ঢাকা ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ইউসিবির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) হিসেবে পদোন্নতি পেলেন মোহাম্মদ শফিকুর রহমান ও মো. রীদওয়ানুল হক সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়তে চায় বাংলাদেশ পুলিশ ধামরাইয়ে মহাসড়কে ডিম ভেঙে খামারিদের প্রতিবাদ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি গড়ার প্রতিশ্রুতি অর্থমন্ত্রীর A King and Astrologer বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা,  ৫ম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র রেড ক্রিসেন্ট সিলেট ইউনিট পরিদর্শনে রেড ক্রিসেন্ট চেয়ারম্যান একদিনে ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১২৪ হাসপাতালে ভর্তি মিল্টন খন্দকার, দ্রুত অস্ত্রোপচার টাইব্রেকার হলে শুটার বাছবেন জাপান কোচ লালমনিরহাটে পানিবন্দি হাজারো মানুষ নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত মরক্কো সাবেক এমপি আশিকা আবারও রিমান্ডে, হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার নবী নেওয়াজ শিক্ষা খাতে বাজেট: বিনিয়োগ নাকি দুর্নীতির নতুন সুযোগ? জাপান ম্যাচের আগে ভিনির চোখে জল সিংগাইরে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি, তিন প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা কুমিল্লায় স্কুলছাত্র গুলিবিদ্ধের ঘটনায় আরও তিনজন আটক সুমেক হাসপাতাল চালুর দাবিতে ক্লাস বর্জনের অষ্টম দিন, শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন: মহাবিপর্যয়ের হাতছানি নির্মাতার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তুললেন পারসা ইভানা ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স ও র‍্যাংগস ইলেকট্রনিক্সের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি চট্টগ্রামে শরিয়াহভিত্তিক ৫ ব্যাংকের আমানতকারীদের স্মারকলিপি চট্টগ্রামে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নিত্যপণ্যে ছাড় উত্তরায় ইবিয়ানদের প্রথম মতবিনিময় ও নৈশভোজ অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে দোকান থেকে অজগর সাপ উদ্ধার জুলাই অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি ঘিরে শিবিরের ৩৬ দিনের কর্মসূচি বিশ্বকাপের ফ্যান জোনে গোলাগুলি, নিহত ১ বাগদান নিয়ে যা বললেন নীহা স্মার্টফোনের ক্যাম্পাস অ্যাম্বাসেডর হওয়ার সুযোগ বিরোধী দলের এমপিদের জন্য বরাদ্দ ২০ কোটি টাকা: মির্জা ফখরুল ফুলগাজীতে গৃহবধূ কাজল হত্যা মামলার প্রধান আসামি  গ্রেপ্তার

Premature Marriage বিষয়ক Paragraph লিখন, ১১ম পর্ব, এইচএসসি ইংরেজি ২য় পত্র

প্রকাশ: ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৪:০০ পিএম
Premature Marriage বিষয়ক Paragraph লিখন, ১১ম পর্ব, এইচএসসি ইংরেজি ২য় পত্র
অকাল বিয়ে হওয়ার মেয়েরা অকাল প্রসবজনিত কারণে তাদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে থাকে। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

Paragraph Writing (by listing/ description) within 200 words

13. (a) What is meant by premature marriage? (b) Who are the victims of premature marriage? (c) What are the causes of premature marriage? (d) What problems does premature marriage create in society? (e) What suggestions do you have to solve the problem?

Early/Premature Marriage

Premature marriage is the marriage of boys and girls who have not yet reached the age of marriage. Although the government of Bangladesh has fixed 18 and 21 years for girls and boys respectively, people especially in the rural areas tend to marry their sons and daughters off earlier than the expected time. Marrying at such a premature age, boys suffer a lot because they have to work hard to run a family. On the other hand, girls suffer even more because they have to risk their lives during premature child birth. Yet the parents of sons marry them off to get dowry from the in-laws.

আরো পড়ুন : Importance of Learning English বিষয়ক Paragraph লিখন, ১০ম পর্ব

Girls parents are often prejudiced against education. They think that the more educated their daughters are, the more dowry they have to give. Some of them even think that girls are born to serve their in-laws. Thus, premature marriage creates a lot of problems in society. Lack of education is one of the causes of premature marriage. Lack of moral values also causes premature marriage. The media should be active in solving premature marriage. The govt. should take pragmatic steps to remove this evil practice. Last but not the least, raising social awareness can play the key role towards curbing this evil act.

