ঢাকা ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

সর্বশেষ
বন্যায় পানিবন্দি লাখ লাখ মানুষ যুক্তরাষ্ট্রের তেল মজুত তলানিতে মেসিদের সুইস দেয়াল ভাঙার চ্যালেঞ্জ কাজে লাগছে না কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী পুলিশকে বারবার টার্গেট, অপ্রতিরোধ্য মব সহিংসতা! সাতকানিয়ায় বন্যার পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু ন্যাটো নেতাদের রিভলবার উপহার দিলেন এরদোয়ান চলছে সাইবার মব! গোল্ডেন বুটের লড়াই: মেসি, এমবাপ্পে নাকি হালান্দ? ১১ জুলাই: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ১১ জুলাই: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল দেশে ফিরে আত্মসমর্পন করবেন শেখ হাসিনা দুই শিকারির লড়াই বিশ্বকাপ এখন এমবাপ্পের খেলাঘর ১১ জুলাই  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি তবু সবার সেরা ইয়াসিন বুনু মেসির বিকল্প হওয়া অসম্ভব: নিকো পাজ ‘সতীর্থদের কাছ থেকে সহযোগিতা পাননি রোনালদো’ সেমিফাইনালে স্পেনের প্রতিপক্ষ ফ্রান্স, খেলা কবে? শেষ মুহূর্তে মেরিনো ম্যাজিক, বেলজিয়ামকে হারিয়ে সেমিফাইনালে স্পেন নীরবতা ভেঙে আবেগঘন বার্তা ভিনিসিয়ুসের রুইজ-কেটেলারের গোলে প্রথমার্ধ শেষে সমতায় স্পেন-বেলজিয়াম পর্তুগালের নতুন কোচ জর্জ জেসুস ক্ষমা চাইলেন ভিনিসিয়ুস, দিলেন প্রতিশ্রুতিও ডোকু-ডি ব্রুইনাকে নিয়ে মাঠে নামছে বেলজিয়াম, স্পেনের বেঞ্চে পেদ্রি আর্চবিশপের কণ্ঠে মেসির বার্তা স্পেন-বেলজিয়াম ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে ইংলিশ রেফারি দাওয়াতের আড়ালে চুরির চেষ্টা, ‘মুরুব্বী’ বিবেচনায় রেহাই শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে আদালতের নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ দেশে ফিরে রাজকীয় সংবর্ধনা পেলেন সালাহরা

মার্কিন মুলুকে পাক-ভারত যুদ্ধ

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৪, ১২:৩২ পিএম
মার্কিন মুলুকে পাক-ভারত যুদ্ধ
ছবি : সংগৃহীত

৮ মাস আগে ওয়ানডে বিশ্বকাপ মহারণে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত-পাকিস্তান। আহমেদাবাদে অনুষ্ঠিত ওই ম্যাচে বাবর, রিজওয়ানদের পাকিস্তানকে ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারায় রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলিরা। দুই দলের সমর্থকদের মাঝে অম্ল-মধুর জ্বলজ্বলে স্মৃতি হয়ে আছে ম্যাচটি। আহমেদাবাদ ম্যাচ বিস্মৃতির অতলে তলিয়ে যাওয়ার আগে আবারও বিশ্বমঞ্চে মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান। নিউইয়র্কের নাসাউ কাউন্টি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ মাঠে নামছে তারা। তবে এবার ওয়ানডে নয়, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায় শুরু হবে ম্যাচটি। মার্কিন মুলুকে দুই চিরশত্রুর এই লড়াই দেখতে মুখিয়ে পুরো ক্রিকেটবিশ্ব।

