ঢাকা ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
বৃক্ষরোপণকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে: তথ্যমন্ত্রী আরও ভালো করতে পারতাম: ডেম্বেলে একদিনে হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু বাংলাদেশের টেক্সটাইল খাতে প্রযুক্তি, বিনিয়োগ ও অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণে ইতালির আগ্রহ নরওয়ে ম্যাচের আগে ইংল্যান্ড শিবিরে বড় ধাক্কা! এআই ব্যবহারে কম বয়স বলতে কতটুকু বয়স বোঝায়? এ মাসেই ঢাকায় আতিফ আসলামের কনসার্ট দুর্যোগ মোকাবিলায় দ্রুত পদক্ষেপ, প্রধানমন্ত্রীর ১০ উদ্যোগ তুলে ধরলেন মুখপাত্র চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার গ্রহণ করলেন ৬ লেখক টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত কক্সবাজার, খোলা হয়েছে ৬৪০ আশ্রয়কেন্দ্র ভারতে ভারী বর্ষণে ১০ জনের মৃত্যু চট্টগ্রাম বোর্ডে শনিবারের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত ফ্রান্সে বন্দুকধারীদের গুলিতে আহত ৪ চুয়াডাঙ্গায় টানা ভারী বর্ষণে জনজীবন বিপর্যস্ত সাতক্ষীরায় নিখোঁজের ২ দিন পর কিশোরের মরদেহ উদ্ধার কোটি কোটি নতুন সমর্থকই বেলজিয়ামের প্রেরণা: গার্সিয়া তিস্তার 'ক্রেডিট' নিতে জামায়াতের আন্দোলন: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ভেজা বাতাস চারিত্রিক অবক্ষয় রোধে পর্দা রক্ষাকবচ কালো মেঘ শাদা মেঘ কুমিল্লায় সংস্কৃতি মন্ত্রী: প্রস্তুতি শেষ, শিগগিরই চালু হচ্ছে জুলাই জাদুঘর বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও, সড়ক যোগাযোগ এখনও ব্যাহত সাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি প্রত্যাহার শ্রাবণের চিঠি জলছবি কক্সবাজারে সৈকতে গলিত কঙ্কাল দিনাজপুরে ট্রাকের ধাক্কায় আরোহী মৃত্যু, স্ত্রী আহত আদি বৃষ্টি সাজেকে আটকা পড়া ৩১১ পর্যটককে উদ্ধার করল সেনাবাহিনী

বাথরুমে ৫ ঘণ্টা লুকিয়ে ছিলাম: দ্য ওয়ালকে ওবায়দুল কাদের

প্রকাশ: ২৬ মে ২০২৫, ০৩:৪১ পিএম
আপডেট: ২৬ মে ২০২৫, ০৪:১২ পিএম
বাথরুমে ৫ ঘণ্টা লুকিয়ে ছিলাম: দ্য ওয়ালকে ওবায়দুল কাদের
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের

জুলাই অভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনা সরকারের পতন হলে বিগত ১০ মাস লোকচক্ষুর অন্তরালে থাকা নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের মুখ খুলেছেন। ভারতীয় গণমাধ্যম দ্য ওয়ালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই প্রথম সাবেক এই সেতুমন্ত্রী উত্তাল জুলাইয়ের সেই সংকাটাপন্ন সময় নিয়ে কথা বলেছেন।

আওয়ামী লীগের তিন বারের সাধারণ সম্পাদক ৭৩ বছর বয়সি এই নেতা বাংলাদেশের রাজনীতিতে বরাবরই অত্যন্ত বিতর্কিত এবং সমালোচিত। তবে দলটির উত্থান-পতনের সঙ্গে তার সম্পর্ক আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে আছে। দ্য ওয়ালকে দেওয়া এই সাক্ষাৎকারে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসার ঘটনাসহ তাকে নিয়ে নানাবিধ সমালোচনার উত্তর দিয়েছেন। এই নেতা দ্য ওয়ালকে জানান, জীবন বাঁচাতে তিনি পাঁচ ঘণ্টা বাথরুমে লুকিয়ে ছিলেন!

