জাতির বিভক্তি সৃষ্টির ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধ হয়ে মোকাবিলা করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
তিনি বলেন, ‘পতিত সরকারের প্রধান অন্যায়ভাবে ভারতে আছে। ভারত তাকে থাকতে অনুমতি দিয়েছে। শেখ হাসিনা ভারত থেকে বাংলাদেশের মানুষকে উসকানি দিচ্ছে। কিন্তু আমাদেরকে সচেতন থাকতে হবে।’
শনিবার (৩০ নভেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা - বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. খন্দকার মোশাররফ বলেন, আজকে বাংলাদেশে যেসব ষড়যন্ত্র চলছে এটা খুব স্বাভাবিক। যারা পতিত তারা তো সর্বশেষ চেষ্টা করবেই এদেশে একটা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে পুনর্জীবিত হতে। কিন্তু এদেশের জনগণ আর এটা হতে দেবে না। জনগণ ৫ আগস্ট রায় দিয়ে ফেলেছে। এখন আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে থাকতে হবে।
তিনি বলেন, জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে আমাদের হাজার হাজার নেতা-কর্মী গ্রেপ্তার হয়েছে। এই আন্দোলনের ফসল হচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার। তাদের ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই বিএনপির পক্ষ থেকে সমর্থন দিয়ে আসছি। আমরা চাই তারা সফল হোক।
মোশাররফ হোসেন বলেন, পতিত স্বৈরাচারী সরকার বাংলাদেশকে ধ্বংস করে দিয়েছে। দেশকে ঠিক করতে হলে সংস্কার করা প্রয়োজন। সব বৈষম্য এই সরকার দূর করতে পারবে এটা আমরা মনে করি না। এই সরকার সংস্কার শুরু করবে কিন্তু জনগণের নির্বাচিত জনগণের সরকার এসে সেটা পূরণ করবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সিনিয়র সদস্য বলেন, এ সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে নির্বাচনকে অগ্রাধিকার দেওয়া। নির্বাচনের বিশেষগত সংস্কার প্রয়োজন। যত দ্রুত সম্ভব সংস্কার করে নির্বাচনি একটা রোডম্যাপ ঘোষণা করে নির্বাচনের দিকে যাওয়া উচিত।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন- বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজিমুদ্দিন আলম প্রমুখ।
শফিকুল ইসলাম/অমিয়/