ঢাকা ২০ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
কেপ ভার্দের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার একাদশে ৯ পরিবর্তন টাইব্রেকারে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে মিশর টাইব্রেকারে গড়াল মিশর-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ বিশ্বকাপে আত্মঘাতী গোলের রেকর্ড অতিরিক্ত সময়ে গড়াল অস্ট্রেলিয়া-মিশর ম্যাচ আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে ম্যাচে কারা জিতবে, জানাল সুপারকম্পিউটার মিশরের আত্মঘাতী গোলে সমতায় ফিরল অস্ট্রেলিয়া আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে ম্যাচের আগে বড় সতর্কবার্তা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথমার্ধে এগিয়ে মিশর বন্যার ঝুঁকিতে জুলাই-আগস্ট, সতর্কবার্তা এফএফডব্লিউসির খামেনির প্রতি বাংলাদেশের শেষ শ্রদ্ধা, প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে স্পিকার মোমেনার জন্মদিনে কোয়ান্টাম মঞ্চে ‘গোধূলিবেলায়’ ‘আমি ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় বন্ধু’—নতুন দাবি ট্রাম্পের শরীয়তপুরে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল ভাঙ্গা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিবসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা মামার লাঠির আঘাতে আহত ভাগ্নের মৃত্যু টুঙ্গিপাড়ায় ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার ঝিনাইদহে বাইসাইকেল বিতরণে জালিয়াতি, উপজেলা জামায়াতের আমির অব্যাহতি মিশরকে হারালেই আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ অস্ট্রেলিয়ার সোনারগাঁয় চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা করায় প্রাণনাশের হুমকি ফ্রান্সে তীব্র দাবদাহে ৯০০০ মানুষের মৃত্যু অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শেষ ৩২ এর ম্যাচে কি খেলবেন মোহাম্মদ সালাহ? সুরের মূর্ছনায় ফিরল বর্ষার স্নিগ্ধতা গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্বাধীন গণমাধ্যমের ওপর জোর মির্জা ফখরুলের মিশরের ফুটবলারদের সঙ্গে ডালাস পুলিশের হাতাহাতি ভিসা স্বাভাবিক, তবে চীন-ভারত সমীকরণে কঠিন চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ নোয়াখালীতে ইমামের সঙ্গে পালিয়েছে প্রবাসীর স্ত্রী ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রতি সম্মান, রাতে পরীক্ষা দেবেন দুই এইচএসসি পরীক্ষার্থী বস্তুনিষ্ঠতাই গণমাধ্যমের একমাত্র মানদণ্ড: তথ্যমন্ত্রী কোটালীপাড়ায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ভ্যানচালক আটক

পোস্তগোলায় নিম্নমানের ড্রেন নির্মাণ

প্রকাশ: ২৪ জানুয়ারি ২০২৫, ০৫:১০ পিএম
পোস্তগোলায় নিম্নমানের ড্রেন নির্মাণ

পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়ার লোহারপুলে জহির রায়হান নাট্যমঞ্চ থেকে পোস্তগোলার সেনানিবাস পর্যন্ত সড়কের অবস্থা দীর্ঘদিন থেকে বেহাল। ভঙ্গুর, খানাখন্দে ভরপুর এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করাই দায় সাধারণ মানুষ, যানবাহন ও যাত্রীদের। প্রতিদিনই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। প্রাণ হাতে নিয়েই হেঁটে বা ব্যাটারিচালিত রিকশায় গন্তবের উদ্দেশে প্রতিদিন পুরান ঢাকাবাসী বাসা থেকে বের হচ্ছেন। এলাকার বিধ্বস্ত রাস্তা সংস্কারের কোনো খবর নেই। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন অদক্ষ ঠিকাদারদের দিয়ে রাস্তা সংস্কারের পরিবর্তে ডিপ ড্রেনের কাজ শুরু করেছে। যা আবার নিম্নমানের এবং গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন তুলে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করছেন এলাকাবাসী। 