তিনি বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের দিন সস্ত্রী্ক এক পরিচিতের বাসায় গিয়ে উঠেছিলাম। আমার বাসায় তখন হামলা শুরু হয়ে গেছে। সেসময় যে বাসায় উঠি সেখানেও হামলা, লুটপাট শুরু হয়ে যায়। এরকম একটি পরিস্থিতিতে এক পর্যায়ে বাথরুমে গিয়ে আশ্রয় নিয়ে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা লুকিয়ে ছিলাম। এরপর হামলাকারীরা বাথরুমে খোঁজ করতে চাইলে বেরিয়ে আসি। স্ত্রীকে বলি যা হওয়ার হবে, ওদের ঠুকতে দাও। সাত-আটটা হিংস্র ছেলে যখন ঘরে ঢুকে তখন ভাবিনি বেঁচে থাকব।’

এরপর তিনি বলেন, ‘আশ্চর্যের বিষয় হলো আমাকে চিনতে পেরে ছেলেগুলো বলল, আপনার নেত্রী চলে গেছেন। আপনি যাননি কেন? আমি চুপ ছিলাম। ওদের একদল আমাকে সেনা, আর একদল জনতার হাতে তুলে দিতে চাইল। তখন মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলাম। একদল আবার আমার সঙ্গে সেলফি তুলল। কী মনে করে ওরা আমাদের রাস্তায় নিয়ে গেল। ধরে নিয়েছিলাম, জনতার হাতে তুলে দেবে। ওরা সেটা না করে আমাদের পোশাক বদল করিয়ে, মাস্ক পরিয়ে একটা গাড়িতে করে দূরে একটি জায়গায় নিয়ে গিয়ে ছেড়ে দিল। রাস্তায় গাড়ি থামিয়ে চেক করা হচ্ছিল। গাড়ি চেক করতে আসা লোকজনকে ছেলেগুলো বলল, আমাদের চাচা-চাচিকে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছি। ছেড়ে দাও। এরপর বড় রাস্তা থেকে আমরা স্বামী-স্ত্রী দূরে আর এক জায়গায় চলে যাই।’

এই নেতা বলেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানের পর ঝুঁকি নিয়ে তিন মাস দেশেই আত্মগোপন করে ছিলাম। দেশে থেকে যাওয়ার পিছনে আমার একটা পরিকল্পনা ছিল। আমি চেষ্টা করছিলাম, শ্রমিক, কৃষক-সহ পেশাজীবী, বিশেষ করে গার্মেন্ট শ্রমিকদের নিয়ে যদি কিছু করা যায়। শ্রমিক-কর্মচারীদের অসন্তোষ, ক্ষোভকে সংঘঠিত করার চেষ্টায় ছিলাম।

আমি অসুস্থ। বাইপাস সার্জারি হয়েছে আগেই। অনেক ওষুধ খেতে হয়। এক পর্যায়ে আমার ওষুধ খাওয়া বন্ধ হয়ে গেল। ধরা পড়লে ওষুধ খাওয়া পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যেত। এদিকে, মাথার উপর ১১২টা খুনের মামলা। একের পর এক নেতা ধরা পড়ছেন। তখন অনেকেই বললেন, দেশে থাকা ঠিক হবে না। এক পর্যায়ে দেশ ছাড়তে বাধ্য হই।‘

গণ-অভ্যুত্থান দমনে ছাত্রলীগ, যুবলীগকে মাঠে নামানোর প্রসঙ্গে এই নেতা বলেন, ‘আমি কখনও ছাত্রলীগ, যুবলীগকে অভ্যুত্থান দমন করতে পথে নামতে বলিনি। আমার ভাষণের ভিডিওতে দেখবেন, ছাত্রলীগ কথাটাই আমি উচ্চারণ করিনি। আমি দলের সাধারণ সম্পাদক। তারা আমাদের বিটিভি ভবন, সেতু ভবন পুড়িয়ে দিচ্ছে। আমাদের অফিসে বারবার হামলা করছে। আমি কি চুপ করে থাকব? আমি কি নিজেকে, পার্টিকে, আমার নেত্রীকে বাঁচাব না? সে সময় দলের নেতা হিসেবে আমার দায়িত্ব আমি পালন করেছি। আমার জায়গায় অন্য কেউ থাকলে তিনিও সেটা করতেন।’

আওয়ামী লিগ শেষ পর্যায়ে টানা ১৫ বছর ক্ষমতায় ছিল। এত দীর্ঘ সময় তারা দেশ চালিয়েছে। এত বড় একটি দল। মানুষের এত ক্ষোভ এই দল ও প্রশাসন কেন বুঝতে পারল না?