লেখক : প্রভাষক, ইংরেজি বিভাগ
ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি স্কুল অ্যান্ড, কলেজ, ঢাকা

কবীর

A King and Astrologer বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা,  ৫ম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৫:৪০ পিএম
A King and Astrologer বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা,  ৫ম পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র
রাজা নিজের ভবিষ্যৎ জানার জন্য জ্যোতিষীর সঙ্গে কথা বলছেন । ছবি- সংগৃহীত

Story Writing

A King and Astrologer

There was a king in India. He was fond of knowing his future from the astrologers. One day an astrologer visited the capital. The king came to learn about the name and fame of the astrologer. He at once invited the astrologer to the court. The king asked him about his future. He told the king something unpleasant. At this the king got furious and condemned him to death. When the astrologer was being taken to the place of execution, the king asked him. ‘How long would you live?’

আরো পড়ুন : Slow and Steady Wins the Race বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র

“I’ll die only week before your death” replied the astrologer with a ready wit. “I'll receive your majesty where you are sending me” he cleverly added.
At this reply, the king turned pale like a dead man and shouted, ‘Drive this wretch away and let him not come here again.’
‘So good bye’ said the astrologer promptly. Thus, he managed to escape from the king’s wrath. 

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজ, ঢাকা

কবীর

ভূমিরূপ পরিবর্তন অধ্যায়ের ২টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০৩:৩৭ পিএম
ভূমিরূপ পরিবর্তন অধ্যায়ের ২টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের লেকচার শুনছে ও নোট করছে। ছবি- খবরের কাগজ

তৃতীয় অধ্যায়: ভূমিরূপ পরিবর্তন

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

১। পৃথিবীর ভূত্বক কয়টি বৃহৎ প্লেটের মাধ্যমে গঠিত?
ক) ৫টি    খ) ৭টি
গ) ৯টি    ঘ) ১১টি

আরো পড়ুন : পৃথিবীর গঠন অধ্যায়ের ৯টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির ভূগোল ১ম পত্র

২। গিরিজনি আলোড়ন সংঘটিত হয় কীভাবে?
ক) আনুভূমিকভাবে    খ) উলম্বভাবে
গ) আড়াআড়িভাবে    ঘ) বিপরীতভাবে

উত্তর: ১. খ, ২. ক।

লেখক : প্রভাষক
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা

কবীর

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থার সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ৬টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ০২:১৯ পিএম
বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থার সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ৬টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৪র্থ পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র
শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেওয়ার পর প্রশ্ন নিয়ে গ্রুপ ডিসকাশন করছে। ছবি- সংগৃহীত

অষ্টম অধ্যায় : বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থার সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন: সংক্ষেপে ইউনিসেফের পরিচিতি ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: জাতিসংঘের যেসব সংস্থা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমাজকল্যাণ কার্যক্রমের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে ইউনিসেফ (UNICEF) তাদের মধ্যে অন্যতম। এর পূর্ণ নাম হলো- United Nations International Children’s Emergency Fund. ১৯৫০ সালে Emergency শব্দটি বাদ দেওয়া হয় এবং নতুন নাম রাখা হয় United Nations Children’s Fund অর্থাৎ জাতিসংঘের শিশু তহবিল। 

প্রশ্ন: ইউনিসেফের দুটি লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য লেখ।

উত্তর: প্রতিষ্ঠার পর থেকে ইউনিসেফ বিশ্বের অনুন্নত, স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর শিশুদের নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পুষ্টিসহ সার্বিক কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। ইউনিসেফের দুটি লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো- ১. শিশুর মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করে সর্বোত্তম জীবন বিধানের নিশ্চয়তা দিয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা। 
২. শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ করার মাধ্যমে শিশুদের জন্য শিক্ষামূলক কর্মসূচির সম্প্রসারণ করা।

