ঢাকা ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
দুর্নীতির মামলায় সাবেক মন্ত্রী মেননকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ রায়পুরায় অতিবৃষ্টিতে মাটির ঘরের দেয়ালধসে শিশুর মৃত্যু চামড়া খাতে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে রোডম্যাপ করছে সরকার ইউরোপের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেবে যুক্তরাজ্য বজ্রাঘাতে প্রাণহানি কমাতে মাল্টিপারপাস আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ সংসদে তিন মন্ত্রী অনুপস্থিত থাকায় প্রশ্নোত্তর পর্ব স্থগিত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নামে ১৩৭টি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত: তথ্যমন্ত্রী বঙ্গোপসাগরে দুই ট্রলারডুবি, উদ্ধার ১৬, নিখোঁজ ২ জালিয়াতি করে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় সুবিধাভোগীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে: আজম খান হেয়ার কাট ছাড়াই সুদসহ আমানত ফেরত দেওয়া হবে: অর্থমন্ত্রী মাছের ড্রামে পাচারকালে ৫৩ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ জাতির পথনির্দেশনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা অনন্য: ডেপুটি স্পিকার আইএআইএলসি প্রেস্টিজ অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ সম্মাননা পাবেন বিজয়ী ৫৭ জন ব্যক্তি–প্রতিষ্ঠান হামের উপসর্গে আরও ৩ জনের মৃত্যু ডেঙ্গুতে বাড়ছে উদ্বেগ, আরও ৩ জনের মৃত্যু মানি লন্ডারিং মামলায় আ’লীগ নেতা এনু-রুপনের কারাদণ্ড মনোযোগ ও একাগ্রতা ধরে রাখার সুন্নাতি ফর্মুলা কক্সবাজারে পাহাড়ধসে ৪ দিনে ১৯ জনের মৃত্যু জুলাই একদিনে সংঘটিত হয়নি, আবার আওয়ামী লীগের পতনও একদিনে হয়নি : ডা. জাহেদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদকের ভয়াবহতা জিরো রিটার্নের গ্যাঁড়াকল ওভারব্রিজ দ্রুত সংস্কার করা হোক ২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইউরোপের আধিপত্য চীনে কাঁঠাল রপ্তানি করতে চায় সরকার: সংসদে প্রধানমন্ত্রী বিএসএফের ঠেলে পাঠানো ৪ ভারতীয় নাগরিক ফিরলেন ভারতে ঘরে জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু খুলনায় ভালো কাজের পুরস্কার পেলেন ট্রাফিকের ৩১ সদস্য বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল স্বামী-স্ত্রীর কোষ ও এর গঠন অধ্যায়ের ১৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির জীববিজ্ঞান ১ম পত্র উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস, মক্তবে ৮ শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

অস্ত্র ফেরত দিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার আহ্বান বম জনগোষ্ঠীর

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৪, ১১:৪১ এএম
অস্ত্র ফেরত দিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার আহ্বান বম জনগোষ্ঠীর
মানববন্ধবে অংশ নিয়েছেন বম জনগোষ্ঠীর সদস্যরা।ছবি: খবরের কাগজ

কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টকে (কেএনএফ) সশস্ত্র সন্ত্রাসী কার্যক্রম বন্ধ করে লুট করা সরকারি ১৪টি অস্ত্র ফেরত দিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন রোয়াংছড়ি উপজেলায় বসবাসরত বম জনগোষ্ঠী। 

সোমবার (১০ জুন) সকাল ১০টায় রোয়াংছড়ি বাজারে সর্বস্তরের সাধারণ বম জনগোষ্ঠীর ব্যানারে দুই শতাধিক নারী-পুরুষ  প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছেন। 

এ সময় বক্তারা বলেন, সম্প্রতি বান্দরবানে রোয়াংছড়িতে সেনাবাহিনীর ওপর হামলা, রুমা ও থানচি উপজেলায় কেএনএফের ব্যাংক ডাকাতি, সরকারি অস্ত্র লুট, অপহরণ ও চাঁদাবাজির তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। 

একই সঙ্গে পুলিশ ও আনসার সদস্যে ১৪টি অস্ত্র ও গোলাবারুদ ফেরত দিয়ে কেএনএফ সদস্যদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার আহ্বান জানান তারা। 

রোয়াংছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি নেইত পুইতিং বম বলেন, পার্বত্য জেলা বান্দরবানে যৌথ বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে। কেএনএফ সশস্ত্র সংগঠন কর্তৃক ব্যাংক ডাকাতি, সরকারি অস্ত্র লুট, অপহরণ, চাঁদাবাজি ও সেনাবাহিনীর ওপর হামলাসহ নানা রকম সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। সরকার সাধারণ নাগরিকদের জানমাল রাষ্ট্রীয় সম্পদের নিরাপত্তার ও সন্ত্রাস প্রতিরোধ দমনের লক্ষ্যে যৌথ বাহিনী অভিযান পরিচালনা করছে। আমাদের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা বাহিনীর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।

বান্দরবান সরকারি কলেজের ছাত্রী জেনেট বম বলেন, কেএনএফের ক্রমবর্ধমান বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের কারণে এলাকায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। কেএনএফের অনৈতিক কার্যকলাপের জন্য সাধারণ মানুষ বিশেষ করে বম জনগোষ্ঠীর মা-বোন, বৃদ্ধ ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা ভুক্তভোগী হতে চাই না। 

আজ বম জনগোষ্ঠীর অধিকাংশ গ্রাম জনশূন্য। শত শত মানুষ দেশান্তরিত হচ্ছে। স্কুল, কলেজ, ভার্সিটির শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা বন্ধ হচ্ছে। স্বাভাবিক গৃহস্থালির কাজ, আর্থসামাজিক, জীবন-জীবিকা নির্বাহের কাজ ব্যাহত হচ্ছে। এলাকায় সাধারণ মানুষ অনাহারে-অর্ধাহারে মানবেতর জীবনযাপন করছে। এসবের দায়ভার কেএনএফকে নিতে হবে। 

তিনি বলেন, বম জনগোষ্ঠীর প্রধান আয়ের উৎস হচ্ছে ফলদ বাগান ও জুম চাষ। ফলদ বাগান করে শত শত পরিবার জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। ফলমূল বিক্রি করার এই মৌসুমে কেএনএফ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে এলাকায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে ব্যবসায়ীরা বম পাড়ায় আসতে পারছেন না। শত শত একর আম, আনারস বিভিন্ন ফলদ বাগান নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ‘কেএনএফ সংগঠনের প্রতি আমাদের অনুরোধ, যদি সমাজে শান্তি চাও, লুণ্ঠিত সরকারি অস্ত্র ফেরত দিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসো। তোমাদের অযৌক্তিক ও অবান্তর দাবি বম জাতির সামাজিক অবক্ষয়, বিশৃঙ্খলা, অর্থনৈতিক ধ্বংস ও এলাকার ক্ষতি ছাড়া কোনো সুফল বয়ে আনবে না।’ 

মানববন্ধনে রোয়াংছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি নেইত পুইতিং বমের সভাপতিত্বে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন রোয়াংছড়ি উপজেলার ৩৪১নং মৌজার হেডম্যান বয়থাং বম, পারখুম বম প্রমুখ। 

গত ২ ও ৩ এপ্রিল রুমা ও থানচিতে সোনালী ও কৃষি ব্যাংকে ডাকাতি, ব্যাংক ব্যবস্থাপককে অপহরণ, টাকা লুট ও পুলিশ-আনসার সদস্যদের ১৪টি অস্ত্র ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। ব্যাংক ব্যবস্থাপক উদ্ধার হলেও লুট হওয়া অস্ত্র ও টাকা দুই মাসেও উদ্ধার করা যায়নি। সশস্ত্র সংগঠন কেএনএফ এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে।

রিজভী/ইসরত চৈতী/অমিয়/

রায়পুরায় অতিবৃষ্টিতে মাটির ঘরের দেয়ালধসে শিশুর মৃত্যু

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:১২ পিএম
আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:১৪ পিএম
রায়পুরায় অতিবৃষ্টিতে মাটির ঘরের দেয়ালধসে শিশুর মৃত্যু
নিহত শিশু তানঝুমা আক্তার ও তার বাবা আপেল মিয়া। ছবি: সংগৃহীত

নরসিংদীর রায়পুরায় অতিবৃষ্টির কারণে মাটির ঘরের দেয়াল ধসে তানঝুমা আক্তার (৮) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে উপজেলার মরজাল ইউনিয়নের মরজাল মাইজপাড়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

নিহত তানঝুমা ওই এলাকার আপেল মিয়ার মেয়ে এবং স্থানীয় মাইজপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী। 

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, দুপুরে স্কুল ছুটি শেষে বাড়ি ফেরে তানঝুমা। এ সময় বাড়ির পাশে থাকা চালবিহীন একটি পরিত্যক্ত মাটির ঘরের দেয়াল টানা ভারী বর্ষণের কারণে হঠাৎ ধসে তার ওপর পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। 

মরজাল ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত সদস্য আছমা বেগম জানান, মাটির ঘরের দেয়ালধসে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আজ রাতেই নিহত শিশু তানঝুমার দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।

রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মজিবুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

শাওন/নাঈম

বঙ্গোপসাগরে দুই ট্রলারডুবি, উদ্ধার ১৬, নিখোঁজ ২

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৫ পিএম
বঙ্গোপসাগরে দুই ট্রলারডুবি, উদ্ধার ১৬, নিখোঁজ ২
ছবি: সংগৃহীত

বৈরী আবহাওয়া ও উত্তাল ঢেউয়ের কবলে পড়ে বরগুনার তালতলী উপজেলার ফকিরহাট সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে ১৮ জন জেলেসহ দুটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে। এতে ১৬ জন জেলেকে জীবিত উদ্বার করা সম্ভব হলেও এখনও ২ জেলে নিখোঁজ রয়েছেন।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাতে উপজেলার ফকিরহাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের প্রায় ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণে এই দূর্ঘটনা ঘটে।

নিখোঁজ জেলেরা হলেন- কালাম পাইকার, শহীদ। তারা দুজনেই তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের বাসিন্দা।

উদ্বার হওয়া জেলেরা হলেন- খলিল মাষ্টার, রিদয় জোমাদ্দার, দুলাল, ইমরান, ফারুক, আল-আমিন, মনির, আশরাফুল, জামাল, ইমরান, শামিম, নাসির, সাগর, আছিফ, নাসির, নুরুজ্জামান। তারা সবাই তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের বাসিন্দা।

উদ্বার হওয়া জেলেরা জানায়, মঙ্গলবার সকালে তালতলী উপজেলার ফকিরহাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র থেকে দুটি মাছ ধরার ট্রলার কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে ইলিশ শিকারের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। এর মধ্যে তপন জোমাদ্দারের মালিকানাধীন ট্রলারে ১৩ জন এবং আলমগীর খলিফার মালিকানাধীন ট্রলারে ৫ জন জেলে ছিলেন। রাতে হঠাৎ সাগর উত্তাল হয়ে উঠলে প্রচণ্ড ঢেউয়ের আঘাতে ট্রলার দুটি দুর্ঘটনার শিকার হয়। ঢেউয়ের তোড়ে আলমগীর খলিফার মালিকানাধীন ট্রলারটি ডুবে গেলে ওই ট্রলারেরা জেলেরা জীবন বাঁচাতে তপন জোমাদ্দারের ট্রলারে গিয়ে উঠেন। কিন্তু একপর্যায়ে প্রচণ্ড ঢেউয়ে দ্বিতীয় ট্রলারটিও ডুবে গেলে জেলেরা সাগরে ভাসতে থাকেন। পরে রাত ৩টার দিকে অন্য একটি মাছ ধরার ট্রলার ১৬ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করে পটুয়াখালী জেলার মহিপুর থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে। তবে বাকি ২ জনের এখনও কোনো সন্ধান মেলেনি। এদিকে নিখোঁজ স্বজনদের অপেক্ষায় উপকূলের পরিবারগুলোতে এখন চলছে শোকের মাতম।

ফকিরহাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি মজিবুর রহমান ফরাজী বলেন, গতকাল ১৮ জন জেলেসহ দুটি ট্রলার সাগরে ডুবে যায়। আজ সকালে ১৬ জন জেলেকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং বর্তমানে তাদের পটুয়াখালীর মহিপুর থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে অন্য ২ জন জেলে এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। প্রশাসনের পাশাপাশি আমাদের সমিতির পক্ষ থেকেও নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারে সর্বোচ্চ উদ্ধার তৎপরতা চালানো হচ্ছে।

তালতলী কোষ্টগার্ড স্টেশনের কন্টিনজেন্ট কমান্ডার আশরাফুল আলম বলেন, বঙ্গোপসাগরে নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারের জন্য আমরা এখনও অভিযান শুরু করতে পারিনি। কারণ সাগর উত্তল রয়েছে। আবহাওয়া ভালো হলেই উদ্ধার অভিযানে বের হব। আমাদের জানানো হয়েছে গতকাল ১৮ জন জেলে নিয়ে ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটেছে। ১৮ জেলেই নিখোঁজ রয়েছেন আমাদের কাছে এই তথ্য আছে। জেলে উদ্ধার হয়েছে কিনা এই ধরনের কোন তথ্য আমাদের কাছে নেই।

এ বিষয়ে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে সাথে সাথে কোষ্টগার্ড এবং নৌ পুলিশকে অবহিত করেছি। তবে সাগর উত্তাল থাকায় উদ্ধার অভিযানে বেগ পেতে হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, উদ্ধার হওয়া ১৬ জন জেলের চিকিৎসার বিষয়ে আমরা পটুয়াখালীর মহিপুর থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষের খোঁজখবর নিচ্ছি।

মহিউদ্দিন অপু/এসএন

কক্সবাজারে পাহাড়ধসে ৪ দিনে ১৯ জনের মৃত্যু

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪৯ পিএম
আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:১২ পিএম
কক্সবাজারে পাহাড়ধসে ৪ দিনে ১৯ জনের মৃত্যু
পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকটি ঘর। ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারে গত চার দিনে ভারী বৃষ্টির কারণে জেলার বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা, বন্যা পরিস্থিতি এবং পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে মোট ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে ১৬ জন রোহিঙ্গা এবং ৩ জন স্থানীয় নাগরিক।

বুধবার (৮ জুলাই) কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান জানান, গত চার দিনের বৃষ্টিপাতের পরিমাণ, রবিবার ২৪০ মিলিমিটার, সোমবার ১২৯ মিলিমিটার, মঙ্গলবার ৬৯ মিলিমিটার এবং বুধবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত আরও ৬৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সব মিলিয়ে চার দিনে মোট বৃষ্টিপাতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫০৬ মিলিমিটার।

এদিকে টানা বৃষ্টিপাতের ঘটনায় কক্সবাজারে ৭টি পাহাড় ধসের ঘটনায় মোট ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। তারমধ্যে উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৪টি পৃথক পাহাড়ধসের ঘটনায় ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া কক্সবাজার সদরের সাত্তারঘোনা, দরিয়ানগর বড়ছড়া এবং পেকুয়ায় পৃথক পাহাড় ধসের ঘটনায় ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এসব ঘটনায় অনেকেই হতাহত হয়েছেন।

সর্বশেষ বুধবার বেলা ৩টার দিকে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প-৫-এর ব্লক এ-৭/৩ এলাকায় ৮ শিশু নিহত হয়েছে।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বিষয়টি জানান, ক্যাম্প-৫ পাহাড়ধসের ঘটনায় মোট ১৩ জন শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৮ জন শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪ জন ঘটনাস্থলেই এবং অপর ৪ জন বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।

অবশিষ্ট ৫ জন শিশুকে ক্যাম্প-৩-এর জিকে হাসপাতাল, ক্যাম্প-৫-এর ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল এবং ক্যাম্প-৬-এর আইআরসি হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়েছে।

এর আগে সোমবার (৬ জুলাই) রাতে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পৃথক তিনটি পাহাড়ধসের ঘটনায় ৮ জন নিহত হন।

রাত ১টা ১০ মিনিটের দিকে পালংখালী ইউনিয়নের ১৫ নম্বর জামতলী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি/৬ ব্লকে পাহাড়ধসে মোহাম্মদ কামাল হোসাইন (৪৪), তার স্ত্রী হুমায়রা বেগম (৩৯) এবং তাদের চার বছর বয়সী ছেলে মোহাম্মদ আনাস নিহত হন।

একই রাতে রাজাপালং ইউনিয়নের কুতুপালং ৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি/৭ ব্লকে পাহাড়ি ঢলে আসা মাটির নিচে চাপা পড়ে একরাম (৭) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়।

পরে রাত ৩টার দিকে বালুখালী ১১ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি/১১ ব্লকে আরেকটি পাহাড়ধসের ঘটনায় চারজন নিহত হন। তারা হলেন উম্মে হাবিবা (২৭), তানজিনা আক্তার (১৩), মোহাম্মদ রিহান (৫) এবং হারুনুর রশিদ (৩)।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, মানবিক সংকটের পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগও এখন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কাজ চলছে।

এদিকে কক্সবাজার শহরের ১২ নম্বর ওয়ার্ডের সাত্তার ঘোনা এলাকায় সোমবার গভীর রাতে পাহাড়ধসে আলী আকবর (৫০) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়।

নিহতের ছেলে আরাফাত হোসেন জানান, রাত ২টা ১০ মিনিটের দিকে পাহাড়ের মাটি তাদের টিনের ঘরের ওপর ধসে পড়ে। গুরুতর আহত অবস্থায় আলী আকবরকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অন্যদিকে পেকুয়া উপজেলার টইটং ইউনিয়নের আলম্ম্যার ঝিরি এলাকায় সোমবার বিকেলে পাহাড়ধসে মোহাম্মদ মিনহাজ (৮) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন শিশুটির নানী জান্নাতুল ফেরদৌস।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেল ৩টার দিকে পাহাড়ের পাদদেশে থাকা একটি বসতঘরের ওপর মাটি ধসে পড়লে ঘটনাস্থলেই মিনহাজের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত জান্নাতুল ফেরদৌসকে উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য মনজুর আলম ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

অন্যদিকে মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে কক্সবাজার সদর উপজেলার দরিয়ানগর এলাকায় পাহাড়ধসের ঘটনায় নাছিমা আক্তার নামে এক নারীর মৃত্যু হয়। একই ঘটনায় তার স্বামী জসিম উদ্দিন ও পরিবারের আরেক সদস্য গুরুতর আহত হন।

নিহতের ভাই মনির আলম জানান, পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস করতেন তারা। টানা বৃষ্টির কারণে হঠাৎ পাহাড়ধস নেমে ঘরের ওপর মাটি এসে পড়লে পরিবারের তিন সদস্য আহত হন। পরে তাদের দ্রুত কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক নাছিমা আক্তারকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত জসিম উদ্দিনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অপর আহত শিশুটি কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান জানান, চলমান দুর্যোগ মোকাবেলায় সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরকে নিয়ে জরুরি সভা করা হয়েছে। পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে থাকা মানুষদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে প্রশাসন মাঠে কাজ করছে।

তিনি বলেন, “প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে কেউ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অবস্থান করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে অবিরাম বৃষ্টিতে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতিরও সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি পাহাড়ধসের ঝুঁকি আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সমুদ্রবন্দরসমূহে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল রয়েছে এবং আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী প্রতিকূল আবহাওয়া আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলার সব সাইক্লোন শেল্টার (আশ্রয়কেন্দ্র) প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এক জরুরি গণবিজ্ঞপ্তিতে পাহাড়ের পাদদেশ, ঢালু এলাকা এবং বন্যাকবলিত নিচু স্থানে বসবাসকারীদের দ্রুত নিকটস্থ নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উদ্ধার ও জরুরি সহায়তার জন্য একটি কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে। সার্বক্ষণিক সহায়তার জন্য কন্ট্রোল রুমের নম্বর ০১৮৭২-৬১৫১৩২-এ যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সবাইকে সতর্ক থাকার এবং সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।

নাঈম/

বিএসএফের ঠেলে পাঠানো ৪ ভারতীয় নাগরিক ফিরলেন ভারতে

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৬:০৫ পিএম
বিএসএফের ঠেলে পাঠানো ৪ ভারতীয় নাগরিক ফিরলেন ভারতে
ছবি: খবরের কাগজ

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিএসএফের পুশইনের পর চাঁপাইনবাবগঞ্জে গ্রেপ্তার চার ভারতীয় নাগরিক নিজ দেশে ফিরে গেছেন।

বুধবার (৮ জুলাই) বেলা সাড়ে ৩টার দিকে ট্রাভেল পাসের মাধ্যমে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে ভারতে যান তারা।

ইমিগ্রেশন পুলিশের ইনচার্জ জামিরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

ওই চার ভারতীয় নাগরিক হলেন- পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার মুরারাই থানার ধিতরা গ্রামের বাসিন্দা সুইটি বিবি, তার দুই ছেলে কুরবান শেখ ও ইমাম দেওয়ান এবং দানিশ শেখ। 

তবে একই সঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়া সোনালী বিবি নামে আরেক নারী ও তার সন্তানকে ভারতে পাঠানো হয়েছিলো গত বছরের ৫ ডিসেম্বর। অন্তসত্ত্বা হওয়ায় মানবিক দিক বিবেচনা করে সে সময় সোনালী বিবিকে ভারতে পাঠানো হয়। 

সোনামসজিদ ইমিগ্রেশন ইনচার্জ জামিরুল ইসলাম বলেন, ট্রাভেল পাসের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে চার ভারতীয় নাগরিককে ভারতে পাঠানোর অনুমতি দেয়া হয়েছে। এ সময় সেখানে রাজশাহীস্থ ভারতের সহকারী হাইকমিশনারসহ বিজিবি ও বিএসএফের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গত বছরের ২০ আগস্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের আলীনগর থেকে অন্তসত্ত্বা এক নারীসহ ৬ ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশের কাছে তারা দাবি করে- ভারতীয় নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও কুড়িগ্রামের একটি সীমান্ত দিয়ে তাদের বাংলাদেশে পুশ ইন করে বিএসএফ। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে দুই দেশেই তোলপাড় সৃষ্টি হয়। ভারতের সুপ্রিম কোর্ট ওই ছয় নাগরিককে দ্রুত ফিরিয়ে আনার নির্দেশ দেন। 

ওই নির্দেশনার পর অন্তসত্ত্বা সোনালী বিবি ও তার ৮ বছরের সন্তানকে ৫ ডিসেম্বর ভারতে পাঠানো হয়। তবে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আদালতে মামলা চলমান থাকায় বাকী চারজন যেতে পারেন নি। এই চারজনকে ট্রাভেল পাসের মাধ্যমে ভারতে যাওয়ার অনুমতি দেয় বাংলাদেশ সরকার।

মো. আসাদুল্লাহ/এসএন

ঘরে জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৬:০২ পিএম
ঘরে জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
ছবি: খবরের কাগজ

ময়মনসিংহ শহরে বাসার মধ্যে জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে ডুবে আজনান আমিন তালুকদার আয়াশ নামে ৮ মাসের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। 

বুধবার (৮ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে শহরের ব্রহ্মপল্লী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আয়াশ একই এলাকার রেজায়ানুল আমিন আবিরের ছেলে। আবির একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। ঘটনার সময় শিশুরটির মা বন্যা আক্তার শিশুসহ ব্রহ্মপল্লী এলাকায় শিশুটির নানার বাসায় ছিলেন।

পুলিশ ও আয়াশের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রাতভর বৃষ্টিতে বাসার ভেতরে পানি ঢুকে যায়। সকালে খেলাধুলা করার পর আয়াশকে নিয়ে তার মা ঘুমিয়ে ছিলেন। পরে শিশুটির নানি এসে দেখতে পান আয়াশ জমে থাকা পানিতে ডুবে আছে। পরে তাকে দ্রুত পানি থেকে উঠিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।

শিশুটির বাবা রেজায়ানুল আমিন আবির বলেন, প্রচণ্ড বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার কারণে বাসার ভেতরে পানি ঢুকে যায়। বাচ্চা হঠাৎ গড়িয়ে পানিতে পড়ে যায়। পরে তাকে দ্রুত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলেও বাঁচানো সম্ভব হয়নি। অপরিকল্পিত শহর আর অনুন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে নগরজুড়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। এ কারণেই বাসার ভেতরেও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় এবং আমার কলিজার টুকরো ছেলেটা মারা গেল।

স্থানীয়রা জানান, গতকাল মঙ্গলবার রাতে টানা বৃষ্টিতে ময়মনসিংহ নগরীতে তীব্র জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। ভারী বৃষ্টির কারণে সকাল থেকেই নগরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও আবাসিক এলাকায় পানি জমে গেছে। রাস্তাঘাট, বাসাবাড়ি, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়েছে।

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শিবিরুল ইসলাম বলেন, অসাবধানতাবশত শিশুটি ঘরে জমে থাকা বৃষ্টির পানিতে পড়ে যায়। শিশুটিকে দ্রুত ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা প্রক্রিয়াধীন।

কামরুজ্জামান মিন্টু/নাঈম