এসব প্রশ্নের জবাবে গোয়েন্দা ব্যর্থতাকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এটি একটি আকস্মিক ঘটনা। এটা শুরু হয় কোটাবিরোধী আন্দোলন দিয়ে, শেষ হয় এক দফা দাবি দিয়ে। এটা একটি ষড়যন্ত্র ছিল। এক্ষেত্রে ইন্টেলিজেন্সের যে ব্যর্থতা ছিল সেটা তো মানতেই হবে।’

দলের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে অভ্যুত্থান মোকাবিলা করতে না পারার দায় নিচ্ছেন?

এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমাকে আমার নেত্রী যেভাবে নির্দেশ দিয়েছেন, সেভাবে কাজ করেছি। সাধারণ সম্পাদক হিসাবে আমার ভূল-ত্রুটি থাকতে পারে। আই অ্যাম নট ইমিউনড ফ্রম মিসটেকস। মানুষ মাত্রই ভুল করে। এমন তো নয় যে সাধারণ সম্পাদক ভুল করেন না।’

দলের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে নিজের কোনো ভুল নিজে চিহ্নিত করতে পারেন কী না?

এ প্রসঙ্গে এই নেতা বলেন, ‘চাঁদাবাজি করিনি, কমিশন খাইনি, টাকা নিয়ে দলের পদ দিইনি। এসব ব্যাপারে আমি নির্দোষ। বলতে পারি, আমি কাজ করেছি। আওয়ামী লীগের কমিটি গঠন করতে কমিশন নিইনি। কমিশনের বিনিময়ে কাউকে পদ দেইনি। সেদিক থেকে আমি নিজেরে নির্দোষ বলে দাবি করতে পারি।‘

আমরা ভুল করে থাকলে দেশে ফিরে গিয়ে ক্ষমা চাইব

শেখ হাসিনার শাসনামলে বাংলাদেশে অভূতপূর্ব উন্নতি হয়েছে। ১৫ বছর আগের আর পরের উন্নয়নে দিন আর রাতের মতো পার্থক্য। আমাদের সমালোচনা তারাই করেন, যারা দিনের আলোয় রাতের অন্ধকার দেখেন, আবার ঘোর অমাবস্যাকে পূর্ণিমা বলে দাবি করেন। সমালোচনা করার মতো বিষয় অবশ্যই আছে। সময় হলে দেশের মাটিতে দাঁড়িয়েই সব কিছুরই উত্তর আমরা দেব।

আপনার এতদিনের নীরবতার পেছনের কারণ কি? এটি কি কোন ধরণের শাস্তি?

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে নীরব ছিলাম কারণ আমাকে চুপ থাকতে বলা হয়েছিল। এটা একটি শাস্তি- কিছু লোক আছে যারা এসব বলে শান্তি পান। এসব বলার মধ্যে তাদের এক ধরণের সুখানুভূতি আছে। আমাকে তিন-তিনবার দলের সাধারণ সম্পাদক করেছেন নেত্রী। এটা তো অনেকের পছন্দ হওয়ার কথা না। আমাদের মতো দলে অনেক প্রতিযোগিতা থাকে। আমি যখন দলের সাধারণ সম্পাদক হয়েছিলাম তখনও ছিল। এটা অবাস্তব কিছু নয়। আমাদের মতো দেশে, আওয়ামী  লীগের মতো মাল্টিক্লাস পার্টিতে এটা স্বাভাবিক।‘

নেত্রীর নির্দেশে নীরব ছিলাম, তিনিই এখন সক্রিয় হতে বলেছেন

'আমার শরীর-স্বাস্থ্য নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সবচেয়ে বেশী চিন্তিত ছিলেন। তিনি আমাকে বলেন, তোমাকে এখন কিছু করতে হবে না। তুমি ভাল করে নিজের চিকিৎসা করাও। পারলে মুক্তিযুদ্ধ, সমকালীন রাজনীতি নিয়ে লেখালেখি করো। কখন কী করতে হবে আমি বলে দেব। আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কখনও দেখা করার চেষ্টা করিনি। কারণ উনি যেখানে আছেন, সেটা হাইসিকিউরিটি জোন। উনি যদি প্রয়োজন মনে করেন, ঠিক আমার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। উনিই সম্প্রতি আমাকে সক্রিয় হতে বলেছেন। আমি ভাল করেছি কী মন্দ করেছি তার সবচেয়ে বড় সাক্ষী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।’