প্রশ্ন: বাংলাদেশে ইউনিসেফের কার্যক্রম ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: স্বাধীনতার পর থেকেই ইউনিসেফ এ দেশে শিশুদের সার্বিক কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। শিশুদের কল্যাণে কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ইউনিসেফ অর্থ ও কারিগরি সহায়তা করে যাচ্ছে। বাংলাদেশে শিশুদের কল্যাণে ইউনিসেফ যেসব কার্যক্রম পরিচালনা করছে তার মধ্যে স্বাস্থ্যবিষয়ক কার্যক্রম, পুষ্টিবিষয়ক কার্যক্রম, শিক্ষাবিষয়ক কার্যক্রম, নারীদের বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ দেওয়া, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম, বিভিন্ন সংস্থাকে সহায়তা দেওয়া, মা ও শিশুর জন্য তহবিল গঠন ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

আরো পড়ুন : বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সংস্থার সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ২টি অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম ২য় পত্র

প্রশ্ন: বাংলাদেশের পুষ্টিহীনতা দূরীকরণে ইউনিসেফের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: পুষ্টিহীনতা বাংলাদেশের সমস্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম। পুষ্টিহীনতা প্রতিরোধে ইউনিসেফ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। জনগণকে পুষ্টি বিষয়ে জ্ঞানদান, কর্মীদের পুষ্টি বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে প্রসূতি ও শিশু মৃত্যুহার রোধ, পুষ্টিজরিপ পরিচালনা, পুষ্টিকর খাদ্য উৎপাদন ও সংরক্ষণ, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের জন্য টিউবওয়েল স্থাপন, বিস্কুট ও দুধ বিতরণ ইত্যাদি কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে ইউনিসেফ ব্যাপক সফলতা অর্জন করেছে। এ ছাড়া পুষ্টিবিষয়ক গবেষণার মাধ্যমে দেশের সত্যিকার অবস্থা তুলে ধরে পরিকল্পনা প্রণয়ন ও অন্ধত্ব দূরীকরণের জন্য বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণে ইউনিসেফ খুবই তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

প্রশ্ন: শিক্ষাক্ষেত্রে ইউনিসেফের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: বাংলাদেশের জনসংখ্যার বড় একটি অংশ শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত। এ জনগোষ্ঠীকে শিক্ষার আওতায় নিয়ে আসতে ইউনিসেফ বহুমুখী সহায়তা দিচ্ছে। প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক এ দুই ভাগে ইউনিসেফ তার শিক্ষাবিষয়ক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। শিশুদের জন্য পুস্তক, খাতা, পেন্সিল/কলম সরবরাহ, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া, স্কুল স্থাপন, দরিদ্র ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে পোশাক বিতরণ ইত্যাদি ইউনিসেফের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত। ইউনিসেফের অপ্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে যুবক, বয়স্ক নারী ও পুরুষদের শিক্ষার ব্যবস্থা করা ইত্যাদি। এভাবে প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে ইউনিসেফ বাংলাদেশের শিক্ষা সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

প্রশ্ন: ইউএনডিপির কার্যক্রম পরিচালনার পদ্ধতি ব্যাখ্যা করো। 

উত্তর: ইউএনডিপি তার কার্যক্রম পরিচালনায় যেখানে যেরূপ প্রয়োজন সেখানে সেরূপ পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকে। বাংলাদেশের কৃষি শ্রমিকরা অসংগঠিত ও বিচ্ছিন্ন হওয়ায় তারা নানাভাবে নির্যাতিত, বঞ্চিত ও শোষিত হচ্ছে। কাজেই ইউএনডিপি কৃষি কার্যক্রমের আওতায় কৃষকদের নিয়ে দল গঠন করে দল সমাজকর্ম পদ্ধতি ও সমষ্টি উন্নয়ন পদ্ধতির মাধ্যমে তাদের উন্নয়নের চেষ্টা করে থাকে। দারিদ্র্য বিমোচনের ক্ষেত্রেও ইউএনডিপি সমষ্টি উন্নয়ন পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকে। আবার ইউএনডিপির স্বাস্থ্য কার্যক্রমে ব্যক্তি সমাজকর্মের অনুশীলন লক্ষ করা যায়।

লেখক : প্রভাষক, সমাজকর্ম
শের-ই-বাংলা স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মধুবাগ, মগবাজার, ঢাকা