জরুরি ভিত্তিতে ভঙ্গুর রাস্তার কাজ শুরু না করলে এলাকাবাসী সংঘবদ্ধভাবে সড়ক অবরোধ করতে বাধ্য হবেন। দুর্বল নির্মাণসামগ্রীর কারণে প্রতিদিনই এলাকার ম্যানহোলগুলো ভেঙে চুরমার হচ্ছে। এতে এলাকার ভাঙা রাস্তায় দুর্ভোগের সীমা নেই। যে ড্রেন নির্মাণ করা হচ্ছে তাতে রয়েছে ব্যাপক অনিয়ম। সরকারি টাকা নয়, জনগণের টাকায় এ ধরনের নির্মাণকাজ কোনোভাবেই এলাকাবাসী মেনে নিতে পারছে না। ধীরগতিতে এবং অবৈজ্ঞানিকভাব খোঁড়াখুঁড়ির ফলে ধুলাবালিতে অতিষ্ঠ এলাকার জনজীবন। এতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কোনো মাথাব্যথা নেই। নেই কোনো নজরদারি।
আশা করি, অবিলম্বে পুরান ঢাকার গেন্ডারিয়া থেকে পোস্তগোলা সেনানিবাস পর্যন্ত বিধ্বস্ত সড়ক সংস্কারে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার অবহেলা ও উদাসীনতা না দেখিয়ে কাজ ধরবে। এটাই পুরান ঢাকাবাসীর প্রত্যাশা।
     
মাহবুবউদ্দিন চৌধুরী
লেখক ও গণমাধ্যমকর্মী 
১৭ ফরিদাবাদ, গেন্ডারিয়া, ঢাকা
[email protected]

হালদা নদীর সব মাছেই মিলছে মাইক্রোপ্লাস্টিকের কণা

প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬, ০৬:২২ পিএম
হালদা নদীর সব মাছেই মিলছে মাইক্রোপ্লাস্টিকের কণা

কার্পজাতীয় মাছের প্রাকৃতির প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীর মাছেও মাইক্রোপ্লাস্টিকের কণার অতিমাত্রা পাওয়া গেছে। যা মানুষের জন্য এখন বিপজ্জনক হয়ে উঠছে। প্লাস্টিকের এমন বিপজ্জনক পরিস্থিতি আমাদের এখন না ভাবিয়ে পাড়ে না। হালদার কার্পজাতীয় মাছে যেমন প্লাস্টিকের কণার উপস্থিতি মিলছে, সেই সঙ্গে বেলে সিলন ও অন্যান্য মাছে পাওয়া যাচ্ছে প্লাস্টিকের কণা। তবে বেশি প্লাস্টিকের কণা পাওয়া যাচ্ছে সিলন মাছে। হালদা নদীর সঙ্গে ১৯টি খাল দূষণের শিকার হয়ে তার বর্জ্য এসে পড়ছে এ নদীতে। সে বর্জ্যের সঙ্গেই প্লাস্টিক এসে নদীর পানিতে পড়ে তা ভেঙে ভেঙে তৈরি হচ্ছে মাছের খাবার উপযোগী কণা। নদীর মাছ তা খাবার হিসেবে গ্রহণ করছে দেদার। তাতে তাদের পরিপাকতন্ত্র এবং মাছের মাংসে প্লাস্টিকের অতি ক্ষুদ্র কণার ব্যাপকতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আমাদের দেশের কার্প জাতীয় এমন প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন হালদা নদী এভাবেই দূষণের শিকার হয়ে উদ্ভিদ এবং জলজ প্রাণী আক্রান্ত হয়ে অনেক সময় মরে ভেসে থাকতে দেখা যাচ্ছে। প্রাণ-প্রকৃতির এমন নদীতে মনুষ্য দূষণের শিকার হবে আর রাষ্ট্র তা চেয়ে চেয়ে দেখবে তা কাম্য হতে পারে না। প্রাকৃতির ফুসফুসখ্যাত এ নদী রক্ষায় শুধু রাষ্ট্র একা এগিয়ে এলেই রক্ষা করা সম্ভবপর হবে না। মানুষেরও নৈতিক দায়িত্ব রয়েছে হালদা রক্ষায়। তাদের সচেতনাবোধই হালদা রক্ষা পেতে পারে।