ভারত-পাকিস্তান লড়াই আর দশটা সাধারণ ক্রিকেট ম্যাচের মতো নয়। এর মাঝে লুকিয়ে আছে দুই দেশের বহু বছরের পুরোনো রাজনৈতিক বৈরিতা। যদিও ক্রিকেটারদের শরীরী ভাষায় আগের সেই ঝাঁজ চোখে পড়ে না। গেল কয়েক বছর ধরে ক্রিকেটে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পাওয়া ভারতের একপেশে জয়- দুই দলের রাজনৈতিক বৈরিতাকে অনেকটাই পেছনে ফেলে দিয়েছে। ভারতের সামনে পাকিস্তান এখন নখদন্তহীন আহত বাঘ। যে শুধু তর্জন-গর্জনই করতে পারে, শিকারকে নিজের বশে আনতে পারে না। একসময় নিয়মিত ছিল দুই দলের আইসিসি প্রবর্তিত দ্বিপক্ষীয় সিরিজ। সেটা গত এক দশক ধরে ফাইলবন্দি। ভারত-পাকিস্তানের দেখা হয় এখন বিশ্বকাপের মঞ্চে নতুবা এশিয়া কাপ টুর্নামেন্টে। এই দুই আসরে আবার ভারতের সামনে দাঁড়াতেই পারে না পাকিস্তান।

বিশ্বকাপে বরাবরই সমীহ জাগানিয়া একটি দল ভারত। ফেবারিট হিসেবে প্রায় প্রতিটি আসরে অংশ নেয় তারা। চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও এর ব্যতিক্রম নয়। ২০২৪ ওয়েস্ট ইন্ডিজ-যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপে ‘এ’-গ্রুপ থেকে লড়ছে রোহিত শর্মারা। একই গ্রুপে পাকিস্তান ছাড়াও আয়ারল্যান্ড, কানাডা এবং স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র রয়েছে। আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে জয় দিয়ে আসর শুরু করেছে ভারত। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সুপার ওভারে ম্যাচ হেরে কোণঠাসা পাকিস্তান। আসরের সুপার এইটের স্বপ্ন জিইয়ে রাখতে হলে আজ ভারতের বিরুদ্ধে জয়ের বিকল্প নেই বাবর আজমদের। আইরিশদের বিরুদ্ধে পাওয়া জয়ে রোহিত, কোহলিরা উজ্জীবিত থাকলেও সুপার এইটের হিসাব-নিকাশ তাদের পরিকল্পনাতেও রয়েছে। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হেরে গেলে রোহিতদের জন্যও সুপার এইট পর্ব কঠিন হয়ে যাবে। তাই আজ ভারত-পাকিস্তান বাঁচা-মরার ম্যাচটি সত্যিকার অর্থে মহারণে রূপ নিয়েছে। তবে পাকিস্তানের চেয়ে কিছুটা হলেও স্বস্তিতে আছে ভারত। সেটা ওই আইরিশদের বিরুদ্ধে পাওয়া জয়ে।

বৈরী দুই প্রতিবেশীর ক্রিকেট ইতিহাস বেশ পুরোনো। টেস্ট এবং ওয়ানডে ক্রিকেট আলোচনার আগে চোখ বুলানো যাক টি-টোয়েন্টিতে। ২০০৫ সালে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের যাত্রা। ভারত-পাকিস্তানের প্রথম দেখা ২০০৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের প্রথম বিশ্বকাপে। ওই আসরে দুদল দুবার পরস্পরের মুখোমুখি হয়। গ্রুপ পর্বের ম্যাচটি টাই হয়। পরে বোল-আউটে ম্যাচ জেতে ভারত। এরপর ফাইনালে আবারও দেখা হয় ভারত-পাকিস্তানের। সেখানে চির প্রতিদ্বন্দ্বীদের হারিয়ে প্রথম আসরে চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত। এরপর বিশ্বকাপে আরও ৬ বার দেখা হয় দল দুটির।

২০১২ ওয়েস্ট ইন্ডিজ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের জয় ৮ উইকেটের ব্যবধানে। ২০১৪ বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে ভারতের জয় ৭ উইকেটের ব্যবধানে, ২০১৬ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে আবারও হার পাকিস্তানের। এবার হারের ব্যবধান ৬ উইকেটে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের সবশেষ জয় ২০২২ অস্ট্রেলিয়া বিশ্বকাপে। সেবার ভারত জেতে ৪ উইকেটের ব্যবধানে। ছোট ফরম্যাটের বিশ্বকাপে পাকিস্তানের সাফল্য যে একবারের নেই তা নয়। ২০২১ দুবাই বিশ্বকাপে ভারতকে ১০ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করে পাকিস্তান। দুদলের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেট ইতিহাসে এটাই ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় জয়। পরিসংখ্যান যা বলছে, তাতে দুদল টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছে মোট ১২টি। তাতে ভারতের ৮ জয়ের বিপরীতে পাকিস্তানের জয় তিনটিতে। দুদলের খেলা একটি ম্যাচ টাই হয়েছে। বিশ্বকাপে মুখোমুখি হয়েছে দুদল ৮ বার। তাতে ৭ জয় ভারতের, পাকিস্তানের একটিতে।

ভারত-পাকিস্তানের ক্রিকেট লড়াইয়ের শুরুটা দেশ ভাগের ঠিক পর পরই। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশদের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে জন্ম হয় নতুন দেশ ভারত এবং পাকিস্তানের। বছর পাঁচেক পর ক্রিকেট ময়দানে মুখোমুখি হয় তারা। ১৯৫২ সালে দুদলের লড়াইয়ের শুরুটা সাদাপোশাকে টেস্ট ক্রিকেট দিয়ে। ওয়ানডেতে বৈরী দুদলের শুরু ১৯৭৮ সালে। ভারত-পাকিস্তান রাজনৈতিক যুদ্ধে বহুবার সমঝোতার প্রস্তাব নিয়ে; দুদলের বৈরিতা দূরীকরণে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে ভূমিকা রাখতে দেখা গেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে। কখনো ভারত আবার কখনো পাকিস্তানকে সমর্থন দিয়ে নিজেদের দায়িত্ব সেরেছেন মার্কিন কর্তারা। আটলান্টিকের ওপার থেকে ভারতবর্ষে মাতব্বরের ভূমিকা পালন করা দেশেই আজ যুদ্ধে অবতীর্ণ হচ্ছে ভারত-পাকিস্তান। অস্ত্র-ট্যাংক গোলবারুদ নিয়ে নয়, ব্যাট-বল হাতে। ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেটযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রও থাকছে। কাকতালীয়ভাবে একই গ্রুপে পড়েছে তিন দল। তবে ম্যাচে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা না থাকলেও একটা স্বার্থ ঠিকই আছে। টানা দুই ম্যাচ জিতে এই মুহূর্তে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে রয়েছে মার্কিনিরা। আজ ভারত জিতলে শীর্ষে ওঠার দারুণ সম্ভাবনা থাকছে রোহিতদের। হেরে গেলে পাকিস্তানের মতো ভারতও পেছনে পড়ে থাকবে। এমনটা হলে নিশ্চয়ই খুশি হবেন মার্কিন সমর্থকরা!
দুই বছর অপেক্ষা শেষে ছোট ফরম্যাটের টি-টোয়েন্টির লড়াইয়ে আজ আবারও মুখোমুখি হচ্ছে ভারত এবং পাকিস্তান। দুই দলের লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত কে জেতে, হারের তেতো স্বাদই বা কে গ্রহণ করে, সেদিকেই দৃষ্টি এখন পুরো ক্রিকেটবিশ্বের।

গোল্ডেন বুটের লড়াই: মেসি, এমবাপ্পে নাকি হালান্দ?

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৮ এএম
আপডেট: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৮:৩২ এএম
গোল্ডেন বুটের লড়াই: মেসি, এমবাপ্পে নাকি হালান্দ?
২০২৬ বিশ্বকাপে ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপে, আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি এবং নরওয়ের আর্লিং হালান্ডের খেলার সম্মিলিত ছবি | ছবি: এপি

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ তার চূড়ান্ত পর্যায়ে পদার্পণ করার সঙ্গে সঙ্গেই জমে উঠেছে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার ‘গোল্ডেন বুট’ জয়ের লড়াই। ফুটবলের কিংবদন্তিদের এক সময়ের দখলে থাকা এই মর্যাদাপূর্ণ ট্রফিটি নিজের করে নিতে বর্তমানে তিন তারকা ফুটবলার সমানে সমানে লড়াই করছেন। গোল্ডেন বুটের এই দৌড়ে এখন একে অপরের ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে, লিওনেল মেসি এবং আর্লিং হালান্দ।

গোল্ডেন বুটের দৌড়ে কে এগিয়ে?

বর্তমানে ৮টি গোল এবং ১টি অ্যাসিস্ট নিয়ে তালিকার শীর্ষে রয়েছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। তবে তার ঠিক পেছনেই আছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে (৮টি গোল ও ৩টি অ্যাসিস্ট)। নরওয়ের আর্লিং হালান্দ ৭টি গোল নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন। এছাড়া ৬টি গোল করে এই তারকাদের ঠিক পেছনেই অবস্থান করছেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি কেইন।

টুর্নামেন্ট শেষ হওয়া পর্যন্ত যে খেলোয়াড় সবচেয়ে বেশি গোল করবেন, ফাইনাল ম্যাচ শেষে তার হাতেই তুলে দেওয়া হবে গোল্ডেন বুট। দ্বিতীয় ও তৃতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতাকে যথাক্রমে দেওয়া হবে সিলভার বুট এবং ব্রোঞ্জ বুট।

যদি গোল সংখ্যা সমান হয়?

যদি দুই বা তার বেশি খেলোয়াড়ের গোল সংখ্যা সমান হয়, তবে বিজয়ী নির্ধারণ করা হবে অ্যাসিস্ট বা গোল করানোর সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে। যার অ্যাসিস্ট বেশি থাকবে, তিনিই পুরস্কারটি পাবেন। যদি অ্যাসিস্টের সংখ্যাও সমান হয়, তবে গোল এবং অ্যাসিস্ট করতে যে খেলোয়াড় সবচেয়ে কম সময় (মিনিট) মাঠে খেলেছেন, তাকেই বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।

আজহার/

‘সতীর্থদের কাছ থেকে সহযোগিতা পাননি রোনালদো’

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৯ এএম
‘সতীর্থদের কাছ থেকে সহযোগিতা পাননি রোনালদো’
ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ছবি: সংগৃহীত

স্পেনের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে পর্তুগাল। তবে দলটির পারফরম্যান্স নিয়ে আলোচনা থেমে নেই। এবার সেই আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন ফ্রান্সের সাবেক ফুটবলার ইউরি জোরকায়েফ। তার দাবি, পর্তুগাল দলে নিজের সতীর্থদের কাছ থেকেই যথেষ্ট সহযোগিতা পাননি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।

১৯৯৮ বিশ্বকাপজয়ী ফ্রান্স দলের সদস্য জোরকায়েফ মনে করেন, পর্তুগাল কখনোই রোনালদোকে সামনে রেখে দল সাজানোর চেষ্টা করেনি। বরং খেলার ধরনই বিশ্বের অন্যতম সেরা এই ফরোয়ার্ডকে শেষ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

ফরাসি সংবাদমাধ্যম আরএমসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জোরকায়েফ বলেন, ‘আপনি যদি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে দলে রাখেন, তাহলে পুরো দলকে তার জন্য খেলতে হবে। কিন্তু সেটা মোটেও হয়নি। মনে হয়েছে, সতীর্থদের কাছ থেকেই বয়কটের শিকার হয়েছেন তিনি। তারা তাকে সেরাটা দেওয়ার পরিস্থিতিই তৈরি করে দেয়নি।’

সাবেক এই মিডফিল্ডার আরও বলেন, ‘রোনালদোর খেলার ধরন বহু বছর ধরেই সবার জানা। তাই তাকে দলে রাখলে সেভাবে পরিকল্পনা করেই খেলতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা সবাই তাকে চিনি। সে সব সময় একই ধরনের ফুটবল খেলেছে। তাহলে তারা কী আশা করেছিল, সে হঠাৎ করেই নিজের খেলার ধরন বদলে ফেলবে? যদি তাকে দলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তাহলে দলকে তাকে কেন্দ্র করেই সাজাতে হবে। আর সেটা না চাইলে তাকে দলে ডাকা বা মাঠে নামানো উচিত নয়।’

বিশ্বকাপে পর্তুগালের হতাশাজনক বিদায়ের পর রোনালদোর ভবিষ্যৎ নিয়েও আলোচনা চলছে। যদিও আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেননি পাঁচবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই তারকা। সূত্র: টিওয়াইসি স্পোর্টস

এসজি/

সেমিফাইনালে স্পেনের প্রতিপক্ষ ফ্রান্স, খেলা কবে?

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৪ এএম
সেমিফাইনালে স্পেনের প্রতিপক্ষ ফ্রান্স, খেলা কবে?
কিলিয়ান এমবাপ্পে ও লামিনে ইয়ামাল। ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়ামকে ২-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে স্পেন। ২০১০ সালের পর প্রথমবারের মতো সেমিতে উঠেছে লা রোজারা। সেমিফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ বর্তমান রানার্সআপ ফ্রান্স। 

শুক্রবার (১০ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেনের পক্ষে গোল দুটি করেন ফাবিয়ান রুইজ ও মিকেল মেরিনো। বেলজিয়ামের একমাত্র গোলটি আসে চার্লস ডি কেটেলারের হেডে। 

ম্যাচের ৮৮ মিনিটে গোল করেন মিকেল মেরিনো। তিনিই শেষ ষোলোর ম্যাচে পর্তুগালের বিপক্ষে ৯১ মিনিটে গোল করে স্পেনের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছিলেন। এবার শেষ মুহূর্তে গোল করে স্পেনকে সেমিতে তুললেন এই মিডফিল্ডার। 

এর আগে, কিলিয়ান এমবাপ্পে ও উসমান দেম্বেলের গোলে মরক্কোকে ২-০ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করে ফ্রান্স। 

আগামী ১৪ জুলাই বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় ডালাস স্টেডিয়ামে ফ্রান্স ও স্পেন মধ্যকার সেমিফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে।

এসজি/

শেষ মুহূর্তে মেরিনো ম্যাজিক, বেলজিয়ামকে হারিয়ে সেমিফাইনালে স্পেন

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৩:০৬ এএম
আপডেট: ১১ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৫ এএম
শেষ মুহূর্তে মেরিনো ম্যাজিক, বেলজিয়ামকে হারিয়ে সেমিফাইনালে স্পেন
ছবি: সংগৃহীত

আবারও শেষ মুহূর্তের গোল, আবারও স্পেনের ত্রাতা মিকেল মেরিনো। নাটকীয় এক লড়াইয়ে বেলজিয়ামকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে স্পেন। অন্যদিকে কোয়ার্টার ফাইনালেই শেষ হয়েছে বেলজিয়ামের বিশ্বকাপ অভিযান।

শুক্রবার (১০ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাতে অনুষ্ঠিত ম্যাচের ৩০ মিনিটে ফাবিয়ান রুইজের গোলে এগিয়ে যায় স্পেন। তবে ৪১ মিনিটে চার্লস ডি কেটেলারের দারুণ হেডে সমতায় ফিরে বেলজিয়াম। তাতে সমতায় শেষ হয় প্রথমার্ধের খেলা।

