওপার থেকে বোমার শব্দ শোনা গেলেও শুক্রবার সকাল থেকে আর কোনো শব্দ শোনা যায়নি। কিন্তু তার পরও সীমান্ত এলাকার মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মংডু শহরের এক বাসিন্দা বলেন, যুদ্ধবিরতির মধ্যেও আবার বিমান হামলা শুরু হয়েছে। এতে রোহিঙ্গারা ভয় ও আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। যুদ্ধের কারণে নতুন করে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে প্রবেশ করবে কি না–এ প্রশ্নের উত্তরে আলোচনা হলে তিনি বলেন, অনেক রোহিঙ্গা মনে করে তারা নিজেদের জন্মভূমিতেই মরবে। তারা বাংলাদেশে যেতে চায় না। তার ভাষায়, বাংলাদেশ থেকে অনেক রোহিঙ্গা আগে কষ্ট পেয়ে মায়ানমারে ফিরে এসেছে। তবে বড় বড় ঘটনা ঘটলে কিছু রোহিঙ্গা অর্থ ও খাদ্যের অভাবে বাংলাদেশে চলে যেতে পারে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টেকনাফ উপজেলার সাবরাং, পৌরসভা, হ্নীলা এবং হোয়াইক্যং ইউনিয়নের সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সীমান্তের কয়েক কিলোমিটার দূরবর্তী এলাকার বাসিন্দারাও বিকট শব্দ শুনতে পান, যার ফলে অনেকের বাড়িঘর কেঁপে ওঠে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ভয়ভীতির সৃষ্টি হয়। জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে সীমান্তবর্তী এলাকার বসবাসকারীদের সতর্ক অবস্থানে থাকার জন্য বলা হয়েছে।

হ্নীলা ইউনিয়নের হোয়াকিয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা আয়েশা ছিদ্দিকী বলেন, মায়ানমারের ভেতরে বিদ্রোহী সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মিকে লক্ষ্য করে দেশটির জান্তা বাহিনী বিমান হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার প্রভাব বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকাতেও পড়ছে। সীমান্তে বসবাসকারীদের মধ্যে ভয় কাটছে না।

মায়ানমারভিত্তিক গ্লোবাল আরাকান নেটওয়ার্কের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী জানা গেছে, অভ্যুত্থানকারী সেনাবাহিনী আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রিত এলাকা আরাকান রাজ্যের বুথিডং টাউনশিপের ওয়ার নেট ইয়োন গ্রামের আশপাশে যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে বিমান হামলা চালিয়েছে।

শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে বোমা হামলা চালাতে তিনটি যুদ্ধবিমান ব্যবহার করা হয়। গত ১ জুলাই বুথিডং টাউনশিপের সাবেক মিলিটারি অপারেশনস কমান্ড নং ১৫ (সাকাখা ১৫)-এর ওপরও বিমান হামলা চালানো হয়েছিল। অন্যদিকে ২ জুলাই অভ্যুত্থানকারী সামরিক বাহিনী মংডু টাউন শহরের কেইন চাউং গ্রামে নাখাখা ৭ ঘাঁটির কাছে অবস্থিত একটি যুদ্ধবন্দি শিবিরে জেট ফাইটার এবং একটি ওয়াই-১২ ব্যবহার করে বিমান হামলা চালায়, এতে একজন সামরিক যুদ্ধবন্দি ক্যাপ্টেনসহ চারজন নিহত হন।

সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবুল ফয়েজ জানান, গত কয়েক দিন মায়ানমার সীমান্তে বোমা বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এতে সীমান্তের এপারের বাড়িঘরও কেঁপে উঠছে। এ কারণে সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে বয়স্ক মানুষ বেশি উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। বৃহস্পতিবার গভীর রাতেও কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী জানান, সীমান্তের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সীমান্তবর্তী এলাকার বসবাসকারীদের সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকার জন্য বলা হয়েছে। তিনি বলেন, অপ্রয়োজনীয়ভাবে সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় যাতায়াত না করতে এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। জনসাধারণের নিরাপত্তার স্বার্থে সবাইকে সচেতন ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদ।

বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লে. কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, মায়ানমারের অভ্যন্তরে জান্তা বাহিনী ও আরাকান আর্মির মধ্যে রাতভর সংঘর্ষের কারণে সীমান্ত এলাকায় বিস্ফোরণ ও গোলাগুলির শব্দ শোনা গেছে। পরিস্থিতির কোনো নেতিবাচক প্রভাব যাতে বাংলাদেশের ভূখণ্ড ও জলসীমায় না পড়ে, সে লক্ষ্যে কোস্টগার্ড সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ও যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে নাফ নদী ও সীমান্তসংলগ্ন জলসীমায় টহল এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মো. অনীক চৌধুরী জানান, মায়ানমারের অভ্যন্তরে যুদ্ধের ফলে সীমান্তবর্তী বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের অপ্রয়োজনীয়ভাবে সীমান্ত এলাকায় যাতায়াত থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

কক্সবাজারের রামু সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, মায়ানমারের অভ্যন্তরে চলমান যুদ্ধের কারণে সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে। সীমান্ত ও নাফ নদীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিয়মিত টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে।

সীমান্ত দিয়ে যাতে কোনো ধরনের অনুপ্রবেশ না ঘটে, বিশেষ করে নতুন করে রোহিঙ্গা প্রবেশ রোধে বিজিবির সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। এ ছাড়া নদীপথ ও সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে, যাতে সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি দ্রুত মোকাবিলা করা সম্ভব হয়।

ঢাকার বাতাস আজ ‘সহনীয়’, দূষণের শীর্ষে কিনশাসা

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৯:২৭ এএম
ঢাকার বাতাস আজ ‘সহনীয়’, দূষণের শীর্ষে কিনশাসা
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বের দূষিত বায়ুর শহরের তালিকায় ১৭৯ স্কোর নিয়ে আজ শীর্ষে রয়েছে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের রাজধানী কিনশাসা। তালিকায় ৪৪তম অবস্থানে রয়েছে রাজধানী ঢাকা। বায়ু মান সূচকে ঢাকার স্কোর ৫৭, যা ‘সহনীয়’ হিসেবে বিবেচিত।

শনিবার (৪ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান বিষয়ক ওয়েবসাইট আইকিউএয়ারে এ তথ্য জানা যায়।

বায়ুদূষণে এ দিন বিশ্বের শহরগুলোর তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উগান্ডার কাম্পালা, যার স্কোর ১৬৭। তৃতীয় স্থানে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর, এই শহরের স্কোর ১৬২। ১৬০ ও ১৫৮ স্কোর নিয়ে তালিকার চতুর্থ ও পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ভারতের দিল্লি ও ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী ও সবচেয়ে বড় শহর জাকার্তা।

আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, বায়ুমান সূচকে ০ থেকে ৫০ স্কোরকে ভালো, ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি, ১০১ থেকে ১৫০ সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর এবং ১৫১ থেকে ২০০ স্কোরকে অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ২০১ থেকে ৩০০ স্কোর খুবই অস্বাস্থ্যকর এবং ৩০১-এর বেশি হলে তা দুর্যোগপূর্ণ পর্যায় হিসেবে ধরা হয়।

উল্লেখ্য, একটি শহরের বাতাস কতটা নির্মল বা দূষিত, তার লাইভ বা তাৎক্ষণিক সূচক জানিয়ে থাকে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউ এয়ার। প্রতিষ্ঠানটির মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ভালো বলে বিবেচিত হয়।

অন্তরা/

জুলাই শহিদদের স্মরণে আজ বিশেষ সভায় থাকবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৬ এএম
আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৭ এএম
জুলাই শহিদদের স্মরণে আজ বিশেষ সভায় থাকবেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহিদদের স্মরণে আজ শনিবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে বিশেষ স্মরণসভা। সকাল ১০টায় শুরু হওয়া এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
ঐতিহাসিক ‘৩৬ জুলাই’-এর দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ‘জুলাই ২৪ শহিদ পরিবার সোসাইটি’ ও ‘আমরা জুলাইযোদ্ধার’ যৌথ উদ্যোগে এই স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে। আয়োজকরা জানান, অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। 

স্মরণসভায় সরকারের একাধিক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা উপস্থিত থাকবেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

এ ছাড়া বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, রাজনৈতিক নেতা, সংসদ সদস্য, চিকিৎসক, স্বাস্থ্য পেশাজীবী, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত ব্যক্তি এবং শহিদ পরিবারের সদস্যরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।

বাড়ছে জমি নিবন্ধনের খরচ

প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৯:০১ এএম
আপডেট: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৩ এএম
বাড়ছে জমি নিবন্ধনের খরচ
প্রতীকী ছবি।

সরকার এলাকাভেদে ফ্ল্যাট ও প্লটের প্রকৃত বিক্রয় মূল্য ও মৌজা মূল্যের মধ্যে ব্যবধান কমানোর উদ্যোগ দিয়েছে। এজন্য ফ্ল্যাট ও প্লট বেচাকেনার সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বিশেষ টাস্কফোর্স কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি চলতি অর্থ বছরের শুরু থেকে এ বিষয়ে কাজ শুরু করেছে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

  • মৌজা মূল্য ও প্রকৃত বিক্রয়মূল্যের ব্যবধান কমাতে সরকার টাস্কফোর্স গঠন করেছে।
  • বাজারমূল্যে নিবন্ধন হলে সরকারের রাজস্ব আয় বাড়বে, তবে ক্রেতার খরচও বাড়বে।
  • ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, বাড়তি নিবন্ধন ব্যয়ে আবাসন খাতে ক্রেতা কমবে।

সূত্র আরও জানায়, বিভিন্ন এলাকার ফ্ল্যাট ও প্লটের জন্য সরকার নির্ধারিত মৌজা মূল্যও ভিন্ন। এসব সম্পদের বিক্রয় মূল্য হিসেবে মৌজা মূল্য দলিলে উল্লেখ করা হয়। মৌজা মূল্যের ওপর হিসাব কষে কর আদায় হয়। রাজধানীসহ বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে এসব সম্পদের প্রকৃত বিক্রয় দাম মৌজা মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি।

নিবন্ধন অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জমি নিবন্ধন থেকে সরকার বছরে সাত হাজার থেকে আট হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় করে। বাজারমূল্য অনুযায়ী নিবন্ধন করা হলে এ খাত থেকে সরকারের আয় বেড়ে দ্বিগুণের কাছাকাছি হবে। রাজস্ব আদায় করতেই সরকার নতুন এই পদক্ষেপ নিয়েছে। রাজস্ব খাতের সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, নতুন এই উদ্যোগ কার্যকর হলে সরকারের রাজস্ব আদায় বাড়বে।

তবে আবাসন খাতের ব্যবসায়ীরা বলেছেন, বাজার দর অনুযায়ী ফ্ল্যাট ও প্লট বেচাকেনা হয়। মৌজা মূল্যের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি থাকে প্রকৃত বিক্রয় মূল্য। প্রকৃত বিক্রয় মূল্যের হিসাবে কর আদায় করা হলে নিবন্ধন খরচ অনেক বেড়ে যাবে। আবাসন খাতে ক্রেতা কমবে। সামগ্রিকভাবে আবাসন খাতের ব্যবসায়ে ধস নামবে।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী খবরের কাগজকে বলেন, জমি ও ফ্ল্যাটের মৌজা মূল্য এবং প্রকৃত বাজার মূল্যের মধ্যে বড় ধরনের পার্থক্য দূর করতে সরকার কাজ করছে।

সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে মৌজা রেট প্রকৃত বাজারমূল্যের চেয়ে অনেক কম নির্ধারিত থাকে, যা পর্যালোচনার জন্য একটি কমিটি কাজ করছে। সারা দেশে মৌজাভিত্তিক জরিপ পরিচালনা করে সম্পত্তির সঠিক মান বা রিয়েল ভ্যালু নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জমি ও ফ্ল্যাটের মৌজা মূল্য বাজারমূল্যের কাছাকাছি আনার জন্য সরকার সম্পত্তি নিবন্ধনের করহার যৌক্তিকীকরণের পদক্ষেপ নিয়েছে।

বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো মোস্তাফিজুর রহমান খবরের কাগজকে বলেন, কর ফাঁকি দিতে ক্রেতা-বিক্রেতারা দলিলে কম মূল্য (মৌজা রেট) দেখান। এটা অনেকটা ওপেন সিক্রেট। প্রকৃত বিক্রয় মূল্য এবং মৌজা মূল্য এক থাকলে মৌজা মূল্য অনুযায়ী কর কম দেওয়ার সুযোগ থাকবে না। এতে সরকারের রাজস্ব আদায় বাড়লেও আবাসন খাতের ক্রেতাদের খরচ বাড়বে। এতে খরচের কারণে অনেকে সম্পত্তি কেনা কমিয়ে দিতে পারেন। ফলে আবাসন খাতের ব্যবসায়ে ধস নামার আশঙ্কা থাকছে।

আবাসন খাতের ব্যবসায়ীদের সংগঠন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) সাবেক জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি লিয়াকত আলী ভূইয়া খবরের কাগজকে বলেন, আবাসন ব্যবসা শহরকেন্দ্রিক। এখানে সাধারণত মৌজা মূল্য থেকে প্রকৃত বিক্রয় মূল্য অনেক বেশি। সরকার রাজস্ব আদায় বাড়াতে গিয়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। মৌজা মূল্য উল্লেখ করে কর দেওয়া হয়। প্রকৃত বিক্রয় মূল্য দলিলে উল্লেখ করতে আইন করা হলে ক্রেতার খরচ বাড়বে। এতে অনেকে ফ্ল্যাট ও প্লট কেনা কমিয়ে দেবে। ফলে আবাসন ব্যবসায়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, কেনাবেচা মূল্যের তুলনায় দলিল মূল্য কম হওয়ায় সরকারের রাজস্ব আদায় কম হচ্ছে। বিক্রেতার বিপুল পরিমাণ অর্থ অপ্রদর্শিত বা অবৈধ আয়ে রূপান্তর হচ্ছে।

চলতি অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেটে মৌজা মূল্য অনুযায়ী দলিল মূল্য লেখার সুযোগ দেওয়া হলেও প্রকৃত বিক্রয় মূল্য রিটার্নে উল্লেখ করতে আইনে বিধান আনা হয়। এ ক্ষেত্রে যে বাড়তি অর্থ লেনদেন হয়, তার ওপর বর্ধিত হারে কর ধার্য করা হয়। তবে নৈতিকতার প্রশ্নে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের আপত্তির মুখে বাজেট চূড়ান্তকালে তা বাতিল করা হয়।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মৌজা দর মানে হচ্ছে সর্বনিম্ন দর অর্থাৎ মৌজা দরের চেয়ে কম দাম দেখিয়ে কেউ জমি কেনাবেচা করতে পারবে না। মৌজা দর নির্ধারণের কাজটি হয় ‘সর্বনিম্ন বাজারমূল্য বিধিমালা’ অনুযায়ী। বিধিমালা অনুযায়ী বাজারমূল্য নির্ধারণ করে একটি কমিটি। কমিটির মাধ্যমে দুই বছর পরপর বাজারমূল্য হালনাগাদ করার কথা আছে। এ ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট সময়ে (২২ মাস) দলিলে উল্লেখ করা দামের গড় করে নতুন দর নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। পরে এর ভিত্তিতে মৌজা দর চূড়ান্ত করে ভূমি নিবন্ধন অধিদপ্তর।

নিবন্ধন অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ঢাকার গুলশান সাবরেজিস্ট্রার কার্যালয়ের অধীন মৌজা আছে ১৪টি। এই ১৪ মৌজায় ৮ ধরনের জমি আছে। মৌজা দর অনুযায়ী ধরনভেদে এই এলাকার ১ শতাংশ জমির দাম ১ লাখ থেকে ৫৮ লাখ টাকা এবং এর থেকে কিছু বেশি।

অথচ খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গুলশানের কোথাও কোটি টাকার নিচে ১ শতাংশ জমি কেনাবেচা হয় না। ধানমন্ডি এলাকার মৌজা দর অনুযায়ী ১ শতাংশ জমির দাম ৪৩ লাখ ৯৩ হাজার ৩০০ টাকা এবং এর থেকে কিছু বেশি। কিন্তু বাস্তবে ধানমন্ডির কোথাও এ দামে জমি বেচাকেনা হয় না। আরও বেশি দামে বেচাকেনা হয়।

বর্তমানে জমির ক্ষেত্রে স্ট্যাম্প ডিউটি দেড় শতাংশ, নিবন্ধন মাশুল, স্থানীয় সরকার কর, মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট), উৎসে করসহ ১২ থেকে ১৪ শতাংশ।

আবাসন খাতের ব্যবসায়ীরা বলেছেন, অনেক দেশের চেয়ে বাংলাদেশে নিবন্ধন ফি অনেক বেশি। এর সঙ্গে মৌজা মূল্যের পরিবর্তে প্রকৃত দর অনুযায়ী কর আরোপ হলে খরচ অনেক বেড়ে যাবে।