হাজি মো. রাসেল ভূঁইয়া
খলিফাবাড়ি, সিপাহিপাড়া, মুন্সীগঞ্জ
[email protected]

রাস্তার সংস্কার চাই

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩৬ পিএম
রাস্তার সংস্কার চাই

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সরকারি কলেজসংলগ্ন রাস্তাটি বর্তমানে বেহাল। এ রাস্তা দিয়ে এলাকার শতাধিক মানুষ হাসপাতালে, বাজারে এবং শিক্ষার্থীরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করে। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, রাস্তাটি ভেঙেচুরে গেছে এবং দীর্ঘদিন ধরে যাতায়াতের অযোগ্য হয়ে উঠেছে। রাস্তাটির দুই পাশে ল্যাম্প লাইটের ব্যবহার থাকলেও তার অধিকাংশ লাইট আজ নষ্ট, ফলে এ রাস্তায় রাতে চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। রাস্তাটি এখন স্বস্তির পরিবর্তে এলাকাবাসীর জন্য ভোগান্তির কারণ। সুতরাং, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করছি, রাস্তাটি সংস্কারে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।

উম্মে সাদিয়া জাহান নিশা
শিক্ষার্থী, আরবি ভাষা ও সাহিত্য, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
[email protected]

রাবি ক্যাম্পাসে স্বাস্থ্যকর খাবারের স্বল্পতা

প্রকাশ: ০১ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩২ পিএম
রাবি ক্যাম্পাসে স্বাস্থ্যকর খাবারের স্বল্পতা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এখানে প্রতিদিন হাজারো শিক্ষার্থী পড়াশোনা, গবেষণা এবং বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে। শিক্ষার্থীদের সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপনের জন্য স্বাস্থ্যকর খাবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাবি ক্যাম্পাসে স্বাস্থ্যকর খাবারের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষার্থীরা নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। ক্যাম্পাসের অধিকাংশ খাবারের দোকান ও ক্যান্টিনে ভাজাপোড়া, তেলযুক্ত এবং ফাস্টফুড জাতীয় খাবারের আধিক্য দেখা যায়। তুলনামূলকভাবে পুষ্টিকর ও সুষম খাবার যেমন-তাজা ফল, সবজি, কম তেলযুক্ত খাবার বা স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের ব্যবস্থা সীমিত। এ ছাড়া অনেক সময় খাবারের মান ও পরিচ্ছন্নতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। শিক্ষার্থীরা ব্যস্ততার কারণে সহজলভ্য খাবারের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, যা দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। স্বাস্থ্যকর খাবারের স্বল্পতা শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। তাই একটি সুস্থ শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ তৈরির জন্য রাবি ক্যাম্পাসে স্বাস্থ্যকর খাবারের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এ সমস্যা সমাধানে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। স্বাস্থ্যকর ও সাশ্রয়ী মূল্যের খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করা, ক্যান্টিনগুলোর খাবারের মান নিয়মিত তদারকি করা এবং শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি করা জরুরি।

হুমায়রা কবির হেমা
শিক্ষার্থী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
[email protected]

আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ০৬:৩৪ পিএম
আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা

১ জুলাই থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ২০২৬-২৭ করবর্ষের আয়কর রিটার্ন দাখিলের কার্যক্রম। এনবিআর রিটার্ন দাখিলের সময়কালকে এবার চারটি ধাপে ভাগ করে দিয়েছে। সময়কাল-সংক্রান্ত সারণি দেখে যা বোঝা যায় তা সহজ ভাষায় উপস্থাপন করার চেষ্টা করছি:

প্রথম ধাপে অর্থাৎ ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যারা রিটার্ন দাখিল করবেন আয়কর আইনের ধারা ১৭৩-এর উপ-ধারা (২) মোতাবেক তারা পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ অথবা ২৫ হাজার টাকা–এ দুটির মধ্যে যেটা কম হবে, সেই পরিমাণ টাকা কর প্রণোদনা বা ছাড় পাবেন। দ্রুত রিটার্ন সাবমিটের জন্য এ তিন মাসকে আমরা প্রণোদনাকালীন সময়সীমা বলতে পারি।