দ্বিতীয়ার্ধে শুরু থেকেই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে ম্যাচ। ৫৫ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পায় বেলজিয়াম। বক্সের ভেতরে বল পেয়েও লক্ষ্যে শট রাখতে পারেননি ম্যাক্সিম ডি কুইপার। তার শট চলে যায় জালের বাইরের অংশে।

এরপর দুই দলই গোলের সুযোগ তৈরি করে। লামিনে ইয়ামাল দুর্দান্ত দক্ষতায় বদলি হিসেবে নামা সেইসকে পরাস্ত করে শট নেন, তবে থিবো কোর্তোয়া ঝাঁপিয়ে পড়ে তা ঠেকিয়ে দেন।

পাল্টা আক্রমণে বেলজিয়ামও সুযোগ তৈরি করে। জেরেমি ডোকু ডান দিক থেকে বল বাড়ানোর চেষ্টা করেন রোমেলু লুকাকুর উদ্দেশে। তবে সেই আক্রমণ প্রতিহত করে স্পেনের রক্ষণভাগ। এ সময় বেলজিয়ামের খেলোয়াড়রা হ্যান্ডবলের আবেদন করলেও রেফারি তাতে সাড়া দেননি।

৬৩ মিনিটে আবারও ইয়ামালের প্রচেষ্টা দুর্দান্ত দক্ষতায় রুখে দেন কোর্তোয়া। একের পর এক সেভে বেলজিয়ামকে ম্যাচে ধরে রাখা এই গোলরক্ষক পরে চোটের কারণে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। খেলা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেও শেষ পর্যন্ত পারেননি তিনি। তার পরিবর্তে মাঠে নামেন সেন লামেন্স। অশ্রুসিক্ত চোখে মাঠ ছাড়েন কোর্তোয়া।

ম্যাচের ৮৪ মিনিটে গোলের সুযোগ আসে স্পেনের সামনে। রদ্রির বাড়ানো বল বক্সের ভেতরে পেলেও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেননি ইয়ামাল।

তবে শেষ পর্যন্ত স্পেনের জয়ের নায়ক হয়ে ওঠেন মেরিনো। ম্যাচের ৮৮ মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন তিনি। এর আগে শেষ ষোলোর ম্যাচে পর্তুগালের বিপক্ষে ৯১ মিনিটে গোল করে স্পেনকে জয় এনে দিয়েছিলেন এই মিডফিল্ডার।

এবারও গোলের পেছনে ছিল বেলজিয়ামের ভুল। বক্সের বাইরে থেকে পাউ কুবারসির নেওয়া শট নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি বদলি গোলরক্ষক সেন লামেন্স। তার হাত ফসকে বল চলে যায় মেরিনোর সামনে। সহজ সুযোগ কাজে লাগিয়ে বল জালে পাঠান স্প্যানিশ মিডফিল্ডার।

তবে যোগ করা সময়ে (৯০+৩ মিনিট) নাটকীয়ভাবে আবারও সমতায় ফেরার সুযোগ পেয়েছিল বেলজিয়াম। তারা আক্রমণে উঠলে অপ্রত্যাশিত ভুল করে বসেন স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমন। আক্রমণ ঠেকাতে তিনি গোলপোস্ট ছেড়ে অনেকটা বাইরে চলে আসেন।

সেই সুযোগে বল পেয়ে যান আলেক্সিস সায়েলেমেকার্স। কোণটি কঠিন হলেও তখন সামনে ছিল ফাঁকা গোলপোস্ট। সরাসরি শট নেওয়ার সুযোগ থাকলেও তিনি শট না নিয়ে রোমেলু লুকাকুর উদ্দেশে ক্রস বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু তার সেই ক্রস আটকে দেন আইমেরিক লাপোর্তে। ক্লিয়ার করা বল আবারও ফিরে যায় সিমনের হাতে। এমন সহজ সুযোগ হাতছাড়া করে হতাশ হতে হয় বেলজিয়ামকে। 

রেফারির শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই উল্লাসে মেতে ওঠে স্পেন শিবির। দ্বিতীয় দল হিসেবে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে তারা। আর কোয়ার্টার ফাইনালেই শেষ হয়ে যায় বেলজিয়ামের বিশ্বকাপ স্বপ্ন।

এসজি/

রুইজ-কেটেলারের গোলে প্রথমার্ধ শেষে সমতায় স্পেন-বেলজিয়াম

প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ০২:০০ এএম
আপডেট: ১১ জুলাই ২০২৬, ০২:০৫ এএম
রুইজ-কেটেলারের গোলে প্রথমার্ধ শেষে সমতায় স্পেন-বেলজিয়াম
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেন ও বেলজিয়ামের মধ্যকার রোমাঞ্চকর লড়াইয়ের প্রথমার্ধ শেষ হয়েছে ১-১ সমতায়। শুরুতে ফাবিয়ান রুইজের গোলে এগিয়ে গেলেও সেই লিড ধরে রাখতে পারেনি স্পেন। পরে চার্লস ডি কেটেলারের দুর্দান্ত হেডে সমতায় ফেরে বেলজিয়াম।

শুক্রবার (১০ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় শুরু হয় ম্যাচটি।

ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখলে রেখে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে স্পেন। তবে প্রথম দিকে বেলজিয়ামের রক্ষণভাগ ভাঙতে বেশ বেগ পেতে হয় লা রোজারাদের।

অবশেষে ম্যাচের ৩০ মিনিটে আসে কাঙ্ক্ষিত গোল। বাম প্রান্তে দুর্দান্ত দক্ষতায় জেরেমি ডোকুকে পরাস্ত করে নিচু ক্রসে বল বাড়ান পেদ্রো পোরো। তার বাড়ানো বল পেয়ে বক্সের মাঝখান থেকে শট নেন দানি ওলমো। তবে সেই প্রচেষ্টা দারুণ দক্ষতায় প্রতিহত করেন বেলজিয়ামের গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া।

কিন্তু ফিরতি বল চলে আসে ফাবিয়ান রুইজের সামনে। সুযোগ কাজে লাগিয়ে শক্তিশালী শটে বল জালে পাঠান তিনি। শটটি তিমোথি কাস্তানিয়ের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করলেও শেষ পর্যন্ত বেলজিয়ামের জালে জড়ায়। ফলে ১-০ গোলে এগিয়ে যায় স্পেন।

এরপর ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করে স্পেন। ম্যাচের ৩৬ মিনিটে বক্সের ঠিক বাইরে ফ্রি-কিক পায় তারা। লামিনে ইয়ামালের নেওয়া দুর্দান্ত শট অবশ্য ঝাঁপিয়ে পড়ে ঠেকিয়ে দেন কোর্তোয়া।

কিছুক্ষণ পর আবারও আক্রমণে উঠেন ইয়ামাল। দুর্দান্ত ফুটওয়ার্কে ডোকুকে পেছনে ফেলে কাছের পোস্ট লক্ষ্য করে শট নেন তিনি। তবে অল্পের জন্য সেটি পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়।

তবে স্পেনের আক্রমণের মধ্যেও সমতায় ফিরতে বেশি সময় নেয়নি বেলজিয়াম। ম্যাচের ৪১ মিনিটে তিমোথি কাস্তানিয়ের অসাধারণ ক্রসে বক্সের ভেতর থেকে দারুণ হেডে গোল করেন চার্লস ডি কেটেলারে। চলতি বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো স্পেনের জালে বল জড়াল কোনো দল।

এরপর আর কোনো গোল না হওয়ায় সমতায় থেকেই বিরতিতে যায় দুই দল।

প্রথমার্ধে আধিপত্য ছিল স্পেনের। তারা বেলজিয়ামের গোলমুখে মোট ১০টি শট নেয়, যার মধ্যে ৩টি ছিল লক্ষ্যে। অন্যদিকে, বেলজিয়াম ২টি শট নিয়ে একটি লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয়।

এসজি/