গত বছর জুলাই অভ্যুত্থানে বাড্ডা এলাকায় দোকানকর্মী নিহত হওয়ার ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩১২ জনের বিরুদ্ধে নালিশী (সিআর) অভিযোগ বাড্ডা থানাকে এজাহার হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম বাদীর জবানবন্দি গ্রহণের পর অভিযোগ আমলে নিয়ে ওই আদেশ দেন।
মামলার অপর আসামিদের মধ্যে সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমু, ওবায়দুল কাদের, আসাদুজ্জামান খান কামাল, শাজাহান খান, ফারুক খান, কামরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর কবির নানক ও মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কাজী জাফরউল্লাহ, সাবেক এমপি প্রাণ গোপাল দত্ত, এ এম নাঈমুর রহমান দুর্জয়, খসরু চৌধুরী ও সালমা চৌধুরী, ডিএমপি ডিবির সাবেক প্রধান হারুন অর রশীদ, ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম হোসেন, অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান প্রমুখ উল্লেখযোগ্য।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার ১০ মাস পর গত সোমবার (২৬ মে) আদালতে নালিশী (সি আর) মামলাটি করেন নিহত দোকানকর্মী পারভেজ বেপারীর বাবা মো. সবুজ। সংশ্লিষ্ট বিচারক বৃহস্পতিবার শুনানির জন্য দিন ধার্য করেছিলেন। বাদীর আইনজীবী মকবুল হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মামলার আরজিতে বলা হয়েছে, গত ১৯ জুলাই বিকালে ৫০০/৭০০ জন আন্দোলনকারী বাড্ডা থানাধীন সুবাস্তু টাওয়ারের সামনে বিক্ষোভ করেন। সে সময় তাদের ওপর হামলা ও গুলি চালানো হয়। তখন গুলিবিদ্ধ হন উত্তর বাড্ডার এ+এন ফার্নিচার দোকানের কর্মী পারভেজ। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
উল্লেখ্য, গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতা ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান। আন্দোলনে দমন-পীড়নের ঘটনায় আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী-এমপি ও নেতাদের বিরুদ্ধে রাজধানীসহ সারাদেশে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ছাড়াও বিভিন্ন অভিযোগে মামলা হয়েছে।
এম এ জলিল উজ্জ্বল/