গেল অক্টোবরের নিজেদের মাঠে বাংলাদেশের বোলারদের ওপর তাণ্ডব চালিয়ে ২৯৭ রান করেছিল ভারত। সেই ফর্মের ধারাবাহিকতায় সিরিজজুড়ে ভারতের ব্যাটাররা বেধড়ক পিটিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদেরও। সাঞ্জু স্যামসন ও তিলক ভার্মার জোড়া শতকে রেকর্ড গড়ে সিরিজ জিতল ভারত।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে স্বাগতিক বোলারদের বেধড়ক পিটিয়েছেন স্যামসন ও তিলক। এই দুইয়ের জোড়া শতকে ১ উইকেট হারিয়ে ২৮৩ রান করে ভারত। এটি আবার ঘরের বাইরে ভারতের সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ টি-টোয়েন্টিতে।
এর আগে, ভারতের রেকর্ডটি ছিল ২৪৪ রানের। ২০১৬ সালে উইন্ডিজের বিপক্ষে করেছিল ভারত সেই রান। সেই রেকর্ড ভাঙার দিনে সিরিজে জয় তুলেছে ভারত ৩-১ ব্যবধানে।
শেষ ম্যাচে শুরু থেকেই প্রোটিয়া বোলারদের নাজেহাল করে দেয় ভারত। অভিষেক শর্মা ১৮ বলে ৩৬ রান করে সাজঘরে ফিরে যান দলীয় ৭৩ রান। এরপর আরও চড়াও হন সাঞ্জু স্যামসন ও তিলক ভার্মা। তাদের লাগাম টানতে ব্যর্থ হয় স্বাগতিক বোলাররা।
দুই ব্যাটারই পেয়েছেন শতকের দেখা। ৫১ বলে সেঞ্চুরি করেছেন স্যামসন, একই মাইলফলক ছুঁতে তিলক খেলেছেন মাত্র ৪১ বল। পথে দ্বিতীয় উইকেটে অবিচ্ছিন্ন ২১০ রানের জুটি গড়েন দুজন। যা টি–টোয়েন্টিতে যেকোনো উইকেটে ভারতের সর্বোচ্চ এবং আন্তর্জাতিক টি–টোয়েন্টিতে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে সর্বোচ্চ সংগ্রহ। সাঞ্জু ১০৯ ও তিলক অপরাজিত ছিলেন ১২০ রান করে।
বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সুবিধা করতে পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা। ৩ ওভারে ১০ রান তুলতেই হারিয়ে বসে ৪ উইকেট। সেখানেই মূলত ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় তারা।
পঞ্চম উইকেট জুটিতে স্টিস্টান স্টাবস ও ডেভিড মিলার ৮৬ রানের জুটি গড়ে কেবল হারের ব্যবধান কমাতে পেরেছেন। তাতেও যে খুব কমানো গেছে এমনটাও নয়। ১৮.২ ওভারে ১৪৮ রান অলআউট হয়ে ১৩৫ রানের বড় ব্যবধানে হেরেছে প্রোটিয়ারা। স্টাবস ৪৩ এবং মিলার করেন ৩৬ রান।
ভারতের হয়ে অর্শদীপ সিং সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নেন। ২টি করে নেন বরুন ও অক্ষর। ১টি করে উইকেট গেছে হার্দিক, রমনদীপ সিং ও রবি বিষ্ণুইয়ের ঝুলিতে।