কবীর

পড়ে পাওয়া গল্পের ৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা

প্রকাশ: ২৯ জুন ২০২৬, ১২:০৮ পিএম
পড়ে পাওয়া গল্পের ৪টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা
শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের লেকচার শুনছে ও নোট করছে। ছবি- এআই

গল্প : পড়ে পাওয়া

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

১৫। চাঁপাতলীর আমের ব্যাপারে এত আগ্রহের কারণ তা-
i. প্রচুর পাওয়া যায়    
ii. খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু
iii. নির্বিঘ্নে কুড়ানো যায়
নিচের কোনটি সঠিক? 
(ক) i            (খ) ii  
(গ) i ও ii      (ঘ) iii

১৬। লেখকের চমৎকার অর্থে ব্যবহৃত ‘দিব্যি’ শব্দটি আমরা আর কোন অর্থে ব্যবহার করে থাকি? 
(ক) শপথ     (খ) বিশ্বাস    
(গ) সংশয়    (ঘ) অনবরত

আরো পড়ুন : পড়ে পাওয়া গল্পের ৭টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা

নিচের উদ্দীপকের আলোকে ১৭ ও ১৮ নম্বর প্রশ্নের উত্তর লেখ।

স্কুলের ঝাড়ুদার পানু। পরীক্ষা শেষে কক্ষ পরিষ্কার করতে গিয়ে সে একটি মূল্যবান ঘড়ি পেল। তার লোভ হলো। ভাবল, ঘড়িটা মেয়ের জামাইকে উপহার দেবে। মেয়ে নিশ্চয়ই খুব খুশি হবে। কিন্তু রাতে ঘুমাতে গিয়ে তার মনে হলো, এ অন্যায়, অনুচিত। যার ঘড়ি তার মনঃকষ্টের কারণে মেয়ের চরম অকল্যাণ হতে পারে। ঘড়িটা কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া তার কর্তব্য। সে পরদিন তাই করল। 

১৭। পানু ‘পড়ে পাওয়া’ গল্পের কোন চরিত্রের প্রতিভূ? 
(ক) বাদল     (খ) বিধু    
(গ) কথক     (ঘ) সিধু

১৮। ওপরের উদ্দীপকে উল্লিখিত তুলনাটা কোন মানদণ্ডে বিচার্য? 
i. উভয়েই ন্যায় ও কর্তব্যবোধে উদ্বুদ্ধ    
ii. উভয়েই লোকলজ্জার ভয়ে ভীত
iii. উভয়েই অকল্যাণ চিন্তায় তাড়িত
নিচের কোনটি সঠিক? 
(ক) i          (খ) ii     
(গ) i ও ii    (ঘ) ii ও iii

উত্তর: ১৫. খ, ১৬. ক, ১৭. গ, ১৮. ক।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর

মাদকাসক্তির কারণ ও প্রতিকার বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ২য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র

প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ০৫:৪৩ পিএম
মাদকাসক্তির কারণ ও প্রতিকার বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ২য় পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র
শিক্ষার্থীরা লাইব্রেরিতে পড়াশোনা করছে। ছবি- সংগৃহীত

প্রবন্ধ রচনা : মাদকাসক্তির কারণ ও প্রতিকার

(১ম পর্ব প্রকাশের পর)

মাদকদ্রব্য চোরাচালান: মাদকাসক্তির ব্যক্তিগত দিক ছাড়াও এর আরেকটি ব্যবসায়িক দিক আছে, যা অপরাধ জগতের সঙ্গে জড়িত। মাদকদ্রব্য সাধারণত পাকিস্তান ও ভারত থেকে পাচার হয়ে পশ্চিমে ইউরোপে যায়। বিশেষ করে গ্রেট ব্রিটেন, পশ্চিম জার্মানি, ইতালি ও সুইজারল্যান্ডে যায়। শ্রীলঙ্কাকে ব্যবহার করা হয় চোরাচালানের কেন্দ্রস্থল হিসেবে। তাছাড়া বাংলাদেশের অবস্থান গোল্ডেন ক্রিসেন্ট ও গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেলের মাঝামাঝি হওয়ার ফলে বাংলাদেশকে মাদকদ্রব্য চোরাচালানের ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 

