প্রথম ইনিংসে ১৫০ রানে অল আউট হয়ে অস্ট্রেলিয়াকে ১০৪ রানে অল আউট করে দেয় ভারত। ফলে ৪৬ রানের লিড পেয়ে লড়াইয়ে ফেরার আভাস দেয় সফরকারীরা। তবে বুমরাহ’দের জন্য ম্যাচে শক্তভাবে ফিরে আসা কঠিন মনে হলেও তা ভুল প্রমাণ করে দিয়েছে তার দলের ব্যাটাররা।
দ্বিতীয় দিন যশস্বী জয়সওয়াল ও লোকেশা রাহুলের জুটিতে বিনা উইকেটে ১৭২ রান নিয়ে দিন শেষ করা ভারতের লিড দাঁড়ায় ২১৮ রান। দ্বিতীয় দিন শেষে চালকের আসনে থাকা ভারত তৃতীয় দিনে পার করেছে ৪০০ রানের লিড।
আগের দিন ৯০ রানে অপরাজিত থাকা জয়সওয়াল তৃতীয় দিনে তুলে নেন শতক ছক্কা হাঁকিয়ে। ২০০১ সালের পর তিনজন বিদেশি ক্রিকেটার অস্ট্রেলিয়ায় ছক্কা হাঁকিয়ে সেঞ্চুরি করেন। প্রথমজন ২০০৩ সালে রাহুল দ্রাবিড়, ২০০৯ সালে ক্রিস গেইল আর এবার জয়সওয়াল।
আরেক ওপেনার রাহুলও শতকের দেখা পাবেন মনে হলও ৭৭ রান করে স্টার্কের বলে অ্যালেক্স ক্যারিকে ক্যাচ দিয়ে ফিরে গেলে ২০১ রানে প্রথম উইকেটের পতন ঘটে ভারতের। পরে দেবদূত পাডিক্কালের সঙ্গে পঞ্চাশ রানের জুটি পার হয় জয়সওয়ালের। পার হয় ৩০০ রানের লিডও। তবে দ্বিতীয় সেশনের প্রথম বলেই দেবদূত পাডিক্কাল সাজঘরের পথ ধরেন ২৫ রান করে হ্যাজলউডের বলে। ২৭৫ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় ভারত।
দুই উইকেটের পতন হলেও থেমে যাননি জয়সওয়াল। ২২ বছর ৩৩২ দিন বয়সে টেস্ট ক্যারিয়ারে চতুর্থবার ১৫০ রানের বেশি ইনিংস খেললেন যশস্বী জয়সোয়াল। এর আগে, ২৩ বছর বয়সে ৪ বার ১৫০ রান ছুঁয়েছেন শচীন টেন্ডুলকার। একই কীর্তি গ্রায়েম স্মিথ ও জাভেদ মিয়াঁদাদেরও আছে। সর্বোচ্চ ৮ বার ১৫০ স্পর্শ করা রেকর্ডটি ডন ব্র্যাডম্যানের।
দলীয় ৩১৩ রানে জয়সওয়াল ফিরে যান ১৬১ রানে অনবদ্য ইনিংস খেলে। তাকে ফেরান মিচেল মার্শ স্মিথের ক্যাচ বানিয়ে। এরপর আরও দুই উইকেট হারায় ভারত দ্রুত। ৩২০ রানে ঋষভ পন্ত নাথান লায়নের বলে স্টাম্পিং হন ১ রান করে। দলের স্কোরবোর্ডে ১ রান যোগ হওয়ার পর ধ্রুব জুরেলও ফিরে যান ১ রান করে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে কামিন্সের বলে।
এখন পর্যন্ত ভারতের স্কোরবোর্ডে রান ৫ উইকেট হারিয়ে ৩৫৮ এবং লিড দাঁড়িয়েছে ৪০৪ রান। বিরাট কোহলি ৪০ ও ওয়াশিংটন সুন্দর অপরাজিত আছেন ১৩ রানে।