দ্বিতীয় ধাপে অর্থাৎ ১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে যারা রিটার্ন দাখিল করবেন তারা বাড়তি কোনো প্রণোদনা পাবেন না, আবার তাদের অতিরিক্ত কোনো জরিমানারও দিতে হবে না। এই তিন মাসকে আমরা নিয়মিত বা স্বাভাবিক সময়সীমা বলতে পারি।

স্পষ্টভাবে বলা যায়, সময়ের বাধ্যবাধকতা না থাকায় যে কোনো মুহূর্তে অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করা যাবে পুরো করবর্ষজুড়ে। তবে আগেভাগে রিটার্ন দাখিল করলে একদিকে যেমন করদাতা প্রণোদনা পাবে অন্যদিকে তেমনি নেটওয়ার্কজনিত সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে না বলে প্রত্যাশা সবার।

পলাশ কুণ্ডু
আয়কর আইনজীবী, এনবিআর তালিকাভুক্ত 
সদস্য, নীলফামারী ট্যাক্সেস বার অ্যাসোসিয়েশন 
[email protected]

শৈশবের সেই প্রথম মিছিল

প্রকাশ: ৩০ জুন ২০২৬, ০৬:১৪ পিএম
শৈশবের সেই প্রথম মিছিল

১৯৫৮ সাল। তখন আমি প্রাইমারি স্কুলের প্রথম শ্রেণির এক ছোট্ট বালক। বয়স সবে সাত ছুঁই ছুঁই। চারদিকের রাজনৈতিক পরিস্থিতি তখন থমথমে। পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আইয়ুব খান সামরিক শাসন জারি করে গণতন্ত্রের মানসপুত্র হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এবং তার দলের রাজনীতির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন। পরাধীনতার শৃঙ্খলে তখন পিষ্ট হচ্ছিল আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি।

এমনই এক চরম দুঃসময়ে পিরোজপুরের রাজপথে নেমে এসেছিল ছাত্রদের ঢল। আইয়ুব সরকারের এই অগণতান্ত্রিক সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে স্থানীয় ছাত্রনেতারা এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করেছিলেন। কিন্তু সেদিনের সেই প্রতিবাদী মিছিলে সবাইকে অবাক করে দিয়ে আমাকে রাখা হয়েছিল একেবারে সম্মুখে, প্রথম কাতারে। কেন আমাকে একেবারে সামনে দেওয়া হয়েছিল? কারণ, তখন নাকি আমি দেখতে অসাধারণ সুদর্শন ছিলাম। কচি মুখের সেই নিষ্পাপ সৌন্দর্য আর চোখের দীপ্তি দেখে তৎকালীন ছাত্রনেতাদের মনে হয়েছিল–এই ছোট্ট শিশুই যেন নিপীড়িত মানুষের প্রতিবাদের সবচেয়ে বড় প্রতীক!

আজ এত বছর পর পেছনে ফিরে তাকালে মনে হয়, সেদিন পিরোজপুরের রাজপথে শুধু একজন প্রথম শ্রেণির ছাত্র হাঁটেনি, হেঁটেছিল গণতন্ত্রের প্রতি এক অকৃত্রিম ভালোবাসা। ছোটবেলার সেই দিনটিই আমার ভেতরে বুনে দিয়েছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর প্রথম বীজ। সেই ছোট্ট বয়সে না বুঝেই স্বৈরাচারবিরোধী যে মিছিলে হেঁটেছিলাম, জীবনের প্রতিটি বাঁকে সেটাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তির উৎস হয়ে আছে। শৈশবের সেই মিছিল, সেই স্লোগান আর পিরোজপুরের ধুলোমাখা রাজপথ আজও আমার হৃদয়ে এক জ্বলন্ত ইতিহাস হয়ে জ্বলজ্বল করছে।

লিয়াকত হোসেন খোকন 
রূপনগর, ঢাকা
[email protected]