বিশ্বব্যাপী মাদকদ্রব্যের ব্যবহার ও প্রতিক্রিয়া: মাদকের ভয়াবহ প্রসার গোটা বিশ্বের জন্য আজ উদ্বেগজনক। যুক্তরাষ্ট্রের সমাজ জীবনে এটি এক নম্বর সমস্যা। প্রায় ৪ কোটি আমেরিকান নর-নারী কোকেন সেবন করে, কমপক্ষে ২ কোটি আমেরিকান মারিজুয়ানা সেবন করে। ১২ লাখ আমেরিকান হেরোইনসেবী। এই অবস্থা সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের দেশগুলোতেও রয়েছে। কিন্তু এ সমস্যা এখন শুধু ইউরোপ-আমেরিকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এই অশুভ ছায়া এশিয়া-আফ্রিকার মতো দেশে আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

মাদকাসক্তির পরিণাম: এদের খপ্পরে পড়ে নেশাগ্রস্ত দিকভ্রান্ত আমাদের তরুণ সমাজ। তারা হয়ে উঠেছে মাদকদ্রব্যের বাহক ও পশ্চিমের গিনিপিগ। একজন তরুণের স্বপ্নভরা কৈশোরের ইতিবাচক বিশ্বাসগুলো ভাঙছে তার পাশের অরাজকতা, বৈষম্য-শোষণকে দেখে। বর্তমানে তরুণরা জীবনের প্রতি আস্থা হারাচ্ছে, প্রচলিত সমাজ ব্যবস্থায় বিশ্বাস রাখতে পারছে না, আর্থিক কাঠামো এমনকি ধর্মীয় বিশ্বাসেও তাদের শ্রদ্ধা নেই। ব্যবসায়িক স্বার্থে হেরোইন আসছে নানা পথে ও মাধ্যমে আর তা ব্যবহার করছে স্বপ্নভাঙা যুবসমাজ। মধ্যবিত্ত  সমাজই নেশার শিকার, এদের স্বপ্ন ও প্রাপ্তির মধ্যে আসমান জমিন তফাৎ। যার পরিণতি মেধার অপমৃত্যু, উজ্জ্বল পরমায়ুর অবক্ষয়।

বিশ্বজুড়ে মাদকবিরোধী আন্দোলন বনাম বাংলাদেশ: বিশ্বের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র সর্বপ্রথম মাদকপ্রতিরোধ আন্দোলনে অবতীর্ণ হয়। এরপর ১৯৮৭ সালে বিশ্বের ২৩টি রাষ্ট্র মাদক প্রতিরোধ আন্দোলনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেয়। মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, বিশ্বের অন্যান্য দেশও সোচ্চার হয়ে উঠেছে। কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে সম্প্রতি ইরানে ৩১ জনকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। ১৯৯০ সাল থেকে ঢাকার তেজগাঁওয়ে স্থাপিত মাদক চিকিৎসাকেন্দ্র মাদকসেবীদের সুস্থ করার ক্ষেত্রে কাজ করছে। খুলনা, রাজশাহী ও চট্টগ্রামে আরও তিনটি মাদক চিকিৎসাকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।

মাদকের নেশা দ্রুত প্রসারের কারণ: সমীক্ষায় দেখা গেছে, প্রায় ক্ষেত্রে হতাশা ও দুঃখবোধ থেকে সাময়িক শান্তিলাভের আশা থেকেই তরুণ ও যুবকরা এই মারাত্মক নেশায় জড়িয়ে পড়ছে। পাশাপাশি এ কথাও সত্য যে, অনেক দেশে বিপথগামী মানুষ ও বহুজাতিক সংস্থা অর্থলালসার জন্য বেছে নিয়েছে রমরমা মাদক কারবারের পথ। এর সঙ্গে সম্পৃক্ত আছে বিভিন্ন দেশের মাফিয়া চক্র। মাদক কারবারিরা সারা বিশ্বে তাদের ব্যবসায়িক ও হীনস্বার্থ রক্ষায় এই নেশা পরিকল্পিতভাবে ছড়িয়ে দিচ্ছে।

আরো পড়ুন : মাদকাসক্তির কারণ ও প্রতিকার বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র