আওয়ামী লীগের পরবর্তী সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে মতবিরোধ

এ প্রসঙ্গে এই নেতা বলেন, ‘এই কামড়াকামড়ি অসুস্থ রাজনীতি। এখনও আমরা দেশের বাইরে। আগে দেশ নিয়ে আমাদের আগে ভাবা দরকার। এখানে বসে পদ নিয়ে কামড়াকামড়ি করলে আমাদেরই ক্ষতি।’

আওয়ামী লিগের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

সবশেষে, আওয়ামী লিগের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে জানতে চাইলে ওয়ায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশে নিজেদের জায়গা ফিরে পাব, এনিয়ে শতভাগ আশাবাদী। জনমত সমীক্ষার রিপোর্ট দেখুন, বেশিরভাগ মানুষ বলছেন, শেখ হাসিনাই ভাল ছিলেন। আগে ভাল ছিলাম।‘

আওয়ামী লিগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা নিয়ে ভারত সরকার ছাড়া আর কোনো দেশ প্রতিক্রিয়া দেয়নি। তাহলে আওয়ামী লীগ কি একঘরে হয়ে আছে?

প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘মোটেই না। আমরা ভারতের প্রতি কৃতজ্ঞ। তবে কোনো দেশ সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করতে চাই না।’

সবশেষে দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা প্রার্থনা করে এই নেতা বলেন, ‘ভুল-ত্রুটি হয়ে থাকলে সেটা দেশে ফিরে বলব। ভারতে বসে বলব কেন? আমার, আমাদের ভুল-ত্রুটি হয়ে থাকলে সেটা বলার জন্য আমাদের নেত্রী আছেন। তিনিই দেশে ফিরে দেশবাসীকে বলবেন। এখান থেকে বলা কি ঠিক?’

সূত্র: দ্য ওয়াল

সুলতানা দিনা/অমিয়/

আওয়ামী লীগের জন্ম দিল্লিতে, দাফনও হয়েছে সেখানেই: সারজিস আলম

প্রকাশ: ১০ জুলাই ২০২৬, ১২:৩০ পিএম
আপডেট: ১০ জুলাই ২০২৬, ১২:৪০ পিএম
আওয়ামী লীগের জন্ম দিল্লিতে, দাফনও হয়েছে সেখানেই: সারজিস আলম
ছবি: খবরের কাগজ

’আওয়ামী লীগের জন্ম দিল্লিতে, দাফনও হয়েছে সেখানেই। এক হাজারের বেশি মানুষকে মেরে গণহত্যা চালিয়ে পালিয়ে যাওয়া দলের কাছে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব কখনো নিরাপদ থাকতে পারে না বলে মন্তব্য করেন, জাতীয় নাগরিক কমিটির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।

বৃহস্পতিবার (০৯ জুলাই) রাত ৯টার দিকে পাবনার চাটমোহরে জুলাই পদযাত্রা উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।

সারজিস আলম বলেন, ’বিগত ১৬ বছর প্রশাসন দলীয়করণের শিকার হয়েও শেষ রক্ষা করতে পারেনি শেখ হাসিনাকে। তিনি বাধ্য হয়েছেন পালাতে। নিজে ধ্বংস হওয়ার পাশাপাশি তিনি দলকেও ধ্বংস করেছেন।’  

প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীকে জনগণের এবং দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতীক হয়ে ওঠার আহ্বান জানান সারজিস আলম।

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের বর্তমান ব্যবস্থায় দালাল ধরা, ঘুষ দেওয়া কিংবা প্রভাবশালী কাউকে দিয়ে ফোন করানো ছাড়া সাধারণ মানুষের কোনো সেবা বা অধিকার পাওয়ার উপায় নেই। ক্ষমতাবানরা ঠিকই নিয়ম ভেঙে নিজেদের স্বার্থ উদ্ধার করে নিচ্ছেন। অন্যদিকে হাজারো সাধারণ মানুষ একটুখানি সেবা বা অধিকার পাওয়ার জন্য দেয়ালে মাথা ঠুকে মরছেন। এটা কোনো সিস্টেম হতে পারে না। অন্তত একটা স্বাধীন, সার্বভৌম ও কল্যাণকর রাষ্ট্রের চিত্র এমন হওয়া উচিত নয়।’

এনসিপির বিরুদ্ধে তোলা অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রসঙ্গে সারজিস আলম বলেন, এনসিপির নেতাদের বিরুদ্ধে কয়েক হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের যে অভিযোগ করা হচ্ছে, তার কোনো প্রমাণ দেখানো হয়নি। এসব অভিযোগকে তিনি রাজনৈতিক অপপ্রচার বলে দাবি করেন।

নিজেদের মন মগজ বিবেকবোধ বিসর্জন না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে সারজিস আলম বলেন, সবার আগে সিস্টেমের পরিবর্তন লাগবে। আমাদের ফাইট হলো ভাল মন্দের ফাইট, জালিম মজলুমের ফাইট, ন্যায় অন্যায়ের ফাইট। কারা চাঁদাবাজি করে, কারা মাদক ব্যবসাকে শেল্টার দিচ্ছে, কারা অন্যায় করছে সেটা ভেবেচিন্তে ভালোর পক্ষে ভোট দিতে হবে। সেখানে যদি এনসিপি ভালোটা ধারণ না করে তাদের ভোট দেয়ার দরকার নাই। সব জায়গায় আলোচনা শুরু হোক, আগামীদিনে ভোটটা হবে ভালো মানুষের পক্ষে। 

সমাবেশে এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব এস এম সাইফ মোস্তাফিজ বলেন, ’‘ফ্যাসিস্ট হাসিনা দিল্লিতে বসে নানাভাবে হুমকি দিলেও এদেশের তরুণরা তাকে আর ভয় পায় না হাসিনার দিন শেষ।

জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) পাবনা জেলা শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক সমাবেশ এনসিপির আহ্বায়ক খন্দকার আক্তার হোসেন লেবুর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার তুষার, রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান ইমন, জুলাই আন্দোলনের পাবনার সমন্বয়ক বরকতুল্লাহ ফাহাদ এবং চাটমোহর উপজেলা এনসিপির সদস্য সচিব খায়রুল ইসলামসহ আরও অনেকে। সমাবেশ শেষে চাটমোহর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে জেলা এনসিপির আহ্বায়ক খন্দকার আক্তার হোসেন লেবুকে সবার সামনে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।

জাতীয় নাগরিক কমিটির নেতারা চাটমোহর সরকারি কলেজ গেট থেকে মিছিল সহকারে পদযাত্রা নিয়ে চাটমোহর বালুচর খেলার মাঠে সমাবেশস্থলে পৌঁছান। বৃষ্টির কারণে সমাবেশ শুরু হতে কিছুটা সময় বিলম্ব হয়।

আমিনুল জুয়েল/খাদিজা রুমি/

জামালপুরে সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদ শোন অ্যারেস্ট

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৪ পিএম
জামালপুরে সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদ শোন অ্যারেস্ট
ছবি: সংগৃহীত

জামালপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ ও সাবেক এমপি নূর মোহাম্মদকে একটি বিস্ফোরক মামলায় শোন অ্যারেস্ট (গ্রেপ্তার দেখানোর) অনুমতি দিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জামালপুর চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বকশীগঞ্জ আমলি আদালতে তাকে তোলা হলে বিচারক তানজিনা আক্তার এ আদেশ দেন। গ্রেপ্তার নূর মোহাম্মদ জামালপুর - ১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ) আসনে সংসদ সদস্য ছিলেন।

আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আনিসুজ্জামান গামা জানান, বিগত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর বকশীগঞ্জ থানায় নূর মোহাম্মদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়। ঢাকায় দায়ের হওয়া একটি মামলায় গ্রেপ্তারের পর তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়। কারাগারে থাকা অবস্থায় বকশীগঞ্জ থানায় দায়ের করা বিস্ফোরক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আমিনুল ইসলাম। বিচারক তদন্ত কর্মকর্তার আবেদন মঞ্জুর করে শোন এরেস্ট দেখানোর অনুমতি দেন। আগামী ১৪ জুলাই তার জামিন শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। অ্যাডভোকেট আনিসুজ্জামান গামা আরও জানান, আমরা আশা করি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রিমান্ডের আবেদন করবেন। সেদিনই শুনানির পর আদালত পরবর্তী আদেশ দিবে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২৭ জুন রাতে রাজধানী ঢাকার গুলশানের একটি বাসা থেকে তাঁকে আটক করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এরপর আজ তাকে জামালপুর আদালতে আনা হয়। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মনোনয়নে নূর মোহাম্মদ জামালপুর-১ আসন থেকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এর আগে ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও পরাজিত হন তিনি। নূর মোহাম্মদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া দুর্নীতির অভিযোগে নূর মোহাম্মদ, তার স্ত্রী রওশন আরা বেগম ও ভাতিজা সাইফুল ইসলামের দেশত্যাগে আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

আসমাউল আসিফ/এসএন

‘বাঘে ধরলে ছাড়ে, কিন্তু আমি ধরলে ছাড়ি না’ সাংবাদিকদের বিএনপি নেতার হুমকি

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৯ পিএম
‘বাঘে ধরলে ছাড়ে, কিন্তু আমি ধরলে ছাড়ি না’ সাংবাদিকদের বিএনপি নেতার হুমকি
নড়িয়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মতিউর রহমান সাগর

শরীয়তপুরে সংবাদ প্রকাশের জেরে এক সাংবাদিকের ওপর চড়াও হয়েছেন নড়িয়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মতিউর রহমান সাগর। এ সময় তিনি ওই সাংবাদিককে নানা ধরনের হুমকি ও চাকরিচ্যুত করার হুশিয়ারি দেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, সম্প্রতি এলজিইডি কার্যালয়ে অফিস সহকারী মো. তৌফিকুল ইসলামকে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠে নড়িয়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মতিউর রহমান সাগরের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই অফিস সহকারী গতকাল বুধবার নড়িয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করলে ঘটনার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত, জিডির কপি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য নিয়ে দৈনিক কালবেলা পত্রিকার অনলাইনে সংবাদ প্রকাশ করেন শরীয়তপুর জেলা প্রতিনিধি খান মোহাম্মদ শিহান। 

সংবাদ প্রকাশের পরে ক্ষুব্ধ হন বিএনপি নেতা মতিউর রহমান সাগর। তিনি সাংবাদিক খান মোহাম্মদ শিহানের ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়ে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় মতিউর রহমান সাগর লিখেন, ‘আপনি কি সাংবাদিক, না সাংঘাতিক? আমার বক্তব্য ছাড়া নিউজ করলেন কিভাবে? ওসির দালালি করেন না। ঠিক আছে, আমি অপু ভাইয়ের (কালবেলার প্রকাশক ও সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপু) সঙ্গে যোগাযোগ করছি।’ 

ওই বার্তায় তিনি আরও ইঙ্গিত দেন, সংশ্লিষ্ট সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিকের চাকরির বিষয়ে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করবেন।

এ ব্যাপারে মতিউর রহমান সাগরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে সাংবাদিককে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি উত্তেজিত ভাষায় বলেন, ‘পারলে আপনারা কিছু করেন। আমার এক মাসের আয় আপনাদের এই সাংবাদিকদের পেছনে খরচ করে হলেও দেখে নেব। বাঘে ধরলে ছাড়ে, কিন্তু আমি ধরলে ছাড়ি না। যারাই আমার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার করেছে সবার বিরুদ্ধে আমি আইনি পদক্ষেপ নেব।’

এ বিষয়ে কালবেলা প্রত্রিকার সাংবাদিক খান মোহাম্মদ শিহান বলেন, ‘আমি পেশাগত দায়িত্ব পালন করে তথ্য-প্রমাণ ও অভিযুক্তের বক্তব্য নিয়েই সংবাদ প্রকাশ করেছি। এর পরও এ ধরনের হুমকি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিষয়টি নিয়ে আমি আমার প্রেসক্লাব ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনা করছি এবং প্রয়োজন হলে আইনি ব্যবস্থা নেব।’

এ ব্যাপারে শরীয়তপুর জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও আর টিভির প্রতিনিধি আবুল হোসেন সরদার বলেন, ‘সংবাদ প্রকাশের জেরে এ ধরনের হুমকি গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের নিরাপদে পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে উদ্বেগের বিষয়। তবে আমরা সাংবাদিকেরা এ ধরণের হুমকিকে পরোয়া করি না। আমরা আমাদের পেশাগত দায়িত্বে সব সময় ন্যায়ের পক্ষে থাকব।

বিধান মজুমদার/অমিয়/

রাজৈরে আওয়ামী লীগ থেকে ইউপি চেয়ারম্যান ও ১২ মেম্বারের অব্যাহতি

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১২:০৯ পিএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৩ পিএম
রাজৈরে আওয়ামী লীগ থেকে ইউপি চেয়ারম্যান ও ১২ মেম্বারের অব্যাহতি
ছবি: খবরের কাগজ

মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার হরিদাসদী-মহেন্দ্রদী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান রেজাউল করিম মাতুব্বসহ পরিষদের ১২ জন মেম্বার ও শতাধিক কর্মী আওয়ামী লীগের রাজনীতি থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন।

বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে হরিদসদী-মহেন্দ্রদী ইউনিয়ন পরিষদের সামনে সংবাদ সম্মেলনে রেজাউল করিম মাতুব্বর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সসভাপতি পদ থেকে মৌখিকভাবে পদত্যাগ করেন। 

এ সময় উপস্থিত থেকে মৌখিকভাবে অব্যাহতি নেন ওয়ার্ড মেম্বার দেলোয়ার হোসেন মুন্সী, সাহেব আলী খাঁ, আব্দুল জলিল মাতুব্বর, গিয়াসউদ্দিন হাওলাদার, আবুল মোল্লা, আব্দুর রশিদ মিনা ও সংরক্ষিত নারী আসনের মেম্বার শিরিন আক্তার ও বুড়ি বেগম।

এ সময় তাদের সমর্থন দেন শতাধিক কর্মী-সমর্থকরা।

ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল করিম মাতুব্বর  বলেন, ‘আমি জনগণের সেবা দিয়ে তাদের পাশে থাকার জন্য আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতাম। বর্তমানে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ায় জনগণের স্বার্থে দল থেকে পদত্যাগ করলাম। বিএনপি সরকার চাইলে তাদের হয়ে কাজ করব।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ঠাঁই দেওয়ার মতো কেউ নাই। এছাড়া দলের কার্যক্রমও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নিষিদ্ধ দলে থেকে কোনো লাভ নাই। আমি জনগণের প্রতিনিধিত্ব করি, তাদের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করি। তারা আমাকে ভালবেসে দুই বার চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছে। তাই আজ (৮ জুলাই) থেকে আওয়ামী লীগের সহসভাপতি পদ থেকে অব্যাহতি নিলাম। আমার সঙ্গে ১২ জন মেম্বারও অব্যাহতি নিয়েছেন।’

রফিকুল ইসলাম/খাদিজা রুমি/

বেনাপোল ইমিগ্রেশনে আটক ঝিনাইদহ স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি

প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১০:০৮ এএম
আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১০:২৪ এএম
বেনাপোল ইমিগ্রেশনে আটক ঝিনাইদহ স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি
ছবি: খবরের কাগজ

যশোরের বেনাপোল ইমিগ্রেশনে 'স্টপ লিস্ট' অনুযায়ী ঝিনাইদহ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি শাহরিয়ার করিম রাসেলকে আটক করে থানায় হস্তান্তর করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ।

বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে বেনাপোল স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে তাকে আটক করা হয়।

আটক শাহরিয়ার করিম রাসেল ঝিনাইদহ পৌরসভার উকিলপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি ঝিনাইদহ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের বর্তমান কমিটির সভাপতি।

ইমিগ্রেশন পুলিশ জানায়, ভারতগামী যাত্রী হিসেবে শাহরিয়ার করিম রাসেল ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে গেলে নিয়মিত যাচাই-বাছাইয়ের সময় তার নাম ইমিগ্রেশন কালো তালিকায় (স্টপ লিস্টে) রয়েছে বলে শনাক্ত হয়। এরপর তাকে ইমিগ্রেশন পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়।

ইমিগ্রেশন পুলিশ জানায়, শাহরিয়ার করিম রাসেলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯ (সংশোধনী-২০২৬) এর অধীনে ঝিনাইদহ সদর থানায়  একটি মামলা বিচারাধীন। এ কারণেই তার নাম ইমিগ্রেশন স্টপ লিস্টে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র দাবি করেছে।

বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমৃকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান বলেন, ‘স্টপ লিস্টে নাম থাকায় শাহরিয়ার করিম রাসেলকে আটক করা হয়েছে। পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে তাকে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।’

বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফ হোসেন জানান, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে ঝিনাইদহ থানায় খবর দেওয়া হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাকে থানায় হস্তান্তর করা হয়।

মাহফুজুর রহমান/খাদিজা রুমি/