ঢাকা ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
জলাবদ্ধতা নিয়ন্ত্রণে চসিকের র্যাপিড রেসপন্স টিম গঠন ইবিতে 'লোক্যাল ইমপ্যাক্ট অব গ্লোবাল লার্নিং' বিষয়ক প্রেস কনফারেন্স বার্নার্দো সিলভার কাছে ক্ষমা চাইলেন রদ্রি কসবায় ব্যাংক কর্মকর্তাকে কুপিয়ে হত্যা আমার হাতে পুলিশ নয়, মুরগি আছে: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী ১৩ জুলাই বরিশাল সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী চিনিকল চালুর দাবিতে ঢাকায় বড় কর্মসূচির ঘোষণা তারাকান্দায় মাদক সেবন করায় তিনজনের কারাদণ্ড আর্জেন্টিনা-মিশর ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে ফরাসি রেফারি বাংলাদেশে মসজিদের সংখ্যা প্রকাশ, শীর্ষে কোন বিভাগ? মিশরের বিপক্ষে যে একাদশ নিয়ে নামছে আর্জেন্টিনা এনসিপির সমাবেশে হামলায় জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা হবে: আইনমন্ত্রী স্বেচ্ছাচারিতার অবসান, জবাবদিহিতা ফিরেছে: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী প্রস্তাবিত বিলে বিএমইউ-এর চিকিৎসা ব্যয় বাড়ার শঙ্কা বিরোধীদলীয় নেতার প্রশ্নফাঁস ও অনলাইন জালিয়াতি রোধে সংসদে বিল পাস ভারতীয় চিকিৎসায় শ্রবণশক্তি ফিরে পাচ্ছে বাংলাদেশি শিশু জাতীয় বাজেট বাস্তবায়নে শিক্ষা, গবেষণা ও সুশাসনকে কেন্দ্রবিন্দুতে রাখার আহ্বান অর্থনীতিবিদ ও শিক্ষাবিদদের জামালপুরে আইন কর্মকর্তার অফিস থেকে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও মাদক উদ্ধার ঈশ্বরগঞ্জে একরাতে ১০ গরু চুরি, আতঙ্কে কৃষক মুক্তির আগেই বিতর্ক থানচিতে ফিরেছে শতাধিক পর্যটক, পথে আরও ১৮ জন ইবি ছাত্রশক্তির কমিটিকে ‘হাইব্রিড পকেট কমিটি’ দাবি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় ৩৮ বিলিয়ন ডলার ধৈর্যই আমাদের জয়ের চাবিকাঠি:  স্পেনের কোচ দে লা ফুয়েন্তে জবি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত ১৩ বিরতি ভেঙে ফিরছেন বুবলি নামাজের শেষ মুহূর্তের এক মহামূল্যবান সুযোগ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সমীক্ষা সম্পন্ন: পানিসম্পদ মন্ত্রী কলকাতার নন্দনে নন্দিত বাংলাদেশের ‘সম্পর্ক’ মহাকালের পটে এক ঋজু পদচ্ছাপ: আবুল কাসেম ফজলুল হক ও বাঙালির মননবিশ্বের বিবর্তন

মা দিবসে মায়ের জন্য সেরা শুভেচ্ছা ও হৃদয়ছোঁয়া উক্তি

প্রকাশ: ১০ মে ২০২৬, ১০:৫৮ এএম
আপডেট: ১০ মে ২০২৬, ১১:২০ এএম
মা দিবসে মায়ের জন্য সেরা শুভেচ্ছা ও হৃদয়ছোঁয়া উক্তি
ছবি: এআই

‘মা’ একটি ছোট্ট শব্দ, অথচ এর মধ্যেই লুকিয়ে আছে পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর ভালোবাসা, মমতা আর ত্যাগের গল্প। একজন মানুষের জীবনে মায়ের ভূমিকা অনন্য। নিঃস্বার্থ ভালোবাসা, সাহস, দিকনির্দেশনা ও মানসিক শক্তি দিয়ে মায়েরা প্রতিনিয়ত সন্তানদের পাশে থাকেন। তাই মাতৃ দিবস শুধু মাতৃত্ব উদযাপনের দিন নয়, বরং সেই সব নারীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোরও উপলক্ষ, যারা পরিবার ও সমাজের ভিত্তি গড়ে তোলেন।

বিশেষ করে কর্মজীবী মায়েরা সংসার ও পেশাগত জীবনের ভারসাম্য রক্ষা করে প্রতিনিয়ত অনুপ্রেরণার উদাহরণ তৈরি করেন। তাদের ভালোবাসা, ধৈর্য ও আত্মত্যাগ আমাদের জীবনকে আলোকিত করে তোলে।

প্রতিবছর মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার বিশ্বজুড়ে উদযাপন করা হয় মাতৃ দিবস। দিনটি শুধু জন্মদাত্রী মায়েদের জন্য নয়; বরং নানি-দাদি, খালা-ফুফু, পালক মা কিংবা জীবনের প্রতিটি মাতৃসুলভ মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশেরও দিন।

মাতৃ দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয়- মায়েরা প্রায়ই নিজেদের চাওয়া-পাওয়ার আগে পরিবারের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দেন। তাদের সেই নিঃস্বার্থ ত্যাগ ও সীমাহীন ভালোবাসার প্রতি সম্মান জানাতেই এই বিশেষ আয়োজন।

অনুপ্রেরণামূলক উক্তি

  • একটি শিশুর চোখে মা হলেন দেবীর মতো। তিনি কখনও স্নেহময়ী, কখনও কঠোর- তবু সবকিছুর মধ্যেই থাকে নিখাদ ভালোবাসা। - এন কে জেমিসিন
  • যার মা ঈশ্বরভক্ত, সে কখনও দরিদ্র নয়। - আব্রাহাম লিংকন
  • মায়ের প্রভাবের মতো শক্তিশালী আর কিছু নেই; এর পরেই আসে শিক্ষকের প্রভাব। - সারাহ জোসেফা হেল
  • মায়ের ভালোবাসাই সেই শক্তি, যা একজন সাধারণ মানুষকে অসম্ভবকে সম্ভব করার সাহস দেয়। - ম্যারিয়ন সি গ্যারেটি
  • মায়ের ভালোবাসা পৃথিবীর সবচেয়ে নিঃস্বার্থ ভালোবাসা। - আগাথা ক্রিস্টি
  • জীবনে আমি যা কিছু হয়েছি বা হতে চাই, তার সবকিছুর জন্য আমি আমার মায়ের কাছে ঋণী। - আব্রাহাম লিংকন
  • একজন মায়ের বাহু অন্য সবার চেয়ে বেশি স্বস্তিদায়ক। - প্রিন্সেস ডায়ানা
  • মা হলেন সেই মানুষ, যিনি সবার জায়গা নিতে পারেন, কিন্তু তার জায়গা কেউ নিতে পারে না। - কার্ডিনাল মেরমিলড
  • পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর শব্দ হলো ‘মা’। - খলিল জিবরান
  • মায়ের হৃদয় সন্তানের প্রথম বিদ্যালয়। - হেনরি ওয়ার্ড বিচার
  • মায়ের প্রার্থনা সন্তানের জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তি। - স্টিভি ওয়ান্ডার
  • মাকে পুরোপুরি মূল্যায়ন করা যায় তখনই, যখন আমরা তার ত্যাগ বুঝতে শিখি। - চার্লস ডিকেন্স
  • একজন মা বুঝতে পারেন, সন্তান যা বলে না তাও। - ইহুদি প্রবাদ
  • মা হচ্ছেন ঘরের সেই আলো, যা কখনও নিভে যায় না। - ভিক্টর হুগো

ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার শুভেচ্ছা

  • প্রিয় মা, সবসময় ভালোবাসা আর সাহস দিয়ে আমার পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ। তোমাকে আমার জীবনে পেয়ে আমি সত্যিই ভাগ্যবান। শুভ মাতৃ দিবস!
  • পৃথিবীর সবচেয়ে অসাধারণ মানুষটিকে মাতৃ দিবসের শুভেচ্ছা। তোমার ভালোবাসা, ত্যাগ আর স্নেহ আমাকে আজকের মানুষ হতে সাহায্য করেছে।
  • মা, তুমি শুধু আমার মা নও, তুমি আমার সবচেয়ে ভালো বন্ধু। সবসময় পাশে থাকার জন্য তোমাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
  • সেই মানুষটিকে মাতৃ দিবসের শুভেচ্ছা, যিনি আমাকে ভালোবাসা, সহানুভূতি আর ধৈর্যের মূল্য শিখিয়েছেন। তুমি প্রতিদিন আমাকে অনুপ্রাণিত করো।
  • মা, তোমার বিশাল হৃদয় আর মায়াভরা হাসি আমাদের জীবনকে সুন্দর করে তোলে। সবকিছুর জন্য ধন্যবাদ।
  • মানুষ বলে মায়েরা সুপারহিরোর মতো- আর তুমি তার সবচেয়ে সুন্দর উদাহরণ। শুভ মাতৃ দিবস!
  • সেই নারীকে মাতৃ দিবসের শুভেচ্ছা, যিনি বছরের পর বছর আমার সব দুষ্টুমি সহ্য করেছেন! সত্যিই তোমার একটা পদক প্রাপ্য।
  • মা, এত আদর দিয়ে আমাকে একটু বেশি আদুরে বানিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ!
  • তোমার কিছু চুল পেকে যাওয়ার জন্য হয়তো আমিও একটু দায়ী। তবুও জানো, আমি তোমাকে পৃথিবীর সবকিছুর চেয়েও বেশি ভালোবাসি।

অমিয়/

‘বিড়ালের অভিশাপে’ বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছে ব্রাজিল

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫২ পিএম
‘বিড়ালের অভিশাপে’ বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছে ব্রাজিল
ছবি: সংগৃহীত

২০২২ কাতার বিশ্বকাপে ব্রাজিলের বিদায়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় আসে ‘বিড়ালের অভিশাপ’ তত্ত্ব। অনেক নেট ব্যবহারকারী দাবি করেন, একটি সংবাদ সম্মেলনে বিড়ালকে টেবিল থেকে ফেলে দেওয়ার ঘটনার পর থেকেই ব্রাজিলের কপালে দুর্ভাগ্য।

পাঁচ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল কাতার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ক্রোয়েশিয়ার কাছে টাইব্রেকারে হেরে বিদায় নেয়। সেই বিদায়ের পরই ২০২২ সালের ডিসেম্বরের নেই সংবাদ সম্মেলনের ভিডিও ও ছবি আবার ভাইরাল হয়।

ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে নিয়ে আয়োজিত ওই সংবাদ সম্মেলনের সময় একটি বিড়াল টেবিলের উপর উঠে আসে। ব্রাজিল দলের প্রেস অফিসার বিড়ালটিকে আলতো করে সরিয়ে দেওয়ার বদলে ধরে টেবিল থেকে নিচে ফেলে দেন। ঘটনাটি তখন অনলাইনে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। অনেকেই বিড়ালটির সঙ্গে এমন আচরণকে অমানবিক বলে মন্তব্য করেন।

এর কিছুদিন পরই বিশ্বকাপের অন্যতম ফেবারিট ব্রাজিল কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নেয়। এরপর থেকেই ফুটবলপ্রেমীদের একাংশ মজা করে দলটির হারের সঙ্গে ওই ঘটনার যোগসূত্র টানতে শুরু করেন। 

তাদের ভাষ্য, বিড়ালটির সঙ্গে দুর্ব্যবহারের কারণেই ব্রাজিলের ওপর ‘অভিশাপ’ নেমে এসেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুরোনো সেই ছবি ও ভিডিও শেয়ার করে অনেকে লিখেছেন, ব্রাজিলকে ওই বিড়ালটিকে আবার খুঁজে বের করে একই টেবিলে বসাতে হবে, তবেই নাকি ‘অভিশাপ’ কাটবে।

একজন নেট ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘এই বিড়ালটি আমার দেখা সবচেয়ে বড় অভিশাপ।’ আরেকজনের মন্তব্য, ‘বিড়ালেরা দেবতার মতো। তাদের সঙ্গে এমন অসম্মানজনক আচরণের ফল ভোগ করতেই হবে।’

যদিও ‘বিড়ালের অভিশাপ’ তত্ত্বটি মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের রসিকতা ও কৌতুকভিত্তিক আলোচনা, তবু ব্রাজিলের বিশ্বকাপ বিদায়ের পর এটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। সূত্র: সান

অমিয়/

যেসব দেশে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার সুবিধা পাচ্ছেন পর্যটকরা

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৬ পিএম
আপডেট: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০১:১৮ পিএম
যেসব দেশে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার সুবিধা পাচ্ছেন পর্যটকরা
ছবি: সংগৃহীত

বেশিরভাগ মানুষ মনে করেন, অন্য দেশে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে হলে সেখানকার বাসিন্দা হতে হবে। তবে এটি সবসময় সত্যি নয়। যদিও অনেক দেশ শুধু স্থানীয় বাসিন্দাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার অনুমতি দেয়। তবে আরও কয়েকটি দেশ নির্দিষ্ট শর্তে পর্যটকদেরও এ সুযোগ দিয়ে থাকে।

পর্যটক হিসেবে এ প্রক্রিয়াটি সব সময় দ্রুত হয় না। সাধারণত পাসপোর্ট, বাড়ির ঠিকানার প্রমাণ এবং কর সংক্রান্ত তথ্যের মতো নথি সরবরাহ করতে হয়। কখনো কখনো কেন অ্যাকাউন্টটি প্রয়োজন, তার ব্যাখ্যাও দিতে হতে পারে। তবে সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে, বিদেশে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা অনেক ভ্রমণকারীর কল্পনার চেয়ে অনেক সহজ হতে পারে।

ভ্রমণকারীরা কেন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলেন?

নিয়মিত ভ্রমণকারীরা প্রতিবার কেনাকাটার সময় মোটা অঙ্কের আন্তর্জাতিক কার্ড ফি দিয়ে থাকেন। তারা এ অতিরিক্ত ফি এড়াতে অ্যাকাউন্ট করে থাকেন। বিদেশে অবকাশ যাপনের জন্য কিছু ভ্রমণকারীর নিজস্ব বাড়ি থাকে, এ ছাড়াও ডিজিটাল নোম্যাড, অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি বা যারা নিয়মিত বিভিন্ন দেশের মধ্যে যাতায়াত করেন, তারা অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন। 

কারণ, স্থানীয় ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট থাকলে নগদ টাকা তোলা, অর্থ স্থানান্তর করা এবং স্থানীয়দের মতো অর্থ পরিশোধ করাও অনেক সহজ হয়ে যায়।

সুইজারল্যান্ড, জর্জিয়া, পর্তুগাল এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো জনপ্রিয় গন্তব্যগুলো নির্দিষ্ট শর্ত সাপেক্ষে বিদেশিদের জন্য ব্যাংকিং সুবিধা দিয়ে থাকে।

সুইজারল্যান্ড

যখন মানুষ আন্তর্জাতিক ব্যাংকিংয়ের কথা ভাবে, তখন সাধারণত সবার আগে সুইজারল্যান্ডের কথাই মনে আসে। দেশটি তার স্থিতিশীল আর্থিক ব্যবস্থা এবং বিশ্বমানের ব্যাংকগুলোর জন্য বরাবরই পরিচিত। যদিও সুইস ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা আগের মতো সহজ নয়, তবুও অনেক ব্যাংক এখনও বিদেশি দর্শনার্থীসহ অনাবাসীদের অ্যাকাউন্ট খোলার অনুমতি দেয়। 

সুইস ব্যাংকগুলো বিস্তারিত পরিচয় এবং আর্থিক তথ্য যাচাই করে থাকে। কিছু ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য বেশ বড় অঙ্কের আমানতও চেয়ে থাকে এবং যারা সুইজারল্যান্ডে বাস করেন না, তাদের কাছ থেকে উচ্চ ফি নিয়ে থাকে।

জর্জিয়া

যদি এমন কোনো দেশ থাকে- যা ডিজিটাল নোম্যাড এবং দীর্ঘমেয়াদী ভ্রমণকারীদের মধ্যে বিখ্যাত হয়ে উঠেছে, সেটি হলো জর্জিয়া। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশটি বিদেশিদের জন্য ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে তুলনামূলক সহজ করার জন্য খ্যাতি অর্জন করেছে। 

জর্জিয়ার বেশ কয়েকটি ব্যাংক অনাবাসীদের অ্যাকাউন্ট খোলার অনুমতি দেয় এবং অনেক ক্ষেত্রে, একটি বৈধ পাসপোর্টই প্রধান প্রয়োজনীয় নথি। আপনার জাতীয়তা এবং পছন্দের ব্যাংকের উপর নির্ভর করে, আপনার কাছে কয়েকটি অতিরিক্ত নথি চাওয়া হতে পারে বা একটি সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎকার দিতে হতে পারে।

পর্তুগাল

পর্যটক, অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তি এবং দ্বিতীয় বাড়ির মালিকদের (সেকেন্ড হোম) জন্য ইউরোপের অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য পর্তুগাল। তাই অনেকেই স্বাভাবিকভাবে একটি স্থানীয় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার সিদ্ধান্ত নেন। দেশটি অনাবাসীদের অ্যাকাউন্ট খোলার অনুমতি দেয়, তবে অন্যান্য কিছু জায়গার তুলনায় আরও বেশি কাগজপত্র প্রয়োজন হবে।

পাসপোর্টের পাশাপাশি, ব্যাংকগুলো সাধারণত একটি পর্তুগিজ ট্যাক্স নম্বর, বাড়ির ঠিকানার প্রমাণ এবং আয় বা কর্মসংস্থান দেখানোর নথি চেয়ে থাকে। কেউ যদি নিয়মিত পর্তুগালে যান, তাহলে একটি অ্যাকাউন্ট খোলা তার সময় এবং অর্থ উভয়ই বাঁচাতে পারে।

সিঙ্গাপুর

বিশ্বজুড়ে অন্যতম নিরাপদ এবং শক্তিশালী অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত সিঙ্গাপুর। এখানকার কিছু ব্যাংক অনাবাসীদেরও অ্যাকাউন্ট খোলার অনুমতি দেয়। ব্যাংকের উপর নির্ভর করে প্রয়োজনীয়তা ভিন্ন হয়। বেশিরভাগ ব্যাংকই পাসপোর্ট, অতিরিক্ত পরিচয়পত্র এবং কেনো অ্যাকাউন্টটি খুলতে চান সে সম্পর্কিত তথ্য চাইবে। 

আবার কিছু ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য ন্যূনতম আমানত চাইতে পারে অথবা আপনার আবেদন অনুমোদনের আগে আপনাকে কোনো শাখায় যেতে বলতে পারে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত

প্রতি বছর লাখ লাখ পর্যটক সংযুক্ত আরব আমিরাতে আসেন এবং তাদের মধ্যে কেউ কেউ স্থানীয় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার সিদ্ধান্ত নেন। বিশেষ করে যদি তারা ব্যবসার জন্য প্রায়ই সেখানে ভ্রমণ করেন বা তাদের সম্পত্তি থাকে। 

সংযুক্ত আরব আমিরাতের বেশ কয়েকটি ব্যাংক অনাবাসীদের সঞ্চয়ী অ্যাকাউন্ট খোলার অনুমতি দেয়। এর জন্য পাসপোর্ট, একটি বৈধ ট্যুরিস্ট ভিসা বা প্রবেশের স্ট্যাম্প এবং সহায়ক আর্থিক নথিপত্রের প্রয়োজন হয়। 

আবাসিক অ্যাকাউন্টের তুলনায় অনাবাসিক অ্যাকাউন্টগুলিতে প্রায়শই কিছু সীমাবদ্ধতা থাকে, তবে এগুলো আপনাকে স্থানীয়ভাবে অর্থ রাখতে এবং অনেক দৈনন্দিন ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করার সুযোগ দেয়।

পানামা

লাতিন আমেরিকার অন্যতম প্রধান আর্থিক কেন্দ্র হিসেবে একটি শক্তিশালী খ্যাতি অর্জন করেছে পানামা। এ কারণে বেশ কয়েকটি ব্যাংক বিদেশি দর্শনার্থীসহ অনাবাসীদের জন্য অ্যাকাউন্টের সুযোগ দেয়। 

তবে এখানে অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য প্রস্তুতির প্রয়োজন হয়। ব্যাংকগুলো পাসপোর্ট, আয়ের প্রমাণ, ব্যাংকিং রেফারেন্স লেটার, পেশাগত রেফারেন্স এবং অর্থের উৎস ব্যাখ্যা করে এমন নথিপত্র চেয়ে থাকে। ব্যাংকগুলো কঠোর আন্তর্জাতিক আর্থিক নিয়মকানুন অনুসরণ করে তাই এই যাচাই প্রক্রিয়াটি বিস্তারিত হয়।

কোনো দেশ পর্যটকদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার অনুমতি দিলেই যে সব ব্যাংক আপনার আবেদন গ্রহণ করতে বাধ্য, এমনটা নয়। প্রতিটি ব্যাংক তার নিজস্ব নিয়মকানুন তৈরি করে, এবং সেই নিয়মগুলো যেকোনো সময় পরিবর্তিত হতে পারে। ভ্রমণের আগে, আপনি যে ব্যাংকে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তাদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে সর্বশেষ নিয়মকানুনগুলো জেনে নিন।

[ডিজিটাল নোম্যাড: ডিজিটাল নোম্যাড হলেন সেই পেশাজীবী, যারা ল্যাপটপ এবং নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট ব্যবহার করে মুক্তভাবে ভ্রমণ করার পাশাপাশি অনলাইনে কাজ করেন। তারা কোনো নির্দিষ্ট অফিসে বা স্থায়ী ঠিকানায় আবদ্ধ না থেকে বিভিন্ন দেশ, হোটেল বা কো-ওয়ার্কিং স্পেস থেকে জীবিকা নির্বাহ করেন।]

থিওটোনিয়াস/অমিয়/

১০ মিনিটে ৬৬টি হটডগ খেয়ে জিতলেন সাড়ে ৯ লাখ টাকা

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ১২:৩০ পিএম
আপডেট: ০৭ জুলাই ২০২৬, ১২:৪০ পিএম
১০ মিনিটে ৬৬টি হটডগ খেয়ে জিতলেন সাড়ে ৯ লাখ টাকা
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ৪ জুলাই অনুষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী নাথানস ফেমাস হটডগ খাওয়ার প্রতিযোগিতা ২০২৬-এ আবারও চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন প্রতিযোগিতামূলক খাদক জোয়ি চেস্টনাট। মাত্র ১০ মিনিটে ৬৬টি হটডগ খেয়ে তিনি পুরুষ বিভাগে ১৮তমবারের মতো শিরোপা জিতেছেন।

এই জয়ের মাধ্যমে চেস্টনাট ‘মাস্টার্ড ইয়েলো বেল্ট’ এবং ১০ হাজার মার্কিন ডলার পুরস্কার অর্জন করেন, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১০ লাখ ২৫ হাজার টাকা প্রায়। প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান অধিকারী প্যাট্রিক বার্তোলেত্তি ৫১টি হটডগ খেয়ে শেষ করেন।

প্রতিযোগিতা শেষে চেস্টনাট বলেন, ‘স্বাধীনতা দিবসে এখানে খাওয়ার অভিজ্ঞতা স্বপ্নের মতো। দর্শকদের উচ্ছ্বাস অসাধারণ।’ তবে প্রায় ৯০ ডিগ্রি ফারেনহাইট তাপমাত্রার কারণে এবার নিজের সেরা পারফরম্যান্স করতে পারেননি বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালে ১০ মিনিটে ৭৬টি হটডগ খেয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন চেস্টনাট।

অন্যদিকে, নারী বিভাগে মিকি সুদো ৩৮ দশমিক ৭৫টি হটডগ খেয়ে টানা ১২তমবারের মতো শিরোপা জিতেছেন। তবে তিনি নিজের গড়া ২০২১ সালের ৫১টি হটডগ খাওয়ার রেকর্ড ভাঙতে পারেননি।

নিউইয়র্কের কনি আইল্যান্ডে অবস্থিত নাথানস ফেমাস রেস্তোরাঁর সামনে ১৯৭২ সাল থেকে প্রতিবছর এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। বর্তমানে এটি যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম জনপ্রিয় স্বাধীনতা দিবসের আয়োজন হিসেবে পরিচিত। সূত্র: এনডিটিভি

হীরা/অমিয়/

আজ বিশ্ব চুমু দিবস

প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৪:২৪ পিএম
আজ বিশ্ব চুমু দিবস
ছবি: সংগৃহীত

চুমু কেবল ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশই নয়, এটি রোমান্টিকতার অন্যতম প্রধান অনুসঙ্গ। সাধারণত প্রেমিক-প্রেমিকা কিংবা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যেই চুমুর চল বেশি দেখা যায়। তবে ভালোবাসার যেকোনো সম্পর্কের ক্ষেত্রেই চুম্বনের স্থান সবার ওপরে। হোক তা প্রেমিক-প্রেমিকা, পরম বন্ধু কিংবা পরিবারের অন্য কোনো ভালোবাসার বন্ধন—সবখানেই এর গুরুত্ব অপরিসীম। সোমবার (৬ জুলাই) বিশ্ব চুমু দিবস।

২০০৬ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী আনুষ্ঠানিকভাবে এই দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। তবে এর ইতিহাস কিন্তু আজকের নয়। খ্রিস্টের জন্মের প্রায় ২০০০ বছর আগের ইতিহাস ঘাটলে এক অদ্ভুত ও সুন্দর চুমুর তত্ত্বের সন্ধান পাওয়া যায়।

সে যুগে পৃথিবীর বেশ কয়েকটি দেশে একটি বিশেষ প্রথা প্রচলিত ছিল। বিশ্বাস করা হতো, যখন দুজন মানুষের ঠোঁটসহ মুখাবয়ব নিবিড়ভাবে ঘনিষ্ঠ হয়, তখন তাদের শরীরের 'আত্মা' দুটির একত্রীকরণের পথ সহজ হয়ে ওঠে। এই গভীর বিশ্বাস থেকেই আত্মায় আত্মায় মিলনের উদ্দেশ্যে মানুষ একে অপরকে চুম্বন করত।

কালের বিবর্তনে সেই প্রাচীন রীতিই আজ ভারত, রোম, রাশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের জীবনে এক আনন্দময় উৎসবে পরিণত হয়েছে ১৯৭২ সালে ইরানের হানসালুতে মাটির নীচে চুম্বনরত দুটি কঙ্কাল পাওয়া যায়। পেনিসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মতানুসারে ওই প্রেমিক যুগলের মৃত্যু আটশো খ্রিষ্টপূর্বাব্দে।

আবার কারও কারও মতে ওই প্রেমিক যুগল দুই হাজার বছরের বেশি পুরনো নয়। অনেকেই এই প্রেমিক যুগলের মৃত্যুকে সহমরণ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। সুতরাং চুম্বনের বিস্তৃতি এক সভ্যতা থেকে অন্য সভ্যতায়। প্রেমিক-প্রেমিকার চুম্বন উৎসবের আধুনিক পোশাকি নাম এখন ‘কিস ডে’।

চুমুর উপকারিতা

চুমু যদি ২ সেকেন্ডের বেশী সময় ধরে হয় তাহলে এক ধাক্কায় ৩-৪ ক্যালোরি কমতে পারে। প্রত্যেক মানুষের মুখে অজস্র-সহস্র ব্যাকটেরিয়া থাকে আপনার সঙ্গী বা সঙ্গিনীর সঙ্গে চুমুর সময়ে অজান্তেই প্রায় ১ বিলিয়ন ব্যাকটেরিয়ার আদান-প্রদান হয়।

চুমু দিলে স্বামী-স্ত্রী, বাবা-মা ও সন্তানের মধ্যকার বন্ধন সুদৃঢ় হয়। চিকিৎসকদের ভাষায়, চুমু দিলে অক্সিটোসিন হরমোন উৎপাদন হয়। এটি একে অন্যের মধ্যে বন্ধন সৃষ্টি করতে সাহায্য করে। স্বামী-স্ত্রীর শারীরিক সম্পর্কে চুমু আনন্দের বাড়তি মাত্রা যোগ করে। না বলা অনেক কথাও এর মধ্য দিয়ে বলা হয়ে যায়।

চুমুর মাধ্যমে নারী-পুরুষের একে অপরের থুথু বিনিময় হয়। এটি মানুষের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং মানুষের শরীরের ইমমুনি সিস্টেম স্বাভাবিক রাখে। যদি কোনো কারণে কেউ মানসিকভাবে হতাশাগ্রস্ত থাকে তাহলে তার কোনো মনোবিদের কাছে যাওয়ার দরকার নেই। সে তার স্ত্রীকে চুম্বন করলেই তার মানসিক হতাশা দূর হয়ে যাবে। চুমু খাওয়ার সময় কখনো আপনার নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যেতে পারে আর বেড়ে যেতে পারে হৃৎস্পন্দন। এতে হৃৎপিণ্ডের ব্যায়াম হবে। এ ছাড়াও এর মাধ্যমে আরো কয়েকটি উপকার হয়।

যেমন এটি আপনার হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন নিয়মিত হতে সাহায্য করে। রক্তচাপ ও রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে দেয়। এ কারণে চুমুর মাধ্যমে সুস্থ ও স্বাভাবিক হৃৎপিণ্ড বজায় রাখা সম্ভব।

চুমু মানুষের শরীরের স্ট্রেস হরমোনর কার্যক্ষমতা কমিয়ে আনে। এটি মানুষকে বিষাদের হাত থেকে মুক্তি দিয়ে ফুরফুরে মেজাজে থাকতে সাহায্য করে। চুমু মানুষের চেহারায় তারুণ্য ভাব বজায় রাখে। যদিও এর কারণে শরীরের কিছু ক্যালোরি ক্ষয় হয় তারপরও এটি মানুষের শরীরের জন্যে খুব উপকারী। সূত্র: ডেইজ অব দ্য ইয়ার

এএফ/

৪০ পাউন্ডে শুরু করে মাসে ৩ লাখ টাকা! ভিন্টেজ পোশাক বিক্রি করে তরুণীর অসাধারণ সাফল্য

প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ১২:২০ পিএম
৪০ পাউন্ডে শুরু করে মাসে ৩ লাখ টাকা! ভিন্টেজ পোশাক বিক্রি করে তরুণীর অসাধারণ সাফল্য
ছবি: সংগৃহীত

পড়াশোনা বা চাকরির পাশাপাশি বাড়তি আয়ের জন্য সাইড হাসল বা খণ্ডকালীন কাজের প্রতি তরুণ-তরুণীদের আগ্রহ বাড়ছে। এমনই একটি উদ্যোগ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় এসেছেন ২৩ বছর বয়সী ইংল্যান্ডের তরুণী স্কারলেট।

তার দাবি, পূর্ণকালীন চাকরি ছাড়াই পুরোনো ও ভিন্টেজ পোশাক অনলাইনে পুনর্বিক্রি করে তিনি প্রতি মাসে প্রায় ২ হাজার ৫০০ পাউন্ড আয় করছেন। আর এই কাজ শুরু করতে তার প্রাথমিক বিনিয়োগ ছিল মাত্র ৪০ পাউন্ড।

স্কারলেট জানান, পড়াশোনার ব্যস্ততার মধ্যে বাড়তি খরচ চালাতে সহজ কোনো আয়ের পথ খুঁজছিলেন তিনি। একদিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্ক্রল করতে গিয়ে ফেসবুক মার্কেটপ্লেসে পুরোনো ভিন্টেজ পোশাকের একটি বাণ্ডিলের বিজ্ঞাপন দেখেন।

মাত্র ৪০ পাউন্ডে তিনি প্রায় ১২০টি পোশাকের সেই বাণ্ডিল কিনে নেন। পরে ওই বাণ্ডিলে থাকা একটি ভিন্টেজ পোশাকই তিনি ৫০ পাউন্ডে বিক্রি করতে সক্ষম হন। অর্থাৎ একটি পোশাক বিক্রি করেই তিনি পুরো বাণ্ডিল কেনার খরচ তুলে নেন এবং লাভও করেন।

এরপর বাকি পোশাকগুলো বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ধীরে ধীরে বিক্রি শুরু করেন স্কারলেট। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ব্যবসার প্রথম সপ্তাহেই তিনি প্রায় দুই হাজার পাউন্ড আয় করেন। তখনও তার কাছে বিক্রির জন্য বেশ কিছু পোশাক অবশিষ্ট ছিল।

সাফল্যের পর এটিকেই নিয়মিত খণ্ডকালীন কাজ হিসেবে বেছে নেন তিনি। বর্তমানে সপ্তাহে প্রায় আট ঘণ্টা সময় দিয়ে পোশাকের তালিকা তৈরি, ক্রেতাদের বার্তার উত্তর দেওয়া এবং নতুন স্টক খোঁজার কাজ করেন স্কারলেট।

তিনি বলেন, মৌসুম ও ফ্যাশন ট্রেন্ডের ওপর পোশাক বিক্রি অনেকটাই নির্ভর করে। গরমের দিনে পোশাকের পাশাপাশি বিভিন্ন ফ্যাশন অ্যাক্সেসরিজের চাহিদাও বাড়ে। রং, নকশা ও পোশাকের ধরণ বুঝে পণ্য নির্বাচন করতে পারলে বিক্রির সম্ভাবনা বাড়ে।

অল্প পুঁজিতে এবং সীমিত সময় দিয়ে এমন আয় করার অভিজ্ঞতা এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক তরুণ-তরুণীর আগ্রহ তৈরি করেছে।

অমিয়/