মাদকাসক্তি প্রতিরোধ চিন্তা: বিশ্বজুড়ে যে মাদকবিষ ছড়িয়ে পড়েছে তার থাবা থেকে মানুষকে বাঁচাতে হবে। এ নিয়ে বিশেষজ্ঞরা ভাবছেন। সমাজসেবীরা উৎকণ্ঠা ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। দেশে দেশে নানা সংস্থা ও সংগঠনের মাদকবিরোধী আন্দোলন শুরু হয়েছে। বেতার, টিভি, সংবাদপত্র ইত্যাদি গণমাধ্যম মাদকবিরোধী জনমত গঠনে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

সমাজের নেতাদের কর্তব্য: মাদকদ্রব্যের প্রচার ও প্রসার রোধে সমাজের নেতারা নিজ নিজ স্থান থেকে কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে পারেন। কোনো এলাকার নেতা যদি মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেন, তবে সে এলাকায় মাদকের অবাধ ব্যবহার প্রায় বন্ধ হয়ে যাবে।

আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগকারী সংস্থার ভূমিকা: সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হচ্ছে আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগকারী সংস্থা তথা সরকারের। কেননা দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা, অপরাধ প্রবণতা দমন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠাই সরকারের প্রধান দায়িত্ব। শক্ত হাতে মাদকাসক্তির মতো অপরাধ দমন করতে সরকারকে আন্তরিকভাবে এগিয়ে আসতে হবে এবং কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

আন্তর্জাতিক সংস্থার কর্তব্য: বিশ্বের সব দেশের মাদকাসক্তি রোধ করতে  এগিয়ে আসা উচিত। এর উৎপাদন, বিপণন ও পাচার রোধ করার জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে সচেতন হতে হবে। তাহলে মাদকাসক্তি থেকে উত্তরণ অনেকাংশে সম্ভব হবে বলে আশা করা যায়। এজন্য সব দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে সজাগ থেকে একযোগে কাজ করে যেতে হবে।

প্রতিকার: মাদকাসক্তির ভয়াবহ পরিণাম থেকে মানুষকে বাঁচাতে হলে এই ভয়াল ব্যাধির বিরুদ্ধে সমন্বিত প্রচেষ্টা চালাতে হবে। বেকারত্বের অভিশাপ মানুষকে মাদকাসক্ত করে। তরুণদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করলে তারা কর্মময় জীবনযাপন করবে। শিক্ষার যথার্থ প্রসার ঘটলে, মানুষের নৈতিক জ্ঞান অর্জিত হলে তাদের নেশাগ্রস্ত হওয়ার প্রবণতা কমবে। সবচেয়ে বড় কথা, মাদকাসক্তদের যেমন নিরাময়ের জন্য চিকিৎসা জরুরি তার চেয়ে অনেক বেশি জরুরি মাদক কারবারিদের আইনানুগভাবে শাস্তি দেওয়া। বাংলাদেশে কোনো মাদক কারবারি বা চোরাকারবারির উপযুক্ত শাস্তি হয়েছে এমন তথ্য আজ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

উপসংহার: মাদকের ব্যবহার এখন জাতীয় সমস্যা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। মুনাফালোভী ব্যবসায়ী, ক্ষমতালোভী, রাজনীতিবিদ, দুর্নীতিবাজ প্রশাসনিক কর্মকর্তা এরা প্রত্যেকেই এই ভয়াবহ অবস্থার জন্য দায়ী। সবাই মিলে সংগঠিতভাবে এদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। নইলে জাতি হিসেবে আমাদের অস্তিত্ব বজায় রাখা কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। আমরা সেই দিন মাদকবিরোধী আন্দোলনে সফল হব যেদিন সবাই মিলে সুস্থ জীবনবোধের চেতনায় উদ্ভাসিত হয়ে গেয়ে উঠতে পারব মাদকবিরোধী সংগীত–

‘প্যাথিডিন, হেরোইন, নেশার আস্তানা,
দুমড়ে মুচড়ে দিতে ধরো হাতখানা
চলো প্রতিরোধ গড়ে তুলি বিশ্বের প্রান্তর জুড়ে
মরণ আসে যদি তবু পিছু ফেরোনা।’

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর